মুঠো ফোনের কাব্য (মাছরাঙ্গার ব্লগ থেকে)
১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
মুঠো ফোনের কাব্য
১৬ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৯:২৯
আপনি মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে যান, কিছু একটা লিখুন, পাঠিয়ে দিন আপনার কাঙ্খিত নম্বরে। অপেক্ষা করুন প্রাপকের ম্যাসেজ ব্যাক করার। তারপর সাজিয়ে নিন এভাবে। হয়ে গেল মুঠো ফোনের কাব্য।
১.প্রস্তরলিপি
আপনি:
ভাবি যে আমার অনেক হল
তোমাকে পেয়েছি বন্ধু করে
কিন্তু তবু ভয় কাজ করে
ভালবাসা বুঝি নেই একেবারে
তাই বলে কেন ছেড়ে দেব শুভআশা
মনের মধ্যে কামনারা গড়ে বাসা।
আমি:
কি আশ্চর্য ম্যাজিক জানি আমি
যা চাই -
তা পাই না কোনদিন
যা ছুঁই -
তা কেবলই স্পর্শের বাইরে চলে যায়
কোন নবাগত: আমার আরাধনা নয়
কোন প্রাচীন: আমার আক্ষেপ নয়
কোন অর্বাচীন:
স্বপ্ন দেখি না আমি বহুদিন
স্বপ্ন দেখতেই জানি না বোধ হয়।
২. নদী ও নাইয়া
আপনি:
আকাশটা জলে ভরা
মনটা ভরা শুন্যতায়
এমন কি কখনও হবে
ভাসবে রে মন পূর্ণতায় ?
আমি:
জলের নদী শুকিয়ে গেছে
চিতল বুকে চিরের দাগ
আর চাইনে উথাল জল
মরা হৃদয় শুন্য থাক
আপনি মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে যান, কিছু একটা লিখুন, পাঠিয়ে দিন আপনার কাঙ্খিত নম্বরে। অপেক্ষা করুন প্রাপকের ম্যাসেজ ব্যাক করার। তারপর সাজিয়ে নিন এভাবে। হয়ে গেল মুঠো ফোনের কাব্য।
১. জলপরী
প্রেরক:
এই বাহারী কবিতা খেলা
ঢেউ জাগালো মনে
জলের চাইতে নিরব কিছু
ভিজলো সঙ্গোপনে।
গ্রাহক:
আঁধারে আকাশে মেঘ ভাসে
শ্বেত কপোতের মত যায় ভেসে
কি কহিব তারে,
সাদা মেঘ ? কালো মেঘ?
কি কহিব তারে,
কায়া ? মায়া ? উদ্বেগ।
২. বাসা বাড়ি
প্রেরক:
আশার বাসা নাই,
বাসার থাকে না কোন আশা
আমার স্বপ্ন আছে
আছে তার উড়বার নেশা।
গ্রাহক:
বসতি বলে ছিল না কিছু
কোন কালে
প্রান্তিক পা তে যাযাবর চলি
নিরুদ্দিষ্ট পৃত্থিলয়ে
মুঠোফোনের কাব্য
১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৮
১. আঁধার রাতি
প্রেরক:
একা রাত শুয়ে থাকি কবিতার সাথে
তাকিয়ে কেবলই আমি দেখি সব
অমিত মুহূর্ত জমিয়ে তুলছি চুপে
কখনও শুনব ভাবি অধরার রব।
প্রাপক:
অন্ধ আঁধার বলে, চুপ
ফিসফিস
বিমূর্ত বধিরের ভাষা লভিয়াছি বুকে
নিস্তব্ধততায় পেলাম অধরা আলো, সম্মুখে।
২.ভালবাসাবাসি
প্রেরক:
উদয়ের অহমে পুড়ে যেত প্রভাত
আজি তার মন ভার
কুসুম মঞ্জুরি এলায়ে পড়েছে
তুলে নিয়ে কে রচিবে হার।
প্রাপক:
ঝরাফুলের বেদনা ঘোচাতে
চিরকাল বুক পেতে রাখে মাটি,
জেনেছি হাজারো বেদনা সয়ে
ভালবাসাটাই শুধু খাটি
মুঠো ফোনের কাব্য - ৪
২৪ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭
১. সুর খুঁজে নেই
:
যাচ্ছি গানের দেশে
যত পারি সুর খুঁজে নেব
তোমার কানেতে ফিরে বসি
পায়েতে ঘুঙর হয়ে যাব।
:
চারদিকে এখন পালাবদলের গান
জনতার সুরে ভাঙে প্রাচীন কারা
ঘুঙুর খোলার সময় এসেছে
খালি পায়ে মিশে হই হারা।
২. জানালা খুলে দেই
:
আমি তোমার রৌদ্র হব
আঁধার দিনে,
দমকা বাতাস তোমার পায়ে ঘুর্ণি খেলে
দীঘল নিঃশাস তোমার পাশে শুইতে চাবে,
আমি তখন হাত পাখাটা নাড়িয়ে দেব।
:
গানে ডুবে খুঁজি খোলা হাওয়া
কে জানে কোথায় লুকালো সে
চুপিসারে
তোমার মুখটা মনে পড়লে বুঝি
ওতেই আমার প্রশ্বাস বাঁচিবারে।



















লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না