আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

কাব্য-সমালোচনা: কাশেম বিন আবু বকর এর "বিজয় নিশান"

১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:২২

শেয়ারঃ
0 0 0

তাগুদী শক্তি দিন দিন মানবতাকে ধ্বংষের পথে নিয়ে যাচ্ছে। তার মাঝে কচিত উদিত হয় বিজয় নিশান। সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্বের মাঝে সত্যকে বিজয়ী করার মুলমন্ত্র নিয়ে উদ্দীপনা জাগাতে বিখ্যাত কবি কাশেম বিন আবু বকর এর "বিজয় নিশান" এক যুগান্তকারী সৃষ্টি। কবিতার প্রতিটি শব্দে উচ্চারিত প্রবল প্রত্যয় আর আশাবাদ যেমন এক উৎসর্গকারী জীবনের মহত্ব ও ত্যাগকে তুলে ধরে, তেমনি তা আমাদের কাছে এক ইন্দ্রজালিক মোহাচ্ছন্নতা তৈরী করে। এমন একটা অবস্থা অনুভব করতে সক্ষম হই যেখানে দিন ও রাতের কোন অস্তিত্ব নেই। যেমন কবি তার অত্যন্ত জ্ঞানদীপ্ত উচ্চারনে জানিয়েছেন "আমার কাছে নাই কোন দিন আর রাত", যা তার দিন রাতের বাণিজ্যের প্রতি আমাদের বোধকে আগ্রহী করে না, আমরা বুঝতে সক্ষম হই তার প্রানন্ত প্রচেষ্টায় তিনি রাতেও দিনের মত কর্মক্ষম, যুদ্ধে অবিচল, তদ্রুপ দিনেও তিনি রাতের মত উৎসর্গকারী, নিবেদিত।

কবি আজকের যান্ত্রিক যুগের যাবতীয় বায়ুদুষণ ও পরিবেশ বিনাশী কর্মকান্ড সন্বন্ধে অত্যন্ত সজাগ। তিনি বাতাসের সীসার মাত্রা বৃদ্ধিতে উৎকন্ঠিত। তাছাড়া মানুষ এখন যে মাত্রায় যানবাহন নির্ভর হয়েছে তাতে তার শারীরিক ও মানসিক স্থবিরতা একটা চলমান প্রক্রিয়া। কবি সেটাকে পরিবর্তনের প্রায়াস খুজেছেন। তিনি তার উদাহারণ দিয়েছেন এভাবে, " হেঁটে হেঁটে দিই শুধু দ্বীনের দাওয়াত"। দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী এ চরনে এক যুগান্তকারী নিরীক্ষা আমরা দেখতে পারি। সমস্ত মানবতাকামী মানুষ যুগে যুগে পৃথিবীর মানুষকে আহবান করেছেন অপার শান্তির দিকে। সেজন্য তারা কোন বিশেষ গোত্র, ব্যক্তির বৈসম্য করেননি। কবি এখানে হেঁটে হেঁটে পৌছে যেতে চান সকল মানুষের কাছে যা কখনই যান্ত্রিক জীবনের যন্ত্র অনুষঙ্গে সম্ভব নয়।

কাশেম বিন আবু বকরের চার লাইনের কবিতাটির পরবর্তী দুই লাইনে তিনি তার প্রচেষ্টার সাফল্য সুনিশ্চিত করার এক সম্ভাবনা দেখেছেন। তিনি দেখতে পেয়েছেন দ্বীনের পতাকা আকাশে উড়ছে। এখানে কবি সে নিশান কোন দন্ডে স্থাপিত হয়ে আকাশে উড়ার দৃশ্যপটের কথা বলেননি। কবি এখানে দেখতে বলেছেন কল্পনার চোখে পুরো আকাশ জুরে এক দ্বীনি পতাকার অস্তিত্ব। কবি জোর দিয়ে বলেছেন, "আসমানে উড়ে ওই দ্বীনের নিশান", তারমানে তিনি দেখছেন, নিশানকে পতপত উড়তে, তিনি হেঁটে হেঁটে মানুষের কাছে পৌছেন আর পরক্ষণেই আকাশে দেখেন এক দ্বীনি নিশান। এটা একধরণের একটিভিটি মেজারমেন্ট টুলের মত যা কবিকে উদ্বুদ্ধ করে তার অর্জনকে দেখার জন্য।

এরপরে কবি সত্য-মিথ্যার সন্ধিক্ষণের এক আপ্তবানী আমাদের উপহার দেন। কবি মানুষকে আহবান করে কি বলতে চান তা তিনি এতক্ষণ কিঞ্চিত বুঝিয়েছেন কিন্তু আসল উদ্দেশ্য তিনি এবার স্পষ্ট উচ্চারণে জানিয়ে দিলেন, "জিহাদের তরবারিতে দাও তুমি শান", এটা এক অমোঘ নিয়তি, কারণ হেঁটে হেঁটে দ্বীনি নিশান দেখানোর পরে সে মানুষের কি করণীয় হবে সেটাও জানানো দরকার। কবি উদ্বুদ্ধ মানুষকে আধুনিক কোন মারনাস্ত্র ব্যবহার করতে দিতে চান না। বিশেষত ভার্জিনিয়া টেক ম্যাসাকারেরর পর সাধারণ জনগণের বন্দুক, পিস্তল, রিভলবারের ব্যবহারে বিশ্ব নিরুৎসাহিত করতে শুরু করায় তিনি নতুন উদাহারণ তৈরী করতে চান। তিনি সেই প্রাগৈতিহাসিক ও পরিবেশ বান্ধব তরবারীর প্রচলনকে আবারো শুরু করতে চান। তিনি জানাতে চান এটা এক নতুন জীবন বিধান যা মানুষকে দিতে পারে তরবারী, সুতরাং শান দেয়া দ্বীনি দায়িত্ব, এটা উব্দেলিত করবে মানুষের আশাবাদ।

কবিতার প্রতিটি শব্দে এক দ্রোহ, এক শ্রমলব্ধ অর্জন, এক কল্পনার আকাশ ভ্রমণ, সময়সচেতন অস্ত্র ব্যবহারের উপকারীতা এবং সর্বপরি আমরা দ্বীনি দাওয়াতের কাজের ধরণ, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য সন্বন্ধে অবগত হতে পারি। কবি নিজে এক মহান আন্দোলনের পথিকৃত হিসাবে কবিতটিকে মাও সেতুং এর রেডবুকের মত অবশ্যপাঠ্য করার জন্য জোরদার দাবী থাকলো।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৪৬
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: এটা কি কবিতা
মনে হয় ভাল হয়েচে
পাচ দিলাম ।
কপই রাকলাম পরে পড়ে নেবো!

আর আমাকে কেন আগুনের মনিতে নেওয়া হবেনা
২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: আমি আগুনের পরশমনির অতিথি হমু !!! আমারে খেলা নিতে হবে!!!
৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:০০
তারেক রহিম বলেছেন: আচ্ছা, সস্তায় ভাল তরবারি কই পাওয়া যাবে?
৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৮
অমিত বলেছেন: ঠিক মানতে পারলাম না। পরিবেশ আগে না দ্বীন আগে ?? এ আধুনিক যুগে মানুষ যখন দূর নক্ষত্রে যাওয়ার চেষ্টায় রত, সেখানে পায়ে হেটে আপনি আপনার দ্বীনকে কি বেশী দূরে নিতে পারবেন ? এ দ্বীনের প্রতি অন্যায়, কাশেম বিন বকর এর মত মহান কবির জেহাদি মনোভাবের প্রতি অন্যায়।
আর জেহাদের তরবারি বলতে কবি কি বুঝিয়েছেন সেটাও আপনি বুঝতে পারেন নি..এই আধুনিক মারনাস্ত্রের যুগে তরবারি দিয়ে খুব বেশি হলে আপনি নিজের গলা কাটতে পারবেন, এর বেশি কিছু নয়। জিহাদ তখনই হবে যখন একজন মানুষ মুসলিম হিসাবে এই পৃথিবীতে আসবে, অন্য ধর্ম থেকে রূপান্তরিত হয়ে নয়। সুতরাং, বুঝতেই পারছেন, তরবারি কি, আর কেনই বা কবি তাকে শান দিতে বলেছেন। আমরা আশা করছি, কবি তার পরবর্তী কবিতায় আমরা কিভাবে তরবারিতে শান দিব, তার বিশদ বর্ণনা দিবেন।
৮. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:১১
আঈজুদ্দিন চৌধুরী বলেছেন: অঃরঃপিঃ তরবারি শান
পোলা পাইন খিয়াল কইরা
৯. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:১২
কেমিকেল আলী বলেছেন: আর কবির কবিতার বর্ননা বিশদভাবে দাদা আমাদের কে ব্যাখা করবেন, যাতে পরকালে উহার উততর আমার নোটের মত কইরা লিখতে পারি।
১০. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৩৩
কৌশিক বলেছেন: অমিত, আপনিতো ভয় দেখালেন!
১১. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪২
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: কবিতা পড়ি নাই, তয় আপনের লিখা পইড়াই জিহাদি তাগুদ অনুভব করতেছি। উনাকে আরবী হরফে বাংলা লিখনের সাজেশন দেওন যায়। খোদার আরো কাছাকাছি থাকবেন।
১২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩
অমিত বলেছেন: আরে ভাই আমি নিজেই ভয়ে আসি, জেহাদের তরবারি, কোন দিকে হান্দায় কেডা কইতে পারে!! দিনকাল যা পরসে...
১৩. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৫
আরিফ জেবতিক বলেছেন: বাংলা সাহিত্যে ফররুখ যুগের পর যে নতুন জাঝা যুগের উদ্ভব দেখা যাচ্ছে,সেটা নিয়ে আপানর গবেষনা এক অতুলনীয় সম্পদ হিসেবে সমালোচনা সাহিত্যে জায়গা করে নেবে।

তবে কিছু কিছু কবিতার সমালোচনার সময় তাতে সিমিলি,মেটাফর ইত্যাদি টার্মের ব্যাপারে বিস্তারিত ব্যাখা চাই ,যাতে জিহাদ পরবর্তী যুগে এই কবিতাগুলো অনার্স ক্লাসে পাঠ্য হইলে আপনার নোট তখন ২০ মার্কের কাজে আসে।
১৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৬
অঃরঃপিঃ বলেছেন: আমি কইলাম আরবিতে লিটার পাইছি, খুউব খিয়াল কইরা...
১৫. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৭
তারেক রহিম বলেছেন: আচ্ছা, তরবারি না পাওয়া গেলে বড় ছুরিতে চলবে না, কোরবানির সময় যেইটা ইউজ করে? আর শানপাথর কই পাওয়া যায়? খুব টেনশনে আছি ভাই, এইগুলাতো এখন জরুরী প্রয়োজন। কবি জারীর বলছেন আর ঘুমানোর সময় নাই।
১৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫০
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: [আচ্ছা, তরবারি না পাওয়া গেলে বড় ছুরিতে চলবে না, কোরবানির সময় যেইটা ইউজ করে?]

ক্যান, বকরি কাটবেন নাকি?
১৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫১
অমিত বলেছেন: তারেক রহিম..ঈশ্বর প্রদত্ত তরবারির জেহাদি ব্যবহার শুরু করেন..তাহলেই আপনার জন্য রয়েছে উত্তম জাঝা .। .
১৮. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৪
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: ঈশ্বর প্রদত্ত তরবারির জেহাদি ব্যবহার?

অশ্লীল ইংগিত দিলেন না ত? বকরি আপনেরে খাইছে !
১৯. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৭
তারেক রহিম বলেছেন: যুঞ্চিক্তঃ ভাল তরবারির শর্ট আছে। জিহাদে তো শামিল হইতে হবে। কিছু একটা তো লাগবে। কাটা ছুরির ধার মাশাআল্লাহ খারাপ না।
অমিতঃ জৈব অস্ত্র ব্যবহার গনিমতের মালের উপর হবে। আপাতত তরবারি।
২১. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৯
শমশের আলম বলেছেন: ওরে খাইছে! ক্যাঠায় লেখছিলো এই মহাকাইব্যটা। অক্ষনই পইড়া আসি। এখন থিকা আমিও সমালোচনা দেওয়া ধরুম নামজাদা ব্লগারগো পোস্টের।
২২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:০০
যুঞ্চিক্ত বলেছেন: কাটা ছুরির ধার?
এই না কৈলেন জৈব অস্ত্র ব্যবহার করবেন না!
২৩. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:০০
মুকুল বলেছেন: এই মহান কবিতাটির প্রতি আমিই কৌশিক ভাইয়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিলাম। আমারেও একটু ধন্যবাদ দেন সবাই। ৫
২৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:০৪
কৌশিক বলেছেন: মুকুল আপনাকে একলক্ষ তরবারীর শুভেচ্ছা। আপনি আমাকে এমন আরো কবিতার খবর প্রদান করিয়া অজস্র তরবারীর ধন্যবাদ গ্রহণ করিবেন আশা করি।
২৫. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:০৬
তারেক রহিম বলেছেন: যুঞ্চিক্ত : কি বলব বলেন? বকরি লিখতে গেলে আজকাল কীবোর্ডও বিট্রে করে, কোথায় কোন স্ক্রিপ্ট চলে আল্লাহ মালুম।
২৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:১১
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: পুরা পাঞ্জেরি !

দিশা দেখানোর পাঞ্জেরি না, পাঞ্জেরি গাইড !
২৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৪
আরিফ জেবতিক বলেছেন: মুকুলকে আমার ভাগের দুইটা হুরি দিলাম।(বেশি দিতে পারলাম না কারন আঈজু,শমশের আর হোসেইন কাইলকা কইছে তারা আমার ভাগের বাকিগুলো লইয়া যাইব গা।)
২৮. ১৭ ই মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৩
দ্রোহী বলেছেন: এইরকম অসাধারণ সাহিত্য সমালোচনা পড়ার সুযোগ আমার পুরো জীবনে বড়জোর দুই একটা মিলবে- আজ প্রথমটা পড়লাম।
২৯. ১৭ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:১১
হাসিব বলেছেন: মুকুল ৫ + কৌশিক ১৫ = ২০
৩১. ১৭ ই মে, ২০০৭ বিকাল ৫:২৭
তারেক রহিম বলেছেন: হাসিব ভাই, কি দিলেন? আপনার ভাগের হুরি নাকি?
৩২. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩২
অলৌকিক হাসান বলেছেন: কৌশিক @ কাশেমের কবিতার লিংকটা দিলে ভালো করতেন। জারীর-এর কবিতাটা পড়া ছিল বলে ভালো লেগেছিল আপনার সমালোচনা।
৩৪. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৯
হোসেইন বলেছেন: যেরা এরুম একটা মহান কবিতা পড়েন নাই,তাগো লাইগা !@@!689197
৩৫. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
হিমু বলেছেন: কিন্তু তলোয়ারে বেশিক্ষণ শান দিলে তলোয়ারের লুব অয়েল লিক করে :(
৩৬. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩০
হিমু বলেছেন: কিন্তু তলোয়ারে বেশিক্ষণ শান দিলে তলোয়ারের লুব অয়েল লিক করে :(
৩৭. ১৭ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩১
চোর বলেছেন: বাল। চার লাইনের কবিতার ৫ প্যারা ব্যাখ্যা!
৩৮. ১৮ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১১
হযবরল বলেছেন: এইটা একটা গুরুত্বপূর্ণ কবিতা। এইটা নামাইতে পারেন।
Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ