রিমান্ডে রাজনৈতিক বিগশটরা যেভাবে তাদের কৃত অপকর্মের বয়ান দিচ্ছেন তাতে এটা মনে হতে বাধ্য যে খুব ভাল ব্যবহার তাদের সাথে করা হচ্ছে না। পায়ুপথে ডিম্ব প্রবেশ থেকে শুরু করে নানাবিধ পুলিশী নির্যাতনের ভব্যতা ছাড়িয়ে যাওয়ায় তারা গড়গড় করে ওরাল বয়োগ্রাফী লিখে চলছেন। এতে দুইধরণের প্রতিক্রিয়া তৈরী হচ্ছে জনগণের মধ্যে -
১. পত্রিকা এক গোপনসূত্রের মাধ্যমে রিমান্ডের খবর পেয়ে যাচ্ছে । এই গোপনসূত্র অনুসন্ধানের চেষ্টা না করতে যাওয়াই ভাল। খোদ আমেরিকায় বিচার ব্যবস্থাকে থোড়াই কেয়ার করে সূত্র না বলে নিউইয়র্ক টাইমসের জুডিথ মিলার পর্যন্ত জেল খেটেছেন। কিন্তু পত্রিকায় যেভাবে ফালু, মামুন, জলিল আর ওবায়েদের স্বীকারোক্তি প্রকাশ হচ্ছে তা কিছুদিন আগের বাংলা ভাই গংগদের রিমান্ডের তথ্য প্রকাশ না হওয়ার সাথে ঠিক খাপ খায় না। যা প্রমান করে
ক) হয় সরকার ইচ্ছে করে মিডিয়াকে খবর জানিয়ে দিচ্ছে
খ) নয়তো মিডিয়া নিজেদের মনের মত রঙ লাগিয়ে ভুয়া গোপন সূত্রের শক্তিশালী ছদ্মাবরণে তাদের পূর্বের প্রাপ্ত তথ্য প্রকাশ করছে।
২. পত্রিকায় যা প্রকাশ হচ্ছে তার সত্যতা জনগণকে জানতে হবে, সরকারকে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ তার যদি এক শতাংশও সত্য হয় তবে দুই নেত্রীর মুখে জনগণ এখন পেশাব করতে প্রস্তুত হচ্ছে। জনগণ মাইনাস-টু থিউরীর বাস্তবায়ন চাইবে অনতিবিলম্বে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুন, ২০০৭ সকাল ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



