আমার সাময়িক অবস্থান হেতু অব্যবস্থার সারসংক্ষেপ এভাবে দেয়া যায়। একটা পূর্ব-পর্যালোচিত বইয়ের পৃষ্ঠা ভাজ করা ছিল। সেটি উল্টিয়ে পাওয়া গেল ঠিক এই বাক্যটি থেকে আন্ডারলাইন যিনি তপবনে নিবিষ্ট ছিলেন আধারের মধ্যে থেকে জীবন উচ্চতা নির্ধারণের একদমই তখন হাতে থাকা একটা বি-টু পেন্সিলকৃত। পরের লাইনগুলো পাঠের আগে ঘটনা দৈবপাকে হাতছাড়া হয়ে গেছিল, সেখানে আমি নিজে অভিনয়ে নেমে গিয়েছিলাম আলোর সলতে থেকে অন্ধকারকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে, এমনতরো এক্সপেরিয়েন্সে। তবে অব্যবস্থার এই বিবরণী যতটুকু মানদন্ডে উত্তীর্ণ তার চেয়ে ঢের বর্ণনা রয়েছে অনুল্লেখ্য। সেগুলো বিবেচনাপূর্বক কোনভাবেই ইহাকে সাময়িক চিন্থায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে আমার পেন্সিল থেকে নিঃশব্দে লঞ্চিং হচ্ছিল কিছু অনিয়মিত বাক্যবিপ্লব; মানে শুনেটুনে আপাতত একটা এমন লেবেলে আবদ্ধ করে রাখতে শুরু করি। ধরুন এই যে অকষাৎ লেপ্টে থাকা হরিদ্রাবর্ণের বিষাদ যার কোন হাত পা নেই তারপরেও ঠিকই চলে আসে, কেমন গভীর ও অগ্রন্থিত। এর থেকে নিঃসরণ হতে থাকে একধরণের অসঙ্গতি, দীর্ঘলয়ে যা পরিভ্রমন করে বলিষ্ঠ কোন প্রসূতির গর্ভে এবং জন্ম দেয় নিঃসঙ্গ শিশুদের। যার পীড়িত স্বর শুনে অনুধাবন হয় ধরিত্রি ঢুকে গেছে মাত্রজঠরে, যোনীতে দুঃসাহসিক পৈচাশিকতা এবং কলংকিত সংগমের যোগফল। এখন যদি জিজ্ঞেস করেন এই সাময়িক অব্যবস্থাকে প্রলম্বিত করার কি মানে?
আমি জানি না সত্যিই। হুমায়ুন আজাদ নেই, হয়তো তিনি জানতেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

