সামহোয়ারইন অপরবাস্তব প্রকাশনার সাথে কোনভাবে জড়িত নয়। কাজেই তাদের সাথে যোগাযোগ করে লাভ নেই। শুধুশুধু উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানো।
এই প্রকাশনার সাথে রাহা, বাকীবিল্লাহ, শরৎ ও অন্যান্যরা সংশ্লিষ্ট নয় - দায়িত্বের প্রশ্নে। সবাই কেবল বন্ধুত্বের কারণেই জড়িত হয়েছে। কাজেই তাদের বিব্রত না করতে অনুরোধ জানাই।
পুরো প্রকাশনার সবধরণের গণসংযোগের জন্য আমি দায়িত্ব পালন করেছি। লেখক ও সংকলন সহযোগীদের সবার ব্যক্তিগতভাবে অনুমতি নেবার চেষ্টা করেছি। সংকলন সহযোগী হিশেবে একামাত্র হোসেইন এর ব্যতিক্রম। হোসেইন অপরবাস্তব প্রকাশনায় অনেক মূল্যবান পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে তার এই অন্তর্ভূক্তি। অনুমতি নেয়া হয়নি তার ভার্চুয়াল উপস্থিতির কারণে, যোগাযোগ করার আগ্রহ ছিল, কিন্তু সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তবে তার সরস উপস্থিতির কারণে অপরবাস্তব প্রকাশ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ার একটু ভুল গণিত করা হয়ে গেছিল। এজন্য হোসেইনের কাছে আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। একই সাথে লেখা প্রকাশের জন্য।
একটা ব্লগীয় প্রকাশনা হিশেবে যতদূর পারা যায় চেষ্টা ছিল কিন্তু ছদ্মনামের ব্লগারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি ভার্চুবাস্তবতার কারণে। তবে বিশ্বাস ছিল, কেউ হয়তো তেমন আপত্তি করবে না। এখন পর্যন্ত মাত্র এক'জন আপত্তি জানিয়েছেন, মৈথুনানন্দ। এছাড়া যারা আছেন তারা কেহই আর স্বনামে লেখেন না, ব্যান হয়েছেন অথবা সামহোয়ার ছেড়েছেন। তাদের স্বনামে কোন আপত্তি এখন পর্যন্ত আমার চোখে পড়েনি। কোথাও কেউ করে থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত, আপনার লেখা প্রকাশ করতে পেরে আমি গর্বিত, যদি এটা আপনাকে বিরক্ত করে থাকে তবে ক্ষমাপ্রার্থী।
প্রকাশনা যেহেতু একটা বাস্তবতা, সেখানে ভার্চুয়াল নীতিমালা প্রয়োগের কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশে প্রচলিত কপিরাইট আইন ছদ্মনামে প্রকাশিত লেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। লেখকসত্বও ভার্চুয়ালিও সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। প্রশ্নটা হচ্ছে নৈতিকতার। নৈতিকতা প্রশ্নে আমি স্খলিত, আরো অনেক কিছুর মতই - নিদেনপক্ষে প্রিয়জনেরা যখন অভিযুক্ত করে তখন আরো নিশ্চিত হতে পেরেছি।
এছাড়া আপত্তিকারকদের মধ্যে মাহবুব মোর্শেদ রয়েছেন - যিনি বহুত পেয়ারের বলে রিস্কটা নিয়েই ফেলেছিলাম; আর যাইহোক গালাগালি বা কেসাকেসি করবে না।
অপরবাস্তব-২ বের করার তাগিদটা ছিল সামহোয়ারকে ভালবাসি বলেই। ভালোবাসা সবসময়ই বিনিময়ে জুতোপেঠা করে। অপরবাস্তব এর জন্য আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজের ডেডলাইন পিছিয়েছে, রাত জেগে অসুস্থ্য হতে হয়েছে, পকেট থেকে মধ্যবিত্ত অর্থ গিয়েছে হিশেবছাড়া - তারপরেও যখন বইটা শেষমেষ ছুঁয়ে দেখলাম সেদিন এক ফোটা অশ্রুও বের হয়েছিল আনন্দে। হয়তো সেটা এক ভন্ডেরই অশ্রু। এটুকু আনন্দ নিয়ে সামহোয়ার থেকে বিদায় নিতে পারছি, মন্দ কি!
সামহোয়ারকে অনুমতি ছাড়া লেখা প্রকাশের জন্য আমাকে ব্যান করার জন্য অনুরোধ করার দরকার নেই - সত্যিই নিজের কাছে নিজের মুখ দেখানোর কিছু রইলো না; জুতোপেঠার দরকার নেই, নিজেই বিদায় নিচ্ছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



