তত্ত্বাবধায়কসরকারের ক্ষমতায়নের পরে এ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় সামাগ্রীর দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক।
২০০৬ এর ডিসেম্বরে মিনিকেট চালের দাম ছিল ২৫ টাকা, ৮০% বেড়ে এখন হয়েছে ৪৫ টাকা।
তিনসদস্যবিশিষ্ট একটা হাউসহোল্ডের যদি মাসিক ত্রিশকেজি চাল দরকার হয় তাহলে খরচ বেড়েছে ৬০০টাকা।
আটা ৭৩% বেড়ে ২৬ টাকা থেকে এখন ৪৫ টাকা। ঐ হাউসহোল্ডের পাঁচ কেজি আটার জন্য দিতে হবে অতিরিক্ত ৯৫ টাকা।
মুশুরের ডাল ৪৯% বেড়ে ৬৩ টাকা থেকে ৯৪ হয়েছে। পাঁচ কেজির জন্য তাকে অতিরিক্ত দিতে হবে ১৫৫ টাকা।
সয়াবিন তেল ৬৪% বেড়ে ৬৭ টাকা থেকে ১১০; ৫ কেজিতে মাসে বৃদ্ধি ঘটবে ২১৫ টাকা।
গরুর মাংস ২৬% বেড়ে ১৩৫ টাকা থেকে ১৭০ হয়েছে। এ বাবদ অতিরিক্ত গুনতে হবে মাসে পাঁচ কেজির জন্য ১৭৫ টাকা।
এই পাঁচটা এসেনসিয়াল কমোডিটির জন্য একটা হাউসহোল্ডের মাসিক ব্যয় বেড়ে গিয়েছে ১,২৪০ টাকা। ধরি মুদি বাবদ একজনের মাসিক খরচ ছিল ১০,০০০টাকা, এই মূল্যবৃদ্ধি তার মাত্র ১৩% ব্যয় বৃদ্ধি ঘটালেও ২২০৫ টাকায় যা কেনা যেত তার জন্য এখন খরচ করতে হবে ৫৬% বেশী। ভয়াবহ রূপ হচ্ছে মাসিক বাজার যাদের তিন থেকে চার হাজারের মধ্যে তাদের জন্য সামগ্রিক বাজার ব্যয় বৃদ্ধি শতকরা ৩১ থেকে ৪১ ভাগ যা আগ্রাসী হয়ে অন্যান্য ব্যয় যেমন যোগাযোগ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পোষাক, এমিউজমেন্ট এর উপরে প্রভাব ফেলছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সার্বিকভাবে প্রায় অর্ধগুন বেড়ে গেছে।
জীবন যাত্রার ব্যয় ৫০% বৃদ্ধি করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার জনগণকে একমাত্র দরিদ্রতা উপহার দিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


