সকালে ঘুম থেকে উঠে কলিজা-পরোটা দেখে হাত মুখ না ধুয়েই মেরে দিলাম। পাঁচটা মাত্র। বাথরুম থেকে ফিরে আবার ক্ষুধা লাগলো। অফিসে আসার আগে আরো দু'টো। সাকূল্যে তিনচারশ গ্রাম কলিজা পেটে নিয়ে দিন শুরু হলো।
এগারোটার দিকে এক কলিগের ইমিগ্রেশন সুবাদে একস্ট্রা অর্ডিনারী লিভ শুরু হতে স্ন্যাক্সের দাওয়াত দিলো অফিসশুদ্ধ। মিস্টিখোর বলে আমাকে পনেরটাকার বিশাল সাইজের দুটো মিস্টি খাওয়ালো। পুরো রসটুকু চেটেচুটে খেলেও দুপুরের আগে আবার ক্ষুধা লেগে গেল। আর্লি লাঞ্চ করে ফেললাম। ইলিশ মাছ, মুরগীর কারি। বিকেল চারটাতে সেই কলিগের অফিসিয়াল ফেয়ারওয়েল। স্যান্ডউইচ, কেক এবং আপেল।
বাসায় ফিরতেই ফের ক্ষুধা লেগে গেল। দুটো হটডগ কিনে ঘরে ঢুকতেই দেখি, ডাইনিংএ শুটকী মাছ ভূনা আর টমোটোর তরকারী। হট ডগ রেখে ভাত খেলাম। তারপরে টিভির সামনে বসে হটডগ দুটো একাই সাবাড় করলাম।
কিছুক্ষণ পরে এলো আমার বোনজামাই। এক টিফিন ক্যারিয়ার ভর্তি পুয়া পিঠা - আটটার মধ্যে অর্ধেক শেষ করে ফেললাম। রাতে গেস্ট খাবে বাসায়, রান্নার আয়োজন দেখে আমি সারাদিনের ভূরিভোজ বেমালুল ভুলে গেলাম। অনেকদিন পরে দেখলাম কোর্মা রান্না হচ্ছে। সেই সাথে মাছের কোপ্তা। মুরগী আর গরুর গোসও আছে।
এগারটার মধ্যে খেয়ে আমি পরপর দুটো সিগারেট খেয়ে হাঁটতে নামলাম। হাঁটতে হাঁটতে প্রায় দুই কিলোমিটার হেঁটে ফেললাম - তখনই বুঝলাম ভুল আবারও করেছি। ক্ষুধা লেগেছে।
বাসায় ফিরে ফ্রিজে পেলাম অবশিষ্ট পোলাও আর গরুর গোশ। স্প্রাইটের বোতলেও কিছু আছে। সবাই যার যার বিছানায়। আবার খেলাম। একদম টেনশন ফ্রি। তারপরে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম টের পেলাম না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



