পেন্ডুলাম থেকে হালকা দ্যুতি বের হচ্ছিল সময়চাকার সাথে। টিক টিক করে বখে যাওয়া প্রভাতে তিনি মারা যাবেন। ঔজ্জ্বল্য তাই স্বর্গীয়। চারিপাশে অজস্র শুভাকাঙ্খী। কেউ একজন এমন নেই, যিনি বেঁধে রাখতে পারবে যাত্রা। সীমাবদ্ধতা জেনে সবাই হাত গুটিয়ে বসে আছে। কিন্তু সুদিপ্তের এসবে দৃষ্টি নেই। মাথার কাছে হাত রেখে মহা গভীর চিন্তায় আচ্ছন্ন।
বাবা, তুমি কি রেডিও শুনবে? বিবিসি! জানে বাবার এই রেডিও হচ্ছে জানের জান। সকাল সাতটা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত যত খবর আছে সব এই রেডিওতে গুরুগম্ভীর কণ্ঠে বর্ষিত হতে থাকে। দুটো ব্যাটারীতে কার্যত এটা বিশ্ব চালায়, বা এই টিনের ঘরে বোচকাবন্দী করে ফেলে।
সুদিপ্তের বাবা ছেলের দিকে তাকায়। বিশেষ কোন দৃষ্টি নয়, শেষ সময়ের বিনীত পলায়ন। তারপরে ফুস করে নিভে যায়।
* সুদিপ্ত নামে একজনের সাথে আজ পরিচয় হলো ব্যাংকে বসে থাকতে থাকতে। ম্যানেজার কিছু আগে অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে গেলে অপেক্ষমান এই ছেলেটা তার বাবার মৃত্যুর ঘটনাটা বললো। স্মৃতি রোমান্থন। কোন ভূমিকা ছাড়াই সে শুরু করেছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


