ইট কেবল ম্যানুয়ালীই তৈরী হয় না, এখন মেসিনেও তৈরী হয়। ছাচ্ কাটার কাজ থেকে শুরু করে পোড়ানো সবকিছুই ফ্যাক্টরীতে। ম্যানুয়ালী মানে সেই গ্রাগৈতিহাসিক আমলের পদ্ধতিতে তৈরী ইটকে বাংলা ইট বলে। ফাউন্ডেশনের কাজে এই ইটের প্রয়োজন সর্বাধিক। ঢাকার আশেপাশে অসংখ্য ইটের ভাটা থাকলেও উন্নত মানের ইট প্রস্তুত হয় ময়মনসিংহ ও মানিকগঞ্জ অঞ্চলে।
ইটের দাম বিভিন্ন জায়গার অনুপাতে বিভিন্নরকম হয়ে থাকে। এই দামের সাথে পরিবহন খরচ ইনক্লুডেড। একসময় সস্তার সরূপ বোঝাতে ইটের চেয়েও সস্তা বলা হলেও ইট এখন আর সস্তা নয়। ছোটবেলা যখন একটা ইটের দাম শুনেছিলাম পঞ্চাশ পয়সা, তখন অবাক হয়ে ভাবতাম, এত বড় একটা বস্তুর দাম এত কম, অথচ ছোট একটা চকলেটের দামও এর চেয়ে বেশী।
এখন একটা ইটের দাম পড়ে ৭ টাকা থেকে ১০ টাকা। সবচেয়ে ভাল ইট নাকি এবিসি কোম্পানীর। এছাড়া চিরচেনা ইটের চেহারা পাল্টে দিয়ে ফ্যাশনেবল প্যাকেটজাত ইটও তৈরী হচ্ছে দেদারচ্ছে। সেই ইটের দাম আরও চড়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

