এই সরকারের স্বার্থকতা হচ্ছে মানব সম্পদের অবচয় রোধ। গন্ডায় গন্ডায় মন্ত্রীরা মিলে যা করতে পারে নাই মাত্র কয়েকজন উপদেষ্টারা তারচেয়ে অনেক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। র্যাংগস ভবন ভেঙে রাস্তা বানানোর মত সাহস কোন সরকারের হতো না। এত চমৎকার ন্যাশনাল আইডি কার্ড এই সরকার ছিল বলেই সম্ভব হয়েছে।
এছাড়া বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিকদের আসমান থেকে জমিনে নিয়ে আসার কৃতিত্ব পুরোটুকু্ই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের।
আমার তো মনে হয় এই সরকারের প্রতিটা সদস্য ফেরেশতা। কারো নামে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ উত্থাপিত হয় নাই। শিক্ষিত, ভদ্রলোক তারপরে আবার জ্ঞানী। পিএইচডি করা। আগে বেশিরভাগ মন্ত্রীরাই ছিল বকলম আর এখন সবাই চোস্ত ইংরেজীতে কথা বলে। বিদেশীদের সাথে তারা যখন কথা বলে তখন গর্বে বুকটা ভইরা যায়।
এই সরকার যতদিন থাকে ততদিন দেশের মঙ্গল। আজকে রাস্তাঘাটে কোন সন্ত্রাসী নেই, নেই হরতাল ধর্মঘট। প্রত্যেকটা মানুষ কাজ এবং কাজ নিয়ে ব্যস্ত। শিশুরা পড়ালেখায়, আর বুড়োবুড়িরা টিভি দেখায়। দেশের ক্রিকেট ও ফুটবলে একটু অবনতি হয়েছে কিন্তু ওটা তো খেলাধুলা মাত্র। এছাড়া এ সরকারের আর কোন সমস্যা নেই।
আমার তো মাঝেমাঝে মনে হয় স্বাধীনতার পরে এমন একটা সরকারের জন্য আমরা অপেক্ষায় ছিল। এই সরকারে সোনার সন্তানেরা - বিগত এক শ বছর কেন - এক হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ্য!
বেশী কইয়া ফেলাইলাম না তো!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

