মূলত মানুষ সৃষ্টির পূর্বে এই পৃথিবীতে কেবল জ্বীনদের রাজত্ব ছিল। আল্লাহর অবাধ্যচারণ করে পৃথিবীকে পাপাচারে পূর্ণ করে ফেলছিল। এসব দেখে শক্তিমান আল্লাহ ফেরেশতাদের নির্দেশ দিলেন জ্বীনদের ধ্বংষ করে ফেলতে এবং কিছু ভাল জ্বীনদের অন্যত্র সরিয়ে নিতে। ফেরেশতারা সমস্ত জ্বীনদের নিধন করতে শুরু করে।
শয়তানের পূর্ব নাম ইবলিশ। এই জ্বীন নিধন উৎসবের সময় সে শিশুমাত্র। সুদর্শন ইবলিশকে দেখে ফেরেশতাদের মায়া পড়ে গেল। আল্লাহর কাছে তারা প্রার্থণা করলো যেন তাকে রেহাই দেয়া হয়। আল্লাহ মুচকি হাসলেন, কিন্তু ফেরেশতাদের প্রার্থণা মঞ্জুর করলেন।
ইবলিশকে স্বর্গে নিয়ে এলো ফেরেশতারা। তার নতুন জীবন প্রাপ্তি বা অন্য যেকোন কারণেই হোক ইবলিশ হয়ে ওঠে কালক্রমে আল্লাহর সর্বোচ্চ এবাদতকারী। পৃথিবীতে এমন কোন জায়গা অবশিষ্ট থাকে না যেখানে ইবলিশের সেজদাহ পড়েনা।
আল্লাহ এমন সময় মানুষ সৃষ্টি করলেন। মানুষ সৃষ্টি করে ঘোষণা করলেন তিনি এদের ভেতরে এক নফস তৈরী করবেন, যার ভিতরে শয়তান ঢুকে সবসময় অন্যায়ের জন্য প্ররোচিত করবে। তিনি আরো ঘোষণা করলেন বেহেশতবাসীদের মধ্যে একজনকে বিপুল শক্তি দিয়ে রূপান্তর করা হবে শয়তান রূপে। তাদের জানিয়ে দিলেন, তাদের মধ্যে যারা শয়তান হতে চায় না তারা যেন তার প্রার্থনা করে।
ফেরেশতারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লো। সবাই মিলে ইবলিশের শরনাপন্ন হলো। তাদের ধারণা আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয়পাত্র হওয়াতে ইবলিশকে দিয়ে প্রার্থনা করালে তিনি নিশ্চয়ই শুনবেন।
এরপর ইবলিশ সবার নাম ধরে ধরে দোয়া করলো। আল্লাহ তৎক্ষণাত তার দোয়া কবুল করলেন। কিন্তু ইবলিশ ভুলক্রমে নিজের নামটা নিতে ভুলে গেলো।
সেই থেকে ইবলিশ মানুষের জন্য শয়তান রূপে বিরাজ করছে পৃথিবীতে।
উৎসঃ আজকে একজন জলজ্যন্ত আস্তিকের মুখ থেকে এই মিথটা শুনলাম। শোনানোর সময় সে আমাকে হাদিস কোরআন মতে শয়তানের জন্ম রহস্য বলে এটাকে উল্লেখ করেন। মনে হইতেছে লোকাল মেইড মিথ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

