যারা বেশী খায় তাদের দেখলেই আমার মাথায় রক্ত ওঠে। সন্ধ্যায় ডাবল ব্রোস্ট মেরে রাতে ফুল ডিনার একমাত্র গাধাই করতে পারে। পৃথিবীতে খাওয়া-দাওয়া যাদের প্রধান কাজ তারা ব্লগে কেবল রেসিপি প্রসব করে, টয়লেট ভরে হাগে। সেসব মানুষের বাড়ীতে মাসান্তে মিউনিসিপ্যালিটির মেথর হাজির হয়, পড়শীরা নাক কুচকায়, শাপান্ত করে।
এক বিখ্যাত যৌনবিজ্ঞানী বলেছিলেন, মানুষের যৌনতায় অনাকর্ষিত হবার সূত্র ধরে খাদ্যের দিকে ঝুঁকে পড়া উদ্ভব হয়। কামুকেরা কখনও মোটা হয় না। সে অর্থে বাঙালি রমনীরা পুরামাত্রায় যৌনবিমুখ - বেশীরভাগই খেতে খেতে গলায় থলথলে চর্বি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
আমি অতিমাত্রায় স্বাস্থ্য-সচেতন বলে আজকে তেমন কিছুই খেলাম না। সন্ধ্যায় চালের রুটি আর গরুর গোস দেখে মাত্র গোটা বিশেক চেখে দেখলাম। কিছুক্ষণ পরে ছোটবোনের বাসা থেকে এলো তেহারী। ঘন্টা খানেক পরে সেটাও একটু চেখে দেখলাম। ও আবার কমসম পাঠাতে পারে না। এরপরে এক বন্ধু জোর করে তার বাসায় নিয়ে গেল। খাশীর মাংশের বিরানী। একদম সামান্য চেখে দেখলাম। তারপরে আর কিছুই খেলাম না, কেবল একটু আগে ভাত খেলাম। তাও মাত্র দু-প্লেট, দু পিচ ইলিশ না থাকলে এটা অবশ্য খাওয়া হতো না। এর বাইরে তেমন কিছুই খাই নাই।
হিসেব করে দেখলাম সব মিলে গোটা ত্রিশেক চালের রুটি আর দুইকেজি মাংশ খাওয়া হয়েছে। এছাড়া বাকীগুলোকে খাওয়া বলা যায় না। পড়শীদের দেয়া হালুয়া-রুটি ফ্রিজে জায়গা ছিল না বলে কেবল পেটে সাময়িকভাবে রেখে দিয়েছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


