আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

মুম্বাই বৈশ্বিক জঙ্গীবাদ প্রসারের পীঠস্থান হিসাবে পরিগণিত হচ্ছে না তো!

২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০০

শেয়ারঃ
0 0 0

ইন্ডিয়ার বহিঃশত্রুর চেয়ে তাদের বড় থ্রেট অভ্যন্তরেই রয়েছে। এবং সীমান্ত নিরাপত্তার কঠোর প্রদর্শনীর অন্তরালে নিজেদের ঘর রক্ষা যে আসলে নেহায়েতই নড়বড়ে তার প্রমাণ মেলে গত রাতে মুম্বাইতে সাম্প্রতিক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ আক্রমণের দায়ভার বিদেশী রাষ্ট্রের ঘাড়ে চাপানোর ফলে। কমপক্ষে ৮টা জাতিস্বত্তা যেখানে সার্বভৌম রাষ্ট্রের দাবীতে সশস্ত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ, মুসলিম জঙ্গীবাদ উসকে দেবার মত অভিজ্ঞ তাত্ত্বিক ধর্মগুরু যেখানে বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক এবং খোদ সরকার যেখনে বিশালবপু রাষ্ট্রের পাশ্ববর্তী ক্ষুদ্র ভূখন্ডতে এসপিওনাজে ব্যস্ত সেখানে অসহায় ইন্ডিয়াকে ঝুঁকিপূর্ণ করার জন্য বাইরের প্ররোচনা কতটুকু কার্যকর - মনে হয় একজন ইন্ডিয়ানও তা বিশ্বাস করে না। ৮শ বছর যাবত মুসলিমদের দ্বারা শোষিত হিন্দু জাতিয়তাবাদীদের উগ্রতা আর বিগত শাসক জাতির প্রয়াত আভিজত্যবোধে দূষিত মুসলিমদের পারস্পরিক সৌহার্দ্যের রক্ষাকবচ যেখানে ঐতিহাসিকভাবে দাঙ্গাবিক্ষুব্ধ হয়ে এসেছে বিভিন্ন কালে - সেখানে ইন্ডিয়ার জন্য পররাষ্ট্র চর্চার চেয়ে অভ্যন্তরীণ বৈষম্য দূরীকরণ সর্বাগ্রে প্রয়োজন।

মুম্বাই নগরীর মুসলিম নেতৃত্বাধীন মাফিয়াদের বলা হয়ে থাকে এশিয়ার সেরা। দুবাই থেকে শুরু করে কুয়ালালামপুর, সিংগাপুর, ব্যাংকক, হংকং এ রয়েছে এদের বিশাল নেটওয়ার্ক। কাউন্টার ফোর্স হিসাবে হিন্দু মৌলবাদীদের সাবোটাজ দীর্ঘকাল যাবত পর্যবেক্ষনাধীন একটা বাস্তবতা। এই উভয়ের পদক্ষেপ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্যের মিশেলে ধর্মীয় আদর্শ প্রতিষ্ঠার একটা ছদ্মাবরিত তত্ত্ব থাকে। সাধারণভাবে ইন্ডিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মুসলিমদের নেটওয়ার্ক আর পূর্বাঞ্চলের স্বাধীণতা সংগ্রামরত গোষ্ঠীর মধ্যে ধর্মীয় উন্মত্তা তেমন ক্রীয়াশীল না হলেও সবচয়ে ভয়াবহ সম্ভাবনা ভিন্নতর, কেউ কেউ বলে থাকেন বহু আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে।

এই সম্ভাবনার কথা উচ্চারণকারীদের মধ্যে অনেকে বলে থাকেন বৈশ্বিক জঙ্গীবাদ প্রসারের নীলনকশা প্রণয়নের সবচেয়ে আদর্শ স্থান মুম্বাই। তাদের মতে পিঙ্ক সিটির মর্যাদাপ্রাপ্ত মুম্বাই সর্বধরণের পরিকল্পনার আদর্শ বৈশ্বিক যোগাযোগ কেন্দ্র। এই উপমহাদেশে আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর নাশকতামূলক সমস্ত কর্মকান্ডের মূল ধারণার উদ্ভব হয় মুম্বাই থেকে।

এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। বিদেশী রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র বলে সন্দেহের তীর ছুড়েছেন মনমোহন অথচ এখন পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোই বরঞ্চ মুম্বাই বিষয়ে ইন্ডিয়ার সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। বিশ্বে জঙ্গীবাদ প্রসারে মুম্বাই যে পীঠস্থান হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে না তা নিশ্চিত করা এখন ইন্ডিয়ার জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮
নাজিরুল হক বলেছেন: ইন্ডিয়ার আভ্যন্তরীন সিকিউরিটি খুবই নড়বরে। শুধু এই হামলা নয় আগের ঘটনা গুলোও তার প্রমান করে।
২. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১২
নাজিম উদদীন বলেছেন: বাংলাদেশ সরকার কি কোন বিবৃতি দিয়েছে?
৪. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: +++++ ভালো পর্যবেক্ষ্মত @লেখক। নাজিরুল ভাইয়ের সাথে একমত।
৫. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৬
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: +++++ ভালো পর্যবেক্ষণ @লেখক। নাজিরুল ভাইয়ের সাথে একমত।
৬. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৪
অকাটমুর্খ বলেছেন: মুম্বাই বৈশ্বিক জঙ্গীবাদ প্রসারের পীঠস্থান হিসাবে পরিগণিত হচ্ছে না তো! টাইম লাইনটি দেখুন তো, আপনার শিরোনামের সাথে যায় কি-না?


মার্চ-১৩, ২০০৩ মুম্বাইয়ের একটি কমিউটার ট্রেইনে বোমা হামলায় ১১ জন নিহত।

আগষ্ট-২৫, ২০০৩-মুম্বাইয়ে আলাদা গাড়ি বোমা হামলায় ৬০ জন নিহত


জুলাই-১১, ২০০৬- মুম্বাইয়ের রেল ষ্টেশন এবং ট্রেইনে একাধারে ৭টি হামলায় নিহত ১৮০

সেপ্টেম্বর-৮, ২০০৬-মুম্বাইয়ের দেড়শো মাইল উত্তরপূর্বে মালেগাও শহরতলীতে সিরিজ বোমা হামলায় নিহত ৩২



৭. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৬
অকাটমুর্খ বলেছেন: আসলে বিশ্বে জঙ্গিবাদকে যেভাবে সঙ্গায়িত করা হচ্ছে এবং বুশগঙ্গরা সেটাকে যেভাবে সেই ধারণা ছড়িয়ে দিয়ে মানুষকে বিশ্বাস করাতে চাইছে, ‍বৈশ্বিক জঙ্গিবাদ" বলতে ঠিক তাই বুঝিয়েছেন তো নাকি?
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: জঙ্গীবাদ কেবল বুশের পশ্চিমাদের সৃষ্ট এই আবালীয় ধারণার সাথে আমি একমত না।

৮. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হুমম...।কৌশিকভাই পর্যবেক্ষণ ঠিক মনে হচ্ছে।

রাষ্ট্র যতটা নিষ্ঠুর হয়ে ওঠে, নির্যাতিত সংখ্যালঘু কিংবা স্বাধিনতাকামি গোষ্ঠিগুলোও ঠিক ততটা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। দুটো ফোর্সই যুদ্ধংদেহী।

যদি ভারতীয় মুসলিমরা সত্যই জড়িত হয়ে থাকে, সেটার দ্বায়িত্ব ভারত সরকারকেই নিতে হবে;প্রতিবেশি দেশের প্রতি আংগুল তুলে লাভ হবেনা।মুসলিম হলেও , আফটার অল, তারা তো ভারতেরই নাগরিক।
৯. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: কিন্তু মনোমোহনের কথা শুনে মনে হচ্ছে বাঁশটা তারা প্রতিবেশীদের পশ্চাদ্দেশে ঢোকাতেই উৎসাহী,যদিও এদিকে নিজেদের পশ্চাৎ উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে।
১০. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
বিনলাদিন বলেছেন: ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশ শ্রীলংকা - টেস্ট ক্রিকেটার ও বেষ্ট এ্যট্যাকার। উপমহাদেশ তথা এক মায়ের ৪ যোগ্য সন্তান। একই চরিত্র।
১১. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০১
অকাটমুর্খ বলেছেন: আবালীয় হোক আর বালীয়ই হোক, বুশের আগে জঙ্গীবাদ ধারনাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ কেও দিয়েছে তেমন নজীর দেখাতে পারবেন? হয়েছে তো কতো কিছুই? উপনিবেশ স্থাপন করতে পারেনি বলে, সাবেক চীনের আফিমখোর জাতিকেও তো একসময় দূস্কৃতিকারী বলতো বৃটিশরা, গত শতকের শুরু দিকে সিনফেইন যা করতো, কিংবা ক্রোয়াটরা যা করেছে এসব কে কি জঙ্গীবাদ বলতে শুনেছেন কাওকে কখনো? কিন্তু সমসাময়িক প্রেক্ষাপট বিচার করলে এগুলোও তো জঙ্গিবাদেরই সমার্থক। কিন্তু আফসোস সেই সময় আপনার মতো উর্বর মস্তিষ্কের আবির্ভাব ঘটেনি। জঙ্গিবাদ সৃষ্টির আবালীয় ধারনার পরিবর্তে উহার উৎপত্তির একখান সুবালীয় দৃষ্টান্ত উল্লেখপূর্বক কৌষ্ঠকাঠিন্যের ন্যায় বক্র শব্দচয়নপূর্বক শিরোনাম রচনার (বৈশ্বিক জঙ্গিবাদ) স্বার্থকতা নিজেই বিচার করুন। বৈশ্বিক জঙ্গিবাদের ধারনার কথা বলবেন আর এ ধারনার প্রবর্তক বুশ গঙ্গদের ভূমিকাকে স্বীকার করবেননা, এটা তো সোনার পাথর বাটি...কাঠালের আমসত্ত্ব.....
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: দুইপক্ষীয় বিষয় ভাবছেন। বহুবিধ শক্তি ও মুখীতা ভাবাটা সংগত হওয়া উচিত ছিল।

১২. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৩
মামু বলেছেন: একন তেকে সবই সাতে কইরা কলা,,, রুটি, মিনারেল ওয়াটার আর ডায়পার সাতে রাকবেন... (বাতরুম বড়টা করনের সুযুগ পাইবেন না, তাই ডাইপার)

------------------------------------------------
নেকসট তার্গেট ডাকা....
১৩. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৭
অকাটমুর্খ বলেছেন: আমি বলতে চেয়েছি, কিংবা জানতে চেয়েছি বৈশ্বিক জঙ্গীবাদ বলতে কি বুঝিয়েছেন আপনি?জঙ্গীবাদ শব্দটি এমনকি নব্বই দশকের আগে কোনো বইপত্র খুজেও হয়তো পাবেননা। জঙ্গিবাদের সংজ্ঞা কিংবা ধারনা এসেছে খুব অল্পদিন আগে। সেটিকে (জঙ্গিবাদের ধারনা)সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সামনে থেকে মূল ভূমিকা পালন করেছেন, হতে পারে ভাগ্যত: বুশ জুনিয়র। একটা সাধারন উদাহরন দিই: ফিলিস্তিনে হামাস ফাতাহ অনেক দিন ধরেই আছে---কিন্তু তাদের নামরে আগে কখনোই জঙ্গীবাদ যেতোনা, ইরাকে শিয়ারা বহুদিন ধরেই আছে...এখন তাদেরকে জঙ্গিবাদী বলা হয়...তালেবান গোষ্ঠীকে আফগানিস্তানের শাসনক্ষমতা থেকে হঠানোর আগেও জঙ্গি বলা হতোনা.....এখন হয়...এসব কি জঙ্গীবাদকে বৈশ্বিক ধারনা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেনি?
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: জঙ্গীবাদ বা জেহাদ সংগঠনের জন্য উপযোগি ধর্মমত, তাত্ত্বিক, গোষ্ঠী এই উপমহাদেশে বিস্তর রয়েছে। যাদের পশ্চিমা ইন্ধন দরকার হয় না। এ বিষয়ে কথা বলার আর দরকার নেই, যদি আপনি মনে করেন আমাদের রক্তে ধর্মীয় গোড়ামী ও উগ্রতা নেই - সবকিছু পশ্চিমা মদদ ও সঙ্গায়ন।

১৪. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৩
ছাপচিত্রি বলেছেন: শুধুমাত্র ১৮+ দের জন্য ... হেভী দেশী ব্লগ এইখানে ক্লিক করুন
১৫. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
রাজর্ষী বলেছেন: এটা আসলে ভারতীয় সরকারের নিজেদের ব্যার্থতা ঢাকার অপচেস্টা বলে মনে হয়।
১৬. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
নিপাতনে সিদ্ধ বলেছেন: অনেকে বলছেন ভারত নিজেই এই নাটক করিয়েছে। তাহলে আবার ভারত নিজেই নিজের শত্রু বন্দি মুজাহিদীনদের মুক্তির দাবী করেছে বলতে হয়? তাদের বলি যে,আপনারা কি বলতে চান ভারত কি তাহলে চায় যে অনেক কষ্টে যে সব মুজাহিদীনদের ধরেছে তাদের এই নাটক করে ভারত নিজেই বিনা বিচারে মুক্তি দিতে চায়?

ইসলামী সন্ত্রাস যে কবে শেষ হবে, পৃথ্বিবী থেকে এই মহাপাপ যে কবে বিদায় হবে তার খবর কে দেবে কে জানে। ইসলাম মানে নাকি শান্তি !!!! শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মুসলমানরা ইসলাম ও ত্যাগ করুন ও যার যা অন্য ধর্ম ভালো লাগে, হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, কনফুসিয়ান সেই ধর্ম গ্রহন করুন।
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: ইশ্বরে বিশ্বাস এক ধরণের শক্তি দেয় অনেককে। অনেকের এই শক্তি প্রয়োজন। সব ধর্ম মূলত একই। ধর্ম পরিবর্তন কোন সমাধান কোন কালে দেয় নাই। বরঞ্চ যাদের এই বিশ্বাস ছাড়া চলে না তাদের ইশ্বরের স্বার্থে পারস্পরিক ধর্ম-বিরোধ বন্ধ করা উচিত।

১৭. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৩
রাজর্ষী বলেছেন: নিপাতনে সিদ্ধ@ দুই লাইন বেশী বুইঝা ফালাইসেন আপনে। মুসলামনদের মধ্যও আপনের মত বেশী বুঝা লোক আছে যারা এসব অপকর্ম করে। আবার আমেরিকা ভারত সহ অনেকেই আছে যারা বুধোকে দিয়ে কিছু করিয়ে তা উদোর নামে চালিয়ে দিয়ে ফায়দা নিতে চায়, কারন উদো অলরেডী সীল খাওয়া লোক।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৬৭৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ