লিংক দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করেন
এখানে যা লেখা আছে তার অর্থ এমন যে ২০০৪ এবং ২০০৬ এ সিমেন্স কোম্পানী ৫.৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার বা প্রায় ৩৭কোটি ১০ লাখ টাকা ঘুস দিয়েছে সরকারী কর্মকর্তাদের। বিটিটিবির অধীনে একটা মোবাইল সার্ভিস স্থাপনের ৪০.৯ মিলিয়ন ইউএস ডলারের কাজ পেতে এই ঘুস দেয়া হয়েছে। ৩৭ কোটি টাকা ভাগ হয়েছে খালেদা জিয়ার পুত্র, তৎকালিন টেলিযোগাযোগমন্ত্রী এবং বিটিটিবির ডিরেক্টর অব প্রকিউরমেন্ট এর মধ্যে।
এসব তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার পেছনে আসলে বাংলাদেশের কোন হাত নাই। সিমেন্স কোম্পানী বিশ্বব্যাপী এমন ৪,২৮৪ টা ঘুসের ঘটনা ঘটিয়েছে কাজ পেতে। যার মোট অর্থমূল্য ১.৪ বিলিয়ন ডলার মানে ৯ হাজার ৮ শো কোটি টাকা। অবশ্য কাজ বাগিয়েছে এর অবশ্যই দশগুন টাকার। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় নাই। আমেরিকান কোম্পানীগুলাকে নাজেহাল হতে দেখে আম্রিকা উঠে পড়ে লেগেছে। এবং ফলশ্রুতিতে এখন সব কিছু থেকে রেহাই পেতে ১.৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার মানে ১১ হাজার দুইশো কোটি টাকা জরিমানা দিতে চাইতেছে ইউএস সিকুরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে রজু হওয়া মামলার প্রেক্ষিতে।
ওয়েবে দেখতে চাইলে এই লিংকে ক্লিক করুন
কিন্তু আমগো সন অব বেগম খালেদা জিয়াকে যে ফাসাইয়া দিলো, এতে খালেদার জিয়ার ধানের শীষের জোয়ার যদি থাইমা গোপন গহীনে ঝড় শুরু কইরা দেয়, তার দায় দায়িত্ব কি সিমেন্স নেবে?
জাতির সামনে এটাই এখন বড় জিজ্ঞাসা! আম্রিকা এমন কামডা করতে পারলো?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



