আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

লাথি মেরে এই মুহূর্তে সকল সাহায্য সংস্থাগুলোকে দেশ থেকে বের করে দেয়া হউক

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৫

শেয়ারঃ
1 0

গাড়ীর গ্লাসটা একটু ফাকা থাকলেই হলো। বাইরে থেকে একজন ভিখেরী তার নোংরা ময়লা একটা হাত ভিতরে সেধিয়ে দেবে। আপনি দয়ালু হলে দুই/চারটাকা ধরিয়ে দেবেন। নইলে ঘিনঘিনে হাতটা দেখে গ্লাসটা বন্ধ করে দেবেন। অথবা এদের অভ্যাস বলে ইগনর করবেন। তবে আমি সাধারণত এমন বাড়ানো হাতে কিছু গুজে দেই। তবে ভুলেও ভাববেন না দয়াপরবশ হয়ে দেই। নোংরা, ঘিনঘিনে হাতের স্পর্শ থেকে বাচতে কিছু একটা গুজে দেই। তারপর বেশ দয়ার্ত একটা ভাব নেই। ভিখেরী খুশী, দর্শক খুশী, আমিও খুশী। কিন্তু ভিখেরী ভুলেও বুঝবে না কতটা ঘেন্নার সাথে আমি তার হাতে পাঁচ টাকার একটা কয়েন তুলে দিয়েছি।

নিজেকে উন্মুক্ত করে দিলাম। এটাই সত্যি। ভেতরে ভেতরে আমি এমনই। থুথু দিতে ইচ্ছে করছে, দিন ইচ্ছেমত!

আমাদের দেশে ভুরি ভুরি দাদা সরি দাতা সংস্থা। আমেরিকার ইউএসআইডি, ব্রিটেনের ডিএফআইডি, ইসি, ডানিডা, সিডা, জাইকা। উন্নত সব দেশগুলোর একটা সাহায্য সংস্থা আছে এদেশে। তারা নিজেদের টাকা পয়সা দিয়ে এদেশের মানুষকে সেবা করে থাকে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যাবতীয় অধিকার যেন এদেশের মানুষ পায় তার ব্যবস্থা করে। আমরা তাদের আসতে বলি নাই, কিন্তু তারা দয়াপরবশ হয়ে নিজেদের রাশি রাশি টাকা পয়সা খরচ করে আমাদের জন্য এত এত করছে। বিনেপয়সায় ক্যাপসুল খাওয়াচ্ছে, টিউবওয়েল দিচ্ছে, সড়ক করে দিচ্ছে। আমরা তাদের না ডাকলেও তারা যে কারণে এসেছে এবার তার আরেকটা কারণ ভাবা যায়।

বিভিন্ন দুর্যোগ, দুঃসময়ে আমাদের মত দেশের সরকারের অভ্যাস হলো বিদেশের কাছে সাহায্যের হাত বাড়ানো। বিষয়টা এমন মুলোমুলি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায় যে ঐ সমস্ত দেশগুলো হয়তো আমি যেমন ভিক্ষুকের নোংরা, গলিত হাতের স্পর্শ এড়াতে কিছু দিয়ে বিদায় জানাই, তারাও তেমনি একটা সাহায্য সংস্থা তৈরী করে আমাদের ভিক্ষুক সরকারের বারংবার প্রসারিত হাতের ছোঁয়া থেকে নিজেদের মুক্ত রাখে।

আমি যখন পাঁচ টাকা ছুড়ে মারি ভিক্ষুককে তখন তাকে মুলত কিনে নেই। একশ টাকা দিয়ে তার হাত দিয়ে পাচার করতে পারি হেরোইনের কোটি টাকার চালান। সাহায্য সংস্থা যখন এদেশে এসে নিজেদের থেকেই নানা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, তখন তারাও পারে এদেশে তাদের প্রস্তাবিত ঔষধ টেস্ট করে নিতে। ভিক্ষুক সরকারের সবকটা মন্ত্রীকে কিনে নিতে পারে কয়েকটা বিদেশ ট্যুর ও মাগীবাজীর অফারে।

এদেশে এত বৎসর পর্যন্ত সাহায্য সংস্থাগুলো কাজ করে কেবল একই পুকুর বারবার কেটেছে। নতজানু হয়েছে সরকার, কর্মকর্তারা হয়েছে বিদেশীদের বংশবদ। উন্নত বিশ্বের সাহায্য সংস্থাগুলোতে কয়েকজন দেশী স্টাফকে সরকারী কর্মকর্তাদের চেয়ে দশগুন বেশী বেতন দিয়ে রেখে কিছু উন্নত লেহনকারী তৈরী করেছে। এমন সংস্থাগুলোর কোথাও একজন ড্রাইভারের বেতনও ৩০/৪০ হাজার টাকার বেশী। অথচ কেবিনেট ডিবিশনের সেক্রেটারীর বেতনও চল্লিশ হবে না। প্রায় ত্রিশটার মত সাহায্য সংস্থার ৫/৬ হাজার স্টাফের যে পরিমাণ বেতন সরকারী কয়েক লাখ প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার বেতনও তত হবে না। অথচ দেশের মানুষের সত্যিকারের সেবা কেবল এই সরকারী প্রশাসন যন্ত্রইকরতে পারে। তারমানে একদল বংশবদ দেশীয় ভৃত্য তৈরী করে এদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতাধরদের মধ্যে সর্বদা দাতার ভূমিকা বজায় রেখে ভিক্ষুক দেশের বারবার নোংরা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে উন্নতবিশ্ব গুলো মুক্ত থাকার দারুন কৌশল খাটিয়েছে। সাহায্য-ফাহায্য সবই চলে যায় বিশাল হা করা কুমিরের পেটে।

এদেশ থেকে এসমস্ত দাতা সংস্থাগুলোকে অনতিবিলম্বে লাথি মেরে বের করে দেয়া উচিত। আমাদের সাহায্যের দরকার নেই। আমাদের প্রতিষ্ঠান তৈরী হবে রিসোর্স ডেভলপমেন্টের জন্য, আধুনিক আইন প্রণয়নের জন্য, ই-গর্ভনেন্সের জন্য, প্রোডাক্ট, ইন্ড্রাস্টি ডেভলপমেন্টের জন্য। সেখানে বিদেশী রিসোর্স দরকার হলে আমরা ঠিক করবো কোন দেশ থেকে ট্রেইনার আনবো, কোন দেশ থেকে প্রযুক্তি আনবো। এখন যা হচ্ছে ঐ বিদেশী দাতারা আমাদের বলে দিচ্ছে তোমাদের আধুনিক কমিউনিকেশন ইনফ্রাশটাকচার দরকার, এই নাও আমরা করে দিচ্ছি তোমাদের ওয়েবসাইট, ডাটাবেইজ, সাজিয়ে দিচ্ছি সংসদের ওয়েব, প্রতি কার্যদিবসের ফাইলগুলো এভাবে রাখো, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো যেমন ধরো রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এভাবে সেভ করতে হবে। বলে দিচ্ছে ইউএনডিপির সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প। যারা কাজ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও। আমদের দরকার নেই এসব সাহায্য। লাথি মেরে বের করে দিতে হবে। আমাদের প্রয়োজন বোধ করতে হবে আমাদের। প্রয়োজনে এদেশের মানুষ বাইরে থেকে ট্রেনিং নিয়ে আসবে, দেখে আসবে - কিন্তু আমাদের উপরে এক্সপেরিমেন্ট চালাবার সুযোগটা বন্ধ করে দিতে হবে চিরতরে।

এত শত সাহায্য সংস্থার বাৎসরিক বাজেট হিসাব করে দেখেন - এদেশের সরকারের উন্নয়ন খাতেও এত থাকে না। সকল সাহায্য সংস্থাগুলোকে অনতিবিলম্বে বহিস্কার করা হোক দেশ থেকে। জয় বাংলা।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২২
শিরোনামহীন বলেছেন: ভাই, দেশি যে দারিদ্র্য বিমোচনকারী মহান (!!) সংস্থাগুলো আছে ওরাও কম যায় না। কাজের সুবাদে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি তাদের কর্মকান্ড। ঘেন্না লাগে... চরম ঘেন্না।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: ১. দারিদ্র বিমোচনকারী সংস্থাগুলোর ভন্ডামীর প্রত্যক্ষদর্শী

কালকে আর মন্তব্যগুলো দেখা হয় নাই। সকালে দেখলাম ২৬ জন তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এবং ১০০% ই এ ব্যাপারে একই ধারণা প্রকাশ করেছেন যে সাহায্য সংস্থাগুলো দেশের কোন উপকারে আসে না। আপনার অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু লেখার অনুরোধ রইলো।

২. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৪
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: হ। এইগুলান আসলে এক ধরনের বানিজ্য। কদিন ’ভয়েস’ এর একটা রিপোর্ট পইড়া পুরা বিষয়টা খোলাসা হইলাম। সম্ভবত 'ব্রেকিং দি সাইকেল অফ ন্ওি লিবারেল হেজিমনি’ নাম ছিলো রিপোর্টটার।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:২৭

লেখক বলেছেন: ২. একজন সাংবাদিক দেখেছেন সাহায্য সংস্থার বাণিজ্য

ভয়েস এর রিপোর্টটা নিয়ে একটা পোস্ট চাই বস। আপনাকে ফোনে পেলাম না। আমার মোবাইলের শেষ দুটি নম্বর ৭৪ (জন্মসাল)। আজকে মেলায় আসবেন?

৩. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫
চাচামিঞা বলেছেন: আমাদের দেশে এরকম ভাসমান ভিক্ষুকের সংখ্যা কতো....আমি বিশ্বাস করি এদের সংখ্যা খুব বেশী হবে না। সদ্বচ্ছা থাকলে ওদের পুনর্বাশ করাটা মোটেও কঠিন কিছু না....আর সেটা করাটা একটি রাস্ট্রের দ্বায়িত্ব......রাস্ট্র যদি তাদের মৌলিক অধীকার পুরণে ব্যর্থ হয় তাহলে বিদেশী ফিরংগী গুলা আরও কতো কিছু করবে, তা শুধু চোখ দিয়ে দেখার সময় এলো বুঝি।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: ৩. একজন সমাজ-সচেতন মানুষ হিসাবে রাষ্ট্রের ব্যার্থতায় দাতাদের সুযোগ গ্রহণ পর্যবেক্ষণ

৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৯
নরাধম বলেছেন: প্রিয় পোস্ট।



এসব চুতিয়া দাতা সংস্থাগুলারে লাথি দিয়ে বের করা হোক। সাথে তথাকথিত এনজিওগুলাকে সরকারী সুপারভিশনের আয়ত্বে আনা হোক।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: ৪. দাতা সংস্থার কাজে অনাস্থাজ্ঞাপনকারী একজন সমাজ-সচেতন মানুষ

৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
বৈকুনঠ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ....... আমি আপনের পোস্ট পড়িনাই কিন্তুক শিরোনামের লগে ১০০ এর উপরে ২০০ পারসেন্ট একমত। একটা কথা সত্য, যে জাতির পেটে সাহাহ্যের ভাত গেসে সেই জাতীর কপালে দুর্ভোগ আছে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: ৫. মাগনা সাহায্য নিয়ে উন্নয়নের বিরোধী একজন নাগরিক

৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
লীনা দিলরূবা বলেছেন: কদিন আগে ডিএফআইডির অর্থায়নে পরিচালিত একটা ট্রেনিং কোর্স করলাম। পুরা তিনটা দিন টাকার খেলা, টাকার অপচয়, টাকার দম্ভ আর টাকা দিয়ে মাথা কেনার নানা ভেলকি দেখে মনে হয়েছিল, কষ্ট করে আমাদের এখানে এনেছে কেন, খামে ভরে টাকাগুলো পাঠিয়ে দিলেইতো হতো। বগুড়ায় ট্যুর ছিল। দ্য এরিসটোক্রেটে নাস্তা ভক্ষন, নাজ গার্ডেনে দ্বিপ্রাহরিক ভোজন, ফটোসেশন..ব্লা ব্লা ব্লা।

বিদেশী সাহায্য সংস্থাগুলোর সাহায্যের বিনিময়ে আমাদের দেশের অভ্যন্তরিণ ব্যাপারে নগ্ন হস্তক্ষেপ দেখলে অপমানে চোখ জ্বালা করে।

ভালো পোস্টে সহ সহ সহমত সহ এ বিগ প্লাস।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: ৬. একজন অর্থনীতিবিদের প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ সাহায্য সংস্থার ভন্ডামী

৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৫
মহাপন্ডিত নিউটন বলেছেন: আপনার সাথে আমি একমত।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: ৭. একজন বিজ্ঞানীও একমত হয়েছে সাহায্য সংস্থার বিরুদ্ধে

৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৭
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: কৌশিক ভাই আপনাকে লাল সালাম জানাই। আপনার সাথে সহমত পোষণও করতেছি। তবে, আপনি যেভাবে বলতেছেন, সেইটা কিভাবে করা সম্ভব?

এর জন্য পরিকল্পনা দরকার, রাজনৈতিক সংগঠন দরকার, ক্রমাগতভাবে চাপ তৈরি করার মাধ্যমে তাদেরকে ত্রাতার ভূমিকা থেকে দাতার ভূমিকা থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে। জনমতও তৈরি করতে হবে। এইগুলা কিভাবে হবে??
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ৮. একজন কবি সাহায্য সংস্থার ভন্ডামীল বিরুদ্ধে জনমত তৈরীর কথা বলছেন

রাজনৈতিক সংগঠন দরকার তো বটেই। কিন্তু বিএনপি-আওয়ামী লীগরে দিয়া হবে না। একমাত্র কিছু বাম দলই এ নিয়ে সোচ্চার দেখা যায়।

৯. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫১
সুমন রহমান বলেছেন: লাথি মেরে এসব সাহায্যসংস্থাকে বিদায় করে দেয়া সম্ভব কিনা জানি না, তবে আমাদের ভিখ মাঙার অভ্যাসকে যে ঝেঁটিয়ে বিদায় করা সম্ভব না সেটা বিলক্ষণ বুঝি। আমাদের ভিক্ষাভ্যাস হয়ে গেছে, ভিক্ষা পেতে একটু দেরি হলেই যেখানে "ব্যাড়া" ওঠে, সেখানে সাহায্যকারী বিদায় হয়ে গেলে গোটা দেশটার মাপে আরেকটা রিহ্যাব বানাইতে হবে।

দরজা জানলা বন্ধ করে বর্মী স্টাইলে তো আর জীবন বাঁচানো যাবে না। অপশন দুইটা: ফরেন এইড নাকি ইনভেস্টমেন্ট? ইনভেস্টমেন্ট বরঞ্চ এইডের চেয়ে ভালো অপশন যদি সেটা আমাদের মর্জিমাফিক হয়।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ৯. একজন লেখক সাহায্যের পরিবর্তে ইনভেস্টমেন্টের দিকে জোর দেবার জন্য বলেছেন

১০. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৩
গুরু ভাই বলেছেন: এইগুলান সাহায্য সংস্থা অইচে ই আমগো লাহান থার্ড ওয়ার্ল্ডের দ্যাশগুলানরে চুইশ্যা খাওনের লইগা। হাজারডা এক্সেপেরিমেন্টের লাইগা, আমগো বাইন্ধা রাখোনের লাইগ্যা, যাতে আমগো মাতা কুনদিন খাড়া অইবার না পারে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ১০. একজন নাগরিক মনে করেন সাহায্য সংস্থা আসলে সাহায্য করতে আসে নাই

১১. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৯
রাত্রী বলেছেন: আমি কিছুদিন একটা ইন্টারন্যাশনাল এন জি ও তে একটা প্রোগ্রামে ছিলাম। ভেতরের নোংরা পলিটিক্স আর বাগাড়ম্বরতা দেখে শুধু ঘৃণাই সংগ্রহ করেছি, অভিগ্গতা নয়। আর হারিয়েছি এসব জায়গায় কাজ করার আগ্রহ।

জয়তু কৌশিক দাদা।।।।।।।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: ১১. বিদেশী এনজিওতে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্নের সাহায্য সংস্থার ভন্ডামী দর্শন

জয়তু রাত্রী...

১২. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১০
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: স্যালুট এই পোস্ট টি লেখার জন্য...

এখন অফিসে দৌড়াচ্ছি... পরে আরো ভালো করে বল্বোনে:( এই বিষয় নিয়ে কাছ থেকে দেখা ভন্ডামী দেখে এখন আমি সরকার কে অনেক বেশী কার্যকর ভাবি... থুক...
১৩. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ভার্চুয়াল লাথি ভাল হইছে.....
১৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৫
ফালতু মিয়া বলেছেন: লাথি মারা সহজ নয়। আমার মনে হয় কি জানেন এদের দ্বারাই সরকার নিয়ন্ত্রিত। সে আওয়ামীলীগ বা বিএনপি যেই ক্ষমতায় থাকুক না কেন।
১৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৮
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন: সকল সাহায্য সংস্থাগুলোকে অনতিবিলম্বে বহিস্কার করা হোক দেশ থেকে। জয় বাংলা।


ধন্যবাদ
চমৎকার পোষ্ট।

++
১৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫০
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: একমত। দেশিগুলারেও গদাম লাথি দেওয়া হোক।
১৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। ++++++++
১৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: প্লাসানোর জন্যই লগাইলাম।

বাংগালী নিয়ে আমার একটাই আফসুস কবে যে এগো মইধ্যে জাতিগত আত্মসম্মানবোধের ধারণা জাগ্রত হবে।বিদেশি সাহায্য সংস্থা কিংবা এন, জি,র নামে দেশ মাতৃকার ইজ্জত বিকিকিনির এই নির্লজ্জতা বন্ধ হউক।
১৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৬
যুগান্তকারী বলেছেন: শুধু একটি প্লাস আর একটি ধন্যবাদসুচক কমেণ্ট দিলে আপনাকে ছোট করা হয়,কিন্তু কি করবো বলুন এখানেই আমার দিনতা এর চেয়ে বেশী কিছু করতে পারছি না।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটা লেখার জন্য।
২০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১১
অ্যামাটার বলেছেন: দারুন, তবে কে দাঁড়াবে এদের বিরুদ্ধে? কে আছে জোয়ান, হবে আগুয়ান, আছে কার হিম্মৎ?
২২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪১
সোনার বাংলা বলেছেন:

সে রকম পোষ্ট।

তবে আপনি আমি বা আমাদের আমজনতারা যা চায় তা কোন কালেই হবে না। আমি
এটা বিশ্বাস করি কারন আমাদের মধ্যেই কোন ঐক্য নাই!! হাসিনা বাহির কইরা দিলে
খালেদার নিয়া আসবো! আবার খালেদা তাগোরে লাথি মাইরা বাহির কইরা দিলে
হাসিনা পা ধইরা নিয়া আসবো।

আমাদের দেশের রাজনীতির অনেক গুটি এরাই ছালে শুধু মাত্র বিভেদের কারনে।
যত কিছুই বলেন না কেন ক্ষমতা গ্রহন করার পর আমাদের দেশের নেতা নেত্রীরা
দেশের কথা ভাবে না! বাঙালী জাতী বেশী আবেগী, তাই রাজনীতিবিদেরা দেশের মানুষের আবেগ নিয়ে নাটক করে বাস্তবতা কে গোপন করার জন্য।


অনেক ভালো লিখেছেন। ধন্যবাদ।


প্রিয় পোষ্টে.....
২৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪২
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ভার্সেটাইল/ভার্সাটাইল রাইটার বলতে যা বোঝায়, আপনি তার চমৎকার উদাহরণ। দিনের তিন প্রহরে লেখা তিনটে লেখা তিন রকমের! কিভাবে সম্ভব?

লেখার সঙ্গে পরিপূর্ণ সহমত জানাচ্ছি।
২৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: বাংগালী নিয়ে আমার একটাই আফসুস কবে যে এগো মইধ্যে জাতিগত আত্মসম্মানবোধের ধারণা জাগ্রত হবে।বিদেশি সাহায্য সংস্থা কিংবা এন, জি,র নামে দেশ মাতৃকার ইজ্জত বিকিকিনির এই নির্লজ্জতা বন্ধ হউক।
২৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:০৬
পথিক!!!!!!! বলেছেন: কত কিছুই দেখতেআছি ভাইরে..
যে যেমনে পারে ...পিন্ডি চটকায় ...
২৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: মুক্তিমন্ডলের সাথে একমত।
২৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৪
লীনা দিলরূবা বলেছেন: আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ভার্সেটাইল/ভার্সাটাইল রাইটার বলতে যা বোঝায়, আপনি তার চমৎকার উদাহরণ। দিনের তিন প্রহরে লেখা তিনটে লেখা তিন রকমের! কিভাবে সম্ভব?


কৌশিক এমনই এক বিরলপ্রজ লেখক। সে কবিতা লিখতে জানে, গল্প লিখতে জানে, রাজনীতি নিয়ে বিশ্লেষনাত্মক প্রবন্ধ লিখতে জানে, স্যাটায়ার জানে, তার উইট এর গভীরতা মারাত্মক, সে রগরগে গল্প জানে, সময়ের দাবীতে যে কোন বিষয় নিয়ে চটজলদি আপডেট দেয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধহস্ত, চারপাশের মানুষ তাদের জীবনযাপনকে সে দেখতে জানে-সুক্ষভাবে তাদের জীবন-জীবিকাকে উঠিয়ে আনতে জানে, তার স্মৃতিশক্তি তুমুল ভালো, সে ভালো ইংরেজী জানে, সে সিনেমা নিয়েও লিখে, সে যুদ্ধপরাধীদের বিচার সংশ্লিষ্ট সব কাজের প্রধান কাজী, সবার ওপর সে একজন সচল ব্লগার।

এতসব গুণের অধিকারী লোকটিকে আমি ঈর্ষা করি। ভয়ানক ঈর্ষা করি।
২৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: ওই রিপোর্টটা আসলে এই বিষয়ে পুরা হেজিমোনিটাই ভাঙতে আগ্রহী। 'সাহায্য' সংস্থাগুলান এর অংশ মাত্র।

নিও লিবারেলিজেমর নামে আধুনিক টাউট-টন্নিগিরির (কনসালট্যান্ট-গবেষকগিরি) যে বক্তব্য- ওয়াল্ড ব্যাংক, আইএমএফ এর কথা শুইনা আমাদের মাইনা নিতে হইবো। দেশের প্রাইমারী স্কুল থেকে বিচার বিভাগে কি নীতিগত-অবকাঠামোগত উন্নয়ন-পরিবর্তন-পরিবর্ধন-কর্তন হইবো না হইবো সে বিষয়ে ওয়াল্র্ড ব্যাংক আর আইএমএফ এর কথাই কুরআনী আয়াত, তাগো টাকা নিয়াই করতে হইবো; এই হইলো অধুনা লিবারেল টাউট টন্নীদের বক্তব্য।

এই দুই প্রতিষ্ঠান যখন 'বিলানো'র জন্য 'সাহায্য' দেয় তখন দেয় 'এনজিও'গুলানের কাছে। অথচ আমি গ্যারান্টি দিয়া কইতে পারি- সরকারি ভিজিএফ কার্ডে যে টাকাপয়সাখাবারদাবার শেষ পর্যন্ত প্রকৃত প্রাপকের কাছে পৌছায়, সেই পরিমান প্রাপ্তব্যও এই সাহায্য সংস্থাগুলান থেইকা শেষ পর্যন্ত প্রকৃত প্রাপকের কাছে পৌছায় না।
কিন্তু এই নয়া উদারনৈতিক টাউট টন্নিগো আর এক্টা শ্লোগান আছে যে, যা কিছু রাষ্ট্রীয় যা কিছু সরকারি যা কিছু রাজনৈতিক তা-ই খারাপ। সব পরিষেবা-সেবা বিরাষ্ট্রিয় বেসরকারি করে দাও। আর প্রথমালো হইলো এই টাউট টন্নী দালাল গো চমৎকার প্লাটফর্ম।

ওই রিপোর্টটা ইংরেজিতে। আপনেরা চাইলে এইখানে, এই পোস্টে কথাবার্তা হইতে পারে। পোস্ট দেয়ার বিষয়ে আমার চরম অনাগ্রহ থাকে যখন দেখি কোনো পোস্টে মন্তব্যে আলাপ চালানো যায়। মন্তব্য বড় হইলেই অনেকে পুস্টান। আমার ভালো লাগেনা।
-----------------
আজ কন্টৃবিউটর বিল করতে হইবো। আজ মেলায় আসতাম পারুম না। আমার ফোন তো ভাই বিজি থাকেনা।
২৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
নির্বাসন বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন ভাই...অপমানে আসলেই গা জ্বলে...
৩০. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৪
সাজিদস্টার বলেছেন: লাথি মারবো কে ভাই, সবই তো বেচা গেছে।

কাইন্দা লাভ কি ভাই।
৩১. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৭
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: পোস্টের সাথে একমত।

এরা এই দেশে নিজেরা শুধু ব্যবসাই করছে না, এনজিওর নামে দেশের সব তথ্য পাচার করছে বিদেশে।

কিন্তু লাথি টা মারবে কে?
৩২. ১৯ শে জুন, ২০১১ রাত ১১:০২
জীবনকেসি বলেছেন: শুরুতে ধন্যবাদ
পাহাড়ে আমি এদের কর্মকান্ড অত্যন্ত কাছ থেকে যতসামান্য দেখেছি।
এদের উন্নয়ন কর্মকান্ড শুধুমাত্র সফটওয়ার এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ (রিপের্টিং)। বাস্তবে দরিদ্র মানুষের পেটের সমস্যায় এদের কোন অবদানই নাই। শুধু সমস্যা সৃষ্টিতেই আছে এরা। উপজাতীয়দের ভেতরে হিংসাত্মক মনোভাব ছড়ানো এদের মিশন।
আমি পারলে নিজেই লাথি মারতাম।

 

মোট সময় লেগেছে ৩.১৮১৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ