মিশন কাঁচাবাজার। প্রায় তিনমাস পরে কাঁচাবাজারে ঢুকতে গিয়ে আমার মনে হইলো এইটা একটা ইতিহাস হইতে যাইতেছে। মানে ইতিহাস বানাইয়া ফেলা উচিত। কারণ শেষ গেছিলাম তত্ত্বাবধায়ক আমলে, তখন কোন দামে কোন সবজি, মৎস কিনেছি তা নাই মনে। কিন্তু একটা রেঞ্জ মনে আছে। মানে মনে হইতো অনেক বেশী দাম সব জিনিসের। যা শবজী দেখতাম সব ছিল ৩০ থেকে ৪০ এর মধ্যে। যাউকগা আইজ বাজার কইরা মনে হইলো জিনিসপত্রের দাম সহনীয় মাত্রায়। যেমন ধরেন বেগুন কিনলাম ১৬ টাকা কেজি। এইটা যতদুর মনে পড়ে ৩০টাকার বেশী ছিল তিনমাস আগে। তারমানে বিশাল উন্নতী। তারপরে কিনলাম কুমড়া, কেজি ১৪টাকা। এটাও কম কম ঠেকতেছে। তারপরে কিনলাম চিচিংগা। এইটা নাকি বাজারে নতুন আইছে, সুতরাং দাম বেশী, মানে ৩৪টাকায় কিনলাম। আমি যতটুকু মনে করতে পারি চিচিংগার দাম ডিসেম্বরে ছিল এর চাইতে কম। কি জানি তখন কিনছিলাম কিনা, তবে এর চাইতে কম ছিল নিশ্চয়ই। এরপরে ডাটা শাক কিনলাম, দুই মুঠি দশটাকা। একটু কমই বা অপরিবর্তিত মনে হইলো।
মৎস বাজারেরও একই অবস্থা। পাঙ্গাস কিনলাম একশটাকা কেজি। বড় সাইজের তেলাপিয়া মাছ ১২০টাকা কেজি। মলা মাছ কিনলাম ১২০টাকা কেজি দরে, কাচকি কিনলাম ১৪০টাকা। এই দামগুলা আমার আগের মতই মনে হইতেছে। তবে পাঙ্গাস বোধহয় ৮০টাকাও কিনেছি।
মুরগী কিনলাম ১৩০টাকা কেজি। গত তিনমাসে কেবল আমি মুরগীটা রেগুলার কিনেছি বাজারে গিয়ে। এবং মাস দুই আগে মনে হয় একটা উদ্ভট দাম দেখছিলাম। ৯০টাকা কেজি। এখন আবার কেন ১৩০টাকা হইলো সেটা বোধগম্য হইতেছে না। তবে ঐ উদ্ভট দামটা দেখার আগেও মুরগীর দাম ১২৫/৩০টাকা দেখেছি।
আমি যেখানে বাজার করি এটা মিরপুরে অবস্থিত। মিরপুর-১, বা ১১ এর বড় বাজারের সাথে এই বাজারটা সাইজে ক্ষুদ্র, দামে তারতম্য হইতে পারে। মানে বেশীই হবে বড় বাজারের তুলনায়। তবে শুনছি মিরপুরের বড় বাজারগুলাতে শবজী, মৎসের দাম ঢাকার অন্যান্য বাজারের তুলনায় কম।
সামগ্রিক বিচারে আজকের বাজার থেকে ফিইরা আমার মনে হইতেছে শেখ হাসিনা জিনিস পত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে। শবজীর দাম কমছে মানে আমগো মত পাবলিক এখন সুস্থ্যমত একটু ভেজিটেবল খাইতে পারুম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

