somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শেখ হাসিনা কথা রাখছে, জিনিসপত্রের দাম কমছে

১০ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মিশন কাঁচাবাজার। প্রায় তিনমাস পরে কাঁচাবাজারে ঢুকতে গিয়ে আমার মনে হইলো এইটা একটা ইতিহাস হইতে যাইতেছে। মানে ইতিহাস বানাইয়া ফেলা উচিত। কারণ শেষ গেছিলাম তত্ত্বাবধায়ক আমলে, তখন কোন দামে কোন সবজি, মৎস কিনেছি তা নাই মনে। কিন্তু একটা রেঞ্জ মনে আছে। মানে মনে হইতো অনেক বেশী দাম সব জিনিসের। যা শবজী দেখতাম সব ছিল ৩০ থেকে ৪০ এর মধ্যে। যাউকগা আইজ বাজার কইরা মনে হইলো জিনিসপত্রের দাম সহনীয় মাত্রায়। যেমন ধরেন বেগুন কিনলাম ১৬ টাকা কেজি। এইটা যতদুর মনে পড়ে ৩০টাকার বেশী ছিল তিনমাস আগে। তারমানে বিশাল উন্নতী। তারপরে কিনলাম কুমড়া, কেজি ১৪টাকা। এটাও কম কম ঠেকতেছে। তারপরে কিনলাম চিচিংগা। এইটা নাকি বাজারে নতুন আইছে, সুতরাং দাম বেশী, মানে ৩৪টাকায় কিনলাম। আমি যতটুকু মনে করতে পারি চিচিংগার দাম ডিসেম্বরে ছিল এর চাইতে কম। কি জানি তখন কিনছিলাম কিনা, তবে এর চাইতে কম ছিল নিশ্চয়ই। এরপরে ডাটা শাক কিনলাম, দুই মুঠি দশটাকা। একটু কমই বা অপরিবর্তিত মনে হইলো।

মৎস বাজারেরও একই অবস্থা। পাঙ্গাস কিনলাম একশটাকা কেজি। বড় সাইজের তেলাপিয়া মাছ ১২০টাকা কেজি। মলা মাছ কিনলাম ১২০টাকা কেজি দরে, কাচকি কিনলাম ১৪০টাকা। এই দামগুলা আমার আগের মতই মনে হইতেছে। তবে পাঙ্গাস বোধহয় ৮০টাকাও কিনেছি।

মুরগী কিনলাম ১৩০টাকা কেজি। গত তিনমাসে কেবল আমি মুরগীটা রেগুলার কিনেছি বাজারে গিয়ে। এবং মাস দুই আগে মনে হয় একটা উদ্ভট দাম দেখছিলাম। ৯০টাকা কেজি। এখন আবার কেন ১৩০টাকা হইলো সেটা বোধগম্য হইতেছে না। তবে ঐ উদ্ভট দামটা দেখার আগেও মুরগীর দাম ১২৫/৩০টাকা দেখেছি।

আমি যেখানে বাজার করি এটা মিরপুরে অবস্থিত। মিরপুর-১, বা ১১ এর বড় বাজারের সাথে এই বাজারটা সাইজে ক্ষুদ্র, দামে তারতম্য হইতে পারে। মানে বেশীই হবে বড় বাজারের তুলনায়। তবে শুনছি মিরপুরের বড় বাজারগুলাতে শবজী, মৎসের দাম ঢাকার অন্যান্য বাজারের তুলনায় কম।

সামগ্রিক বিচারে আজকের বাজার থেকে ফিইরা আমার মনে হইতেছে শেখ হাসিনা জিনিস পত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে। শবজীর দাম কমছে মানে আমগো মত পাবলিক এখন সুস্থ্যমত একটু ভেজিটেবল খাইতে পারুম।
১৮টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×