শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ থেকে পদত্যাগ করছেন অভিমানে। ভীষণ দুঃখ পাইছে নেতারা। মানে ছাত্রনেতারা। তারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধিনিষেধের আওতায় তিনি পদত্যাগ করেছেন। মানে তারা বুঝাইতে চাইতেছেন যে শেখ হাসিনা আসলে অভিমান করেন নাই, তিনি নিয়ম পালন করছেন। মানে তারা বুঝাইতে চাইতেছেন যে তারা যে পুরা দেশ জুইরা জাউরামী শুরু করছে তা শেখ হাসিনা কিছুই দেখে নাই, শেখ হাসিনার কান পুরাডাই গেছে!
যাউকগা শেখ হাসিনা পদত্যাগ করছেন ছাত্রলীগের অভিভাবকত্বের পদ থেকে। তার মানে ছাত্রলীগকে তিনি নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্য কোন নেতার হাতে দায়িত্ব না দিয়া এমোশনাল উইপনে ঘায়েল করতে চাইতেছেন। ওরা বাচ্চা, নাদান, লেবনচুষ খায়, ওরা ১৩ কোটি টাকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজের থেকে ৮০/৮৫ লাখ টাকা চাদাবাজি খাওনের জন্য মারামারি করে নাই, তারা তো মারামারি করেছে ইসলাম খা নাকি শায়েস্তা খা - কে লালবাগের কেল্লা তৈরী করছিলো সেই নিয়া বিতর্ক করতে গিয়া। শেখ হাসিনা অভিমান করছে, ছাত্রলীগের পুলাপাইন কাইন্দা চোখ ভাসাইতেছে, বুক ভাসাইতেছে...আম্মাজানের জন্য তাদের পরান পুড়ে, মন পুড়ে, পুড়তে পুড়তে অন্তর পুইড়া খাক হইছে। এখন আম্মার পদত্যাগে তারাও তাদের পদবিসর্জন দিয়া পড়ার টেবিলে বসবে, সুর কইরা পড়বে বাবরের পুত্রের নাম হুমায়ুন...শেখ হাসিনার পুত্রের নাম জয়.....! জয় মা কালী!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

