ডেমরাঘাট থেকে শীতল একটা শাখা নদী ঢুকেছে, গতিপথটা সম্ভবত বসুন্ধরার পেছন পর্যন্ত বিস্তৃত - বা সেখানে হয়তো অন্য কোন নদীও হতে পারে। নদীর নাম বালু বা বালি - পানি বুড়িগংঙ্গার মতই।
কালোজলের ভেতরে তাকিয়ে আকাশ খুঁজে মেলা ভার। অথচ এর পাড়ে চলছে জীবন...স্নান, পানির গৃহস্থালী ব্যবহার।
উঁচু পাড়ের এই নদী দিয়ে এক সময় মোঘলদের যুদ্ধজাহাজ যেত...তুরাগের টঙ্গীর উপকণ্ঠে গড়ে তুলেছিল নৌঘাটি। ডেমরা যেতে হাতের ডানে কচুরীপানায় ভর্তি একটা লেকের মত দেখা যাবে - যার সাথে সংযোগ করা হয়েছিল পূর্বে দুলাই খাল যা এখন ধোলাই খাল নাম পরিচিত। সেই নদী আর বালু নদী যার উৎপত্তি ডেমরা লক্ষ্যা নদী থেকে মিলেমিশে চমৎকার একটা রিভার-নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিল অতীতে।
এই নদীর বুক চিড়ে ইতিহাসের বহমানতা আছে, কিন্তু এর অস্তিত্বের বিপন্নতা ঢাকার জন্যও হুমকীসরূপ..কালো কালো থিক পানিতে পরিপূর্ণ নদীর ধারা আমাদের রোমহর্ষক ভবিষ্যতের ইংগিত দেয়।
মৎসের জন্য বিখ্যাত এই নদীতে এখনও মাছ ধরার ক্ষীণ প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। আমার তো মনে হয় এই নদীর পানিতে অক্সিজেন থাকার কথা নয়, মাছ কিভাবে বাঁচে? নাকি অক্সিজেন ছাড়া মাছ বাঁচতে পারে! ভুলে গেছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

