আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

তামিলদের আলাদা রাষ্ট্র কেন দরকার?

১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও এর বিরোধীতাকারীদের দেখে অবাক লাগে। এত পরস্পরবিরোধীতা এদের আচরণে, স্বাধীনতা প্রশ্নে। যারা নিজেদের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বের সহানুভূতি কামণা করে তারাই আবার অন্যের স্বাধীণতা হরণের জন্যও বিশ্বের সহানুভূতি প্রত্যাশা করে। সিংহলী এবং ভারতীয়রা মনে করে তামিলদের আলাদা রাষ্ট্রের দরকার নেই। যেমন মনে করে কাষ্মীরের ক্ষেত্রে, আসামের ক্ষেত্রে। চীন মনে করে তিব্বতের স্বাধীনতা দরকার নেই। চেচনিয়াকে স্বীকার করে না রাশিয়া। প‌্যালেস্টাইনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হতে দেয় না ইজরায়েল। খুঁজলে এমন পঞ্চাশটা জাতি পাওয়া যাবে যাদের স্বাধীণতা সংগ্রাম চলছে নিজস্ব ভূখন্ডের জন্য, সার্বভৌমত্বের জন্য। অথচ তাদের যারা অবরুদ্ধ করে রেখেছে তাদেরও রয়েছে স্বাধীণতা সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস।

দেখা যাচ্ছে বৃহৎ জাতি যারা স্বাধীন ও ক্ষমতার তখতে, তারা অস্বীকার করছে ক্ষুদ্র জাতির স্বাধীনতাকে। তার মানে শক্তিহীনতাই পরাধীনতার প্রধান কারণ। আজকের স্বাধীণ রাষ্ট্রকে শক্তি প্রদর্শন করেই স্বাধীন হতে হয়েছে এবং তাদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্যই অন্তস্থ স্বাধীণতার উন্মেষকে বিচ্ছিন্নতাবাদী মায় স্বাধীনতার হুমকি রূপে চিন্থিত করে নির্মূল করতে হচ্ছে। তামিলদের স্বাধীন হতে হবে তাদের আগ্রহ ও শক্তিতেই। যুগে যুগে স্বাধীণতাকামীদের তাই করতে হয়েছে।

তামিলদের আলাদা রাষ্ট্রের দরকার আছে কিনা - এটা তো তারাই নির্ধারণ করবে, অন্য কারো নির্ধারণে কি আসে যায়? যদি তারা স্বাধীন হতেই চায়, প্রভাকরণ তো জন্মাবে ঘরে ঘরে....আমার সেটাই মনে হয়।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৪. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
মন মণষা বলেছেন: এটা হল মৎসন্যায়। বড় মাছ ছোট মাছকে খাবে। জগতের নিয়মই হচ্ছে এটা। এরি ফাঁক গলে কিছু ছোট মাছ বড় হবার সুযোগ পাবে। তদ্দিন পর্যন্ত হাজারে বিজারে প্রভাকরণ...
৫. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
হোলসেল বলেছেন: যে দ্যাশ ইন্ডিয়ার সাহায্য নিয়া সাধিন হইসে, সেই দ্যাশের লুকেরাই মনে করে ইন্ডিয়া তামিলগোরে সাহায্য দিয়া দুই নাম্বারি কাজ করতেসে। যেই লুক প্যালেস্টাইন আর কাশ্মীরের সাধিনতা নিয়া ফাল পাড়ে, হেই আবার তামিলগো সাধিনতার বিরুদ্ধে একাট্টা। যেই লুক দ্যাশের পাহাড়ীগোরে দমন-পীড়নেরর মাধ্যমে বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধপন্থি, হেই আবার ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদি আন্দুলন সাপোর্ট করে, আবার পাকিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদি আন্দোলনের বিরুদ্ধচারন করে। এইগুলা হইলো ডিজেনারেটেড পার্সোনালিটি। সব কিছুই ঠিক আছে, যতক্ষন পর্যন্তনা নিজের পাতের খাওন নিয়া টানাটানি সুরু হয়। এইগুলানের সবকিছুর ভিতরে ধর্ম আয়া পড়ে, যতক্ষন পর্যন্ত কুনো কিসু ইসলামের ফেভারে আহে (ইন্ডিয়ার ভাংগন, কাশ্মীরের সাধিনতা, প্যালেস্টাইনের সাধিনতা, ইত্যাদি), ততক্ষন ইনাগো চোখে একনীতি, আর যখনই ইসলাম বিহিন অন্য জাগাত প্রব্লেম, তখনই ইনাগো চোখে আরেক নীতি। হালার দুই মুখা সাপ পাড়ায়া মারনের কাম।
৬. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
রাকিব বলেছেন: যাক ভাল লাগছে যে হেলমেট থেকে বের হয়ে কথা বলছেন।
৮. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
রাকিব বলেছেন: হোলসেল কি পরিমাণ ইসলামপ্রিয় তা তার প্রোফাইল পিকটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে! আপনিও কি দুই মুখা সাপ পাড়ায়া মাঝে মাঝে এইগুলা কৌশিক-এর সাথে শেয়ার করেন???????
১০. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: চীন মনে করে তিব্বতের স্বাধীনতা দরকার নেই--- আপনার এই বাক্যটির সাথে আমি একমত হতে পারি নি।

তিব্বত চীনের একটি সায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল। দালাইলামা বা এ ধরনের কতিপয় ক্ষমতালোভী মানুষ, যারা চীন বিরোধী মোর্চার পা চাটা কুত্তা.. তাদের চিল্লা চিল্লিতে চীন তিব্বতকে স্বাধীনতা দিয়ে দেবার কোন কারণ আদৌ আছে কি?

পাকিস্থান যেভাবে পূর্ব পাকিস্থানের (আমাদের বাংলাদেশ) উপর নির্যাতন চালিয়েছিল সেভাবে চীন তো তিব্বতের উপর কোন অন্যায় করছে না। তিব্বত সম্পূর্ণ সায়ত্ত্বশাসন ভোগ করছে।

প্রকৃত তথ্য জেনে, অনুধাবন করে অপরের উদ্দেশ্যে প্রচার করার অনুরোধ করছি।
১১. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ধর্ম, ভাষা, বর্ণ, বংশ, ভৌগোলিক ভিন্নতা, বৈষম্য ইত্যাদি একটি জাতিকে স্বাধীন হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। এই নিয়মের বাইরে পৃথিবীর কোন জাতি নাই। তাতে কে কী মনে করল কিছু আসে যায় না। যারা লড়াই করে জিততে পারে, তারাই স্বাধীনতা পেতে পারে। সারভাইভেল অব দ্যা ফিটেস্ট - এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সত্য কথা।
১২. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "তামিলদের আলাদা রাষ্ট্রের দরকার আছে কিনা - এটা তো তারাই নির্ধারণ করবে, অন্য কারো নির্ধারণে কি আসে যায়?" এটাই হল আসল কথা। কে স্বাধীন হবে আর কে হবে না তা নির্ধারনের কোন এখতিয়ার বাইরের কার থাকা উচিত নয়।
আর শক্তিমানের সাশন সবসময় সবদেশেই চলছে, যারা এই শক্তিমানকে পরাজিত করারমত শক্তি অর্জন করতে পারে তারাই স্বাধীনতা পাবার যোগ্য - অন্যের সাহায্যে পাওয়া স্বাধীনতা অর্থবহ হয় না। স্বাধীনতা নিজের যোগ্যতায় নিজের শক্তিতেই অর্জন করে নিতে হয়।
১৩. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হোলসেলের কমেন্টে প্লাস।
১৪. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ধর্ম, ভাষা, বর্ণ, বংশ, ভৌগোলিক ভিন্নতা, বৈষম্য ইত্যাদি একটি জাতিকে স্বাধীন হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। এই নিয়মের বাইরে পৃথিবীর কোন জাতি নাই। তাতে কে কী মনে করল কিছু আসে যায় না। যারা লড়াই করে জিততে পারে, তারাই স্বাধীনতা পেতে পারে। সারভাইভেল অব দ্যা ফিটেস্ট - এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সত্য কথা।

সহমত
১৫. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: কৌশিক ভাই, হেলমেট কই?

মাথা বাচাবেন কি করে!!!
১৬. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: ধর্ম, ভাষা, বর্ণ, বংশ আর ভৌগোলিক ভিন্নতা থাকলেই যে লড়াই করতে হবে--- তা ও ঠিক নয়।

চীনে ৫৬টি জাতি আছে। একবার কল্পনা করুন তো-- চীনে ৫৬টি জাতি স্বাধীনতার জন্য লড়ছে........

নিজের দেশের কথা চিন্তা করুন-- গারো, বৌদ্ধ, হাজং, ত্রিপুরা, মারমা, চাকমা, তঞ্চঙ্গা...... এরা স্বাধীনতার জন্য লড়ছে।......... কেমন লাগবে?
১৭. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৫
হোলসেল বলেছেন: জি, ভাইডি। আমি কিরাম ইসলাম প্রিয় সেইটা প্রফাইল পিকচার দেইকা বুইজালাইসেন কেমনে? চৌখ খারাপ হইলে যা হয় আরকি। আমার গিলাসে কি আছে কেমনে বুজবার পারসেন? আমি যদি কই অইগুলা স্ট্রবেরি আর গ্রেপ জুস? হালার গিলাস আর পানি দেইখাই অন্য জিনিসের কতা মনে পড়লো? ঈমান্দার বান্দাগো অবস্তাতো এরামই। শালীন পোষাক পরা মাইয়া মানুষ দেখলেও অশালীন ব্যাপার চিন্তা করেন। গিলাসে ফলের রস দেইখাও ওয়াইনের কতা মনে উটসে বুজা যাইতেসে @রাকিব মিঞা।
১৮. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
দিগন্ত বলেছেন: তামিলদের ইতিহাস নিয়ে লিখেছিলাম -
Click This Link

তবে আমি এল-টি-টি-ইর সমর্থক নই - এরা অনেক ঘৃণ্য গণহত্যা চালিয়েছে।
১৯. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
দিগন্ত বলেছেন: @মো.: লুৎফর রহমান সরকার

১৯৫০ সালে সেনাবাহিনী পাঠিয়ে চিনের তিব্বত দখল করার কি দরকার ছিল? এখন ভারত যদি সৈন্য পাঠিয়ে বাংলাদেশ দখল করে তাহলে কি হবে?
২০. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
লীনা দিলরূবা বলেছেন: অন্য দেশের জন্য যা সিদ্ধ মনে হয় নিজের দেশের জন্য তা অসিদ্ধ ঠেকে। বাংলাদেশের পাহাড়ে পাহাড়ে কত কান্না লুকিয়ে আছে তার খোঁজ কে রাখে?
২১. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: অদ্ভুত পৃথিবী। জগতটাই এমন! ভন্ডামিতে ভরপুর; নিজেদের ব্যাপারে ষোলআনা, পরের ব্যাপারে মোটেও না!!
২২. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
আলাউদ্দীন বলেছেন: পৃথিবীর যেকোন আন্দোলনই কোন না কোন যৌক্তিক দাবির উপর ভিত করেই শুরু হয়।সে আন্দোলন যদি সফলতার মুখ দেখে তাহলে আন্দোলনকারীরা হয় দেশপ্রেমিক।যুগে যুগে তাদের মানুষ স্মরণ করে শ্রদ্ধাভরে।আর যদি ব্যর্থ হয় তারা হয় বিদ্রোহী, বিচ্ছিন্নবাদী, দেশদ্রোহী ইত্যাদি। আর মানুষ তাদের স্মরণ করে ঘৃনাভরে।
২৩. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: ১৯৫০ সালের আগে কি তিব্বত কোন স্বাধীন দেশ ছিল?

১৭৫৭ সালে তো আমরাও ব্রিটিশদের হাতে নিজেদের তুলে দিয়েছিলাম। এটা কি আমাদের দোষ ছিল না কি ব্রিটিশদের?

তিব্বত সম্পর্কে সঠিক বাস্তবতা জানতে আপনি দেখতে পারেন- http://bengali.cri.cn/other/tibet/index.htm এখানে।
২৪. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
শ।মসীর বলেছেন: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ধর্ম, ভাষা, বর্ণ, বংশ, ভৌগোলিক ভিন্নতা, বৈষম্য ইত্যাদি একটি জাতিকে স্বাধীন হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। এই নিয়মের বাইরে পৃথিবীর কোন জাতি নাই। তাতে কে কী মনে করল কিছু আসে যায় না। যারা লড়াই করে জিততে পারে, তারাই স্বাধীনতা পেতে পারে। সারভাইভেল অব দ্যা ফিটেস্ট - এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সত্য কথা।


আর যতদিন বিজয় আসবেনা ততদিন অন্যরা স্বাধীনতা কামী সন্ত্রাসী বিচ্ছিন্নতাবাদী অনেক কিছুই বলবে।বলুকনা ক্ষতি কি। যারা লড়াই করে জিততে পারে, তারাই স্বাধীনতা পেতে পারে। সারভাইভেল অব দ্যা ফিটেস্ট - এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সত্য কথা।
২৫. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
দিগন্ত বলেছেন: যাব্বাবা, স্বাধীন দেশ না হলে তাকে আর্মি পাঠিয়ে দখল করতে হবে কেন????
আপনি বরং পড়ুন -
Click This Link

Click This Link)

আপনি আমাকে অনুরোধ করলেও চিনা সাইট থেকে আমি তিব্বতের ইতিহাস পড়তে প্রস্তুত নই :)
২৬. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: 'যদি তারা স্বাধীন হতেই চায়, প্রভাকরণ তো জন্মাবে ঘরে ঘরে....আমার সেটাই মনে হয়।'


সেলুট টু ইউ প্রভাকরনস।
২৭. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
রাকিব বলেছেন: ভয় পাইছি...গ্রেপ জুসের সাদা কালার? আর স্ট্রবেরির এত গাঢ় লাল? ভাই আপনি কোন দেশে বাস করেন? যাইতে মন চায়। দুনিয়ায় ফলের কত ভ্যারাইটি আছেরে...। একটা ভাল পরামর্শ দিই, পিকটা চেন্জ করেন। এইসব গ্লাসে ফলের জুস খা্ওয়া হয় না। এটা বারে ব্যবহৃত হয়। আর কোন মুসলমান পারতপক্ষে এই গ্লাস ব্যবহার করবে না বাসায়(বিশ্বাস না হলে ডা. জাকির নায়েক কে জিজ্ঞেস করতে পারেন)।......শালীন পোষাক পরা মাইয়া মানুষ দেখলেও অশালীন ব্যাপার চিন্তা করেন...ভাইজান দেহি আমারে ভালা চিনছেন!(তবে সবসময় না, মন যখন আনচান করে)।
২৮. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
পথিক!!!!!!! বলেছেন: তামিল রা সম্ভবত স্বাধীনতার দাবী তুরতে তুলেত একসময় স্বাধীনতা কামী থেকে কেবল বিচ্ছিন্নতাবাদীতে রূপান্তরিত হয়
বর্তমান বিশ্বে একা একা কিছু করা যায না ....বাইরের শক্তির পক্সপাতিত্ব লাগে ..সেইটা মনে হয় তারা অস্ত্র সংগ্রহ কাজে বাদে শান্তির জন করে নি।
২৯. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১১
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন: @দিগন্ত

আর্মি পাঠিয়ে দখল করা আর নিজের আয়ত্ত্বে রাখা কি একই ব্যাপার?
আপনাকে বুঝতে হবে।

বাংলাদেশ সরকার ও তো চট্টগ্রামের পাহাড়ে আর্মি পাঠিয়েছে..... পাহাড়ীদের আয়ত্ত্বে রাখতে।

চট্টগ্রাম কি বাংলাদেশ দখল করেছে না কি চট্টগ্রাম স্বাধীনতার দাবীতে আন্দোলন করছে...?..
৩০. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: সারভাইভেল অব দ্যা ফিটেস্ট - এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে সত্য কথা।

১০০% খাঁটি।
৩১. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
নীল লাল সবুজ বলেছেন: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কি আছে এখনও? আগে আমার দেশটার কথা ভাবি। সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।
৩২. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এলটিটিইর অবসান আর তামিল স্বাধীনতা এখন আর এক নৌকায় যায়না ... তামিলরাও একসেন্সে মুক্ত হলো ... এখন যদি আসলেই স্বাধীনতা দরকার হয়, তবে তারা রাজনৈতিক উপায়ে সংগঠিত হতে পারবে ... সেজন্য প্রভাকরণ না জন্মালেও হবে ... বরং তাদের দরকার শেখ মুজিবের মতো নেতা

এলটিটিই আল-কায়েদা, তালিবান, ইন্দোনেশিয়ার জমিয়াহ ইসলামী -- এদের সাথে কোলাবোরেট করে এসেছে ... এদের কিভাবে সমর্থন করা যায়???

শ্রীলংকায় অসংখ্য সিভিলিয়ান মাস কিলিংয়ের দায় এদের হাতে ... তামিলদের মধ্যে যারা এলটিটিই ছাড়তো তাদেরকে হত্যা করা হতো ... বাচ্চাদের জোর করে ধরে এলটিটিইতে রিক্রুট করতো ... রিক্রুটমেন্টে বাঁধা দিলে হত্যা করতো ... এথনিক ক্লিনজিং করেছে ... এদের পতনে আমরা হতাশ হচ্ছি কেন?
৩৩. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
কৌশিক বলেছেন: জ্বিনের বাদশা, জানার আগ্রহ হলো তামিলরা এলটিটিইকে কি মনে করতো? আমরা যত ডেঞ্জারাজ তাদের দেখি না কেন, এলটিটিই কি তামিলদের মুখপাত্র হয়ে উঠেছিলো কিনা! বিশ্বব্যাপী তামিলদের প্রতিক্রিয়া দেখে তো মনে হয় এলটিটিইকে তারা ভালইবাসতো।
৩৪. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: তামিলদের মাঝে এলটিটিইর জনপ্রিয়তার ব্যাপারটা একটু গ্রে ... দুধরনের বক্তব্যই পাওয়া যায় ... বিশেষ করে গত দশকজুড়ে ... যখন থেকে এই ধারণাটা খুব দৃঢ় হওয়া শুরু করেছে যে এলটিটিই প্রবলেম না থাকলে শ্রীলংকা অনেক উন্নত হয়ে যেত ...

তারপরও কথা হলো, জনপ্রিয়তা আছে বলেই কি একটা টেররিস্ট সংগঠন গ্রহনযোগ্য হয়ে যায় কিনা? ...
৩৫. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
দিগন্ত বলেছেন: আর্মি পাঠিয়ে দখল করা আর নিজের আয়ত্ত্বে রাখা কি একই ব্যাপার?

- আয়ত্বে রাখা মানে হল আগেও সেখানে আর্মি ছিল, এখন আরো বেশী করে পাঠানো হল - যেমন পার্বত্য চট্টগ্রাম। আর দখল করা মানে হল আগে কেউ ছিল না, এখন পাঠানো হল। তিব্বতে ১৯৪৯ সালে চিনের কোনো সেনা ছিল না, ১৯৫০-৫১ সালে তারা চিনে আসে। তাই এটাকেই দখল বলা হয়। আপনি উইকি পড়লেন?
৩৬. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:১৩
দিগন্ত বলেছেন: @জ্বিনের বাদশা - যখন থেকে এই ধারণাটা খুব দৃঢ় হওয়া শুরু করেছে যে এলটিটিই প্রবলেম না থাকলে শ্রীলংকা অনেক উন্নত হয়ে যেত

এটা খুবই বিতর্কিত ব্যাপার, আমি দেখি ভারতেও অনেকেই মনে করে পাশে পাকিস্তান ও তার সন্ত্রাস না থাকলে নাকি ভারতও অনেক উন্নত হয়ে যেত (যে সুবিধাটা চিনের আছে)। সত্যি কথা হল এটা বড় হাইপোথিসিস। শ্রীলঙ্কার ডায়াস্পোরাও তো বিদেশে খুব উল্লেখযোগ্য একটা সফল নয়। হঠাৎ করে তারা উন্নত হয়ে যাবে এমন ভাবাটা শক্ত। সিঙ্গাপুর হয়েছিল কারণ তারা এশিয়ায় প্রথম মুক্ত-বাজার অর্থনীতির পথে হেঁটেছে, যেমন হয়েছে কোরিয়াও। কিন্তু এখন চিন-ভারতও একই পথে হাঁটছে - তাই মুক্তবাজারের আলাদা করে সুবিধা কিছু নেই।
৩৮. ১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮
mehedi বলেছেন: এলটিটিই তামিলগোরে ভড়কাইছে
Click This Link
৩৯. ১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: @দিগন্ত, হ্যাঁ, তামিল সমস্যা না থাকলে শ্রীলংকা উন্নত হতো কি হতোনা সেটার বিশ্লেষণ করার মতো ক্ষমতা আমার নাই ... সেই বক্তব্য আমি প্রতিষ্ঠাও করতে চাইতেছিনা ... কথা হচ্ছে, শ্রীলংকা সরকারের বপন করে দেয়ার কারণেই হোক, লাগাতার রাজনৈতিক অসন্তোষ থেকে মানুষের মনে অটোমেটিকালি তৈরী হওয়া থেকেই হোক -- এই ধারণাটা অধিকাংশ শ্রীলংকান পোষন করে ... এমনকি তামিল স্টুডেন্টদেরও একই কথা বলতে শুনেছি, প্রভাকরণের ব্যাপারে ফেড আপ মনোভাব দেখেছি (জানিনা মন থেকে বলে কিনা!)

হরতালেই বিরক্ত হয়ে আমরা এদেশে মনে করি যে হরতাল না থাকলে দেশ অনেক এগিয়ে যেত; সেখানে বছরের পর বছর সহিংসতা, রাজনৈতিক চরম অস্থিরতা দেখে শ্রীলংকানদের এরকম মনে হওয়াটা অমূলক অন্ততঃ না

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৮১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ