মানে কি কমু, রাগে, ক্ষোভে মনে হইতেছে শরীরের রক্ত-মাংশ জ্বইলা যাইতেছে। শিবির শুরু করছে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী। এমন সামাজিক কর্মকান্ড দিয়া এই রাজাকার শুয়োরের বাচ্চারা সহজেই পাবলিকের সাথে গণসংযোগ করতে পারতেছে। অথচ এই দ্যাশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলো বৎসরের পর বৎসর কেবল অস্ত্রবাজিই কইরা গেছে। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলাপানদের মধ্যে সমাজ-সচেতনমূলক সামাজিক অনুপ্রেরণা প্রদানকারী কোন কর্মকান্ডের সাথে ছাত্রদল বা ছাত্রলীগকে কবে জড়িত হইতে দেখছি ভুইলা গেছি। এদের নেতারা তো মাশাল্লা ছাত্রবাস্থায় গাড়ী-বাড়ীর মুখ দেখে ইভেন কেউ কেউ তো পুলাপান এমনকি নাতির মুখও দেইখা ফেলায়।
ছাত্রশিবিরের মত একটা দেশবিরোধী দল কত কৌশলে সাধারণ মানুষের আইওয়াশের জন্য নন্দিত হবার মত প্রকল্প নিয়া মাঠে নামতেছে। দেশের আমূল পরিবর্তনের জন্য ছাত্রদের সংগঠনরাই তো এইসব ইস্যু নিয়া সোচ্চার হইবে, তাদের রইছে বিশাল নেটওয়ার্ক, তরুন রক্ত - কত সহজে এমন ইস্যুগুলা পাবলিকের মধ্যে ছড়াইয়া দিতে পারে। কিন্তু কারা নামলো রাস্তায়? যাদের লক্ষ্যই হইতেছে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করা, ভিন্ন ধর্মকে দাসের স্তরে নামানো, ধর্মের নামে নারীকে শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করা - তারা নামলো বৃক্ষরোপন করতে?
শিবিরের রোপিত প্রতিটা বৃক্ষ এই দেশের বাতাসকে দূষিত করবে, এই দেশের প্রাকৃতিক সম্প্রীতির মধ্যে জাতিগত বিদ্বেষপূর্ণ বিষবৃক্ষের স্মারক হবে। আমাদের রক্তমাংশ সেই বৃক্ষের অক্সিজেন গ্রহণ করে দুষিত করবে ভবিষ্যতের বংশধরদের।
বাংলার মাটিতে শিবিরবৃক্ষ জন্মাতে পারে না - এই মাটি রিজেক্ট করবে নিশ্চিত। তবে তার আগে অবশ্যই শিবিরবিরোধী ছাত্রজোটকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নিতে হবে সামাজিক দায়িত্বপূর্ণ কর্মসূচী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

