কয়েকদিন যাবত কলিগের পকেট খালি। সেই দুশ্চিন্তার কথা তিনি ইমেইল করে জানিয়েছেন। সাক্ষাতে বলেছেন। নানাভাবে। কেউ যদি তার পকেট ভারী করে দেয়।
কিন্তু কারো দয়া মায়া হলো না। মাসের শেষে সবাই নির্দয় হয়ে যায়। ইচ্ছে না থাকলেও।
আজকে সকালে দেখলাম কলিগের মুখে হাসি। দুশিন্তার লেশ নেই। একজন জিজ্ঞেস করলো, কি ব্যাপার হায়দার সাহেব?
চটজলিদ কলিগের উত্তর, পকেট ভারি করে এসেছি আজ, এই দ্যাখেন - পকেট প্রায় ঝুলে পড়ছে!
সত্যিতো, আমরা তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম। প্যান্টের পকেটে ফুলে, নিচে ঝুলে আছে। কিভাবে ম্যানেজ করলেন?
কলিগের চেহারা ভারী হয়ে গেলো। পকেটে হাত ঢোকাতে ঢোকাতে বললো, রাস্তা থেকে, ভেরি সিম্পল...এই দেখুন!
আমরা দেখলাম কলিগের পকেট থেকে বেড়িয়ে এলো কিছু ইটের টুকরো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

