নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে এতদিন জেনেছি বাংলা ভাষায় 'ড়' র উপুর্যপরি ব্যবহারে পাছায় ফোঁড়া তৈরী করার সূতিকাগৃহ হিসাবে। দেশের ধর্মানুভূতি নিয়ে সোচ্চার ইসলামী আন্দোলনের নেতারা যেখানে মেয়েদের পোষাকের সমালোচনা করেন, বেপর্দা বেলাল্লাপনা নিয়ে পত্রিকায় কলাম লেখেন, সভায় উচ্চকিত হন, টকশোতে সমালোচনায় মুখর হন। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি নিয়ে সমাজের সকল স্তরের মানুষের ধারণা পাশ্চাত্য ঘরানার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ যার সাথে বাঙালী সমাজ ও সংস্কৃতির সাথে কোনরকম সম্পর্ক নেই। শুধু নাই, ইসলামী সমাজ-সংস্কৃতির সাথেও যার বিন্দুমাত্র যোগসূত্র স্থাপন করা যায় না।
এতদিনের এই প্রচলিত পার্সিপশন নিয়ে, মানে আমি যা জানতাম, একটা তব্দা খাওয়া নিউজ দেখলাম। যার ভেতরে যে সমস্ত পয়েন্ট গুলা একদমই অবিশ্বাস্য ও সাংঘর্ষিক তা হলোঃ
- হিযবুত তাহরীরের আস্তানায় পরিণত হয়েছে বেসরকারি পর্যায়ে শীর্ষস্থানীয় নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।
- হিযবুত তাহরীর নামে জঙ্গিবাদের বিস্তার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে গোয়েন্দা নজরদারি রাখা হয়েছে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা ভিসি ছিলেন বিএনপি মতাদর্শী অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল আহাদ।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের একটি বড় অংশ বিএনপি-জামায়াত মতাদর্শের নিয়োগ লাভ করে।
- বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক হাফেজ জি এ সিদ্দিকী (হাফেজ গোলাম আজম সিদ্দিকী) রাজনৈতিকভাবে জামায়াত মতাদর্শে বিশ্বাসী।
- পরিচালনা পরিষদের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে হিযবুত তাহরীরের কর্মকাণ্ডে ওতপ্রোত জড়িত থাকার বিষয়টি সুস্পষ্ট বলে জানা যায়।
- বোর্ড অব গভর্নরসের সচিব গোলাম জলিলের বাসভবনে হিযবুত তাহরীরের প্রথম বৈঠক হয়।
- স্কুল অব বিজনেস বিভাগের ডিন ড. গোলাম মোহাম্মদ অর্থনীতির শিক্ষক হলেও ছাত্রছাত্রীদের হিযবুত তাহরীরের আদর্শ প্রচারে তৎপর থাকেন। তার বিরুদ্ধে ২০০৪ সালে নারী নির্যাতন মামলা করেছিলেন তার স্ত্রী।
- জামায়াতের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে পরিচিত আবদুল হান্নান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



