অসীম সাহসী সাবরিনাকে সাধুবাদ জানাই। ববস-ডামাডোলায় তার ব্লগ পড়ার সৌভাগ্য হলো। এত প্রত্যয়ী মানুষ আমি কম-ই দেখেছি। হ্যাটস অফ।
কোনো বিশেষ অবদানের জন্য আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়া যায় এমন যেকোনো প্রতিযোগিতার বিপক্ষে নই, তবে বিদেশ-নির্ভর যেকোনো স্বীকৃতি নিয়ে আমার তুমুল আপত্তি আছে। এমনকি বিদেশে বসে বাংলাদেশের প্রতি দরদ দেখানোটাকে আমার ফাজলামী মনে হয়। দান-খয়রাত করে এদেশের কোনো উন্নতি সম্ভব না, শ্রেষ্ঠ মেধাবীরা অন্যে দেশের জন্য নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে যদি টাইম থাকে তবে সদকার মত দেশের জন্য কিছু পরামর্শ/দান খয়রাত করে তৃপ্তি লাভ করে থাকে। সহানুভূতি-সর্বস্ব মেলোড্রামাটিক সেন্টিমেন্ট যাকে বলে। এসব-এনআরবিদের বিষয়ে আমার কোনো ভালো ধারণা নাই। ফলে আগ্রহ ও চর্চার কোনো মানে নেই। ব্যক্তিগত এসব বিশ্বাস ও ধারণা একান্তই আমার। অন্যত্র এসব মিশনের মত বলে বেড়াতেও রাজি নই। এও ভালো করে জানি বৈশ্বিক-সংস্কৃতির ক্রমবিকাশ কালে এসব ভাবালুতার কোনো মানে নেই, অর্থহীন।
আমাদের দেশে যেকোনো প্রযুক্তি প্রচার ও বিকাশে বিদেশী-নির্ভরতা দেখতে দেখতে আমরা অভ্যস্ত। সামহোয়ার-এর উৎকৃষ্ট উদাহারণ। তবে আমি সবসময় নিজস্ব কিছু তৈরীর পক্ষে। নিজেদের সংস্কৃতি নির্ভর, অভিজ্ঞতা নির্ভর। নিজেদের ভেতর থেকে। মৌলিক কিছু। এমন যেকোনো চেষ্টার সাথে কো-অপারেশনের পক্ষপাতি। এতে হয়তো আমাদের জন্য গ্রহণযোগ্য কিছু উদ্ভাবনের সুযোগ থাকে।
সাবরিনার সাথে সাথে আরিফ জেবতিক ও অমি রহমান পিয়ালকেও সাধুবাদ জানাই। নিঃসন্দেহে তারা অত্যন্ত উত্কৃষ্টমানের লেখক ও ব্লগার। সামহোয়ারইনে তারা দীর্ঘকাল তাদের অনেক উৎকৃষ্ট ব্লগ প্রকাশ করে বাংলা ব্লগোস্ফিয়ারকে সমৃদ্ধ করেছেন। ভালোটুকুর প্রশংসা করা আমাদের দায়িত্ব। আপনাদের হাত ধরে ব্লগারদের অগ্রযাত্রা নতুন নতুন ধারায় বিকশিত হবে, সে প্রত্যাশা করছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

