বিষয়টা তো এমনও হতে পারতো। যখন কেউ ধর্মকে নিয়ে অশ্লীল গালাগালি করলো, তখন একজন ধার্মিক মানুষ তাকে ফেসবুকে বা ব্লগে পাল্টা গালাগালি না করে তার সাথে বন্ধুত্ব করলো। তার জীবন-যাপনের সাথে পরিচিত হলো। তারপরে তাকে বোঝাতে থাকলো ধর্মের ঔদার্য্য, মহানুভবতা, প্রয়োজনীয়তা, শিক্ষা। এই দেশে কি এমন একজন ধর্মগুরু ছিলো না যে এই খুনের শিকার হওয়া ব্লগারকে, এই ছুরির আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হওয়া ব্লগারদের দিকে ধর্মের ঐশ্বরিক সৌন্দর্য্য নিয়ে হাত বাড়াতে পারতো? তাদেরকে নিহত করে, আহত করে ধর্মের যে বার্তা দেয়া হলো - তার চেয়ে তাদের কাছে এসে স্নেহের, মমতার বানী নিয়ে কথা বলার মত একজন ধর্মগুরু কি এই দেশে ছিলো না? এখনও কি নেই?
একজন সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাভাজন ধর্মগুরু নিজের ধর্মের প্রয়োজনেই যদি ধর্ম-বিদ্বেষকারীকে বুকে টেনে নিতো, যদি দেখাতো তার মহত্ব, তার ঔদার্য্য - ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলার পরেও যদি তাকে ধৈর্য্যের সাথে তার জীবনাচার দেখিয়ে উদ্বুদ্ধ করতো - সেটা কি ধর্মের মহীমাকে খাটো করে ফেলতো? বরঞ্চ সেটাই কি প্রমাণ করে দিতো না তার ধর্মের সুশিক্ষা?
একজন বাবা যেমন তার ছেলেকে ভালোমন্দের দীক্ষা দেন, একজন সর্বোচ্চ ধর্মগুরু সেখানে এই প্রজন্মকে তো তেমন মমতায় দীক্ষা দেবার উদ্যোগ নিতে পারতেন? কেনো তাকে যুদ্ধবাজ সেনানায়কের মত হতে হবে?
বুঝিনা। সত্যিই বুঝিনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



