somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মাহবুব মোর্শেদ ইনকামিং - হুমায়ুন আহমেদ আউটগোয়িং আপনি কি জানেন সাভারের পাশে একটা পাহাড় আছে। জঙ্গল ঘেরা সেই পাহাড়ের ভেতর একটা সরোবর আছে। চারদিকে বাঁশঝাড় ঘেরা সেই সরোবরের চারদিকে হাজার হাজার বকপাখি উড়ে বেড়ায়। কি ভয়ানক ব্যাপার! আগে শুনিনি কেন? সাভার বাসস্ট্যান্ড থিকা রিকশা কইরা রাজাশন যাইতে হয়। রাজাশন থিকা নাইমা দশ কিলো পথ হাঁটতে হয়। দেন, একটা ঘন জঙ্গল পড়ে, সেই জঙ্গলের মধ্যে পাহাড়। এখনও উপরে ওঠার সিঁড়ি বলতে কিছু তৈরী হয় নাই। তবে পাহাড়ে উঠতে পারলে নাকি বিশাল বিষ্ময়। পাহাড়ের চুড়ার ঠিক মাঝখানে একটা লেক। ঢাকার এত কাছে পাহাড়ের মাথায় একটা বড় লেক। চারদিকে বাঁশঝাড়ে হাজার হাজার বকপাখি। হাজার হাজার সাদা বকপাখি। আমি ভাবতেছি একদিন সাভার যাব। ট্রেকিংয়ে।

ফেস বাই ফেস উপন্যাসে এমন একটা জায়গার কথা শুনে পুরোপুরি বিশ্বাস করে ফেললাম। গভীর রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সেখানে হাজিরও হলাম। রওনক এর বদলে......অন্য কেউ সঙ্গে.....এবং তারপর দিনেও মোটামুটি পূর্ব-প্রস্তুতি নিতে শুরু করলাম, এই ভ্যালেন্টাইনে কোনো রওনকের সাথে...মোটামুটি এমনই চলছিলো সন্ধ্যা অবধি। বিশেষত উপন্যাসের লেখক মাহবুব মোর্শেদের সাথে দেখা হবার আগে পর্যন্ত। তারপরে জিজ্ঞেস করে ফেললাম, সাভারের পাশে যে পাহাড়ের কথা লিখেছেন, সেটা সত্য তো?

শাংরিলা আচ্ছন্ন একটা প্রজাতি আছে রাজপুত্র গৌতমের অনুসারীদের মধ্যে। চিরশান্তির এমন এক দেশের চিত্র - যা ইউরোপে ইউটোপিয়া নামে সমাধিক পরিচিত। সম্পর্ককরণ ও গড়নের মধ্যে যোগাযোগ দ্রুতলয়ে হচ্ছে বলে আমাদের শাংরিলা এখন আরাধ্য হয়ে পড়েছে ফেসবুকে। মাহবুব মোর্শেদের লেখার উপরে আমার আস্থা আছে। গদ্য পড়তে ভালো লাগে। মাহবুব মোর্শেদ কবি বলেই হয়তো তার গদ্যের মধ্যে গল্পচিত্র অনেক রূপকীয়।

ফেস বাই ফেস পড়তে শুরু করে এক প্রেমিক শুভ ও দুই প্রেমিকা তিন্নি ও সুপর্নার ট্রাঙ্গুলারাইজেশনের মুখোমুখি হলাম - যেটা তাড়িয়ে নিয়ে গেলো শেষ পরিনতি দেখতে। একটা সময় নিশ্চিত হলাম সুপর্না আউট হয়ে গেলো ফোকাস থেকে, তিন্নি-ই বরণ করে নিচ্ছে শুভর দীর্ঘ সময় যাবত ঝুলে থাকা প্রণয় নিবেদন। কিন্তু সকল হিসেব নিকেষ উল্টো করে দিয়ে টানটান উত্তেজনায় গল্প এগুলো। তিন্নি ও সুপর্না ভেতরে ভেতরে চিরায়ত যৌনতার অরিয়েন্টেশনে আবদ্ধ - একটা দুর্দান্ত চমকই বটে।

আবারও মনে করিয়ে দেই বইটির নাম ফেসবুক, উফ, ফেস বাই ফেস এবং উপন্যাসের সকল চরিত্র ফেসবুক সম্পর্কের আবাহনে সিক্ত, কেবলমাত্র ট্রাংগুলাভার ছাড়া। শুভ কেবল চমৎকার স্টাটাস লিখে ভক্ত জুটিয়ে ফেলেছে। ফেসবুকের স্ট্রেন্জার নাজিয়ার সাথে নৈর্ব্যাক্তিক সঙ্গপ্রদান, মধ্যবয়স্ক নওরোজের ফেসবুক কেন্দ্রিক জীবনের পুনরুত্থিত স্বাদ প্রাপ্তি, সাধারণ গৃহিনী সাবিনা মেহনাজ সুপ্তির মনস্তাত্ত্বিক যোগাযোগ, সদ্য কিশোর উত্তীর্ণ মুন্নার ফেসবুকে উত্তেজক ছবি ও গল্পের অন্বেষণ, সাহসী রিনা কাউসারীর নারীত্ব বিষয়ক সন্দেহ, কানাডার নিঃসঙ্গ বৃদ্ধা শেরীর ফেসবুক নির্ভরতা যার সন্তানরা বাস করে হাজার হাজার মাইল দূরে, কৈশোরে ক্ষণিক পরিচিতা তমাকে ফেসবুকে আবিষ্কার, টিভির ব্রেকিং নিউজ-খবরের টিকআর প্রস্তুতকারী জীবন সাহার ফেসবুক স্টাটাস চেঞ্জ করে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবন্ধী মাধবীর সাথে বিয়ে - এসব এখন জীবনের রিয়েলিটি। যুক্তকরণের হাতিয়ার। সম্পর্কনাস্ত্র। উপন্যাসের প্রতিটা চাপ্টারে এসকল মানুষের প্রযুক্তি-নির্ভরতা আর একাকীত্বের মলিন চিত্র এত বর্ণিল বর্ণনায় উঠে এসেছে যে আমি স্পষ্ট বুঝতে পারলাম বহুকাল এক বসায় (শোয়ায়) একটা আস্ত উপন্যাস পড়িনি।

কল্পনার উড়াল দিয়ে সুপর্নাকে নিয়ে শুভ জয়পুরে রুক্ষ্ম মরুভূমির বুকে প্রাচীন শহর দেখতে যায়। ভার্চুয়াল এই ট্যুরের বৃত্তান্ত ফেসবুকের অবশ্যম্ভাবী গনিত, কিন্তু মাহবুব মোর্শেদ পুরো উপন্যাসে এমন অজস্র কল্পনার উড়ালে বিষ্ময়করভাবে আপনাকে সংগী করে নেবে। যেমন সাভারের পাশে এক বকপুকুরের পাহাড়ে।

সভারের পাশে আদৌ কোনো পাহাড় আছে কিনা প্রবল আগ্রহে যখন মাহবুব মোর্শেদকে জিজ্ঞেস করলাম - সে আমার এডভেঞ্চারের সাধটাকে পুরো নস্যাত করে পুরোটাই তার নির্মিত জানালো। উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহে পাঠককে এভাবে নিবিষ্ট করার ক্ষমতা সমসমায়িক লেখকদের মধ্যে একমাত্র হুমায়ুন আহমেদেরই আছে বলে যাদের বিশ্বাস - সম্ভবত তারা এবার তার যোগ্য উত্তরসূরী পেয়ে গেছেন।

বিঃদ্রঃ যারা হুমায়ুন-যুগের সমাপ্তি চান, অনুগ্রহ করে মাইনাস প্রদান করে সমর্থন জানাবার নির্দেশ জারি করা হলো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29094014 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29094014 2010-02-09 15:21:51
আবু মুস্তাফিজের গল্পগ্রন্থ 'লুহার তালা'র ব্যঘ্রদর্শন 'মাল বানানি', 'পিকাসো ও রম্ভা' - এই ক্ষুদ্র গল্পদুটি। একই চিত্র 'স্বপ্ন' গল্পের ক্ষেত্রে - যেখান স্বপ্ন ও কল্পনার নানা বিভেদমূলক ব্যাখ্যার ভেতর থেকে এক সহজ জীবন স্বপ্নের বিভর বর্ণনা দেখা যায়। একই চিত্র 'টকেটের ভিতর পকেট আর পকেটের ভিতর টকেট' গল্পটিতেও। প্রচলিত গদ্য বলার ফর্মেট যে অভ্যস্ততা দেয় - কথ্যরূপে তার প্রকরণ অনেক বেশী ফ্লুয়েন্ট হলেও অধারাবাহিক বা অসংগঠিত হয়ে থাকে, কিন্তু লুহার তালার গদ্য সেই ত্রুটি থেকে উতরানো। এ যেন প্যাগান স্টোরি টেলিং, কল্পগাঁথা বুনোটের ভেতরে শক্তিশালী মরালের আলেখ্য।

স্থান ও চরিত্রের স্থিতাবস্থাকে বিচ্যুত করে গল্পের চরিত্রগুলো একই সাথে দ্বিমুখী অবস্থানে ভয়ংকরভাবে সুন্দর। যেমন 'লুহার তালা' গল্পে ভ্রূণ হত্যার বিরুদ্ধে তীব্র ব্যঙ্গময় স্বর ধরা পড়েছে - যা প্রতি লাইনে বিদ্রুপ ছড়াতে ছড়াতে নগ্ন করে দিয়েছে পারস্পরিক পরিবেশ। 'সুভদ্র বাঘ এবং বেলেহাজ বিড়াল' - যেমন মানুষের ও তার ভেতরের ক্রিয়াশীল দানবের জটিল চিত্রন, 'হরমুজ বিএসসি আর তার ছুটো ভাই মঞ্জু ভুনা খিছুরি আর গরুর গুস্ত খাইয়া মইল' কল্পনার রঙে আঁকা শ্রুতগল্পের বিস্তৃতি এবং চমকময় সম্পর্ককরণের গল্প বলে।

'একটি শক্তিশালী বাঘের গল্ফ' - সচেতন বিদ্রুপে অসহায় ছাপোষা জীবনের নির্মম বিনোদনের খোরাক যুগিয়েছে। 'একটা ঘাসখাইকা বাঘ এবং ভুদাই ঘোড়া' চমৎকার এক মৌলিক গল্প - ক্ষমতাধরের প্রলুব্ধকারী প্রচারণার করুন পরিনতির রূপকীয় উপস্থাপন।

আবু মুস্তাফিজ - এর লেখার সাথে যারা পরিচিত নন, তারা এক শক্তিশালী বাঘের উপস্থিতি টের পাবেন প্রায় গল্পে। এই বাঘ কখনও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী, কখনও পাটিতে বসে নিম্নাঙ্গের কেশ মুর্দন করে, কচু শাক দিয়ে ভাত, ডিমভাজা খায়, কখনও উন্নত নৈতিকতার পাঠ প্রদান করে। চিরপরিচিত এ বাঘদর্শন মনে হবে কখনও রাষ্ট্রের, কখনও ব্যক্তির স্কন্ধে চালিত এক বৈসম্যময় নিগৃহের অস্ত্র - যা রুঢ় বক্রোক্তিতে আবু মুস্তাফিজ এত উলঙ্গভাবে সম্মুখে নিয়ে এসেছেন, প্রতিটা গল্প বারবার না পড়ে উপায় নেই।

সংযুক্তি
'লুহার তালা' প্রকাশ করেছে শুদ্ধস্বর (বইমেলায় ২৪২ নম্বর স্টল)। ন'টা গল্প আছে। প্রথম গল্পের নাম 'লুহার তালা' - বইয়ের নাম এ গল্প থেকে নেয়া। প্রচ্ছদ করেছেন আহমেদ অরূপ কামাল। দাম ৭৫টাকা। বইমেলায় সম্ভবত ৫৬ টাকায় কেনা যাচ্ছে।

উপরের এই তথ্যগুলা বইয়ের মলাট, সূচীপত্র, ক্রেডিট লাইন থেকে প্রাপ্ত। ফ্লাপে লেখক পরিচিতি নাই, গল্প সম্বন্ধে কোনো ভূমিকা নাই। সুতরাং গল্প সম্বন্ধে জানতে গল্পই পড়তে হবে এবং পুরো বইটা শেষ করতে ৭৮ মিনিটের বেশী সময় লাগার কথা নয়।

এর বাইরে আমি যা জানি তা হলো লেখক আবু মুস্তাফিজ - এ পোষাকী নামের আড়ালে আমার বন্ধু শাপলু রয়েছে। প্রিয় বন্ধুর বই পড়া আর অপরিচিত লেখকের বই পড়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। গল্পের ভেতরে আরো কিছু পাঠ্য চলে আসে যা লিখিত নয় এবং তার সহযোগে এ-পোস্টের বিবৃতি অন্য কারো পর্যবেক্ষণ থেকে ভিন্ন হতে পারে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29093438 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29093438 2010-02-08 16:03:27
কলিগের পকেট ভারী - আমরা পালাবার রাস্তা খুঁজি
কিন্তু কারো দয়া মায়া হলো না। মাসের শেষে সবাই নির্দয় হয়ে যায়। ইচ্ছে না থাকলেও।

আজকে সকালে দেখলাম কলিগের মুখে হাসি। দুশিন্তার লেশ নেই। একজন জিজ্ঞেস করলো, কি ব্যাপার হায়দার সাহেব?

চটজলিদ কলিগের উত্তর, পকেট ভারি করে এসেছি আজ, এই দ্যাখেন - পকেট প্রায় ঝুলে পড়ছে!

সত্যিতো, আমরা তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম। প‌্যান্টের পকেটে ফুলে, নিচে ঝুলে আছে। কিভাবে ম্যানেজ করলেন?

কলিগের চেহারা ভারী হয়ে গেলো। পকেটে হাত ঢোকাতে ঢোকাতে বললো, রাস্তা থেকে, ভেরি সিম্পল...এই দেখুন!

আমরা দেখলাম কলিগের পকেট থেকে বেড়িয়ে এলো কিছু ইটের টুকরো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29089992 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29089992 2010-02-02 12:29:09
হয় পানি দিন নয়তো গ্যাস দিন, দুটো একত্রে কেড়ে নেবেন না জনাব!
যেদিন বাসায় পানি ও গ্যাস দুটোই থাকে না সেদিন এই পরোটা চিবুনো পর্বটা ব্রেকের পরে সিফট করে। প্রথমে অফিসে এসে দৌড়ে বাথরুমে ঢুকে আরাম করে পেট খালি করতে বসি। একটা সিগ্রেট ধরিয়ে সুগভীর টান দিতে দিতে বেসিনের নিচের কেবিনেট থেকে একটা জটিল ফিলোসফির বই টেনে নেই। যেমন ফেইলড স্টেট অথবা ইগনাইটেড মাইন্ডস। কোনো একটা জটিল শব্দ বা বাক্যে আটকে গেলে কষে এক সিগ্রেটের টান দেই। যেটা লাভ হয় তা হলো কন্সটিপেশন থেকেও মুক্তি পেয়ে যাই সাথে সাথে।

সমস্যা হলো এরপরে আবার বাইরে যেতে হবে। একটা রোস্তোরায় বসতে হবে। এখন সেই আগের মত আয়েশ করা হয়ে ওঠে না। অফিস থেকে ফাকি মেরে বের হতে হয় পরোটা চিবুতে। দুগালে কোনমতে পরোটার টুকরো ঢুকিয়ে দুইপাটি দাত দিয়ে উল্কার বেগে চিবিয়ে অফিসে দৌড়ে ফেরত যেতে হয়।

পানি ও গ্যাসের এই সাড়াশী অপসারণে আমি ব্যাপকমাত্রায় বিপদগ্রস্থ। একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমার তেমন কোনো চাওয়া নেই। কেবল একটাই দাবী, প্লিজ হয় পানি দিন নয়তো গ্যাস দিন। দুটো একত্রে কেড়ে নেবেন না জনাব! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29087346 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29087346 2010-01-28 17:01:46
ক্লাইমেট-ড্রাগনের ভয়াল ছোবল চালের উৎপাদনে - ১০০ কোটি মানুষের মুখের গ্রাস হুমকীর মুখে!
প্রথমত ব্যাপক খাদ্য সমস্যার কবলে পড়তে পারে বিশ্ব। যদি ১ থেকে ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তবে নিম্ন অক্ষাংশের অঞ্চলে ধান, গম জাতিয় ফসলের উৎপাদন ব্যহত হবে। আমাদের জন্য এর চেয়ে ভয়াবহ দুঃসংবাদ আর কিছুই হতে পারে না কারণ বাংলাদেশ নিম্ন অক্ষাংশে অবস্থিত।

বিশ্বের প্রায় সিংহভাগ চাল উৎপাদন হয় চায়না (২৬%), ভারত (২০%), ইন্দোনেশিয়া (৯%) ও বাংলাদেশ (৫%) - যা বিশ্বব্যাপী মোট উৎপাদনের ৬০%। এর মধ্যে ভারতের বৃহৎ চাল উৎপাদন অঞ্চল এবং ইন্দোনেশিয়ার পুরো অঞ্চল নিম্ন অক্ষাংশে অবস্থিত। এছাড়া মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস সহ অন্যান্য চাল উৎপাদনকারী দেশও প্রায় একই সমান্তরালে অবস্থিত। বৃদ্ধিপ্রাপ্ত তাপমাত্রায় আগামী একশ বছরের মধ্যে এসব দেশের চাল উৎপাদনের পরিমাণ কমে যাবে।

লক্ষ্য করে দেখুন বাংলাদেশ যে সমস্ত দেশ থেকে প্রধানত চাল আমদানী করে, যেমন, ভারত ও মায়ানমার, এর মধ্যে রয়েছে। ফলে প্রধান খাদ্যশষ্য চালের উৎপাদন ব্যবস্থায় মহাবিপর্যয় অত্যাসন্ন। তদুপরি ২০০৮ সালে চাল আমদানী নিয়ে বিশ্ব-রাজনীতির যে ঘৃণ্য চিত্র আমাদের দেখতে হয়েছে এরপর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের কপালে কি আছে কল্পনা করা যায় না। খাদ্যাভাস পরিবর্তন ছাড়া সম্ভবত আর কোনো উপায় থাকবে না।

এ অঞ্চলের প্রায় একশকোটি মানুষ খাদ্যশষ্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।


সূত্র: 19.3.1 Introduction to Table 19.1 , Chapter 19: Assessing Key Vulnerabilities and the Risk from Climate Change, Climate Change 2007: Working Group II: Impacts, Adaption and Vulnerability]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29086564 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29086564 2010-01-27 11:53:07
ক্লাইমেট-ড্রাগন পৃথিবীর চিরপরিচিত প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা গুড়িয়ে দিচ্ছে
মানুষ তার বসবাসযোগ্য করে পৃথিবী গড়ে নিয়েছে। গড়তে গিয়ে প্রকৃতিকে ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করেছে, ধ্বংষ করেছে। এর কিছু প্রকৃতি অনুমোদন করেছে, কিছু করে নি। যা অনুমোদন করেনি তার সাথে সমাঝোতা করার ক্ষমতা অর্জন করেছে। প্রকৃতি ও মানুষ - এই দুই পরাশক্তির নিরবিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের মধ্যে মানুষের সভ্যতা গড়ে উঠেছে।

প্রকৃতি যে বিষয়গুলো অনুমোদন করেনি তার মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত জলবায়ু পরিবর্তন অন্যতম। ফিরিয়ে দিচ্ছে উল্টো চিত্র। পৃথিবীকে মানুষের বাসের অযোগ্য করে প্রতিশোধ নিচ্ছে প্রকৃতি। যেমন হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে মানুষ ধ্বংষ করেছিল প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা – ফলে প্রকৃতিও উপহার দিয়েছে যুগের পরে যুগ বিকলাঙ্গ মানুষের জন্ম। ভুপাল, চেরোনবিলেও একই চিত্র দেখেছে মানুষ। প্রকৃতি তার সাম্রাজ্যে রাষ্ট্রসীমা অগ্রাহ্য করে বলে এই প্রতিশোধের শিকার হয়েছে নিরাপরাধ মানুষ। পারমানবিক বোমা বিষ্ফোরণের কয়েক যুগ পরেও যার রেশ কাটেনি।

জলবায়ু পরিবর্তন প্রকৃতি অনুমোদন করেনি, মূলত আমাদের বসবাসযোগ্য পৃথিবীকে অক্ষুন্ন, অবিকৃত রেখে। পরিবর্তিত হচ্ছে পৃথিবী - প্রভাব পড়েছে এর জল, স্থল ও বায়ুমন্ডলে। মানুষকে পৃথিবী তার নতুন প্রাকৃতিক বিনির্মাণে শৃঙ্খলিত করে ফেলতে উদ্যত। যে অঞ্চলে মানুষ মেরু শীতলতা অভ্যস্ত সেখানে সূচনা হচ্ছে গ্রীষ্মমন্ডলীয় উষ্ণতার।

মোদ্দাকথা, চিরপরিচিত তাপমাত্রা বন্টনের প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত প্রমাণ হাজির করেছেন। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির বিরূপ প্রভাব নিদৃষ্টভাবে এখনই যেসব স্থানে পরিলক্ষিত হয় তার বর্ণনা আছে আইপিসির ৪র্থ এসেমেন্ট রিপোর্ট। বিশাল এই রিপোর্টের দ্বিতীয় খন্ডের একটা অংশের নাম সামারি ফর পলিসিমেকার , [পিডিএফ, ১৬ পৃষ্ঠা, ৯২৪ কেবি, অনায়েসে ডাউনলোড করে নিতে পারেন] যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে - Observational evidence from all continents and most oceans shows that many natural systems are being affected by regional climate changes, particularly temperature increases. উদাহারণসরূপ বলা হয়েছে নিম্নোক্ত গবেষণালব্ধ পর্যবেক্ষণের কথা:

প্রথমত: হিমবাহ বা গ্লেসিয়ার বা পুঞ্জীভূত বরফের স্তুপের ক্ষয়। উঁচু পাহাড়ের শীর্ষে, উত্তর-দক্ষিণ মেরুর বরফাঞ্চলে মাইলের পরে মাইল এমন বিশাল বিশাল বরফের ঘনীভূত আধার ধারণ করে আছে কয়েক মহাসমু্দ্রের জলরাশি। গ্লেসিয়ালিস্ট বা এই হিমবাহ বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন যাবত পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন হিমবাহ ক্রমশ গলে যাচ্ছে। গলে যাওয়ার মাত্রা হিসাব করে তারা ভবিষ্যতে কি পরিমাণে গলবে তার একটা ধারণাও করেছেন। (১) এর ফলে সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পাবে এবং ইতোমধ্যে সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি শহরগুলোর, যেমন, নিউইয়র্ক, নিউ অর্লিয়েন্স, আম্সটারডাম, হেগ, ভেনিস, কর্তৃপক্ষ শহর রক্ষা ও পানি ব্যবস্থাপনার জন্য নানা প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা, নিরীক্ষা শেষে বাস্তবায়নও শুরু করে দিয়েছে। এছাড়া, বরফাচ্ছাদিত পাহাড়ের বরফ গলে নড়বড়ে করে দিচ্ছে ভূ-গঠন ও দৃঢ়তা ফলে ভূমিধ্বসের ঝুঁকি বাড়ছে। এর ফলে সন্নিকটস্থ অঞ্চলের জনবসতি হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়বে।

দ্বিতীয়ত: মেরুঅঞ্চলে জীব-বৈচিত্রের পরিবর্তন হচ্ছে পরিবর্তিত পরিবেশের কারণে। যা প্রভাব ফেলছে জীবনযাত্রা থেকে শুরু করে খাদ্যাভাসে। বৃষ্টি ও হিমবাহ নিঃসৃত পানির পরিমাণ বাড়ছে বসন্তের প্রারম্ভে, অনেক অঞ্চলে নদ-নদীর উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পানির গূনগত মানের উপরে প্রভাব ফেলছে। এছাড়া বসন্তে নতুন পত্র-পল্লব প্রস্ফুটিত হওয়া, অতিথি পাখির অভিবাসন বা ডিম ফোটার সময়কালে পরিবর্তন ঘটছে। মেরুঅঞ্চল এবং অমেরুঅঞ্চলে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈচিত্রে লক্ষণীয় মাত্রায় পরিবর্তন সংগঠিত হয়েছে। উচ্চ-অক্ষাংশের সমুদ্রে সামুদ্রিক জীবানু, শ্যাওলা ও মৎসের মাত্রা ও পরিমাণে পরিবর্তন ঘটছে। সার্বিকভাবে সমুদ্রে এসিডের পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রকৃতির এই পরিবর্তন পৃথিবীর নানা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের ফিজিকাল পরিবর্তনের ইংগিত মাত্র। ভূমি, পানি, উদ্ভিদ, প্রাণী, আলো, বাতাস সর্বত্র এর প্রভাব ক্রমশ স্পষ্টতর হওয়ার সূচনা বলা যায়। বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণলব্ধ এসব প্রাকৃতিক পরিবর্তন ঘটছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এবং প্রধানত পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে। যার কোনটাই মানব বসতির জন্য পৃথিবীকে উপযুক্ত রাখার মত নয়। আবাসযোগ্য করে গড়ে তুলে আমরা এখন এর জলবায়ুকে ধরে রাখতে পারছি না। বরঞ্চ প্রকৃতি নির্ধারণ করে দিচ্ছে আমরা কোথায় বাস করবো এবং কিভাবে বাস করবো।

প্রকৃতির এই পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আমাদের সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া কোনো উপায় নেই। এর জন্য কোনো একক রাষ্ট্রকে দায়ী করেও এর সমাধান আশা করা যায় না। প্রকৃতির এই পরিবর্তনের জন্য আমেরিকা বা উন্নত বিশ্ব দায়ী এমন সরলীকরণেরও বিপক্ষে আমি।

প্রকৃতি যে কারণে পরিবর্তন ঘটাছে আমাদের অবশ্যই সেই কারণটাকে বন্ধ করতে হবে। ইতোমধ্যে যে পরিবর্তনের উপরে আমাদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছি তার সাথে খাপ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। তবে এ কথা নিশ্চিত এজন্য বাংলাদেশের চেয়ে সোচ্চার কণ্ঠস্বর অন্য কোথাও শুনতে পাবার কথা নয়। কারণ উপর্যুপরী ঘূর্ণিঝড় সঙ্কুল আমাদের উপকূলীয় অঞ্চল ও দরিদ্রতা মিলেমিশে যখন সমু্দ্র পৃষ্ঠ বৃদ্ধির সম্মুখীন হবে - তখন এই দেশের মানুষ কোথায় গিয়ে দাড়াবে কল্পনা করা যায় না।

১. ২০৩৫ সালে হিমালয় পর্বতমালার গ্লেসিয়ার ক্ষয়ের একটা সাইন্টিফিক প্রেডিকশনও তারা দিয়েছিলেন যা সম্প্রতি অসত্য তথ্য নির্ভর বলে জানিয়েছেন ইউএন এর ক্লাইমেট প্রধান রাজেন্দ্র পাচৌরী। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29085450 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29085450 2010-01-25 14:57:15
আসুন লোটাস কামালের মুখে থুথু দেই
একজন সাকিব হয়ে জন্মাতে লোটাসকামাল চোদ্দবার জন্মাতে হবে। ইতিহাসের পাতায় সাকিবরা বারবার স্মরিত হবে, কিন্তু লোটাস কামাল ধুয়ে মুছে ছাপ হয়ে যাবে।

লোটাস কামালকে থুতু দিয়ে বোর্ড থেকে অনতিবিলম্বে খেদানো হোক। সালা উল্লুক ক্রিকেটের গায়ে কলংক লেপে দিয়েছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29084593 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29084593 2010-01-24 09:24:27
খালেদা ম্যডাম চিন্তা নাই, হাসিনার মুখে তালা নাই
হাসিনার মুখের উপরে কোর্টের ইনজ্যাংকশন জারি করা হোক। প্রতিদিন তিনি কয় ছটাক কথা বলবেন সে বিষয়ে সংসদে অবিলম্বে আইন তৈরী করা হোক। আমার তো মনে হয় হাসিনার মুখের ভেতরে কোনো ডিজিটাল চিপ সেট করা হয়েছিলো। সেখানে কোনো হ্যাকার ঢুকেছে, সব কিছু ওলোট পালোট করে দিচ্ছে।

হাসিনার মুখের তালা যতদিন পর্যন্ত খোলা থাকবে ততদিন খালেদার মুখে হাসি চমকাবে। খালেদার মুখের হাসি থামাতে হাসিনার মুখে অনতিবিলম্বে তালা পুনঃস্থাপন করা হোক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29082823 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29082823 2010-01-21 11:53:41
ডিসএগ্রিমেন্ট নীচুলয়েরটা তোমার, আমারটা স্টপ!

এরপরে দুদিকে সাইরেন, দ্বিখন্ডিত বাহন এবং যতই আলাদা
জগতের সকল মানুষ সুখী হোক
আমার ভেতরে জমেছে ডিসএগ্রিমেন্ট, তোমার ভেতরে বিচ্ছিন্নতাবাদী
সকলে নিশ্চিত হোক আমার থেকে কিছু প্রাপ্তি নেই
সকলে নিশ্চিত হোক আমার কাছে কারো দায় নেই
ছিন্নতাজীর্ণ বিকেলের ষাট ডিগ্রী ফারেনহাইট
শরীরের ভেতরে নাইন্টিএইট
সংকলিত ডিসএগ্রিমেন্টের প্রমাণিত অমিল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29082373 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29082373 2010-01-20 16:03:02
আমার এই রোমান্টিক্যাল ক্যালকুলেটর হঠাৎ করে দেখাতে শুরু করলো চিত্রলিপিতে!
বিদঘুটে খরচাটা আন্দামানের মানচিত্রে আছড়ে দিলো
আর সাথে ফুটনোট...কবে যেন চলছিস?
পুরো পাঁচ বছরের হিসেব পচে যাচ্ছে
ভেতরে নোনা জলের পিদিম থেকে দেখছিনার অজুহাত
বলছি তো - সেই চোখ দীর্ঘায়িত নয়, নয়!
কেবল এক রোমান্টিক্যাল বিকারের আবিষ্কার
ও ক্যালকুলেটর, তোর কাজ গুনে যাওয়া - কেন এসব দেখাতে চাস?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29081881 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29081881 2010-01-19 17:51:37
জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে পাবলিকরে খাপ খাওয়ানোর আন্তর্জাতিক কোশেষ-চিত্র
প্রাগৈতিহাসিক আমল থেকেই পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন হয়ে এসেছে। লাখ লাখ বছর ধরে। একটা নিদৃষ্ট ভৌগলিক স্থানের জলবায়ু, আবহওয়া, ভূ-প্রকৃতি মানুষের গায়ের বর্ণ, উচ্চতা, সাইজের উপরে প্রভাব ফেলে। এক গোলার্ধের কেউ হলো তামাটে, অন্য গোলার্ধের কেউ হলো হরিদ্রাবর্ণের। মোট কথা জৈবিক পরিবর্তনের ঘটনা জলবায়ু পরিবর্তনের মতই সুদীর্ঘকাল ধরে ঘটেছে। মানে এডাপটেশন ঘটেছে। খাপ খেয়েছে মানুষ পরিবেশের সাথে, জলবায়ুর সাথে।

এডাপটেশনের এই পদ্ধতি প্রাকৃতিক – এখন যখন জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে তখন পৃথিবীর মানুষ এর সাথে খাপ খেয়ে যাবে। কিন্তু সমস্যা হলো দীর্ঘ সময় আর পাওয়া যাচ্ছে না এই একবিংশ শতাব্দীর জলবায়ু পরিবর্তনের ঘটনায়। এখন পরিবর্তন হচ্ছে দ্রুতগতিতে। গরমাঞ্চলে মানুষের চামড়ার পুরুত্ব একশ/দুশ বছরে দ্বিগুন/তিনগুন বেড়ে যাবে না – যত দ্রুত সেখানে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাচ্ছে। বা সুবিধাজনক তাপমাত্রা ও জলবায়ু অঞ্চলে শিফট করাও সম্ভব হবে না।

ফলে এডাপটেশন কেমনে ঠেসে করানো যায় সে নিয়ে বিয়াফুক গবেষণা হচ্ছে। ক্লাইমেট চেঞ্জের কারণে আমাদের ঘরবাড়ী, জলবায়ু, তাপমাত্রা, ঘূর্ণিবায়ু, পানি, স্বাস্থ্য, জীবিকা, রাজনীতির উপরে কি প্রভাব ফেলবে তা জেনে সে অনুযায়ী মানুষের জীবন-ব্যবস্থা প্রনয়ণের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এর ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হবে আমাদের ব্যক্তিক, ভৌগলিক ও রাষ্ট্রীয় সিস্টেম। এসব থেকে আবার নতুন এডপটেশন পদ্ধতি, তারপরে আবারও নতুন ঝুঁকির ক্ষেত্র উন্মোচন – এবং এভাবে আমাদের এডপটেশনের মধ্যে দিয়ে চলতে হবে বছরের পর বছর এবং বাস করতে হবে বিরূপ ক্লাইমেটের মধ্যেই এবং অপেক্ষা করতে হবে প্রাকৃতিকভাবে আমাদের দেহে নতুন এডপটেশন পদ্ধতি জন্মানোর।

এর পেছনে কারণ বোধহয় মিটিগেশন বা ক্লাইমেট চেঞ্জ নিবৃত্তি করার জটিল বৈজ্ঞানিক ও রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা, সীমাবদ্ধতা। এজন্য খাপ খাইয়ে নেবার কোশেষের জয় জয়াকার। ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়ে যত এক্টিভিটি দেখলাম তার বেশীরভাগের বহুল উচ্চারিত শব্দই হলো এডপটেশন।

ইম্প্যাক্ট, এডপটেশন এবং ভালনারেলিবিলিট নামে একটা বিশাল পার্ট আছে আইপিসির ফোর্থ এসেসমেন্ট রিপোর্টে। সেই রিপোর্টের টেবল অব কনটেন্ট হচ্ছে এমন -

• Foreword, Preface, and Introduction
• Summary for Policymakers
• Technical Summary
1. Assessment of observed changes and responses in natural and managed systems
2. New assessment methods and the characterisation of future conditions
3. Freshwater resources and their management
4. Ecosystem, their properties, goods and services
5. Food, fibre and forest products
6. Coastal systems and low-lying areas
7. Industry, settlement and society
8. Human health
9. Africa
10. Asia
11. Australia and New Zealand
12. Europe
13. Latin America
14. North America
15. Polar Regions (Arctic and Antarctic)
16. Small islands
17. Assessment of adaptation practices, options, constraints and capacity
18. Inter-relationships between adaptation and mitigation
19. Assessing key vulnerabilities and the risk from climate change
20. Perspectives on climate change and sustainability]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29078329 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29078329 2010-01-14 14:15:37
সরকার ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়ে আমাদের কি বলতে চায়?
মানে ঘটনা হচ্ছে অনেক পুরাতন – কিন্তু আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই মনে হয় হুট করে পরিচিত হলো। হবেই বা না কেন? সরকার প্রধানরা এ যাবতকাল জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে দেশের মানুষকে কিছু জানানোর কোনো ব্যবস্থা রাখেননি। এত বিশাল সরকার এবং তার মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কোন মন্ত্রণালয়ে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়টি তাও বোধহয় খুব কম মানুষ জানে।

তবে যেটা শুনলাম তা হলো খাদ্য ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর নামে একটা সংস্থা আছে, তার একটা সেল আছে ক্লাইমেট চেঞ্জ নামে। বাংলাদেশের জন্য ক্লাইমেট চেঞ্জ একটা বিশাল ইস্যু – যেখানে সমস্ত বিশ্বের গিনিপিগ হতে যাচ্ছে এই দেশটিই। কিন্তু দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বা ডিএমডির ওয়েবসাইট ঘুরে ক্লাইমেট চেঞ্জ সংক্রান্ত কোনো কিছুই চোখে পড়লো না। অথচ ওয়েবে আইপিসিসির বিশাল তথ্য ভান্ডার রয়েছে – সেখানে রয়েছে চারটে এসেসমেন্ট রিপোর্ট, রয়েছে ক্লাইমেট চেঞ্জের ফিজিক্যাল সাইন্স, এডপটেশন, মিটিগেশনের উপরে কয়েক হাজার বৈজ্ঞানিকের গবেষণালব্ধ রিপোর্ট। এসব বাংলা করে ডিএমডির ওয়েবসাইটের রাখা যেতো।

ক্লাইমেট চেঞ্জ নামে সরকার কি আলাদা একটা অধিদপ্তর তৈরী করতে পারে না? কমপক্ষে আলাদা একটা ওয়েবসাইট যেখানে থাকবে ক্লাইমেট চেঞ্জ সংক্রান্ত সরকারের সর্বশেষ পদক্ষেপসমূহ?

এখন যে অবস্থা দাড়িয়েছে এনজিওগুলো তো ক্লাইমেট চেঞ্জকে বিশাল একটা সুস্বাদু মোয়া মনে করে ধেই ধেই নাচা শুরু করেছে। এই সুবিধাবাদী ক্লাইমেট বাণিজ্যিকদের বিভ্রান্তি থেকে সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য দিয়ে জনসচেতনতা তৈরীতে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ যতই এনজিওওয়ালারা চিল্লাক না কেন সরকারের ভূমিকা ছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে সঠিক তথ্য পাওয়া কখনই সম্ভব না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29077517 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29077517 2010-01-13 09:56:42
বাংলাদেশকে বাঁচাতে উন্নতরাষ্ট্রগুলো কি কার্বন নিঃস্বরণের মাত্রা কমাতে রাজী হবে?
তবে জলবায়ুর পরিবর্তন যে অস্বাভাবিকভাবে ঘটেছে মানে গত বছর এই সময়ের শীতের চেয়ে এখন তীব্রতা একটু বেশী বেড়েছে – এই কথা কিন্তু বিগত দুই দশক ধরেই বলে আসছি এবং অন্যান্যদেরও বলতে শুনছি। বৃদ্ধরা আরো ভালো বলেন, ‘এমন শীত বাপের জম্মে দেখি নাই’, অথবা ‘কেয়ামতের আগে পৃথিবীর এমন উত্তপ্ত হবারই কথা, এই গরম হইলো সেই কেয়ামতের আলামত’। বাংলাদেশে ষড়ঋতু আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্ষা শেষে আসার কথা শরৎবাবুর এবং এর পরে হেমন্তবাবুর কিন্তু এখন মনে হচ্ছে বর্ষার পরে উড়ে এসে শীতেরবুড়ি জুরে বসে। এমনকি শীতের মাঝেও চলে বৃষ্টি। গরমের সময় চরম গরম, শীতের সময় চরম শীত – এই যে চরমাভাবাপন্ন আবহওয়া এসবের মানে একটাই – জলবায়ুকে পরিবর্তন করা হয়েছে, এই পরিবর্তন স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত হতেই পারেই না। জনবসতিপূর্ণ একটা পৃথিবীর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে প্রাকৃতিক ভাবার কোনো কারণ নাই। একটা গোলার্ধের সব মানুষ অন্য একটা গোলার্ধে গিয়ে বসবাস শুরু করবে অতীতের মত ক্লাইমেট ইমিগ্রেন্ট হিসাবে - এটা এখন অসম্ভব ঘটনা।

ঐতিহাসিক আমল থেকে ভূতাত্ত্বিক চরিত্রের কারণেই বাংলাদেশ ঘনঘন ঝড়ঝঞ্জার ঝুঁকিগ্রস্থ। এতকাল সেটাকে প্রাকৃতিক ভাবা যেত, কিন্তু এখন সব গোলমেলো হয়ে গেছে। আগের তুলনায় ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা ও প্রকোপ বেড়েছে। এছাড়া সাগরের পানি ঢুকে পড়ছে মিঠেপানি অঞ্চলে, এবং সেটা আর অপসারিত হচ্ছে না সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে। শষ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে, মানুষের খাদ্য, পানীয় ও জনস্বাস্থ্যের উপরে ইতিমধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলতে শুরু করেছে।

‘বদল’ শব্দ নিয়ে নানারকম বদলা-বদলী ঘটে গেছে। মার্কিন মুল্লুকে কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ক্ষমতায়ন, প্রথম আলো পত্রিকার রাজনৈতিক ক্যাম্পেইন ইত্যাদি। কিন্তু যে ‘বদল’ পৃথিবীর জন্য হুমকিসরূপ সেই জলবায়ুর বদল ঘটানোর কোনো মিশন নিয়ে কেউ ক্যাম্পেইন না করলেও পৃথিবীর মানুষ তাদের জলবায়ু বদলে দিয়েছে। এবং অদ্ভুত বিষয় হলো এই বদলে যাদের ভূমিকা শূণ্য দশমিকের নিচে তাদের মোকাবেলা করতে হবে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় - সাইন্টিস্টরা লম্বা চওড়া গবেষণালব্ধ এমন সিদ্ধান্তই জানিয়েছেন।

আমরা বদলে যেতে চাই – কিন্তু প্রকৃতির সত্যকে আমাদের বদলানো ঠিক হয় নাই। আমরা যে খুব জেনেবুঝে এমন বদলের রূপকার হয়েছি বিষয়টা খুব সোজাভাবে তেমনও বলা যায় না। তবে আমরা বদলেছি – এবং এর জন্য আমাদেরই ভূগতে হবে এটাই স্বাভাবিক। প্রকৃতির কাছে যেহেতু রাষ্ট্রীয় সীমারেখা অচল সেহেতু পশ্চিমাবিশ্বে মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃস্বরণের ফলে তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্রতম একটা দেশ বাংলাদেশকে মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হবে এটাই বোধহয় প্রাকৃতিক বিচার।

প্রকৃতির এই বিচারব্যবস্থা থেকে সমাধানের কি আদৌ কোনো উপায় আছে? বাংলাদেশের কথা চিন্তা করে পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলো তাদের কার্বন নিঃস্বরণের মাত্রা কমাবে এটা আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29076983 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29076983 2010-01-12 13:43:48
মুনশিয়ানা - বর্ন অফ এ্যা রেয়ার ব্রিড!
আগামীকাল মুনশিয়ানার জন্মদিন। আবার কখন লগইন করতে পারবো জানি না। সেজন্য অগ্রীম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি মুনশিয়ানা ভাইকে।

অনেক অনেক ভালো থাকুন মুনশিয়ানা ভাই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29075686 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29075686 2010-01-10 14:40:53
দীর্ঘ বারোঘন্টা ব্যাপী বিনেপয়সায় ইসলামী কনসার্ট শুনলাম!
সেই সংগীত ও মাহফিল চললো রাত একটা পর্যন্ত। মানে বারো ঘন্টা যাবত ইসলামী সংগীত বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ঘোষকরা বেশ কয়েকবার এই শব্দগুলোও বলেছেন মাহফিলকে পরিচয় করিয়ে দিতে। এত দীর্ঘ সময়ব্যাপী সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কখনও দেখি নাই। অংশগ্রহণেরও কোনো আগ্রহ নাই। ম্যারাথন এমন বিনোদন বা জ্ঞানগর্ভ আলোচনা বা লাভজনক কোনো সমাবেশ আনন্দদায়ক হতে পারে না। ধৈর্য্যও থাকার কথা নয়। তবে অবশ্যই কারও আগ্রহ টিকে থাকলে সে থাকতে পারে। কিন্তু যাদের ভালো লাগবে না তাদের এমন অনুষ্ঠান থেকে বেচে থাকার কোনো উপায় নাই। কারণ মাইক লেগেছে আপনার কানের উপরে, সেখানে তারস্বরে চেচানো ঘোষক, বেশীরভাগের সুরহীন বাজে গলায় গীত আল্লাহ ও রাসুল বিষয়ক সংগীত আপনাকে শুনতেই হবে। কোনোভাবে যে আপনি কোনদিকে পালাবেন কোন উপায় নাই। বাজে কোয়ালিটির সাউন্ড স সিস্টেমের কারণে বয়ান/বক্তৃতা/গান যদি কিছু শোনা বা বোঝা যেত ভালোমত তাহলেও না হয় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেতো - সারাক্ষণই কেবল ভম ভম একটা ওয়াজ শুনলাম।

বাসার ভেতরে কারো সাথে কথা বলার জো নেই, একদম কানের কাছে মুখ না নিলে শব্দ বোঝা যায় না। ফোনে বা টিভির আওয়াজতো দূরের কথা।

ভাবছিলাম এই যে নাগরিক অত্যাচার এটা কিভাবে প্রতিহত করা যায়? আসলে কি কোনো উপায় আছে? মনে হয় নেই। সবই আল্লাহ রাসুলের নামে হচ্ছে, বিরক্ত হবার কোনো উপায় নাই। কাউকে প্রতিবাদ করতেও দেখলাম না।

কিন্তু যদি বারো ঘন্টা এমন আয়োজনে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ একজন মিউজিসিয়ানের লাইভ গান শোনানো হতো? বারোঘন্টা কি মানুষের সেই গানও শুনতে ভালো লাগতো? অসুস্থ্য মানুষ, বাচ্চাদের পড়াশুনা, বিজাতীয় সংস্কৃতির চর্চা, পরিবেশ দূষণ এমন নানাবিধ অভিযোগে সেই আয়োজনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মত লোকের অভাব হতো না সমাজে।

কিন্তু ইসলামী সংগীতায়োজন বলেই সবকিছু উঠে যায় দায়বদ্ধতার উপরে। যারা শোনে তাদের বিরক্ত হলেও কিছু করার নেই। এই তারস্বরে চেচানো জঘন্য ইসলামী সংগীত আয়োজকদের এ নিয়ে অভিযোগ করতে গেলে তাদের একটাই জবাব হবে, দ্বীনি কাজ সবার উপরে - সব যুক্তি পরে! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29066560 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29066560 2009-12-27 16:53:17
উত্তরাঞ্চলকে বাঁচাতে তিস্তা নদীতে ৩০০০ কিউসিক পানি প্রয়োজন, কিন্তু ভারত মাত্র ৪০০ কিউসিক দেয়!
ঐ একই তথ্যানুযায়ী শুষ্ক মৌসুমে দেড় হাজার কিউসিক পানি পেলেও রেশনিং করে কোনভাবে প্রকল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব। স্বাভাবিকভাবেই অনুমান করা যায় এর কম পানি পেলে এই প্রকল্পের আওতাধীন কৃষিজমিতে ফসল উৎপাদন অসম্ভব। এবং ফসল মানে ধান, রবিশষ্য, শবজী যদি উৎপাদন করা সম্ভব না হয় তাহলে পরিস্থিতি দুর্বিসহ হতে বাধ্য। মৌসুমী দুর্ভিক্ষ বা মঙ্গা দেখা দেবে স্বাভাবিকভাবে। জমি আছে কিন্তু ফসল উৎপাদন করা যাচ্ছে না, যেখানে মানুষের একমাত্র অবলম্বন কৃষিকাজ সেখানে এর চেয়ে ভয়াবহ অমানবিকতা আর কিছুই হতে পারে না।

খুবই বিক্ষুব্ধ হবেন এটা জেনে যে গত বৎসর শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা থেকে মাত্র ৪০০ কিউসেক পানি পাওয়া গেছে। এখন সহজেই অনুধাবন করতে পারেন উত্তরাঞ্চলে জনজীবনের জন্য অভিশাপ হিসাবে যে পিরিওডিক্যাল মহামারী দেখা দেয় তার কারণ কি।

জেআরসির সূত্রমতে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত তিস্তা পানি বন্টন চুক্তিতে তিস্তার পানি সমান সমান ভাগের কথা বলা হয়েছে। ২০ শতাংশ নদীর জন্য রেখে ৪০% করে এ একটা দেশ পাবে। যদি এই চুক্তির বিষয়ে ভারত একমত হয় তবে প্রধানমন্ত্রী সামনের মাসে ভারত সফরের সময় চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন। কিন্তু ভারত যদি রাজী না হয়? জেআরসির সভায় হয়তো বোঝা যাবে ভারতের অভিরুচী।

তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের জন্য জেআরসির মিটিং এর সাথে সাথে একটা শক্তিশালী প্রেশার গ্রুপ তৈরী করা উচিত যারা বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশে তিস্তা অববাহিকার মানুষের ভয়াবহ বিপর্যয়ের কথা তুলে ধরবেন। অন্যথায় এই মহাবিপর্যয়ের পরিনতিতে যে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় অস্থিরতা তৈরী হবে তার হাত থেকে পাশ্ববর্তী দেশও কোনভাবে নিরাপদ থাকার চিন্তা করতে পারে না। তিস্তার পানির মালিক ভারত একা নয়, বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানি আমাদেরকেই গ্রহণ করতে হয়, ভারত চাইলেও সে পানি নিজেদের কাছে রাখতে পারবে না। প্রকৃতির এই পরিনতি যখন আমরা বাই ডিফল্ট ভোগ করে ভারতকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করি, তখন শুষ্ক মৌসুমে সে পানির উপরে ভাগ বসানোর কোনো অধিকার ভারতের থাকতে পারে না। তারপরেও আমরা চাচ্ছি অর্ধেক মাত্র! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29065389 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29065389 2009-12-25 18:06:23
কাজী তৌকির এখন হিরো!
উপরের ছবিটা দেখে নাও চিনতে পারেন। চার বছরে পাতলা গড়নের কাজী তৌকির রীতিমত মাসলম্যান হয়ে গেছে।

বলিউডী হিরো হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছেন এ বৎসরই। ছবির নাম টেক-অফ। কয়েকটা গান দেখতে পারেন এখানে

হঠাৎ ইউটিউবে লিংকটা পেয়ে মনে পড়লো চার বৎসর আগে ইন্ডিয়ান একটা মিউজিক রিয়েলিটি শো 'ফেম গুরুকুল' এ ঝড় তুলেছিলো কাজী তৌকির। খুব ভালো গায়ক না হয়েও কেবলমাত্র স্টেজ পার্ফেমন্সের কারণে জিতে নিয়েছিলো বিজয়ের মুকুট।

তখন অবশ্য অনেকেই ভেবেছিলো তৌকিরকে সম্ভবত সিংগার নয়, হিরো হিসাবেই দেখা যাবে। বাস্তবেও তাই হয়েছে দেখা যাচ্ছে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29063725 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29063725 2009-12-22 17:11:25
জয় যদি ঘুস খায় তাতে আমাদের কি কোনো আপত্তি থাকার কথা? জয় ঘুস খাইতে পারে না - এইটা আমার ইমান।

কিন্তু যদি খায়ও সেক্ষেত্রে আমাদের কোনো আপত্তি নাই। থাকতে পারে না। জয় হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র। শেখ হাসিনা হচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর পুত্রী। বঙ্গবন্ধু হচ্ছেন স্বাধীনতার জনক। এবং স্বাধীনতার জনক হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা। এবং আপনি ও আমি এই দেশের নাগরিক। আপত্তির তো প্রশ্নই আসে না। বরঞ্চ আমাদের উৎসাহিত করা উচিত তিনি যদি খেয়ে থাকেন তবে যেন আরো বেশী বেশী খান এবং আমাদেরকেও কিছু ন্যায্য হিস্যা বিতরণ করতে কার্পণ্য বোধ না করেন।

জয় যদি ঘুস খেয়ে থাকে তবে নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে পারেন সেটা ব্যয় হবে দেশের কল্যাণে। তিনি কখনই দুবাইয়ের সাত তারা হোটেলে গিয়ে আমোদ ফুর্তি করবেন না। তিনি তার ঘুসের টাকায় এতিমখানা তৈরী করবেন, রাস্তাঘাট সংস্কার করবেন। দুস্থ্ মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন করবেন, মসজিদ তৈরী করবেন, স্কুলে বৃত্তি দেবেন এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে কাজে লাগাবেন।

জয় যদি আরো ঘুস খায় তবে তিনি দেশকে আরো ডিজিটাল করতে সক্ষম হবেন। আপনারা জানেন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রচুর অর্থ দরকার, এবং এই অর্থ সেক্ষেত্রে বিনিয়োগ হিসাবে পরিগনিত হবে। দেশের প্রত্যেকটা মানুষকে ডিজিটালী সম্পৃক্ত করার জন্য এই ঘুসের অর্থে ইনফরমেশন হাইওয়ে তৈরী হবে; অবহেলিত নিঃস্ব মানুষও পাবে ডিজিটাল জীবনের সুবিধা।

জয় ঘুস খেলে আমার কোনো আপত্তি নাই। আপনাদেরও আপত্তি থাকার কথা না। প্রতিবাদ করার চেয়ে আসুন আমরা নতুন ব্যাখ্যায় স্বমেহিত হই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29062908 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29062908 2009-12-21 12:37:36
মাসুম ভাইয়ের প্রীতিময় ফোন হারিয়ে গেছে
ফোনবুকে প্রীতিভাজনদের নম্বর সজ্জিত থাকে। ফটো থাকে, প্রীতিতে লেপ্টে। কিন্তু কিছু প্রীতি আবার শত্রুও উৎপন্ন করে, বিশেষত প্রীতিদের প্রীতমরা। তেমন কেউ চুরি করে নিয়েছে তার প্রীতিময় মোবাইল সাথে সকল প্রীতিদের ফুননম্বর।

তবে একটা বিষয়ে মাসুম ভাইয়ের কখনই কোনো প্রীতি দেখা যায় নি। তিনি তীব্রভাবে পুরুষ-প্রীতি বিরোধী (কে যেন আবার গতকাল তা মনে করিয়ে দিল)। যাদের মাসুম ভাই-প্রীতি আছে তারা অনতিবিলম্বে তাকে প্রীতিময় ফোন দিয়ে নম্বর সরবরাহ করে মোবাইল-অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে উদ্ধার করবেন আশা করি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29062425 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29062425 2009-12-20 17:03:22
উত্তম কুমারের হিন্দি 'অমানুষ'
বুঝতে পারছি না এই ছবিটা কি বাংলাতেও আছে নাকি। কেন যেন মনে হচ্ছে বাংলাতেই ছবিটা দেখেছি। এবং কোন এক রাতে উত্তম কুমার ও শর্মিলী ঠাকুর যখন লঞ্চের মধ্যে আটকা পড়ে যায় - এবং সূর্য যখন সবে উঠতে শুরু করেছে, কি আশায় বাধি খেলাঘর গানটা বোধহয় তখন উত্তম কুমারের মুখে শোনা যায়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29061524 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29061524 2009-12-19 10:18:46
থার্ড পার্সন পুলুরাল নাম্বার
কিছুদিন আগে আমার জনৈক বন্ধু আমাকে প্রস্তাব করেছিলেন জীবনের থার্ড পার্সন অন্বেষণে। কিন্তু বিশাল এই বিশ্বে আমি কোনো একক থার্ড পার্সনের দেখা পেলাম না। পৃথিবীতে থার্ড পার্সন সিংগুলার নাম্বার হওয়া সম্ভব নয় বলেই আমার অভিমত। এটা অবশ্যই পুলুরাল হবে।

মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ছবি এজন্য বাস্তবতা বিবর্জিত। টিকিট না পেয়ে ছবিটার প্রতি যে আমার বিদ্বেষ উথলে উঠলো সেটা কেউ আবার ভাবতে বসে যাবেন না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29061076 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29061076 2009-12-18 13:29:45
লন্ড্রীওয়ালারা কেন মোজা ধোয় না?
আমি জানতে চাই প্রতি দিন একদেড়শ টাকা খরচ করে এক জোড়া মুজা পরার যদি সাধ্য কারো না থাকে তাহলে সে কি জুতা পরবে না? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29060568 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29060568 2009-12-17 15:39:24
সামহোয়ারইনব্লগের জন্মদিনে কিছু বর্ণিল মুহূর্তাচারণ
কিছু কিছু চরিত্রতো রীতিমত আকর্ষণ করে তাদের সকল নন্দিত ও নিন্দিত কর্মযজ্ঞ, রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিন্নতা সমেত। শক্তিশালী ব্লগারও মনে হয় যাকে বলে হেভিওয়েট বা সেলিব্রিটি ব্লগার।

যেমন আইজউদ্দিন (১) যাকে আমি দেখি বাংলা ব্লগের সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র, হাজারো নিক, নারী অবমাননা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সবকিছুতেই সিদ্ধহস্ত। এই নিকের পেছনে একাধিক মানুষের অস্তিত্ব থাকার কথা শুনলেও চরিত্রটি সবসময় বিতর্ক ও আলোচনার কেন্দ্রে থেকেছে দীর্ঘদিন যাবত। এর বেশীরভাগই উগ্র জাতিয়তাবাদ ও গোষ্ঠীবাদের মূলমন্ত্রে চর্চিত। বয়স জানা নেই। একজন কিনা তাও বলতে পারছি না।

এরপরে অমি রহমান পিয়াল (২) কে আমার মনে হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চলমান ডাটাব্যাংক ও কারো কারো নিকট থেকে সম্পূর্ণ উল্টোরথের পর্নস্টার উপাধি সহ তুমুল আলোচিত। ব্লগ-বিশ্লেষন, স্বনাম, ছদ্মনামে তার ব্লগউপস্থিতি আলোড়ন ও মেলোড্রামার এক অভিনব মিশ্রন। চল্লিশের আশেপাশে বয়স।

ত্রিভূজ (৩) হচ্ছে ত্রিভূজ সুপারডুপার আলোচিত একটা চরিত্র, জামাত-শিবির-রাজাকারের ভার্চুয়াল প্রতীক। ত্রিভূজকে লক্ষ্য করে নানাবিধ সাহিত্য ও ক্যারিচারে ছাগু শব্দের বিশিষ্ট হয়ে ওঠা ব্লগের তুমুল আলোড়িত একটা অধ্যায়। বয়স হবে পচিশের কোঠায়।

লোকালটক (৪)কে এরপরে সবচেয়ে বেশী আলোচিত মনে হয়েছে। প্রতিভাধর এই নিকের পেছনে যে বা যারাই থাকুক না কেন আলোচনা/সমালোচনায় সে শক্তিশালী একটা ইমেজ তৈরী করেছেন। একা নাকি একাধিক কিছু জানা নাই।

রাসেল (......) (৫) কে বলা হয় সবচেয়ে ক্ষমতাধর লেখক তবে তার গালিপ্রীতির জন্য নিন্দাও কম জোটেনি। বিগত চারবৎসর যাবত ধর্ম, রাজনীতি নিয়ে পর্যালোচনায় রাসেল অন্যতম আলোচিত একটা নিক। বয়স ৩০ এর ধারেকাছে।

হাসিব (৬) হচ্ছে ব্লগ বিপ্লবের প্রতীক, প্রচুর আলোচনার ক্ষেত্র তৈরী করতে গিয়ে বিতর্কের বিষয়েও পরিণত হয়েছে। হাসিবের ব্যান ও বিপ্লব রীতিমত গবেষণার বিষয়। স্বনামে ছদ্মনামে তারও অনেক উপস্থিতির কথা বলা হলেও হাসিব বিষয়ক আলোচনা কখনও থেমে থাকে নি। বয়স জানা নাই।

আইরিন সুলতানা (৭) কে নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে যার বেশীরভাগই তার নারী পরিচয়ের কারণে অশ্লীলভাবে উপস্থাপিত, উপরোক্ত অন্যান্যদের যে বাঁধা পেড়ুতে হয়নি। শক্তিশালী লেখক। ব্লগের বিভিন্ন ইস্যুতে তার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও মতামতে তিনি সোচ্চার থাকেন। বয়স ত্রিশের কোঠায় হবে।

নাফিস ইফতেখার (৮) তুমুল আলোচিত পূর্বে ব্লগারদের মত এর বিরুদ্ধে বলতে গেলে তেমন কোনো নিন্দা নেই। ব্লগ বিশ্লেষণে অসামান্য প্রতিভাধরের বয়স বড়জোড় ২০টুরি হবে।

রাগ ইমন (৯) তুমুল আলোচিত ব্লগার, তাকে নিয়ে ব্লগারদের উম্মাদনা দীর্ঘ ধারাবাহিক। লৈঙ্গিক পরিচয়ের কারণে তাকে অযাচিতভাবে অনেক অসদাচারণ সহ্য করতে হয়েছে। শক্তিশালী একজন লেখক। বয়স ৩০ এর কোঠায় হবে।

সন্ধ্যাবাতী (পূর্বের নিক আস্তমেয়ে) (১০) ব্লগে জামাত শিবির রাজাকারের প্রতীক হিসাবে ব্যাপকমাত্রায় আলোচিত ও আলোড়িত একটা চরিত্র। লৈঙ্গিক পরিচয়ের কারণে অসদাচারণের শিকার হলেও ব্লগে তার উপস্থিতি ও প্রকাশ সবসময়েই তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। শক্তিশালী লেখক। বয়স পচিশের ধারেকাছে হবে।

বাংলা কমিউনিটি ব্লগের স্বপ্ন দেখেছেন একজন অবাঙালী, বিষয়টা আমার কাছে বিষ্ময়কর মনে হয়। তবে বাংলা ভাষা ও বাঙালি নারী যে কেবল প্রেমের জন্যই উৎসর্গিত সামহোয়ারইনব্লগ তার জলজ্যান্ত প্রমান। ব্লগের জন্মদিনে টপটেন ব্লগারদের সাথে সাথে জানা আরিলকে শুভেচ্ছা জানাই। এদের আকর্ষণ ও আবেদন অগ্রাহ্য করা একেবারে অসম্ভব। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29059343 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29059343 2009-12-15 17:10:45
অসহায় ছিনতাইকারীর মৃত্যু কামনা
পনের মিনিট! হু তেমনই হয়েছে গতকাল। সম্ভবত বাসের ড্রাইভার আগে হেলিক্প্টার চালাতো। অথবা বাসটা আগে জিএমজির একটা এরোপ্লেন ছিলো। যা হোক হবে কিন্তু সোয়া বারোটায় মিরপুর-১০ এ নেমে হোটেল খোলা পাওয়া টাফ হবে ভাবতে ভাবতে একটা হোটেল খোলা পেয়ে গেলাম।

গরুর মাংশ। গরম মাংশ। খেয়েটেয়ে স্টেডিয়ামের সামনে এসে একটা সিগারেটের দোকানে চা পেয়ে হাত পা ছড়িয়ে বসে পড়লাম। এ পর্যন্ত একটা রিকশা পেলাম না যে পনেরটাকার একটা ট্রিপ দেবার জন্য রাজী হলো। পথিমধ্যে এমন একটা জায়গা আছে যেখানে মানুষ তো দূরের কথা, কুকুর-বেড়ালও হাইজ্যাক হয়ে যায়।

ভাবছি আর ভাবছি। এবং গরম চায়ের প্রভাবে কোনো বাহনের অভাবে হাঁটাই উত্তম মনে হলো।

ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাটাতে এসে কাউকেই দেখলাম না। একটু মনযোগ দিয়ে দেখলাম রাস্তা থেকে একটু সাইডে নেমে গেলে একটা জটলার মত। একজন গোঙাচ্ছে। তিনচারজন তার বুকে চাপ দিচ্ছে। আমি নিশ্চিত ধরে নিলাম ছিনতাইকারী। দৌড় না দিয়ে হাঁটার স্পিড বাড়িয়ে দিলাম।

পেছন থেকে হালকা কথাবার্তা শুনছিলাম। একজন বললো, জলদি হাসপাতালে নিয়া চল! আরেকজন বললো, হালারপুতরে কইছিলাম এত খাইস না! আরেকটু সামনে এগুতে একটা রিকশা পেয়ে হাফ ছেড়ে বাঁচলাম।

ছিনতাইকারী কাম নেশাখোর ছেলেটা কি মরে যাবে, তাকে কি হাসপাতালে নিতে পারবে সংগীসাথীরা - জানা হলো না। তবে আমার একটুও মায়া হলো না। মনে মনে তার মৃত্যুই কামনা করলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29058510 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29058510 2009-12-14 09:37:25
ভালোবাসা দিবি কিনা বল?
হ্যা - ভাই মহাসমারোহে চলছে 'ভালোবাসা দিবি কিনা বল' - এই অভূতপূর্ব ছায়াচিত্র দেখার জন্য একটা গণবিপ্লব চাই। আমাদের আর বসে থাকলে চলবে না, হলমুখী হতে হবে, দেখতে হবে ভালোবাসা কেমনে দেয়া নেয়া হয়েছিলো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29057328 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29057328 2009-12-12 00:19:51
কঠিন বেকায়দা বেমত্তা বিপদাপন্ন ভয়াবহ জটিল বিপদজনক কথা
আমার তো জবান বন্ধ। ঘামছি দস্তুরমত। পেন্সিল ভেবে চুলের ক্লিপ খুলে ফেলেছি। কিভাবে বুঝবো এটা ক্লিপ - বিশাল একটা অংশ বের হয়ে আছে চুলের বাইরে, হাতেও তার একটা পেন্সিল, ভাবলাম কেন চুলেও একটা থাকবে?

কিন্তু পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিয়েছে আমার জান নিয়ে টানাটানি। মুখ দিয়ে কোন শব্দ বের হয় না। বলতে চেষ্টা করলাম, আমি ভেবেছি....আমতা আমতা করতে দেখে সে আরো চেপে ধরলো, বললো - যাই ভাবেন খুবই ভুল ভেবেছেন! এরপর তো আমার মুখে কথাই জোটে না।

কিন্তু এরপরে তার মুখের হাসিহাসি ভাব দেখে সাহস করে বলেই ফেললাম, আমি তো ভেবেছিলাম পেন্সিল! বেশ বীরের মত একটা লেকচার দিয়ে কোনমতে রুম থেকে বেরিয়ে ঘামছি!

সিগারেট একটা না ধরালেই না! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29056577 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29056577 2009-12-10 15:19:50
জুতার সাথে কেন মোজা পরি?
মোজা কি জুতার সাথে সাথেই আবিষ্কার হয়েছিলো নাকি মোজার পরে জুতো অথবা জুতার পরে মোজা এসব ভেবে ভেবে হয়রান। সৌন্দর্য্যের জন্য মোজার ব্যবহার নাকি পায়ের আরামের জন্য - এসব নির্ণয়ও আমার জন্য অসাধ্য হয়ে উঠছিলো ক্রমশঃ।

একটা মোজা অনেকদিন পরলে তলানীটা স্ফীত হতে থাকে, দুর্গন্ধ চৌদ্দকুলকে অস্বস্তিতে ভোগায় - তজ্জন্য মোজা পরিবর্তন প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে, কিন্তু ইহাতে মোজা ব্যবহারের আদি কারণ সম্বন্ধে কোন ধারণা পাই না।

তবে এভাবে যখন সকল মোজা ফুরিয়ে গেল এবং মোজার স্তুপে আমার ময়লার ঝুড়িটা ফুলে ফেঁপে উঠলো এবং একই সাথে সুগন্ধে পাশ্ববর্তী বাড়ীর বাচ্চাটা মাঝরাতে কেঁদে উঠলো তখন একদিন আমার সাধ হলো পরীক্ষাটা করে ফেলতে। সঙ্গত কারণ হিসাবে আর কোনো নতুন মোজা না থাকা আসলে বলতে চাই না।

অতপর অদ্য মোজা ছাড়া আমার প্রথম জুতাপদখানি পৃথিবীর মাটি স্পর্শ করলো। মোজা মুক্ত স্বাধীন জুতার বিচরণ আপাতত কোনো অস্বস্তি বা ক্ষতির আলামত প্রদর্শন করিলো না।

দুপুর হইতে ক্রমশ আমি অনুধাবন করতে সক্ষম হইলাম, উহারা মোজা শুধু শুধু আবিষ্কার করে নাই। পায়ের তালু ঘেমে, গরম হয়ে মস্তক পর্যন্ত ফোটাতে শুরু করলো। প্রথমে আমল না দিলেও ক্রমশ আমার পায়ের তালু যেন লোহার কাঁটার মধ্যে বিদ্ধ হতে থাকলো। অসহ্য পা-রিরীক কষ্টে যখন আমার পাবন অতীষ্ট তখন ছুড়ে ফেললাম জুতা - সরবে ছুটোছুটি শুরু করলো আমার সকল কলিগবৃন্দ। অবর্ণনীয় সুগন্ধে দেয়ালে টাঙানো জাতির পিতার নাকটাও কুচকে গেলো। কিন্তু সব কিছু অবজ্ঞা করে আমার ভার্চুয়াল মস্তক অবনত করলাম সেই মহান পিতার মোজাতলে যিনি এই অমানুষিক নির্যাতন ভোগ করিয়া মোজা সৃষ্টিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

শেষটা না শুনে উঠবেন না। আজকে আমাকে একটু আর্লিই ছুটি দিতে বাধ্য হয়েছে বস। কারণ হিসাবে তিনি আমার বিরুদ্ধে মুজাৎকারের অভিযোগ তুলেছেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29056179 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29056179 2009-12-09 20:24:49
২০১২ - মাদার অব অল ডিসাস্টার ফিল্ম
পৃথিবী ধ্বংস হচ্ছে - আর আপনি প্লেনে চড়ে দেখতে পাচ্ছেন সেইসব রোমহর্ষক দৃশ্যাবলী, আপনার গায়ে বিন্দুমাত্র আচড় লাগছে না - বেশ আনন্দময় একটা ব্যাপারই মনে হচ্ছিলো ছবিটা দেখতে দেখতে। হোয়াইট হাউস, ভ্যাটিক্যান সিটি এমনকি হিমালয় পাহাড় পর্যন্ত চোখের নিমিষে ছাতু হয়ে গেলো কিন্তু ফিল্মের হিরো আর তার স্ত্রী-বাচ্চাকাচ্চা ঠিকই বেচে বর্তে রইলো। বিশাল বিনোদন আর কাকে বলে! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29055500 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29055500 2009-12-08 16:54:05
বাংলাদেশের হোটেলবেইজড একজন যৌনকর্মীর বিশ্বরেকর্ড
বাইরে তখন মুন্সীগঞ্জ দেখা যাচ্ছে। দশটার মত বাজে। ট্রলারে চড়ে ফেরিওয়ালারা এসে লঞ্চে উঠলো। পেটের মধ্যে চোচো - পরোটা আর ভাজিও বিক্রি হচ্ছে। কিনলাম। এবং পরোটা যে কাগজটাতে দিলো সেটা একটা পত্রিকার অংশ দেখে ফেরিওয়ালার কাছ থেকে আরো একটু বেশী কাগজ চেয়ে নিলাম। পরোটা খেয়ে তারপর সেটা পড়তে শুরু করলাম।

১ডিসেম্বর ছিলো বিশ্ব এইডস দিবস। এটা সেই দিবসের পত্রিকা। আমার হাতে যে অংশ সেখানে একটা নিবন্ধ - লেখকের নাম দেখা যাচ্ছে না। তবে যতটুকু পড়তে পারলাম তাতেই কম্মোকাবার। বাংলাদেশ বিশ্ব রেকর্ড করে ফেলেছে। হাততালি দেবার কিছু নাই। বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের হোটেলবেইজড যৌনকর্মীদের সাপ্তাহিক শয্যাসংগীর পরিমাণ সর্বোচ্চ! এবং সংখ্যাটা শুনলে মাথা ঘুরে পড়ে যাবেন। চৌচল্লিশ জন!!!!!!!!!!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29054377 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29054377 2009-12-06 14:04:31
এইবার ঈদের সবচেয়ে বড় গরুটাকে পেয়ে গেছি! আসেন কোরবানী দেই! চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী ২০০৮ এর মেয়র নির্বাচনের পদপ্রার্থী হয়েছেন। আমাদের এই বিশ্বের বাইরে আরেকটা বিশ্ব আছে, সেই বিশ্বে ২০০৮ সাল সম্ভবত আগতপ্রায়। সেখানে ঢাকা নামক একটা শহরে ইরাদ আহমেদ মেয়র পদে দাড়িয়েছেন। কিন্তু কেন মানুষজন তাকে ভোট দেবে? আমি তো বলি কেনো দেবে না! এক নজরে দেখুন তার কর্মসূচী -

ইরাদ সিদ্দিকি বলেছেন তাকে ভোট দিলে তিনি অনলাইনে কোরবানী দেবার ব্যবস্থা করে দেবেন। আপনারা ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কোরবানী পেজে গিয়ে অনলাইনে গরু কিনতে পারবেন ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। মূল্যপ্রদান হয়ে গেলে আপনি ইমেইল কনফার্মেশন পাবেন ডিসিসির মাংশ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে যারা আপনারা অর্ডার ইলেকট্রনিকালী প্রসেস করবে এবং কসাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দেবে। কোরবানীর দিন একটা রেফ্রিজারেটার্ড ট্রাক আপনার দরজার সামনে হাজির হবে চমৎকার মোড়কে আপনার নির্বাচিত পশুর মাংশের প‌্যাকেট নিয়ে। সেই সাথে নিচের ছবিটার মত কোরবানীর আগে পশুটার তোলা একটা ছবিও আপনাকে দেয়া হবে।



আপনি যদি মাংশ আপনার আত্মীয়দের মধ্যে বিতরণ করতে চান তবে তবে অনলাইনেই আপনি একশ জন আত্মীয়ের লিস্ট দিতে পারেন যাদের বাসায় ডিসিসি কর্তৃপক্ষ মাংশ পৌছে দেবে। এর ফলে কোরবানীর ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে যে রক্ত, বর্জ্যের ঝামেলা পোহাতে হয়, বাড়ী বাড়ী সারাদিন ধরে মাংশ পৌছাতে সময় ব্যয় করতে হয় সেসব থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। আপনি ও আপনার পরিবার বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে শান্তিতে কোরবানী পালন করতে পারবেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29050183 http://www.somewhereinblog.net/blog/kowshikblog/29050183 2009-11-26 21:34:50