আয়কর আদায় নিয়ে এনবিআর আদাজল খেয়ে লেগেছে। ভাল কথা। কিন্তু ব্যবস্থার যদি উন্নতি না ঘটানো হয় তাহলে এসব যা কিছুই হচ্ছে - সবই ক্ষণস্থায়ী। স্থায়ী ব্যবস্থার দিকে এনবিআরকে ভাবতে হবে। জনাব বদিউর রহমান অব্শ্যই ডাইনামিক ছিলেন। তিনি কেন বদলী হয়ে যাচ্ছেন, বোধগম্য নয়। নতুন প্রধানকে ডাইনামিক হওয়ার পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ হলে একটি স্থায়ী মাইলস্টোন স্থাপন করতে পারবেন।
আয়কর দাতারা শুধু দিয়েই যান এদেশে। তাদেরকে অন্ততঃ অল্প-কিছু ফেরত দিতে বলবো। উন্নত দেশে আয়কর দাতারা ষাট বছর উত্তীর্ণ হলে পেনশনের মত নানাবিধ সুবিধা পান। আয়করদাতাদের উত্তসাহিত করতে পারলে প্রকৃতপক্ষে সরকার ও দেশ আরও লাভবান হবে।
যদি আর্থিকভাবে কিছু না দিতে পারে তবে আপাততঃ শান্তনা হিসেবে দেয়া যায় "ট্যাক্স আইডি কার্ড"। আপাততঃ সবাইকে কার্ড দেয়ার দরকার নেই। যারা নির্দিষ্ট অংকের উপরে আয়কর দেবেন তাদেরকে দিয়ে কার্ড প্রথা চালু করা যায়।
তিনরকম কার্ড দেয়া যেতে পারে। সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম। অনেকটা ক্রেডিট কার্ডের মত।
যাদের বাত্তসরিক প্রদত্ত আয় ২০,০০০ টাকা বা তার উর্ধে তারা সিলভার কার্ডের যোগ্য হতে পারেন।
যাদের ১০০,০০০ টাকার উপরে তারা গোল্ড এবং যারা ৫০০,০০০ টাকার উপরে তাদেরকে প্লাটিনাম কার্ড দেয়া যায়।
প্লাটিনাম কার্ডধারীরা আপনাআপনিই সিআইপি হিসেবে স্বীকৃত হতে পারেন। রাজনৈতিক বিবেচনায় সিআইপি নির্বাচনে সরকারকে আর গলদঘর্ম হতে হবে না।
এনবিআর এর পক্ষে এ ধরণের কাজ কঠিন হতে পারে - প্রধান কারণ হচ্ছে সরকারী লোকদের অদক্ষতা। সেজন্য কোন অনলাইন ব্যাংক এ কাজটি অতি সহজেই করতে পারে। এনবিআর এর দায়িত্ব হচ্ছে মনিটরিং করা।
দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাংক আয়করদাতার টিন নাম্বারের বিপরীতে আয়কর আদায় করবে ও সময়মত এনবিআর এর একাউন্টে জমা দেবে।
আয়কর ২০,০০০ টাকা অতিক্রান্ত করলেই ছবিসহ 'ট্যাক্স আইডি কার্ড' ইস্যু করবে ব্যাংক। কার্ড বাবদ ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট ফী-ও নিতে পারে। এতে ব্যাংকের আয়ও বাড়বে। নতুন এনবিআর প্রধানের কাছে বাস্তবায়নের বিনীত অনুরোধ রেখে এই পোস্ট দেয়া হলো। প্রিয় পাঠকের চিন্তিত মতামত প্রত্যাশায়....
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


