আমার প্রিয় পোস্ট

এবার এসএসসি'তে ২৫,০০০ এ-প্লাস পাবে ইনশাল্লাহ...

২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:০২

শেয়ারঃ
0 0 0

গত বছর ১৫,০০০ এরও বেশী এ-প্লাস বা জিপিএ-৫ পেয়েছিল এসএসসি পরীক্ষায়। প্রথম জিপিএ ভিত্তিক এসএসসি'তে ৫০০ ছাত্র/ছাত্রীও জিপিএ-৫ পায়নি। পরের বছর ৩,০০০ এর মত। তারপর ৭,০০০ এরপর ১৫,০০০। হিসাবটা অনেকটা এরকম।

এভাবে প্রতি বছরই বাড়ছে এ-প্লাস ধারী মেধাবী(!) ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা দেশে। এবছর ২৫,০০০ পেলে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। আসলেই কি দেশে মেধাবীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে?

এহসানুল হক মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন তারই উদ্যোগে বিশ্বব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের এক সুদূরপ্রসারী প্রকল্পের অংশ হিসেবে আমাদের মাধ্যমিক পর্যায়ের পড়াশুনার বারটা বাজানোর কাজ হাতে নেয়া হয়।

এই মেধাবীদের কেউ এখন এসএসসি পাশ করে ঢাকার একটা মধ্যম মানের কলেজেও ভর্তি হতে পারছে না। ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে কলেজে পড়ার ব্যবস্থাও এখন বন্ধ। এখন ভর্তি হচ্ছে বয়সের ভিত্তিতে...

এই ২৫,০০০ মেধাবীদের আমরা পুরাতন নিয়মে নিম্নে উল্লেখিত মানে ভাগ করতে পারি....

১) স্ট্যান্ড করা স্টুডেন্ট, অত্যন্ত মেধাবী............... ২০০
২) স্টার মার্ক প্রাপ্ত, বেশ মেধাবী ...................১,৮০০
৩) প্রথম বিভাগ প্রাপ্ত, মেধাবী .....................৫,০০০
৪) দ্বিতীয় বিভাগ প্রাপ্ত, সাধারণ ছাত্র.............১৮,০০০

দেখা যাচ্ছে, অত্যন্ত মেধাবী প্রায় ২০০ স্টুডেন্টের সাথে ১৮,০০০ সাধারণ মানের স্টুডেন্টকেও মেধাবী বলে রায় দেয়া হয়ে গেল। বয়সের কারণে মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীটি হয়তো ভাল কলেজে ভর্তির সুযোগই পেল না।

'পরীক্ষা' হচ্ছে একটা স্টুডেন্টের মান বাছাইয়ের ফিল্টারিং পদ্ধতি। একটি ভাল ছাত্রকে যদি আমরা মূল্যায়ন না করতে পারি তবে তার ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা বাধাগ্রস্থ হতে বাধ্য। এই পদ্ধতি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে কতটুকু সুপরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করতে থাকবে তা আমরা হয়তো আরও ১০ বছর পরে টের পাব...

বর্তমানে উন্নত বিশ্বের শত শত বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের কয়েক হাজার শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। বহুজাতিক কোম্পানী, ব্যাংক, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স ইত্যাদি কোম্পানীতেও বাংলাদেশী উচ্চ শিক্ষিত মানুষ উচ্চপদে কর্মরত রয়েছেন।

এটা বোধ হয় ৮/১০ বছর পর থেকে আর তেমনটা দেখা যাবে না...

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৪
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: একেবারে খাটি কথা । বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্হা পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে, মুল্যায়ন নেই, অতি মেধাবী এবং অতি দুর্বল ছাত্র-ছাত্রী এক কাতারে যা কখনো ভাল সুফল আনবে না ।
২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২৩
কেএসআমীন বলেছেন: আরিফ থেকে আনা,,,,,,,,,

ভাইজানকে অশেষ ধন্যবাদ উপলব্ধির জন্য। আমাদের জনপ্রিয় ব্লগার রন্টি চৌধুরী ভাই হলে বলবেন আমি নেগেটিভ প্রচারণা চালাচ্ছি...
৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৫
নাহীন বলেছেন: চমৎকার চমৎকার চমৎকার !
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: কী চমৎকার দেখা গেল???

৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৫
নাঈম বলেছেন: দারুন সময়োপযোগী পোষ্ট....আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমীন ভাই.........
৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৪
একাকী বালক বলেছেন: এক সময় গিয়ে কিন্তু ঠিকই ফিল্টার হয়ে যাচ্ছে। আর তা হচ্ছে ভার্সিটির অ্যাডমিশন টেষ্টে।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: ভার্সিটি পর্যন্ত তো আসতেই পারছে না অনেকে...

দু'ভাবে ক্ষতি হয়েছে, মেধাবীরা ছিটকে পড়ছে একদিকে, অন্যদিকে কম মেধাবীরা জিপিএ-৫ পেয়ে আকাশের চাঁদ হাতে পেয়ে যায়। পরবর্তীতে কোথাও ভর্তির সুযোগ না পেয়ে ... ফেনসিডিল...

১০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এসএসসি আর এইচএসসি এর গ্রেডিং ফরম্যাট বদলানো জরুরী , সবাইকে ফার্স্ট বানাতে গিয়ে ক্ষতিটা হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের ই
১১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৭
নতুন বলেছেন: সারা বিশ্বে গ্রেডিং পদ্বতী চলছে... সবাই এটাকে ভালো বলে মেনে নিচ্ছেন....

হয়তো আমাদের এই পদ্বতি প্রয়োগে সমস্যা আছে...
১২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৮
নতুন বলেছেন: @কেএসআমীন

৪) দ্বিতীয় বিভাগ প্রাপ্ত, সাধারণ ছাত্র.............১৮,০০০


এ + পাওয়া ছাত্র কিভাবে ২য় বিভাগের দলে পড়ে???
১৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৬
স্বাপ্নিক বলেছেন: বয়সের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করাকে আমার শতাব্দীর সেরা ফাইজলামি মনে হয়।

গ্রেডিং পদ্ধতি অবশ্যই ভাল, তবে এর সুফল পেতে হলে প্রশ্নের ধরন পাল্টাতে হবে।
১৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫৫
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: একরকম জোর করেই এ প্লাস ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমার স্টুডেন্ট যে নিজে বানিয়ে ইংরেজি লিখতে পারেনা, সে এস এস সি তে এ প্লাস পেয়েছিল। আমি নিজেই মনে করি ব্যাপারটা ঠিক হয়নি। সর্বোচ্চ গ্রেড ইংরেজীতে তারই পারা উচিত যে ইংরেজিকে অনেকটা মাতৃভাষার মত ব্যবহার করতে পারে।
অন্যান্য সাবজেক্টের ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে।


লোক দেখানো রেজাল্টের ব্যাবস্থা করে তিলে তিলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাটা নষ্ট করে দেয় হচ্ছে। এটা নিয়ে ব্যাপক তদন্ত হওয়া উচিত।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:০১

লেখক বলেছেন: মাসুদ ভাইকে ধন্যবাদ। আপনি আপনার নিজের স্টুডেন্ট দিয়ে প্রমাণ পেয়েছেন এ-প্লাস এর মান। সমস্যা হচ্ছে এই এ-প্লাসদের মধ্যে কিন্তু অত্যন্ত মেধাবীরাও আছে...
সবাইকে যখন সমান পাল্লায় মাপার আয়োজন হলো কেউ প্রতিবাদ করলো না।

১৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:০৩
শাব্বির আহমদ বলেছেন: সহমত একাকি বালক এবং কেএস আমীন।
১৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:০৯
কেএসআমীন বলেছেন: বিদেশী স্কলারশীপ পাওয়া আমাদের স্টুডেন্টদের প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ এই পদ্ধতিতে ছাত্র/ছাত্রী নির্বাচনই করা সম্ভব নয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লোকজন পালিয়ে যাবে নয়তো তাদের নিজেদের ছেলেমেয়ে বা শ্যালক শালিকাদের পাঠিয়ে দেবে...
১৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৪৮
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন। আসলে বর্তমান গ্রেডিং পদ্ধতিতে যারা মধ্যমমানের স্টুডেন্ট কেবলমাত্র তারাই উপকৃত হচ্ছে এবং মেধার ক্রমবিন্যাস সঠিকভাবে না হওয়াতে যারা প্রকৃতই স্কলার তাদের খুজে পাওয়া যাবে না কিংবা এ পদ্ধতির কারণে হারিয়ে যাবে। স্কলারশীপ পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন বড়জোর কোন ব্যাচের ৫০ থেকে ১০০ জন। কিন্তু ৫০০০ জন যদি একই মানের হয় (বর্তমান গ্রেডিং পদ্ধতি অনুযায়ী) তবে আপনি কাকে স্কলারশীপ দিবেন? আসলে এই ৫০০০ জন থেকেই ফিল্টারিং করে এদেরকে বাছাই করতে হবে। সেজন্য পূর্বের পদ্ধতিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে যেমন ১-২০ মেধাক্রম রাখা হতো সেই মেধাক্রমটি অব্যাহত রেখে বাকিদেরকে চলমান গ্রেডিং পদ্ধতির আওতায় আনা যেতে পারে।
১৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৬
নতুন বলেছেন: একরকম জোর করেই এ প্লাস ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমার স্টুডেন্ট যে নিজে বানিয়ে ইংরেজি লিখতে পারেনা, সে এস এস সি তে এ প্লাস পেয়েছিল। আমি নিজেই মনে করি ব্যাপারটা ঠিক হয়নি।

---------- এটা আমাদের শিক্ষকদের সমস্যা...
১৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৮
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তো কোন অভিযোগ ছিল না। তাহলে তারা স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে এই কাজটি করলেন কেন? আমাদের প্রতিবেশী ভারত তো তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার কোন পরিবর্তন করেনি। ভারতীয় মেধারা এখন সারা বিশ্ব জয় করছে।
২০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৯
সমালোচনাকারী বলেছেন:
[কেএসআমীন বলেছেন: আরিফ থেকে আনা,,,,,,,,,

ভাইজানকে অশেষ ধন্যবাদ উপলব্ধির জন্য। আমাদের জনপ্রিয় ব্লগার রন্টি চৌধুরী ভাই হলে বলবেন আমি নেগেটিভ প্রচারণা চালাচ্ছি... ..................]

চোদরি আবার জনোপিরিয় হৈলো কবেথন?
২১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:০০
নতুন বলেছেন: গ্রডিং পদ্বতীর ঠিক বাস্তবায়ন হলে... ছাত্রদের পড়াশুনা করেই গ্রড পেতে হবে....
২২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:১০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সমালোচনাকারী, কেএস আমিন আমার থেকে মোটা দাগের ঘুস নিয়েছেন...:)
২৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২৭
কেএসআমীন বলেছেন: এখানে ঘুসাঘুসি শুরু হইছে দেখছি.... ব্যাপার কি??
২৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১২
প্রশাসন বলেছেন: আসলে বর্তমান গ্রেডিং পদ্ধতিতে যারা মধ্যমমানের স্টুডেন্ট কেবলমাত্র তারাই উপকৃত হচ্ছে এবং মেধার ক্রমবিন্যাস সঠিকভাবে না হওয়াতে যারা প্রকৃতই স্কলার তাদের খুজে পাওয়া যাবে না কিংবা এ পদ্ধতির কারণে হারিয়ে যাবে। স্কলারশীপ পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন বড়জোর কোন ব্যাচের ৫০ থেকে ১০০ জন। কিন্তু ৫০০০ জন যদি একই মানের হয় (বর্তমান গ্রেডিং পদ্ধতি অনুযায়ী) তবে আপনি কাকে স্কলারশীপ দিবেন? আসলে এই ৫০০০ জন থেকেই ফিল্টারিং করে এদেরকে বাছাই করতে হবে। সেজন্য পূর্বের পদ্ধতিতে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে যেমন ১-২০ মেধাক্রম রাখা হতো সেই মেধাক্রমটি অব্যাহত রেখে বাকিদেরকে চলমান গ্রেডিং পদ্ধতির আওতায় আনা যেতে পারে।

ভাল পোষ্ট । ধন্যবাদ।
তয় আপনারে শিক্ষা উপদেষ্টা দিলে খারাপ হয়না। আমি সরকারের কাছে এ বিষয়ে জোড় দাবী জানাচ্ছি। হইলে উপদেষ্টা বানাইয়া দে.....নইলে গদী ছাইড়া দে..................। হাহাহাহাহাহা ..............
২৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৬
মিশন বলেছেন: অতীব সত্যবাদী পোষ্ট। ধন্যবাদ। আপনার সাথে আমি একমত। +++++++++
২৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২১
কানমলা-০৮ বলেছেন: লোক দেখানো রেজাল্টের ব্যাবস্থা করে তিলে তিলে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাটা নষ্ট করে দেয় হচ্ছে। এটা নিয়ে ব্যাপক তদন্ত হওয়া উচিত।
ধন্যবাদ।
২৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২২
gladiator বলেছেন:

মাইনাস

সারা বিশ্ব গ্রেডিং সিসটেমে চলতাছে
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: গ্রেডিং সিস্টেম নিয়া তো কমপ্লেন নাই ভাইজান। আমাদের গ্রেডিংটা যেইরকম তা নিয়া কমপ্লেন... আপনি মনে হয় পোস্ট টা পড়েন নাই ভাল কইরা।
৫ যদি সর্বোচ্চ নাম্বার হয় তহলে ৪.৯ বা ৪.৯৫ সর্বোচ্চ নাম্বার হতে পারে। এবং এরকম গ্রেড একজন বা দু'জনই পেতে পারে। ৪.৭৫ এর উপরে ২০০ বা ৩০০ স্টুডেন্ট পেতে পারে।

গত বছর কানাডাতে এক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ছাত্র সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়েছিল। তার স্কোর ছিল ৪.৭৬ বা এরকম। ব্রিটিশ এ বা ও লেভেলেও এভাবেই স্কোরিং করা হয়। সেখানে ২৫০০০ জন ৫ এর মধ্যে ৫ পায় না।

এটা সিম্পলি কমনসেন্স এর ব্যাপার। গড়পরতা বাঙালী জাতির কমনসেন্স কম এটা আমি বলবো না। সমস্যাটা নীতিনির্ধারকদের...

২৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৩
লেডী বলেছেন: বয়সের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করাকে আমার শতাব্দীর সেরা ফাইজলামি মনে হয়।

গ্রেডিং পদ্ধতি অবশ্যই ভাল, তবে এর সুফল পেতে হলে প্রশ্নের ধরন পাল্টাতে হবে।ধন্যবাদ। ভাল লাগল।
২৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৮
আহমদ বলেছেন: এসএসসি আর এইচএসসি এর গ্রেডিং ফরম্যাট বদলানো জরুরী , সবাইকে ফার্স্ট বানাতে গিয়ে ক্ষতিটা হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদেরজন্য।
তারা অন্ত:সার শুণ্য জ্ঞানী হচ্ছে।
ধন্যবাদ।
৩০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩১
রাজনীতি বলেছেন: ২৫০০০ এ প্লাস ! ভাল সংবাদ । দেশের জন্য................

তাইলে তো জ্ঞানী মানুষের অভাব হইব না। কি বলেন?

কি মজা জ্ঞানীতে ভরপুর আমার বাংলণাদেশ।
৩১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪৪
gladiator বলেছেন:
তো আপনে কি কর্তে চান?

কেউ ১০০ তে ৯০ পাইলেও তারে ৭৫ দিতে কন যাতে বেশি এ+ না পাই।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: গ্লাডি ভাই আমার মনে হয় বিষয়টা বুঝতে পারেন নি। গ্রেডিং পদ্ধতি ঠিক আছে, কিন্তু আমাদের গ্রেডিং পদ্ধতিটা ঠিক নেই।
পৃথিবীতে কোন গ্রেডিং পদ্ধতিতেই ১৫ বা ২০ হাজার জনকে একসাথে সর্বোচ্চ গ্রেডিং দেয়া হয় না।

৩২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯
অচেনা বাঙালি বলেছেন: আমীন ভাই কেমন আছেন?
দরকারি পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
৩৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:০২
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: সময়োপযোগী পোষ্ট। সহমত
ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু শুধু শুভেচ্ছা জানিয়ে কী হবে। কাজতো হবে না....

৩৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ সবাইকে। প্রায় সবাই আমার পোস্টের ব্যাপারে সহমত পোষণ করেছেন। ড. জাফর ইকবাল আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটা পর্যায়ে এসে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন। উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান বিভাগটি উঠিয়ে দেবার পায়তারা করেছিল... তিনি এসে আন্দোলন করে শেষ পর্যন্ত রক্ষা করেছেন...

কিন্তু ড. জাফর ইকবালকে আমাদের শিক্ষা বোর্ডের বর্তমান পদ্ধতির গ্রেডিং নিয়ে 'টু'' শব্দটি করতে কোথাও দেখিনি...
৩৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন: এসএসসি আর এইচএসসি এর গ্রেডিং এর ফরম্যাট বদলানো উচিত। সেটা যতো তাড়াতাড়ি হবে ততই শিক্ষার্থীদের জন্য মঙ্গলজনক।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: মঙ্গলটা কে করবে আমাদের ভাইজান?
মঙ্গল করার উদ্দেশ্য থাকলে কি আর এমন অমঙ্গলটা করতো?

৩৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১০
কেএসআমীন বলেছেন: সেকেন্ড ডিভিশনের প্রচুর স্টুডেন্টদের এ-প্লাস দেওয়ায় ওরা এবং ওদের মা-বাবারাও বেজায় খুশী.... কেউ প্রতিবাদ করে না.....

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করি এহসানুল হক মিলনের সাথে যৌথভাবে নোবেল পুরষ্কার পাইতে পারে...

নোবেল প্রাইজ ২০০৮ (শিক্ষা), সাবজেক্ট একটা বাড়বে দরকার হইলে...
৩৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: চতুর্থ বিষয় ছাড়া এ প্লাস পেয়ে দেখাতে হবে, চতুর্থ বিষয়ের ফলে সবাই টেনেটুনে এ প্লাস পেয়ে যাচ্ছে। সরকার শুধু শুধু এ চতুর্থ বিষয়ের নাম্বার যোগ করার পদক্ষেপ নিয়েছিল।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: সরকারের উদ্দেশ্য মহৎ ভাইজান। তারা পারলে সবাইকেই এ+ দিতে চায়। দেশের মানুষ তখন তাদের ভোট দেবে।

৩৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫২
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: লোক দেখানো নাম্বার দেয়ার কথা বলতেছে এই কারনে যে, আগের বছরের ফল গুলা দেখলেই বুঝা যায় যে হয় দেশে মেধার এক ব্যাপক বিস্ফোরন ঘটেছে অথবা নাম্বারিং সিস্টেমে গন্ডগোল আছে।

অনেকে মনে করে যতোবেশি ছাত্র এ প্লাস পাবে দেশে তত বেশী শিক্ষার উন্নতি হয়েছে। আমার মনে হয় বিগত সময়ে শিক্ষার নীতিনির্ধারকেরা এই সুযোগই নিয়েছে।


নতুন বলেছেন: একরকম জোর করেই এ প্লাস ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমার স্টুডেন্ট যে নিজে বানিয়ে ইংরেজি লিখতে পারেনা, সে এস এস সি তে এ প্লাস পেয়েছিল। আমি নিজেই মনে করি ব্যাপারটা ঠিক হয়নি।

---------- এটা আমাদের শিক্ষকদের সমস্যা...


নতুন, যদি এটা একান্তই আমাদের শিক্ষকদের সমস্যা হতো তাহলেতো এই গ্রেডিং সিস্টেমের আগেও ভূড়ি ভূড়ি ৮০% মার্কস পেতো। কিন্তু ব্যাপারটা ঘটছে কয়েক বছর ধরে।
সমস্যাটা শিক্ষার নীতিনির্ধারকদের দ্বারা সৃস্ট।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: মাসুদ সাহেব যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ওরা পাইন মেরে দিয়েছে.... আমরা বুঝতে পারছি না। কটা দিন পরে বুঝতে পারবো আশা করি...

৩৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৩০
মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: জ্বী আমরা অবশ্যই বুঝতে পারবো। তবে আরো কয়েক বছর পরে। চূড়ান্ত সর্বনাশ হয়ে যাবার পর। যে পাইনের কথা বললেন সেটা জাতির সহ্য হবেনা, হবার কথাওনা।


২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: তাই আমাদের এখন সহ্য ক্ষমতা বাড়াইতে হইবো, হা হা হা

৪০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪০
আরেফিন রাফি বলেছেন: আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি গতবারে চিটাগাং কলেজিয়েট স্কুলের বেশীরভাগ প্রকৃত মেধাবী ছেলেরা চট্টগ্রাম কলেজে ভর্তি হতে পারেনি উদ্ভট বয়স নীতির কারণে।

চট্টগ্রাম বোর্ডে এখন পর্যন্ত যে প্রশ্ন হয়েছে সেগুলো হচ্ছে সোজার উপর ডাবল সোজা। এই প্রশ্নের খাতা যদি আগের মতো ছেড়ে ছেড়ে কাটা হয় তবে চট্টগ্রাম বোর্ডে এবার এ+ বুম ঘটতে যাচ্ছে।

পোস্টে +।
৪১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:০৮
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ রাফি, তাহলে বোঝা যাচ্ছে আমার ধারণাই কারেক্ট...
৪২. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: আরেফিন রাফি বলেছেন: চট্টগ্রাম বোর্ডে এখন পর্যন্ত যে প্রশ্ন হয়েছে সেগুলো হচ্ছে সোজার উপর ডাবল সোজা। এই প্রশ্নের খাতা যদি আগের মতো ছেড়ে ছেড়ে কাটা হয় তবে চট্টগ্রাম বোর্ডে এবার এ+ বুম ঘটতে যাচ্ছে।

--------
সহমত , আমার গাধা ঘোড়া স্টুডেন্ট পর্যন্ত এপ্লাস এর আশা করে :D :D
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: সবকিছু চোখের সামনেই ঘটছে.... আমরা চেয়ে চেয়ে দেখছি.... কিছুই করার নেই...

সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার পাইন মেরে দিচ্ছে...

৪৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৫১
কেএসআমীন বলেছেন: আরিফ সাহেবকে ধন্যবাদ সহমত পোষণ ও নিজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করার জন্য। ভাল থাকবেন...
৪৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:২০
কেএসআমীন বলেছেন: আজকের পত্রিকায় দেখলাম সরকার এএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাবছে। সৃজনশীল প্রশ্নপত্র আগামী বছর থেকে শুরু করবে।

বর্তমান পদ্ধতির অন্তঃসারশূন্যতাটা মনে হয় ধরতে পেরেছে...

তাহলে যারা এ ব্যবস্থাটা চালু করে হাজার হাজার ছাত্র/ছাত্রীর জীবন নষ্ট করলো তাদের কী হবে? কিছুই হবে না?
৪৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
কেএসআমীন বলেছেন: ড. জাফর ইকবাল স্যারের সাথে কি এ নিয়ে কথা বলা যায়?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কারে বা জানাই বলো
বেদনা আমার,
বুঝিল না কেহ আমারে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই