আমাদের দেশেও এখন ধীরে ধীরে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। কিন্তু এর একটা বাৎসরিক চার্জ আছে যা সর্বনিম্ন হলো ৭৫০ টাকা। এই কার্ড সব জায়গায় গ্রহনযোগ্য নয়, টাকা পেতে সময়ও নেয় বেশী।
দেশে প্রায় ৪ কোটি মোবাইল গ্রাহক আছে এর মধ্যে অন্ততঃ দুই কোটি একটিভ আছে বলে ধরে নেয়া যায়।
এই মোবাইল ব্যবহারকারীরা মোবাইল ফোনকেই ইলেকট্রনিক ট্রানজেকশন ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এরজন্য প্রয়োজন সরকারের কার্যকর একটি নীতিমালা। ফলে এই লেনদেন হবে দ্রুত, সহজ, আইনসিদ্ধ ও নিরাপদ।
মনে করুন আপনি পানের দোকানে গেলেন দুটো সিগারেট কিনতে। দাম ৮ টাকা। দোকানীর পেছনে বড় করে একটা মোবাইল নাম্বার দেয়া আছে। এই নাম্বারে আপনি ৮ টাকা আপনার মোবাইল থেকে ফ্লেক্সি বা ট্রান্সফার করে দিন। ব্যাস হয়ে গেল। দোকানীর মোবাইলে একটা এসএমএস তা কনফার্ম করবে।
আপনার টাকা মোবাইলের সীমে ভরে রাখতে পারেন। বাৎসরিক কোন ফী এতে লাগবে না (বা খুব সামান্য লাগতে পারে)। সরকারের পক্ষে এটাকে মনিটরিং করা খুব সহজ হবে। ৫ টাকা থেকে একলাখ বা তারও বেশী টাকা এ পদ্ধতিতে ট্রানজেকশন করা সম্ভব। হিউম্যান মোবাইলিটি এতে কমে যাবে। ব্যাংকে যাবার প্রয়োজনও কমবে, কারেন্সি নোটের প্রচলনও কমবে...
একবার কল্পনা করুন, দেশের দুই কোটি মানুষ যখন মোবাইলে তাদের ছোটখাট সব ধরনের লেনদেন শুরু করবে, তরিতরকারী, মাছ বাজার ইত্যাদি সব লেনদেনে.... তখন জীবনটা কত সহজ ও নিরাপদ মনে হবে...
খুব বড় একটা কাজ খুব সহজে এতে সম্পন্ন হবে। দরকার শুধু সরকারের সর্বোচ্চ মহলের সদিচ্ছা...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


