somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ডিশলাইন ক্যাবল কেটে ফেলা http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29514210 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29514210 2012-01-01 16:57:39 আজ বিকেলে উত্তরায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনার লাইভ ভিডিও
http://www.youtube.com/watch?v=irk7BFD_O7o

এক হাতে স্টিয়ারিং আরেক হাতে মোবাইল ফোনের ক্যামেরা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29479836 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29479836 2011-11-08 20:00:29
খিলগা্ও ফ্লাইওভার ধ্বংস হবে না তো কোনটা হবে?
ফ্লাইওভারের বিয়ারিং রক্ষণাবেক্ষণ না করার কারণে এটির একাংশ কিছুটা দেবে যায় গত সপ্তাহে। বর্তমানে কেবলমাত্র হালকা যানবাহন চলাচল করতে দেয়া হচ্ছে এই ফ্লাইওভারে।

ফ্লাইওভারের ওপরে পানি জমা রোধ করা খুবই সামান্য কাজ। ড্রেনেজ লাইনগুলো ময়লায় বন্ধ হয়ে গেছে। এগুলো যদি সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ (যদি থাকে) নিয়মিত তদারকি করতে না পারে তাহলে...!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29449581 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29449581 2011-09-17 08:39:02
ইউটিউবে জীবনের প্রথম ক্লিপ আপলোড দিলাম আজ
ফেরার পথে নরসিংদীর কাছে এক অদ্ভূত দৃশ্য রাস্তায় চোখে পড়ে। সংগে সংগে গাড়ি থেকে নেমে পড়া আর মোবাইল ফোনের ভিডিও অপশানের সদ্ব্যবহার।

অভূতপূর্ব দৃশ্যটি দেখে যেমন আনন্দ পাই তেমনি আমাদের মহাসড়কের বেহাল অবস্থা দেখে মর্মাহত হই। নিচের লিংক ক্লিক করুন প্লিজ...

Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29441916 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29441916 2011-09-02 00:02:08
জাপানের মত দেশও মারাত্মক ভুল করে...
জাপনের মোট বিদ্যুতের প্রায় ৭০ ভাগ আসে্ এইসব পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র থেকে। ভূমিকম্প হলে এগুলো বিস্ফোরিত হতে পারে, তেজস্ক্রিয়তা ছড়াতে পারে, ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুকি... এইসব বিষয়গুলো তো তাদেরই সবার আগে জানা থাকার কথা...

১২/১৩ কোটি মানুষের ছোট দেশে পালানোর জায়গা কোথায়?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিনীরা দুটো পারমানবিক বোমার সফল প্রয়োগ ঘটায় এই জাপানেই। পারমানবিক তেজসস্ক্রিয়তার ক্ষয়ক্ষতি আর ভয়াবহতার বিষয়গুলো জাপানিদের চেয়ে বেশী আর কেউ জানে না।

যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া... এইসব দেশে শত শত কিলোমিটার খালি জায়গা পড়ে আছে। তারা যদি পারমানবিক স্থাপনা করে, তবে ঝুকি কম হবে। (বাংলাদেশও পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র করতে চায়, হাহাহা...)

জাপানিদের আমরা পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রাজ্ঞ জাতি হিসেবে জানি। তারপরও জাপানিরা কেন পারমানবিক কেন্দ্র স্থাপনার দিকে এত বেশী ঝুঁকলো???]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29346530 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29346530 2011-03-18 08:07:26
আজ বাংলাদেশ জিতিবে এবং সেটাই দেখা গেল। ২২৫ এ ইংল্যান্ডকে আটকাইয়া দিল টাইগাররা।

সুতরাং জয়ের অপেক্ষাই থাকা হউক...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29342481 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29342481 2011-03-11 18:52:02
আলুর দাম ৮ টাকা কেজি কেন?
আমি বিক্রেতাকে বলি ৮ টাকা কেন? বিক্রেতা বিনীত স্বরে বললো, এর চেয়ে তো স্যার দেওয়ন যায় না। আমি জবাবে বলি, আরে দাম এত কম কেন?

চালের দাম ৫০ টাকা, তাই সারা দেশে চিৎকার চেচামেচি চলছে। এখন আলুর দাম যে মাত্র ৮ টাকা কেজি, এজন্য তো কাউকে কোন কথা বলতে দেখি না!

আলু বিক্রেতা বললো, আমরা বেচি ৮ টাকা। আলুচাষী হয়তো ৩-৪ টাকার বেশী পায় নাই। সত্যিই তো, কি ভয়াবহ অবস্থা আমাদের কৃষির! কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী কি এ নিযে ভেবেছেন?

সরকার যেমন কোন পণ্যের দাম কমাতে পারে না, তেমনি বাড়াতেও পারে না। সরকার আসলেই অসহায়!

আলুর দাম অন্তত ১৫ টাকা কেজি হ্ওয়া দরকার। তাহলে হয়তো আলুচাষীরা কোনরকমে বাঁচবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29322818 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29322818 2011-02-08 22:36:26
নতুন বছর ও সরকারের দুই বছরের সাফল্য(!)
আমার অভিজ্ঞতাটুকু আপনাদের সাথে শেয়ার করি...

পরিবহন সেক্টর .... এটি এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। গত সপ্তাহে চাটগা থেকে আসলাম ঢাকায়। ১২ ঘন্টার উপরে লেগেছে। এরশাদের আমলে ৫/৬ ঘন্টার বেশী লাগতো না। টেক্সিক্যাব ব্যবস্থা এখন চালু আছে তা হয়তো এখন অনেকে স্বীকারই করবে না অথচ ৭/৮ বছর আগে টেলিফোনে কল করে বাসার কাছে টেক্সিক্যাব আনা যেত। সিএনজি ত্রিচক্রযান কিভাবে চলছে তা আলোচনারই প্রয়োজন পড়ে না, মিটার ব্যবস্থা পুরোপুরি উঠে গেছে...

বিদ্যুত সেক্টর ..... এবার শীতকালেও লোডশেডিং হচ্ছে। মার্চ মাস থেকে নাকি ভয়াবহতম অবস্থার শুরু হবে, তা পত্রিকায় দেখলাম, নতুন কানেকশনও বন্ধ প্রায়...

গ্যাস সরবরাহ .... আমার বাসায় আগে কখনো গ্যাসের চাপের সল্পতা লক্ষ্য করিনি। এবারই প্রথম দেখলাম। অফিসর কলিগদের সাথেও আলাপ করেছি। একই কথা সবার। সকাল ৭ টার পর গ্যাস চলে যায়... গাড়িতে সিএনজি সরবরাহের কারণে এই অবস্থা হয়েছে মূলত। গ্যাস সল্পতার ভয়াবহতম রূপটি শিগগিরই হয়তো আমরা দেখবো...

দুর্নীতি, আইন-শৃঙ্খলা ইত্যাদি আরও অনেক বিষয়ে সরকারের সাফল্যগুলো এখানে না উল্লেখ করলেও চলবে হয়েতা। গতকালই ছাত্রলীগের ৩ জন মরলো তাদের নিজেদের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে।

সরকারের গত দুই বছরের সাফল্যগুলো কী কী তা ব্লগার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে চাই...



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29299287 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29299287 2010-12-31 07:40:10
ট্রাফিক আইন মেনে চলতে প্রধানমন্ত্রীর আহবান, এইবার মনে হয...
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে!!!

আশা করা যায় এই আহবানের মাধ্যমে ১০০% না হোক, ৮০% আইন গাড়ি চালকরা মেনে চলবে।

প্রধানমন্ত্র্রীর্ আহবান বলে কথা... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29263467 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29263467 2010-10-29 09:23:07
আয়কর কেন একটি নির্ধারিত তারিখে দিতে হবে?
যা করা উচিত তা হচ্ছে :

১) ৩১ আগষ্ট এর মধ্যে আয়কর জমা দিলে মোট করযোগ্য আয়ের উপর ৫% কর রেয়াত পা্ওয়া যাবে।
২) ৩০ সেপ্টেম্বর এর মধ্যে আয়কর দিলে জরিমানা ছাড়া আয়কর জমা দেয়া যাবে।
৩) ৩১ অক্টোবর এর মধ্যে জমা দিলে মোট করযোগ্য আয়ের উপর ৫% জরিমানা যোগ করে আয়কর দিতে হবে।
৪) সেপ্টেম্বর মাসের পর আয়কর প্রদান করলে প্রতি মাসের জন্য ৫% জরিমানা যোগ করে আয়কর প্রদান করতে হবে।

এতে আয়কর বাড়বে, আয়করদাতা ও গ্রহিতারা স্বস্তিও পাবে। ব্যবস্থাপনা্ও ভাল হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29240386 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29240386 2010-09-16 09:17:52
ওয়াইম্যক্সে আপলোড স্পীড বাড়ানো যায় কিভাবে?

টেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী ডাউনলোড ৪৪, আর আপলোড মাত্র ৬

আপেলোড স্পীড বাড়ানোর কোন উপায় জানা আছে কারো?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29231084 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29231084 2010-08-28 09:09:21
শবে কদরের রাতে কি আসলেই কোরআন শরীফ নাজিল হয়েছিল?
কিন্তু আমরা জানি যে, কোরআন শরীফ কোন একটি রাতে নাজিল হওয়ার কথা না। এবং এটা সম্ভব্ও নয় হয়তো। নবীজির নবুয়ত প্রাপ্তির পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সুরা নাজিল হওয়ার কথা আমরা জানি।

তবে কেন ২৭ রমজানের রাতে কোরআন শরীফ নাজিলের কথা বলা হয়? এটা কি এজন্য বলা হয় যে, 'সুরা লাইলাতুল কদর'এই রাতে নাজিল হয়েছিল?

ব্লগীয় বুজুর্গানদের কাছে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা চাইতে পারি কি?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29012253 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/29012253 2009-09-17 21:52:56
কুচকিতে ব্যথা পেলে মাউন্ট এলিজাবেথ কেন?
ব্যথা তেমন গুরুতর নয় বলে জানা গেছে। হলেও সমস্যা কি? এদেশে কি কোন চিকিৎসা নেই কুচকির ব্যথার? স্বাস্থ্য মন্ত্রীর নিজস্ব হাড়ভাঙা ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলেন। এটা এ বিষয়ের সেরা চিকিৎসা কেন্দ্র বলেই জানি। এটা পছন্দ না হলে এপোলো, স্কয়ার, ইউনাইটেড তো ছিলই। কিন্তু না...

মাউন্ট এলিজাবেথ-এ যাওয়া চাই। সুযোগ যেহেতু আছে তো এর পুরো সদ্ব্যবহার না করলে কি হয়? দলবল আর মার্কেটিং পার্টি সহ সিংগাপুর এই সুযোগে ঘুরে না আসলে মন্ত্রীগিরি করে কী লাভ...

ট্যাক্সপেয়ারদের অন্তত ৩০ লাখ টাকা যে গচ্চা দিতেই হয়। একজন মন্ত্রীর বাথরুমে পড়ে গিয়ে সামান্য আঘাতে কি এত পরিমান খরচ সরকার বহন করতে পারে? তাও দেশের বাইরে?

জানা গেল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কতিপয় কর্মকর্তার অতি উৎসাহে তিনি সিংগাপুরে যেতে রাজী হয়েছেন...

দেশের মন্ত্রীর জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা কেন্দ্র হচ্ছে ঢাকা মেডিক্যাল বা বিএসএমএমইউ (পিজি)। দেশপ্রেম আর লজ্জাবোধ থাকলে সরকারী চিকিৎসা সেবাই তাঁর নেয়ার কথা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28972371 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28972371 2009-07-02 00:06:37
ঘড়ির কাটা নিয়ে জাফর ইকবালের লেখা পড়ে মর্মাহত
কিন্তু না, তিনি এটা চালুর বিরোধিতা করলেন। তিনি ৪/৫টি পয়েন্ট দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন যে, এটা এদেশে চালুর কোন প্রয়োজনীয়তা নেই।

কিন্তু তাঁর একটি যুক্তিও আমার কাছে গ্রহনযোগ্য হলো না। ফলে এই ব্লগপোস্টের অবতারনা...

ক) আমেরিকায় গিয়ে নাকি তিনি প্রথম এই ঘড়ির কাঁটার পরিবর্তন দেখেন। তখন এটাকে জীবনের একটা বড় ধাক্কা হিসেবে তাঁর মনে হয়েছে। এটা চালু নাকি একটা বিরাট দন্ডযজ্ঞ।

স্যারের অবগতির জন্য জানাতে চাই, বাংলাদেশে থেকেও আমার মনে হয় না এটা চালু করা কোন বড় সমস্যা। ১৯ জুন রাতে চালু হলে ২০ জুন সকাল থেকে সব পত্রপত্রিকা, টিভি চ্যানেলে ঘড়ির কাঁটা পরিবর্তনের কথা বললেই হয় (এক ঘন্টা যোগ)। সবকিছু আগের সময় অনুযায়ীই চলবে।

খ) স্কুলের সময় অপরিবর্তিত থাকার কথা বলা হয়েছে। আসলে ৮টার স্কুল ৮টায়ই থাকবে, ৯ টার স্কুল ৯টায়ই থাকবে। সরকার হয়তো একথাটিই বলতে চেয়েছে। তবে ঘড়ির কাটায় এক ঘন্টা যোগ করে তারপর স্কুলে আসতে হবে।

সময় পরিবর্তন হবে একমাত্র নামাজের ক্ষেত্রে। এটা খুব সহজভাবে সম্ভব। সকল নামাজের সময়ের সাথে একঘন্টা যোগ করলেই নতুন নামাজের সময় নির্ধারিত হবে। সরকার এখনও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি সেটাই আশ্চর্যের বিষয়...

গ) জাফর ইকবাল স্যার বলেছেন, আমাদের দেশ বিষুব রেখার কাছাকাছি দেশ। এখানে শীত ও গরমকালের মধ্যে দিনের আলোর পার্থক্য কম। তাই ঘড়ির কাটার পরিবর্তন করে কোন বিশেষ ফল লাভ হবে না।

স্যারের অবগতির জন্য জানাতে চাই, গরমকালে দিনের আলো থাকে প্রায় ১৪ ঘন্টা, আর শীতকালে থাকে সর্বোচ্চ ১০ ঘন্টা। এই ৪ ঘন্টার পার্থক্য কি কম? এখান থেকে একঘন্টা এগিয়ে এনে তার সফল ব্যবহার করলে আমাদের কী ক্ষতিটা হবে? সরকারের তো এই খাতে এক পয়সাও খরচ হওয়ার কথা নয়। দুই পয়সা লাভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ক্ষতি কি?

ঘ) সবশেষে তিনি যে পুরোনো ও নন-টেক যুক্তিটি দিয়েছেন, তাতে কেবল হতাশই হয়েছি। এটা যদি লেখক হুমুয়ুন আহমেদ বলতেন, কিছুই মনে করতাম না। যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরির সাবেক গবেষকের মুখে এটা কতটা মানানসই? তিনি বলেছেন, ঘড়ির কাটার পরিবর্তন না করে সরকার যদি সব অফিস আদালত, স্কুল কলেজ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবাইকে একঘন্টা আগে শুরু করে একঘন্টা আগে শেষ করে দেয়ার নির্দেশ দেয় তবে কাঙ্খিত ফলটি পেয়ে যাবে অনেক সহজে...

স্যারের কথায় একটা ব্যাপারে আশ্বস্ত হওয়া গেল যে "কাঙ্খিত ফল" বলে এখানে একটি বিষয় আছে তাহলে। কিন্তু সেই ফলটি লাভ করতে হলে সরকারের শুধু নির্দেশ দিলেই চলে না। কেউ মানবে তো কেউ মানবে না। আমাদের সরকারের তো তেমন কোন দক্ষতা বা যোগ্যতা নেই যে জনগণকে আইন মানতে বাধ্য করবে। ফলে সমস্যা থেকেই যাবে। তাছাড়া সবচেয়ে ব্ড় ব্যাপার হচ্ছে... লাইফস্টাইলের পরিবর্তনতো হবে না... একটা উদাহরন দিলে আশা করি সহজ হবে...

আমাকে যদি সকাল ৯টার পরিবর্তে সকাল ৮টায় অফিসে আসতে বলা হয় তাহলে কি এটা সহজ কাজ হবে? একঘন্টা আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে। খুব কষ্টসাধ্য হবে বৈকি। এখন আমিতো রাত ১২টায় ঘুমাতে যাই। নুতন অফিসের সময় অনুযায়ী আমাকে এখন রাত ১১টায় ঘুমাতে যাওয়া উচিত। কারন সকাল ৬টায় আমাকে ঘুম থেকে উঠতেই হবে।

জাফর স্যারের কথা অনুযায়ী অফিসের শুরু ও শেষ একঘন্টা আগে করা গেলেও আমার রাতের ঘুমাতে যাওয়ার সময় কিন্তু এগিয়ে আনা সম্ভব নয়। ঘড়ির কাটায় পরিবর্তন হলে আমি তখন আপনা আপনি রাত ১১টায় (পূর্বের সময়) ঘুমাতে যাবো।

ডিএসটি চালু হলে বা গরমকালে ঘড়ির কাটায় এক ঘন্টা যোগ করা হলে লাইফস্টাইলে কোন পরিবর্তন হবে না। সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে আগের মতই চলবে। বিমানের সময়্ও অপরিবর্তিত থাকবে।

এটা বহু বছর ধরে পরীক্ষিত একটা পদ্ধতি। উন্নত দেশগুলি এর থেকে কাঙ্কিত ফল লাভ করছে। আমরা এখনো শুরু করতে পারিনি...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28964761 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28964761 2009-06-15 07:41:40
রাজনীতি কি পেশা হতে পারে?
কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদল নেত্রী, বেশীর ভাগ মন্ত্রী.... এদের সবারই পেশা হলো রাজনীতি। পাসপোর্টে তাই লেখা। রাজনীতি করে তারা কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করেন? এই প্রশ্নটি করেছিলাম এক সহকর্মীকে... তিনি বললেন, বড় বড় প্রজেক্ট হাতে নেয়া আর তার কমিশনই হলো রাজনীতিবিদদের আয়ের প্রধান উৎস। সেই সাথে চান্দাবাজি তো আছেই...

আপনারা কি বলেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28947897 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28947897 2009-05-08 12:20:25
ডিএসটি চালু, সময় এগিয়ে আনা এবং দুই মন্ত্রণালয়ের কনফিউজড অবস্থা
মূল ব্যাপারটা হচ্ছে ঘড়ির কাটায় এক ঘন্টা যোগ করতে হবে। এতে সময়টা একঘন্টা এগিয়ে যাবে। আমরা যারা সকাল ন'টায় অফিসে যাই তারা তখন সকাল আটটায় অফিসে যাব। (এখনকার প্রকৃত সকাল আটটা, আমাদের ঘড়িতে ন'টাই বাজবে) ফলে অফিস ছুটিও হবে এক ঘন্টা আগে। দিনের বাকি কাজগুলো দিনের আলো থাকতে থাকতে শেষ করা যাবে, কারণ তখন অন্ধকার হতে প্রায় আটটা বেজে যাবে।

আটটায় সন্ধ্যা হলে দোকানপাট ততক্ষণে বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। ফলে দোকানপাটের ব্যবহৃত বিদ্যুত বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত হবে। তখন লোডশেডিং কমে যাবে। রাতের বেলা আমাদের বিদ্যুত পাওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা বাড়বে।

কিন্তু আমাদের ধর্ম মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই এই সময় এগিয়ে আনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে...

নতুন পদ্ধতিতে নামাজের সময়সূচি কী হবে তা নিয়ে তারা ভেবে দিশেহারা। তারা আরও সময় চেয়েছে, বারবার মিটিং করছে বিভিন্ন জনের সাথে। আসলে ধর্ম মন্ত্রণালয় হয়তো পুরো ব্যাপারটা বুঝতেই পারছে না....

ঘড়ির কাটায় এক ঘন্টা যোগ হলে জোহর ও জুমার নামাজ বাদে সব নামজের সময়েই এক ঘন্টা যোগ করতে হবে, ব্যাস....
যেমন, এখন ফজরের আযান যদি সকাল ৪:১৫ মিনিটে হয় তবে তখন হবে ৫:১৫ মিটিটে। এশার আযান হবে ৮:০০ টার পরিবর্তে রাত ৯:০০টায়।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অবগতির জন্য জানাতে চাই, পাকিস্তানেও গত বছর থেকে ডিএসটি পদ্ধতি চালু হয়েছে। সুতরাং তাদের ভাবনার কোন কারণ নেই...

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে যে কদিন পরই তাদের শিক্ষার্থীদের এইচএসসি পরীক্ষা। সময়ের হেরফের তাদের বিরাট ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। তাদের অবগতির জন্য বলা প্রয়োজন যে, এতে পরীক্ষা টাইমিং-এ কোন পরিবর্তন আনবে না। পরীক্ষার্থীরা যদি সকাল ৯টায় পরীক্ষা শুরু করে থাকে, তবে নুতন পদ্ধতিতেও একই সময়েই পরীক্ষা শুরু হবে। এটা নিয়ে তাদের এত দুর্ভাবনার কারণ নেই...

পুরো বিষয়টাকে না বোঝার জন্যই এই কনফিউশন...

এ বছরের পয়লা এপ্রিল থেকেই এটা চালু করা উচিত ছিল। এত মন্ত্রণালয়ের মতামতের কোন প্রয়োজনই নেই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28947840 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28947840 2009-05-08 09:07:36
কণ্ঠশিল্পী মাহমুদুন্নবী কি হারিয়েই যাবেন?
আক্কাস বেপারী, সুজন পাইকার, এমন অনেকের গানে ওয়েবসাইট ভরে যাচ্ছে, মাহমুদুন্নবী দিয়ে সার্চ দিলে বড়জোর ৩/৪টি গানের খোঁজ পাওয়া যায়।
কতগুলো কমন গানই হয়তো পাওয়া যায়, যেমন,

সুরের ভুবনে......, আয়নাতে ওই মুখ.........., আমি সাত সাগর............., প্রেমের নাম বেদনা........., ও মেয়ের নাম দেব কি...... ইত্যাদি

কিন্তু কিছু খুব বিখ্যাত গানের কোন হদিস নেই, কোন অডিও সিডিতেই পাইনি, ইন্টারনেটেও পাওয়া যাচ্ছে না, যেমন,

সংগীতা যদি ডাকি -তুমি বল - না না না.........., আমি ছন্দ ছাড়া এক নদীর মত ছুটে যাই..............., মনে তো পড়ে না কোনদিন আমিও যে শিল্পী ছিলাম........, আমি তো আজ ভুলে গেছি সবি...... ইত্যাদি ইত্যাদি।

প্রয়াত এই কণ্ঠশিল্পীর সুযোগ্যা দুই কন্যা সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী এখন আমাদের গানের ভুবন দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছেন বটে, কিন্তু বাবার স্মৃতি প্রায় ভুলেই গেছেন। বাবার অবদান, এমনকি বাবার নামও কাউকে মুখে আনতে দেখিনি কোনদিন। কী এমন অপরাধ করেছিলেন আপনাদের বাবা? বাবার সাথে জীবিতাবস্থায় ব্যক্তিগত বোঝাপড়ার সমস্যা যা-ই থাকুক, কণ্ঠশিল্পী হিসেবে তাঁকে প্রতিষ্ঠিত রাখা, তাঁর গান সংরক্ষণ করা, প্রচার করা কি আপনাদেরই প্রথম দায়িত্ব নয়? এরকম অবহেলা করলে এদেশের মানুষতো একদিন মাহমুদুন্নবীকে ভুলে যাবেই।

পুনশ্চ: কিছুদিন আগে এক বাংলা গানের আর্কাইভে যাওয়ার সুযোগ হয়। বাংলাগান নিয়েই তাদের কাজ-কারবার। জানতে পারি যে, ওখানে দশহাজার বাংলা গানের সম্ভার রয়েছে। ওখানের দায়িত্বপ্রাপ্ত টিংকুভাইকে কয়েকটি পুরোনো গান দিই খোঁজার জন্য। আমি প্রায় ১০০ ভাগ নিশ্চিত ছিলাম যে এখানে দশহাজার গানের মাঝে প্রিয় মাহমুদুন্নবীর গানগুলো পাওয়া যাবেই। কিন্তু টিংকুভাই আমাকে হতাশই করলেন...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28908883 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28908883 2009-02-09 21:23:01
আপনিও কি বুশকে জুতা নিক্ষেপ করতে চান?
নিচের লিংকটি ক্লিক করুন, আর যত খুশী জুতা নিক্ষেপ করুন। তবে সাবধান, জুতা যেন গালে না পড়ে!!!

http://www.kroma.no/2008/bushgame/
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28885045 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28885045 2008-12-20 00:43:56
সৌদিআরবে যেদিন ঈদ, তার পরিদন আমাদের ঈদ হলে সমস্যা কি?
কিন্তু না, অবশেষে চাঁদ দেখা কমিটি জানালো ঈদ হবে না। কাল ঈদ হলে সরকারী লোকজন একদিন ছুটি খোয়াতে বসেছিলেন। ঈদ আসলে আমরা সবসময়ই চিন্তায় থাকি, রোজা ২৯ দিনের হবে না ৩০ দিনের...

কিন্তু ভাই, এইটার তো সমাধান আছে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সৌদিআরবে চাঁদ ওঠার ৪ ঘন্টা পরেই আমাদের এখানেও চাঁদ ওঠার কথা। চাঁদ কোথায় যায়?

আকাশেতে লক্ষ তারা, চাঁদ কিন্তু একটারে.... আহা...

কিন্তু হায়, সেই চাঁদ তো আর দেখা যায় না। ফলে ঈদও উদযাপিত হয় ন। এটার সলিউশন সহজ। সরকারই পারে কেবল। আরব আমিরাত, ওমান, ইয়েমেনেও কিন্তু গতকাল চাঁদ দেখা যায় নি। কিন্তু ঐসব দেশ সৌদিআরবকে অনুসরণ করেছে।

তাই সৌদিআরবে ঈদ উদযাপনের পরদিনই আমাদের দেশে ঈদ পালিত হোক। সকল উৎকণ্ঠা আর অনিয়মের সমাপ্তি ঘটুক। চাঁদ দেখা কমিটি আজই বিলুপ্ত হোক...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28849805 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28849805 2008-09-30 19:36:56
আমাদের ট্রাফিক আইনের একটি খসড়া...
ঢাকা সহ দেশের প্রধান শহরগুলি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে ক্রমাগত। অথচ এটি দেখার বা বোঝার কেউ নেই এখানে। একটি কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক আইন দেশে থাকা অত্যাবশ্যক। ট্রাফিক পুলিশের বদলে যদি একটি প্রফেশনাল বডি দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা যেত, তবে সবচেয়ে ভাল ফল লাভ সম্ভব হতো। পাঁচ হাজার ট্রাফিক পুলিশের বদলে মাত্র ৫০০ যোগ্য বাহিনীই এই কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন।

কারণ, ট্রাফিক পুলিশরা পুলিশ বিভাগ থেকে বদলী হয়ে আসেন।যানবাহন চলাচল সম্পর্কে তাদের কোন ধারনা থাকে না এবং আগ্রহও থাকে না। কিছুকাল ট্রাফিক বিভাগে চাকরি করার পর তাদের আবার পুলিশ বিভাগে বদলী করা হয়, ফলে তাদের পক্ষে দক্ষতা প্রদর্শনের কোন সুযোগ থাকে না।

দেশের সব যানবাহনের একটি কম্পিউটার ডাটাবেস তৈরী করতে হবে। দশ লাখ গাড়ি ও চালকের লাইসেন্সের ডাটাবেস তৈরী মোটেই কঠিন কাজ নয়। ৮ কোটি মানুষের ডাটাবেস আমরা তৈরী করতে পেরেছি খুব কম সময়ে। এটা কোন কাজে আসবে কিনা এখনো বোঝা যাচ্ছে না। তবে যানবাহন ও চালকের ডাটাবেস খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য ভান্ডার। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে এটা অত্যন্ত ভাল ফল বয়ে আনবে। ল্যাপটপ কম্পিউটারে আঙুলের হালকা স্পর্শেই নির্দিষ্ট চালক ও গাড়ির যাবতীয় তথ্য একজন ট্রাফিক পুলিশ পেতে পারবেন সহজে ও তাতে ট্রাফিক অপরাধগুলো রেকর্ডভূক্ত করতে পারবেন।

ক, খ, গ- এই তিন রকমের অপরাধ হিসেবে ট্রাফিক অপরাধকে শ্রেণীভূক্ত করা যায়। আবার গাড়ির ইঞ্জিনের সিসি'র উপরেও 'এ', 'বি', 'সি'- এই তিন শ্রেণীতে বিভক্ত থাকবে। একই সাথে, প্রত্যেকটি শ্রেণীর অপরাধের আলাদা আলাদা "পয়েন্ট" এর ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন, 'ক' শ্রেণীর অপরাধ করলে ১ পয়েন্ট। 'খ' শ্রেণীর পয়েন্ট ২ আর 'গ' শ্রেণীর পয়েন্ট ৩।

গাড়ির ইঞ্জিনের ক্যাপাসিটি/আকার অনুযায়ী এই জরিমানার পরিমানে তারতম্য হবে। ১০০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির ক্ষেত্রে "ক" শ্রেণীর অপরাধের জন্য ১০০ টাকা, "খ" শ্রেণীর জন্য ২০০ টাকা ও "গ" শ্রেণীর অপরাধের জন্য ৩০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা যায়।
১০০০ সিসি'র বেশী ও ১৬০০ সিসি পর্যন্ত গাড়ির ক্ষেত্রে "ক" শ্রেণীর অপরাধের জন্য ১৫০ টাকা, "খ" শ্রেণীর জন্য ৩০০ টাকা ও "গ" শ্রেণীর অপরাধের জন্য ৪৫০ টাকা জরিমানা ধার্য করা যায়। ১৬০০ সিসি'র বেশী গাড়ির ক্ষেত্রে "ক" শ্রেণীর অপরাধের জন্য ২০০ টাকা, "খ" শ্রেণীর জন্য ৪০০ টাকা ও "গ" শ্রেণীর অপরাধের জন্য ৬০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা যায়।

কোন এক মাসে চালকের অর্জিত মোট পয়েন্ট "৭" বা বেশী হলে, ঐ সময় থেকে পরবর্তী মাস সেই চালক গাড়ি চালানোর জন্য নিষিদ্ধ হবেন। তৃতীয় মাসে আবার গাড়ি চালানোর জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। দ্বিতীয় মাসে গাড়ি চালানোর যোগ্যতা অর্জন করতে হলে পূর্ববর্তী মাসের মোট জরিমানার দ্বিগুন অর্থ জরিমানা হিসেবে প্রদান করতে হবে।

দুই ধরনের শাস্তি প্রযোজ্য। এক হচ্ছে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নাম্বারের উপর শাস্তি। দুই হচ্ছে চালকের লাইসেন্সের উপর শাস্তি। কোন কোন ক্ষেত্রে উভয় প্রকার শাস্তিও প্রযোজ্য হতে পারে। চালকের দোষে বা ট্রাফিক আইন অমান্য জাতীয় যেসকল অপরাধ হয়ে থাকে সেগুলো সাধারণত ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে ধার্য করা হয়।
সরকার বিভিন্ন শ্রেণীর ট্রাফিক আইন ভঙ্গের অপরাধের জরিমানা বিভিন্ন সময়ে পুননির্ধারণ করবে।

ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে গাড়ির আইন ভংগের ঘটনাগুলো রেকর্ড করে রাখা যায়। ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৫/৬টি ক্যামেরা সক্রিয় থাকলেই যথেষ্ট। ১৫ সেকেন্ডের একটি 'ভিডিও শট'ই একটি গাড়ির আইন ভংগের সঠিক চিত্র তুলে ধরতে পারে। একটি ভিডিও ক্যামেরার ডিভিডি'তে অন্তত ৩০টি অপরাধের সচিত্র ক্লিপ তুলে রাখা যায় ও সে অনুযায়ী গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের বিরুদ্ধে জরিমানা করা যায়। ভিডিও ক্লিপে তারিখ ও সময় সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ রাখা যাবে। এতে গাড়িতে অপরাধ সংগঠিত হওয়ার সময় কোন্ চালক গাড়িতে ছিলেন তা গাড়ির মালিক সহজের অনুধাবন করতে পারবেন।

খসড়াটির ধারাগুলি নিম্নরূপঃ

১) ট্রাফিক আইনের সর্বশেষ সংস্করনের বই/পুস্তিকা চালকের সংগে থাকতে হবে। চালক সম্পূর্ণ বইটি পড়ে শেষ পৃষ্ঠায় স্বাক্ষর করবেন। এই সাক্ষরের অর্থ হচ্ছে এই যে, চালক সবগুলি আইনের ধারা পড়েছেন ও শপথ করছেন যে, তিনি তা মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন। এই আইন অমান্য করলে "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে।
২) গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার গাড়ির নাম্বার প্লেটের পাশাপাশি গাড়ির পেছনে গাড়ির বডিতে স্থায়ীভাবে লিখতে হবে। স্পষ্ট অক্ষরে কমপক্ষে দেড় ইঞ্চি উচ্চতার টাইপ দিয়ে এই রেজিঃ নং লিখতে হবে। আইন অমান্য করলে "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে।
৩) রেজিস্ট্রেশন ছাড়া গাড়ি রাস্তায় নামালে চালকের লাইসেন্সের উপর "গ" শ্রেণীর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। গাড়ির ট্যাক্স-টোকেন হালনাগাদ না থাকলে, ইন্সুরেন্স না থাকলে বা হালনাগাদ না থাকলে, বা রুট পারমিট বা ফিটনেস না থাকলে বা হালনাগাদ না করা থাকলে 'ক' থেকে 'গ' পর্যন্ত হারে শাস্তি হতে পারে। ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক জরিমানা করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গাড়ির ডকুমেন্ট হালনাগাদ না করলে পরবর্তীতে আবারও ট্রাফিক পুলিশ গাড়িকে জরিমানা করবেন। চালকের লাইসেন্স ও গাড়ির রেজিস্ট্রেশন - উভয়ের উপরই এই জরিমানা ধার্য হতে পারে।
৪) ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের উপর "গ" শ্রেনীর অপরাধ বলে বিবেচ্য হবে।
৫) গাড়ি থামাতে হলে বা পার্কিং করতে হলে অবশ্যই রাস্তার সংগে প্যারালাল করে ফুটপাথ থেকে সর্বোচ্চ "এক ফুট" দূরে গাড়ি রাখতে হবে। একফুটের বেশী দূরত্ব হলেই আইন অমান্যকারী হিসেবে "ক" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে। পার্কিং নিষেধ বা থামানো নিষেধ - এমন স্থানের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য নয়।
৬) কোন গাড়ি পার্কিং করা অবস্থায় বা থামানো অবস্থায় এর পাশে ডাবল প্যারালাল হিসেবে কোন গাড়ি রাখা যাবে না বা থামানো যাবে না। আইন অমান্য করলে "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে।
৭) পার্কিং বা থামানো নিষেধ, এমন স্থানে পার্কিং করলে বা গাড়ি থামালে 'ক' শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে। গাড়ি থামানো ফলের যদি অন্য গাড়ির চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয় তবে 'খ' শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে। ক্ষেত্র বিশেষে এটা 'গ' শ্রেণীর অপরাধও হতে পারে।
৮) একান্ত প্রয়োজন ছাড়া যেকোন স্থানে হর্ণ বাজানো নিষেধ। সামনের গাড়ি বা পথচারীর দৃষ্টি আকর্ষন করার একান্ত প্রয়োজন হলে প্রথমে "হেডলাইটের বীম" দ্বারা করা যেতে পারে। অযথা হর্ণ বাজালে ''ক' শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে। অননুমোদিত শক্তিশালী (নিউমেটিক) হর্ণ ব্যবহার করলে 'খ' শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে।
৯) গাড়ির চালক ও চালকের পাশের যাত্রীকে অবশ্যই সীটবেল্ট পড়া অবস্থায় গাড়ি চালাতে হবে। অন্যথায় 'ক' শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে।
১০) গাড়িতে অতিরিক্ত নিরাপত্তার নামে বা সৌন্দর্য বর্ধনের নামে কোন "বাম্পার" লাগানো যাবে না। অনাকাঙ্খিত সংষর্ষে অন্য গাড়ির বেশী ক্ষতি হয় এমন কোন লোহার এংগেল বা ধাতব পাত গাড়ির বডিতে ব্যবহার করা যাবে না। এটা "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে।
১১) কোন যাত্রীবাহী বাস বা অনুরূপ বাহনের চালকগণ যাত্রী উঠানামার সময় "৫" ও "৬" নং ধারা সতর্কতার সাথে মেনে চলবেন। যাত্রীগণ যেন ফুটপাত থেকে সরাসরি গাড়িতে উঠতে পারেন সে ব্যবস্থাও করতে হবে। অন্যথায় "গ" শ্রেণীর অপরাধ হিসেবে গন্য হবে।
১২) গাড়িতে দুইটি লুকিং মিরর, ১টি অভ্যন্তরীন লুকিং মিরর, ৪টি ইন্ডিকেটর লাইট, ২টি হেড লাইট, ২টি ব্রেক লাইট, ব্যাকগিয়ার লাইট ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম কার্যকর থাকতে হবে। এর কোন একটি না থাকলে বা ত্রুটিপূর্ণ থাকলে "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে। একাধিক সংখ্যক ইন্সট্রুমেন্ট বা উপাদানের অভাব থাকলে জরিমানার পরিমান বাড়বে। যেমন, "২খ", "৩খ" পরিমান জরিমানা হতে পারে।
১৩) মাত্রাতিরিক্ত কালো ধোঁয়া সৃষ্টিকারী গাড়ি "গ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে। বিআটিএ সময়ে সময়ে এই মাত্রা নির্ধারণ করবে।
১৪) ফিটনেস সম্পর্কিত বা সংশোধিত হওয়ার মত অপরাধ ধরা পড়ার এক সপ্তাহের মধ্যে তা সংশোধন করতে হবে। এক সপ্তাহ অতিক্রম করলে "২খ" পরিমান জরিমানা করা হবে। এভাবে একমাস অতিক্রম করলে "৩খ" পরিমান জরিমানা হবে। এভাবে প্রতি মাসের জন্য জরিমানার পরিমান বাড়তে থাকবে।
১৫) বেপরোয়া গাড়ি চালালে বা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালালে "গ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে।
১৬) গাড়ি রাস্তায় বের করার পূর্বে অবশ্যই চালক এর ফিটনেস পরীক্ষা করবেন। যদি রাস্তায় গাড়ি কোন কারণে নষ্ট হয়, চলাচলের অনুপযোগী হয় বা ইঞ্জিন স্টার্ট না নেয় তবে এক্ষেত্রে "গ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে। গাড়ি দ্রুত রাস্তা থেকে না সরালে বা এর ফলে ট্রাফিক জ্যাম সৃষ্টি হলে জরিমানার পরিমান "২গ" বা "৩গ" পর্যন্ত হতে পারে। প্রাইভেট রেকার সার্ভিস ডেকে গাড়িকে সরিয়ে ট্রাফিক চলাচলের উপযোগী করে দিতে হবে।
১৭) শহরের পাবলিক বাস-এ সামনে ও পেছনে মোট দুটি দরজা থাকবে। এই দরজাগুলি গাড়ির চালক কর্তৃক দূর-নিয়ন্ত্রিত ভাবে কাজ করবে। কেবল চালকের ইচ্ছায় দরজা খুলবে ও বন্ধ হবে। বাস রাস্তায় চলা অবস্থায় দরজা কোন অবস্থাতেই খোলা যাবে না। কেবলমাত্র পার্কিং করার পরই চালকের ইচ্ছায় দরজা খুলবে। গাড়ি চলার আগ মুহূর্তে চালক দরজা বন্ধ করবেন। সামনের দরজা দিয়ে যাত্রীরা গাড়িতে উঠবেন ও পেছনের দরজা দিয়ে গাড়ি থেকে নামবেন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে গন্তব্যস্থলে বা স্টপেজের পার্কিং-এ পৌছানো ছাড়া গাড়ির দরজা খোলা যাবে না। একই ভাবে নিয়মতান্ত্রিকভাবে স্টপেজ বা গন্তব্য ছাড়া অন্য কোথাও দাড়িয়ে বা চলন্ত অবস্থায় কোন যাত্রী গাড়িতে নেয়া যাবে না। এরকম ক্ষেত্রে "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে।
১৮) যেখানে 'লেন' মার্ক করা আছে সেখানে অবশ্যই গাড়িগুলি লেন অনুযায়ী চলবে। অপেক্ষাকৃত দ্রুতগামী গাড়িগুলি ডানদিকের লেন দিয়ে চলাচল করবে আর ধীর গতির গাড়িগুলো বামদিক দিয়ে চলবে। লেন পরিবর্তন করতে হলে অবশ্যই ইনডিকেটর বাতি জ্বালাতে হবে। কারণ ছাড়া বারে বারে লেন পরিবর্তন করা যাবে না। এর ব্যতিক্রম হলে "ক" শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে।
১৯) কোন একমুখী রাস্তায় যদি বিপরীত দিক থেকে কোন গাড়ী চলাচল করতে চায় তবে ট্রাফিক সিস্টেমের ব্যত্যয় ঘটে থাকে। এরকম ক্ষেত্রে "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গণ্য হবে।
২০) যেখানে ইউ-টার্ন নেয়ার ব্যবস্থা আছে ও সাইন দেয়া আছে, কেবলমাত্র ঐসকল স্থানেই গাড়ির ইউ-টার্ন নেয়া যাবে। অননুমোদিত স্থানে ইউ-টার্ন নেয়া যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ। প্রয়োজনে ১০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ইউ-টার্ন নিতে হবে, কিন্তু কোন অবস্থাতেই এর ব্যতিক্রম করা যাবে না। অমান্য করলে "খ" শ্রেণীর ট্রাফিক অপরাধ বলে গন্য হবে।
২১) ডানদিকে মোড় নিতে হলে গাড়িকে ডানদিক ঘেষে একটি লাইনে ডানদিকে যেতে হবে বা সিগনালে অপেক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে বাকি সব গাড়িকে বামদিকে বা সোজা চলাচলের জন্য উপযুক্ত রাখতে হবে। একাধিক লেন দখল করে এটাকে বাধাগ্রস্থ করা যাবে না। এরকম ক্ষেত্রে "ক" শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে।
২২) গাড়ি বামদিকে মোড় নেয়ার ক্ষেত্রে কোন গাড়ি আশেপাশে পার্কিং করতে পারবে না বা ধীরগতি সম্পন্ন হতে পারবে না যাতে গাড়ি চলাচলে বাধাগ্রস্থ হয়। এরকম অপরাধ "খ" শ্রেণীর অপরাধ বলে গন্য হবে।
২৩) দুটো গাড়ির মধ্যে যদি সংঘর্ষ হয় এবং দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে এই দুর্ঘটনার জন্য যে গাড়ির চালকই দায়ী হোক না কেন, এ নিয়ে কোন রকম বাকবিতন্ডা করা যাবে না। প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে, দুটো গাড়িকে রাস্তার পাশে এমনভাবে রাখা যাতে অন্য গাড়ির চলাচলে কোন অসুবিধা না হয় বা বাধাগ্রস্থ না হয়। তারপর উভয়ের দায়িত্ব হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ ডাকা। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ উভয় গাড়ির ইন্সুরেন্স পেপারে সাক্ষর করবেন যাতে ইন্সুরেন্স কোম্পানী থেকে ক্ষতিপূরন পাওয়া সহজতর হয়। ট্রাফিক পুলিশ যদি প্রত্যক্ষদর্শীর সহায়তায় প্রকৃত দোষী চালককে সনাক্ত করতে পারেন তবে অপরাধের ধরন অনুযায়ী 'ক' থেকে 'গ' পর্যন্ত যেকোন পরিমান জরিমানাও করতে পারেন।
২৪) গাড়ি চালনার সময় কোন যাত্রী বা পথচারী যদি সামান্য আহত হয় তবে আগের ধারা অনুযায়ী অগ্রসর হতে হবে ও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে তা মিটাতে হবে। তা না হলে ট্রাফিক পুলিশ ডেকে সমাধান করতে হবে। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ চালকের অপরাধ অনুধাবন করতে পারলে জরিমানাও করতে পারেন।
২৫) কোন গাড়ি কর্তৃক যদি দুর্ঘটনার ফলে যদি কোন যাত্রী বা পথচারী আহত/নিহত হয় তবে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে চালককে। অন্যথায় 'গ' পরিমাণ বা তারচেয়ে বেশী পরিমানেও জরিমানা হতে পারে।
২৬) কোন গাড়ি বা চালকের যদি অপরাধের মাত্রা খুব বেশী হয় (যেমন বছরে ১৪ পয়েন্ট বা তারচেয়ে বেশী) তাহলে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ চালকের লাইসেন্স সীজ করতে পারেন ও তা বাজেয়াপ্ত করতে পারেন। একইসাথে গাড়িও সীজ করতে পারেন।
২৭) যদি কোন গাড়ি বিপদ্জ্জনক ভাবে চলাচল করে বা তার কন্ডিশন খুব খারাপ হয় যা জননিরাপত্তা বা যানচলাচলের জন্য হুমকি, তাহলে গাড়ি ও চালককে জরিমানার পাশাপাশি কর্তর্বরত ট্রাফিক পুলিশ গাড়িকে সীজ করতে পারেন।
২৮) প্রতিটি গাড়ি কমপ্রিহেনসিভ ইন্সুরেন্সের আওতায় বৈধ কোম্পানী থেকে বীমাকৃত হতে হবে। দুই গাড়িতে সংঘর্ষ হলে উভয়কেই যার যার রেসপেকটিভ বীমা কোম্পানী থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।
২৯) গাড়ি মেরামতের কাজ অনুমোদিত ওয়ার্কশপ বা গ্যারেজ থেকে করতে হবে। ওয়ার্কশপে সামনে ও রাস্তার উপর কোন ধরনের মেরামতের কাজ করা "খ" ধরনের অপরাধ। কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ এ ধরনের ওয়ার্কশপকেও জরিমানা করতে পারেন।
৩০) সামরিক বাহিনী, দূতাবাস বা অনুরূপ বিশেষায়িত কোন বিভাগের যানবাহনের ক্ষেত্রেও এই আইন প্রযোজ্য থাকবে এবং অপরাধকারী গাড়ির নাম্বার ও চালকের তথ্য বিআরটিএ কর্তৃক যথাযথ বিভাগে পাঠিয়ে দেবেন।
৩১) দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি ছাড়া বাকি সকলপ্রকার যানবাহন (রিক্সা, ভ্যান, ঠেলাগাড়ি ছাড়া) "যানবাহনের চালক ও অপরাধের ডাটাবেস"-এর আওতায় আসবে ও উপরোক্ত আইনের আওতায় পড়বে।

উপরের প্রতিটি আইনের ধারা আমি ভালভাবে পড়েছি ও বুঝতে পেরেছি। আমি এই আইন মেনে চলতে বাধ্য থাকবো। আইন অমান্য করলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের শাস্তিও গ্রহন করতে রাজি আছি।

চালকের নাম : ************************
চালকের স্বাক্ষর : **********************
ড্রাইভিং লাইসেন্স নং : *********************
জাতীয় আইডি নং : ***********************
গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নং : **********************
তারিখ : **************

একটি গাড়ি মালিক ছাড়াও একাধিক চালক গাড়িটি চালাতে পারেন। সেক্ষেত্রে মালিকের অনুমতিক্রমে গাড়ির রেজিস্ট্রেশনের সাথে চালকের লাইসেন্সকে "সংযুক্ত" করতে হবে। এর জন্য গাড়ির মালিক নির্ধারিত "চালক সংযুক্তি ও বাতিল " ফরমে নির্দিষ্ট ফী প্রদান সাপেক্ষে বিআরটিএ-তে আবেদন করবেন। যদি কোন চালককে গাড়ির মালিক বাদ দিতে চান তাহলেও একই পদ্ধতিতে "চালক সংযুক্তি ও বাতিল" ফরমে আবেদন করতে হবে।

নির্ধারিত অনলাইন ব্যাংকে জরিমানার টাকা জমা দিতে হবে। বাৎসরিক ফিটনেস, রুট-পারমিট, ট্যাক্স-টোকেন সংগ্রহের সময় সমুদয় বকেয়া জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে হবে। গাড়ির সাথে সংযুক্ত চালকদের উপর ধার্য জরিমানাও (যদি থাকে) একই সময়ে পরিশোধ করতে হবে, অন্যথায় বাৎসরিক ট্যাক্স-টোকেন প্রদান করা হবে না।

গাড়ি মেরামতের ওয়ার্কশপ স্থাপন করতে হলে বিআরটিএ থেকে অনুমোদন নিতে হবে। বিআরটিএ'র গাইডলাইন অনুযায়ী এই ওয়ার্কশপ বা গ্যারেজ স্থাপন করতে হবে। ওয়ার্কশপ লাইসেন্স নিয়মিত রিনিউ করতে হবে। গাড়ি মেরামতের দক্ষ লোকবল, যন্ত্রপাতি, পর্যাপ্ত জায়গা ইত্যাদি দেখে বিআরটিএ ওয়র্কশপকে লাইসেন্স প্রদান করবে।

গাড়ির চালক নিয়োগের সময় নিয়োগকর্তা চালকের "অপরাধ রেকর্ড" সহজেই বিআরটিএ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। চালক এর আগে কোন কোন গাড়ি চালিয়েছেন এবং কী কী অপরাধ সংগঠিত করেছেন, তা সহজেই নিয়োগকর্তা বুঝতে পারবেন। এটি এড়ানোর জন্য চালকের সচেতনতা বাড়বে ও অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে কমে যাবে।

(এটি একটি খসড়া রূপ মাত্র (প্রায় ৯০% সমাপ্ত বলা যেতে পারে)। বাকি ধারাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতে সংযোজিত করা যেতে পারে। পাঠকের মতামত চাই)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28848236 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28848236 2008-09-26 20:11:05
আবিদুর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা, সবার আগে আমার সমর্থন
যা হোক, তিনি বললেন - জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে দেশে নির্দলীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হবে। সাংসদরা প্রধনমন্ত্রী নির্বাচিত করবেন প্রচলিত নিয়মে। প্রেসিডেন্টের হাতে থাকবে ডিফেন্স, জুডিশিয়ারী ও নির্বাচন কমিশন। আর বাকি সব বিভাগ থাকবে প্রধান মন্ত্রীর হাতে। এতে ক্ষমতার চেক এন্ড ব্যালান্স অনেকটাই নিশ্চিত হবে ।

দলীয় চামচাকে যদি প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্টিত করা হয় তাহলে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেও কোন লাভ নেই। প্রধানমন্ত্রীর হাতের পুতুল হয়েই থাকতে হবে তাকে। এর প্রচুর উদাহরণ আমরা দেখেছি এদেশেই....

মাজার জিয়ারত করতে না যাওয়ায় বদরুদ্দোজা সাহেবের কী পরিণতি হয়েছে তা আমরা দেখেছি। দেশে কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে আবিদুর রহমানের প্রস্তাবনার বিকল্প নেই...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28848121 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28848121 2008-09-26 13:52:45
ডা. জাকির নায়েকের কাছে প্রশ্ন ও হতাশাজনক উত্তর
যা হোক, আমি ডা. জাকির নায়েককে একটি ইমেইল পাঠাই পীস টিভির ঠিকানায়। প্রশ্ন করি যে, ইসলাম কি বর্তমান বৈজ্ঞানিক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি সমর্থন করে? আমাদের দেশে কোন ডাইনামিক সরকার এসে যদি "ওয়ান চাইন্ড পলিসি" বা অনুরূপ কোন আইন গ্রহণ করে, তাহলে তা কি ইসলামের আলোকে গ্রহনযোগ্য হবে?

ড. শোয়েব উত্তর দেন ডা. জাকিরের পক্ষে। উত্তর যা পাই তার সারসংক্ষেপ করলে দাড়ায় এই যে, ইসলাম তা কোন ক্রমেই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সমর্থন করে না। অথচ এই উত্তরের বিভিন্ন পয়েন্টগুলো ভালভাবে পর্যবেক্ষন করলে দেখতে পাই যে, ইসলামধর্ম মোটেই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিপক্ষে নয়...

ডা. জাকির নায়েকের মত অনেক ইমামসাহেব বা ইসলামী চিন্তাবিদরা ইসলাম ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা করে আমাদের মুসলমানদের একটি প্রশ্চাদপদ জাতি ও ধর্মানুসারী হিসেবে চিহ্নিত করে চলেছেন। ব্লগার বন্ধুরা চাইলে ইমেইলের কপি দিতে পারি। আমি এর জবাবও দিয়েছি। প্রয়োজনে তাও শেয়ার করতে চাই...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28842160 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28842160 2008-09-12 16:10:18
প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য, কক্সবাজার- একটি প্রশ্ন...
আজ দেখলাম বাংলালিংকও ফান্ডিং করছে এই আয়োজনে। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনও এগিয়ে এসেছে দেরীতে হলেও। যেখাবেই হোক, কক্সবাজারকে সেরা প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য হিসেবে নির্বাচিত করা চাই ই চাই...

প্রশ্ন হচ্ছে, যে প্রক্রিয়ায় আমরা কক্সবাজারকে নির্বাচিত করতে চাচ্ছি, এটা কি বৈধ বা গ্রহনযোগ্য?

শুধু বাংলাদেশীরাই কি বাংলাদেশের একটি স্থানকে নির্বাচন করবেন? আমিতো আমার স্থানকে শ্রেষ্ঠ বলতেই পারি, কিন্তু এর গ্রহনযোগ্যতা কতখানি?

লাখলাখ ভূয়া(!) ইমেইল এর মাধ্যমে আমরা ভোট দিতে শুরু করেছি। এরজন্য খোলা হয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ সহ বিশেষ কম্পিউটার সেন্টার। এই ইমেইলগুলোর অন্তত ৯৮% জীবনে আর কখনও ব্যবহৃত হবে না। একটি ভোট দেবার জন্যই এটা তৈরী করা হয়েছে।

নিউসেভেনওয়ান্ডারস.কম এটির আয়োজক (এন৭ডব্লিউ.কম)। কিন্তু তাদের গ্রহনযোগ্যতা কতটুকু এটা কি কেউ কখনও প্রশ্ন তুলেছেন? এটা কোন প্রতিষ্ঠিত সংস্থাই নয়...

প্রথমদিকে ভিয়েতনাম তাদের দুটি স্থানকে আমাদের মতই ভূয়া(!) ভোট দিয়ে এগিয়ে রেখেছিল। পরে যখন দেখলো যে এটা খামোখা... তারা সরে গেল। কিন্তু আমরা অদম্য।

ভূয়া ইমেইল নয়, সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন করবেন নির্বাচিত জুরী বোর্ড। এটা জাতিসংঘের অনুমোদিত হতে হবে। প্রাকৃতির ঐতিহ্য নিয়ে পৃথিবী জুড়ে যেসব সংস্থা কাজ করে, তারা এটা করতে পারে।

"ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক" করলেও গ্রহনযোগ্যতা পেত। প্রত্যেকটি প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত স্থানকে নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাইয়ের পর নাম্বারিং এর ভিত্তিতেই কেবল সর্টলিস্ট করা যায়। ভূয়া ইমেইল নয়...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28834626 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28834626 2008-08-25 09:11:58
আমরা কি আমাদের অতীত নিয়ে গর্ব করতে পারি না?
আফগানীরা এদেশে এসে ফেরী করে দোকানদারী করতো, এটা ওটা বিক্রি করতো। ব্রিটিশরা/ পর্তৃগীজরা/ওলন্দাজরা এদেশে আসতো ব্যবসার জন্য...

আরব দেশ থেকে আমাদের পূর্বপুরুষদের একাংশ এদেশে এসেছেন স্রেফ রুটি রুজির জন্য। ওখনে মরুভূমিতে গরমে খেয়ে না খেয়ে অবস্থা শোচনীয় ছিল...

ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল সেসময় সুখের স্বর্গরাজ্য। প্রাচুর্যে ভরা দেশ। এটা ১০০ বছর আগেই ছিল। ১০০০ বছর আগেও ছিল। ইউরোপীয়রা শীতে, কষ্টে, না খেয়ে মরতো....

কলম্বাসের মাথায় ইন্ডিয়া আবিষ্কারের উদ্দেশ কী ছিল? স্পেনের রাণী কেন তাঁকে এত টাকাপয়সা দিয়েছিলেন? জীবনের এতবড় ঝুকি কেন নিয়েছিলেন? কারণ এই ইন্ডিয়াতেই ছিল সুখের ঠিকানা। যেমন আমরা এখন খুজি ইউরোপ আমেরিকায়...

১০০ বছর আগেও এদেশে ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল। তখন কয়টি দেশে ছিল ট্রেন?

আর এখন আমাদের অবস্থান কোথায়??????????? কেন???????????????

আমরা আমাদের অতীত নিয়ে কেন গর্ব করতে পারি না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28833519 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28833519 2008-08-22 08:32:21
ঢাকার ট্রাফিক সিগনালের আরেকটি সচিত্র অবস্থা দেখুন
বছরের পর বছর ধরে এই অবস্থা।

ট্রাফিক পুলিশের কন্সটেবল বা সার্জেন্টদের বাদই দিলাম, ট্রাফিক পুলিশের কমিশনারদের ব্যক্তিত্বে কি একটুও আচড় লাগে না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28831428 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28831428 2008-08-16 11:12:58
জার্মানীর দোতলা ট্রেন
একটি দোতলা ট্রেনে প্রায় দ্বিগুন যাত্রী নিয়ে চলাচল করলে পরিবহন সমস্যা অনেকটাই লাঘব হয়। আমাদের রেলওয়ে ও সরকার কবে থেকে সে চিন্তা শুরু করবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28831402 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28831402 2008-08-16 07:41:24
আমাদের অলিম্পিকের সবচেয়ে বড় অর্জন
আমাদের জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি" ২০৫টি দেশের জাতীয় সংগীতের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে...। একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক এবারের অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী দেশের সবগুলি সংগীত শুনে এই রায় দেন। বিস্তারিত আজকের প্রথম আলোয়...

সাকাচৌ'রা কোথাকার কোন রবীন্দ্রনাথকে দিয়ে লেখালো জাতীয় সংগীত.... এ-জাতীয় মন্তব্য করলেও এবার আশাকরি আমাদের গৌরব ও অহংকারকে নিয়ে কুমন্তব্য করতে একাধিকবার ভাববে এখন থেকে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28830516 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28830516 2008-08-13 19:30:24
বছরে ১০ লাখ মানুষকে বিদেশে কর্মসংস্থানে পাঠানো যায়
এর জন্য আমাদের দেশের সরকারই দায়ী শতভাগ। সরকারের যদি একটি মোটামুটি ধাচের একটি পরিকল্পনা থাকতো, তাহলে অন্তত আমাদের এই দুর্ভাগা দেশের মানুষদের এমন করুণ অবস্থা হতো না। এভাবে পুরো জাতিকেই অপদস্ত করা হচ্ছে। কিন্তু নীতি নির্ধারকদের গায়ে তা লাগছে না।

এই সাইট দয়া করে ক্লিক করুন।
Click This Link

আমরা যদি এটা বাস্তবায়নে ৬০ ভাগও সফল হই তবে কুয়েত, সৌদি, মালয়েশিয়ার শত শত কোম্পানী থেকে প্রতিনিধিরা এসে ধর্ণা দেবে এদেশে দক্ষ লোক সংগ্রহ করতে।

ইউরোপ আমেরিকা কোরিয়া জাপানও বাদ যাবে না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28830271 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28830271 2008-08-12 23:56:23
RAB এর জন্য হেলিকপ্টার
এটা সর্বশক্তিমানের রহমতও হতে পারে যে, হেলিকপ্টার আপাততঃ আসছে না।

হেলিকপ্টার কেনা যে ১০০ তে ১০০ ভাগই অপচয়, এ ব্যাপারে আমার অন্ততঃ কোন সন্দেহ নেই। আমাদের "বিদগ্ধ" মহল আরও ভাল বলতে পারবেন।

কল্পনা করুন, ঢাকা শহরের উপর দিয়ে হেলিকপ্টারে RAB টহল দিচ্ছে। এতে কী উপকারটুকু তেনারা আমাদের করতে পারবেন? প্রতি ঘন্টায় তেল খরচ কত হবে? রক্ষণাবেক্ষণ কত হবে? চালকদের পেছনে ব্যয় কত? আর ফলাফল কী প্রত্যাশা করছেন তেনারা?

প্রিয় ব্লগারদের মতামত চাই।

(পুনশ্চঃ- "র" এর সাথে যফলা লিখতে পারিনি, ফন্টের সমস্যা নিশ্চয়ই)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28829777 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28829777 2008-08-11 18:00:00
এবার উপজেলা চেয়ারম্যানদের জন্য পাজেরো গাড়ি
দেশের উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাও পাজেরো গাড়ি চালায় এদেশে। জাপানের মত দেশে পাজেরো, প্র্যাডো বা এ জাতীয় উচ্চ সিসি'র ব্যয়বহুল গাড়ি চালানো একজন জাপানীর জন্য স্বপ্ন বটে।

সরকারী টাকা খরচের হাল দেখে মনে হতে পারে যে এদেশের ট্যাক্স-পেয়াররা বেশ ভাল দিয়ে যাচ্ছেন...

ভারতের পুলিশ কর্মকর্তারা এখনো জিপসি (দাম প্রায় ৩ লাভ রুপি) জিপগাড়ি চালায়। ভারত গাড়ি প্রস্তুতকারী দেশ হয়েও সেদেশের মন্ত্রী/সচিবরা এমবাসাডোর (দাম প্রায় ৩ লাখ রুপি) গাড়িতে চড়েন...

আমরা মাশাল্লাহ গাড়ির একটি পার্টসও তৈরী করি না এখন পর্যন্ত... লাখ লাখ গাড়ি কিন্তু চলছে আমাদের রাস্তায় (আলহামদুলিল্লাহ)

চীনে একজন জেনারেল থাকেন দুই রুমের ফ্লাটে। এটা রসিকতা নয়, বাস্তব ঘটনা। আমাদের দেশের বিগ্রেডিয়ার সাহেবদের খবর কি?

এবার বলুন আমাদের দেশের উন্নতি হবে না তো কি চীনের উন্নতি হবে???

(পাদটীকা : উপজেলা চেয়ারম্যারা পাজেরো চালালে সাংসদদের মার্সিডিজ এম ক্লাস জীপ দেয়ার দাবী জানাচ্ছি আর মন্ত্রীদের জন্য অবশ্যই রোলস রয়েস। তা না হলে কিন্তু তাদের ইজ্জত থাকবে না। এ দাবী অবশ্যই উঠবে একসময় আর তা খুব সহজের সংসদে পাশ হয়ে যাওয়ার কথা, কারণ তারাই তো আইন প্রণেতা...!!!)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28829111 http://www.somewhereinblog.net/blog/ksaminblog/28829111 2008-08-09 18:33:17