somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আমি গেলাম, অনেক কাজ আছে। গত দুইদিন ছাগ-নাস্তিকদের সাথে অনেক ফান করলাম। তবে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদের সাথে বেশিক্ষণ ফান করাও যায়না, সামু গোস্বা করে। অবশ্য বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীদেরকে ক্রমাগত র্ভাচুয়াল বলাৎকারের হাত থেকে রক্ষা করার দায়িত্বও ছাগ-অধিকার সংরক্ষণের মধ্যে পড়ে! সামু মনে হয় ছাগ-অধিকার সংরক্ষনের দিকে নজর দিচ্ছে! আমার নরাধম নিকের এ বিষয়ে দুটা পোস্টই ডিলিট খাইছে।
তবে লাস্ট পোস্টটা কেন ডিলিট খাইল ঠিক বুঝলাম না। সেটাতে আমাকেই তো ব্যক্তিআক্রমণ করা হইল মনে হয়?? এনিওয়েজ, আই ডোন্ট গিভ আ ড্যাম!

যারা এইসব নাস্তিক ছাগুদেরকে নিয়ে ফান করতে চান, কিছু মজা লুটতে চান তাদেরকে বলছি, আপনাদের পিলিজ লাগে, ছাগলরাও মানুষ, এইটা মনে কইরা তাদের সাথে কম কম ফান করবেন! নাহয় আবার মায়াকান্না লাগিয়ে দেবে, "এঁএঁএঁ....ফেইসবুকের প্রসংগ সামুতে এনে আমাকে অপমান করছে কেন? আমি ভুদাই সেটা ফেইসবুকের সবাই জানে, এখন সামুতেও জেনে গেল।"

আবার আরেকজন আছে সে আগে একবার পোস্ট দিছিল, "আম্মু, ছোটভাইয়ের বয়সী মাহফুজ(আমি) আমাকে অপমান করেছে, আমি খেলবনা, এঁএঁ....এঁ" এরপরে মায়ের আঁচলের তলে লুকিয়েছিল কিছুদিন!!"

আমি গেলাম, আপনারা মজা লুটেন, ছাগলদের নিয়ে মজা লুটতে আলাদা মজা আছে! ভাল থাকুন।

ছাগলদেরকে বলছি, "don't hold your farts, dear! They go up your spine to your brain and that's where shitty ideas come from!"

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/29247321 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/29247321 2010-09-30 00:05:38
ঢাবি'র ওয়েবসাইটের নির্মান কাজ কি আদৌ শেষ হবে? http://www.univdhaka.edu/


কত বছর পর্যন্ত নির্মান কাজ চলবে কেউ মনে হয় জানেনা। সিটি কর্পোরেশানের রাস্তার নির্মাণ কাজও একসময় শেষ হয়, কিন্তু ঢাবি'র ওয়েবসাইটের নির্মাণ কাজ শেষ হয়না। আহা! প্রাচ্যের অক্সফোর্ড! ওয়েবসাইটে গেলেই বুঝা যায় দেশটা কত গরীব। ঢাবি'র ওয়েবসাইটকে নিঃসন্দেহে বিশ্বের সর্বসেরা ওয়েবসাইটে ঘোষণা করা যাবে (মানে নিচের দিক থেকে)। একবার শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে দেখেছিলাম সব ভুলভাল আংরেজী লেখা। টাইপিং মিসটেক না, সত্যি সত্যি মিসটিক। এখন ঠিক করছে কিনা কে জানে। তো যা বলছিলাম, ঢাবি নিয়ে। ঢাবি কনটাক্ট ইমেইল এডরেস দেইয়া আছে ........ডোমেইন খেয়াল করেন!

মেন্টালের কমেন্ট কপি মারলাম। বালের ওয়েবসাইট।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28858765 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28858765 2008-10-23 21:34:04
সবাকের এ-টীম বিষয়ক পোস্ট নিয়ে কিছু কথা।
এ-টিমের মেম্বার কিন্তু ৪/৫ জন না। ব্লগের যেকেউ জামাতি-ড়াজাকার বিরোধী আর সুশীলদের ভন্ডামীর বিরোধী হলেই সেই এ-টিমের মেম্বার। আপনি খেয়াল করে বলেন তো দেখি আপনার ৬ মাস ব্লগিং সময়ের মধ্যে কোন সৃজনশীল ব্লগার এ-টিমের অত্যাচারে ব্লগে টিকতে পারতেছেনা? লোলকে লোল বললে যদি তার সাহিত্যপ্রতিভায় ব্যত্যয় ঘটে তাতে কি সত্যি কথাই বলা যাবেনা? এমন ১জন সৃজনশীল-ননজামাতি ব্লগারের নাম বলেন তো যে এ-টীমের সংঘবদ্ধ আক্রমণের জন্য ব্লগে টিকতে পারতেছেনা? (লোলপুরুষের কথা বলবেননা।)

এ-টীম নিয়ে ১টা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার সেটা হল এ-টীমের কমন এজেন্ডা শুধুমাত্র ছাগু-তাড়ানো। অন্য সব বিষয়ে তারা সবাই স্বাধীন এবং নিজ নিজ মতামত বা কর্মের জন্য নিজেরাই দায়ী। এ-টীমের কোন মেম্বারের সাথে অন্য কারো ব্যক্তিগত ভুল বুঝাবুঝি থাকতে পারে, তাতে সম্পূর্ণ এ-টীমকে দায়ী করাটা নিশ্চয়ই সুবুদ্ধির লক্ষণ নয়।

একটা উদাহরণ দিলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে। ব্লগে কিছুদিন আগেই আমারব্লগে "আরিফুর রহমান" নিয়ে নাস্তিক-আস্তিকদের ক্যাচাল হয়েছিল সেটা নিশ্চয়ই মনে আছে। আমি নিজেও সেই ক্যাচালে জড়িয়ে গিয়েছিলাম। রাশুদা, এস্কিমোভাই, আরাশিবদ্দা, মুকুলভাই, বিবর্তনবাদী সবাই জড়িত ছিল। সেখানে কিন্তু এ-টীমের মেম্বাররা অরপি আর হোসেনভাই নাস্তিক সুশীলদের ভন্ডামী ধরায়া দিছিল। একইভাবে আইজুদা কিন্তু প্রকাশ্য না বললেও মোটামোটি নাস্তিকদের পক্ষেই ছিল। হট্টগোল, গন্ডুকে যদি এ-টীমের মেম্বার বলেন তারা আবার আমি, রাশুদা, মুকুলভাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। এরকম আরো অনেক উদাহরণ পাওয়া যাবে যেখানে এ-টীমের মেম্বাররা কোন ইউনিফায়েড পজিশনে ছিলনা। এখানে যা বলতে চাচ্ছি সেটা হচ্ছে এ-টীমের মেম্বাররা শুধুমাত্র ছাগু-তাড়ানিতে আর সুশীল-ভন্ডদের মুখোশ খোলাতে একসাথে থাকে। অন্য যেকোন বিষয়ে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভংগী আছে আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বভাবতই তাদের নিজেদের মধ্যেও দৃষ্টিভংগিগত পার্থক্য আছে। তাই এ-টীমের কোন নির্দিষ্ট মেম্বারের ব্যক্তিগত কার্যকলাপের জন্য সবাইকে দায়ী করাটা নিতান্তই বোকামী। তাছাড়া এ-টীম প্রথমদিকে কয়েকজন মেম্বারকে নিয়ে শুরু হলেও পরবর্তীতে যেকেউ যদি জামাতিছাগু আর সুশীলভন্ডদের বিরুদ্ধে বলে তাকেই এ-টীমের মেম্বার হিসেবে ধরে নেয়া হয়। সে হিসেবে আপনি নিজেও একজন এ-টীম সদস্য।


উল্লেখ্য আমি নিজে এ-টীমের কোন মেম্বার না। তবে এ-টীমের চেতনার সাথে সবসময়ই আছি। তবে ব্লগের প্রথমদিকে জামাতিদের লাফানো দেখেছি আর তাই জানি এ-টীম তখন কত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ-টীমের সদস্যদের সাথে আমার দহরম-মহরম সম্পর্কও নেই। তাদের কারো সাথেই আমার কোন ব্যক্তিগত যোগাযোগ নেই। বরং এ-টিমের অন্তত ১/২ জনের কাজকর্ম আমার ভাল লাগেনা। কিন্তু সম্পূর্ণ এ-টিমকে কোন ব্যক্তিগত ঝগড়ার জন্য দোষারোপ করাটা আমার মনে হয় বিরাট ভুল।


তবে পোস্টটা দেওয়াতে আপনাকে আমি ধন্যবাদ জানাব এজন্য যে এসব বিষয়গুলো সবার সামনে পরিষ্কার হওয়া উচিৎ। কিন্তু আপনি যদি মন্তব্য মডারেট করেন তাহলে তো সুস্থ তর্ক করাটাও সম্ভব না। আপনাকে যদি এ-টীমের কেউ গালিগালাজ করে তাহলে আপনার পোস্টের যৌক্তিকতাই তো প্রকাশ পাবে। তাই আপনাকে অনুরোধ করব মন্তব্য মডারেট না করার জন্য। মন্তব্য মডারেট করে তারাই যারা তাদের লেখা বা মতামত নিয়ে কনফিডেন্ট না। দ্বার বন্ধ করে ভ্রমটারে রুখলে সত্য ঢুকার তো জায়গা থাকবেনা


//
নরাধম ওরফে হ্যারি সেলডন ওরফে কুম্ভকর্ণ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28854817 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28854817 2008-10-15 02:31:32
কোরআনের সংরক্ষণ।-১
প্রথম পর্ব:
প্রথমেই সবাই জানে যে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর আমলেই প্রচুর সংখ্যক সাহাবী কুরআনে হাফিজ ছিলেন। (বিশ্বে আর কোন বইয়েরই কিন্তু এরকম ওয়ার্ড-বাই-ওয়ার্ড বা verbatim মুখস্তকারী পাওয়া যাবেনা। এটা একটা আশ্চর্য্যের বিষয়ই বটে। আমি এখানে আমার খ্রীস্টান এক বন্ধুকে যখন এটা বলেছি সে আশ্চর্য্য হয়ে গেছে।) মুহাম্মাদ (সাঃ) এর জামানায় কুরআনে হাফেজদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন জায়েদ ইবনে সাবিত, উবাই ইবনে কা'ব, মুআ'য ইবনে জাবাল, আবু যায়েদ প্রমুখ সাহাবা (রাঃ) (১)।

তাছাড়া হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) -এর আমলে যখন কোরআন নাজিল হত তখনই কয়েকজন সাহাবা সেটা লিখে রাখতেন নবী কারীম (সাঃ) এর ডিকটেশান থেকেই। এরকম সম্মানিত সাহাবা (রাঃ) দের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন জায়েদ ইবনে সাবিত(২), উবাইয়া ইবনে কা'ব, ইবনে মাসুদ, মুআ'বিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান, খালিদ ইবনে ওয়ালিদ, জুবায়ের ইবনে আওয়াম (রাঃ) প্রমুখ (৩)। এগুলো সাধারণত লেখা হত লেদার, পার্চমেন্ট ইত্যাদিতে(৪)।

অনেকেই নবম-দশম শ্রেণীতে ইসলাম শিক্ষায় হয়ত ইয়ামামার যুদ্ধের কথা পড়েছিলেন। সে যুদ্ধে বিপুল সংখ্যক কুরআনে হাফিজ শহীদ হন। তাতে কুরআনকে সম্পূর্ণভাবে লেখ্য আকারে সংরক্ষণ করা জরুরী হয়ে পড়ে। তখন হযরত আবু বকর সিদ্দিকী (রাঃ) এর শাসনামল ছিল। হযরত উমর (রাঃ) হযরত আবু বকর (রাঃ) কে অনুরোধ করেন যেন লিখিত ফর্মে কুরআন সংরক্ষণ করা হয়। হযরত আবু বকর (রাঃ) হযরত যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) কে প্রধান করে একটা কমিটি করেন যারা বিচ্ছিন্নভাবে ছড়ানোছিটানো সংরক্ষিত কুরআনের একটা অথরিটেটিভ কপি করবেন(৫)। এই কপিটাকে "মুশাফ"( loose sheets which bore the entire revelation on them) বলা হত। মুশাফটা যাতে কোনরকম ভুলভ্রান্তি না থাকে সেজন্য যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) এর কমিটি লেখা গ্রহণ করার জন্য দু'টা শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন(৬)।
i) শুধুমাত্র সেসব কপিই গ্রহণ করা হবে যা হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর উপস্থিতিতেই সংরক্ষণ করা হয়েছিল। (এবং)
ii) কমপক্ষে দুজন বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষী এই মর্মে ঘোষণা দিবেন যে তারা রাসুল (সাঃ) কে এই আয়াত আবৃত্তি করতে নিজের কানে শুনেছেন।

মুশাফটা যখন সম্পন্ন করা হয়েছে আর সাহাবা আকরাম (রাঃ) দের দ্বারা সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়েছে তখন তা হযরত আবু বকর (রাঃ) এর কাছে ছিল, তার মৃত্যুর পর হযরত উমর (রাঃ)-এর কাছে এবং তার মৃত্যুর পর উমর (রাঃ) এর কন্যা মুহাম্মাদ (সাঃ) এর বিধবা স্ত্রী হযরত হাফসা (রাঃ) এর কাছে ছিল(৭)।

কিন্তু আরবরা কোন হরকত বা যের-যবর বা স্বরবর্ণ ছাড়াই আরবী পড়ত যেহেতু এটা তাদের মাতৃভাষা ছিল। উল্লেখ্য এখনও শিক্ষিত আরবরা হরকত ছাড়া আরবী পড়তে পারে। হযরত ওমর (রাঃ)-এর আমলে ইসলাম ব্যাপক প্রসার লাভ করে। অনেক অনারবরাও ইসলামের আওতায় আসে। তাছাড়া ইংরেজীর মত উচ্চারণেও আরবের বিভিন্ন রিজিয়নের মধ্যে পার্থক্য ছিল। হযরত ওসমান (রাঃ) এর আমলে দেখা গেল দুরবর্তী এলাকার অনেকেই রাসুল (সাঃ) যেরকম উচ্চারণ শিখিয়েছিলেন সেরকম উচ্চারণ করতেছেনা। (এক্সেন্টের কথা বলা হচ্ছেনা, উচ্চারণের কথা বলা হচ্ছে) তাতে অনেক অর্থেরই বিকৃতি হয়ে যাচ্ছিল। হযরত ওসমান (রাঃ)
উচ্চারণে ইউনিফরমিটি আনার জন্য হযরত হাফসা (রাঃ)-এর নিকট সংরক্ষিত মুশাফ থেকে অনেক কপি করলেন। এই কাজে তিনি হযরত আবু বকর (রাঃ) এর আমলে মুশাফ কমিটির হেড যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) সহ আব্দুল্লাহ ইবনে জুবায়ের, সায়ীদ ইবনে আ'স, আব্দুর রহমান ইবনে হারিস প্রমুখ সাহাবা (রাঃ) কে দায়িত্ব দেন(৮)। আসল ম্যানুস্ক্রিপ্ট হাফসা (রাঃ) কে ফেরত দিয়ে তিনি বাকি কপিগুলো মেজর ইস্লামিক প্রভিন্সে পাঠান। তাছাড়া যাতে পরবর্তীতে কোন কনফিউশন তৈরী নাহয় সেজন্য তিনি অন্য সকল কপি পুড়িয়ে ফেলার আদেশ জারি করেন। উল্লেখ্য হযরত ওসমান (রাঃ) এর করা কপি এখনও উযবেকিস্তানের তাশকেন্ত মিউজিয়ামে আছে(৯)। UNESCO-র Memory of the World Program মতে "it is the definitive version, known as the Mushaf of Uthman."(১০)




চলবে......


রেফারেন্স:
১. Saheeh Al-Bukhari Vol.6, Hadith No.525
২. Jalal al-Din Suyuti, Al-Itqan fee ‘Uloom al-Quran, Beirut: Maktab al-Thiqaafiyya, 1973, Vol.1, p.41 & 99.
৩. Ibn Hajar al-’Asqalani, Al-Isabah fee Taymeez as-Sahabah, Beirut: Dar al-Fikr, 1978; Bayard Dodge, The Fihrist of al-Nadeem: A Tenth Century Survey of Muslim Culture, NY: Columbia University Press, 1970, p.53-63.
৪. Al-Harith al-Muhasabi, Kitab Fahm al-Sunan, cited in Suyuti, Al-Itqan fi ‘Uloom al-Quran, Vol.1, p.58.
৫. Saheeh Al-Bukhari Vol.6, Hadith Nos.201 & 509; Vol.9, Hadith No.301.
৬. Ibn Hajar al-’Asqalani, Fath al-Bari, Vol.9, p.10-11.
৭. Saheeh Al-Bukhari, Vol.6, Hadith No.201.
৮. Saheeh Al-Bukhari Vol.4, Hadith No.709; Vol.6, Hadith No.507
৯. Yusuf Ibrahim al-Nur, Ma’ al-Masaahif, Dubai: Dar al-Manar, 1st ed., 1993, p.117; Isma’il Makhdum, Tarikh al-Mushaf al-Uthmani fi Tashqand, Tashkent: Al-Idara al-Diniya, 1971, p.22ff.
১০. I. Mendelsohn, “The Columbia University Copy Of The Samarqand Kufic Quran”, The Moslem World, 1940, p. 357-358.
A. Jeffery & I. Mendelsohn, “The Orthography Of The Samarqand Quran Codex”, Journal Of The American Oriental Society, 1942, Volume 62, pp. 175-195.

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28849136 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28849136 2008-09-29 02:13:21
ওহে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা, এদিকে আইস!

খোমেনী ইহসান বলেছেন: দূর মিঞা। অরা ভুল করুক আর ঠিক করুক সবই ঠিক আছে। মাঝে মধ্যে এদিক-ওদিক হলেও আর্জেনটিনা বলে কথা। তাদের ভুলগুলো শিল্প, হারগুলো অন্যদের জন্য করুণা। বিজয় নির্মম প্রতিশোধ। আর্জেনটিনার সমর্থন অর্থ হচ্ছে নিরাপোষ, ঘাইগুই না করে, বিনা প্রশ্নে জিন্দেগী ভরে প্রেমে পড়ে থাকা। এর মধ্যে ভাই আর কোনও বিবেচনা আনবেন না, দোহাই।




এই খোমেনী সাহেব সব বলে দিয়েছেন। এক্কেরে জায়গা বরাবর কমেন্ট! আমি ঠিক বুঝিনা মানুষ কেমনে আর্জেন্টিনা সাপোর্ট করে। না পাওয়ার বেদনায় তো এদের অনেক আগেই আর্জেন্টনার খেতা পুরি বলে ব্রাজিলের দিকে ভিড় করা উচিৎ। মাঝে মাঝে অলিম্পিকে ভাল করে যেটা কেউ কোনদিন দেখেনা!! আমার মনে হয় আর্জেন্টিনা যেদিন ম্যারাডোনার প্রেতাত্মা থেকে মুক্তি পাবে সেদিন থেকে আবার বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ড থেকে কিছুটা এগোতে পারবে। হয়ত বিশ্বকাপ পেয়েও যাবে। এখন তো আর্জেন্টিনায় প্রত্যেক বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার প্রেতাত্মাদের ছড়াছড়ি। আগে ছিল ওর্তেগা, সে যে কোথায় গেল কেউ জানেনা। তারপর স্যাভিওলা, রিকুয়েমে আর কত ম্যারাডোনা আসল গেল। এবার ম্যাসি। (বানান ঠিক আছে?) ম্যাসিকে ম্যাসি হিসেবে থাকতে দিলে সমস্যা কি? ও তো জিনিয়াস প্লেয়ার। ওকে ম্যারাডোনা হতে হবে কেন? ব্রাজিলে তো রোনাল্ডো বা রোনাল্ডিনহো বা কাকা কাউকেই পেলে হতে দেখিনা। রবিনহোকে কেউ কেউ পেলে বানাতে চেয়েছিল যদিও সেটা আর্জেন্টাইনদের ম্যারাডোনা হতে চাওয়ার মত অত জোরালো না। রবিনহো রবিনহো না হয়ে পেলে হতে চাওয়াই মনে হয় এখন তেমন আর ঝিলিক দেখাতে পারেনা। জার্মানিতে কেউ বেকেনবাওয়ারের সাথে তুলনা দেয়না। ফ্রান্সে জিদানের মত খেলোয়ারকে প্লাতিনি বানানোর তোড়জোড় নেই। ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে কেউ ইউসেবিও বানতে চায়না। তাই তারা নিজের আলোয় উজ্জল। আর্জেন্টিনায় কোন প্রডিজিকেই তার নিজের নামে পরিচিত হওয়ার উপায় থাকেনা। সবাইকেই ম্যারাডোনা হতে হবে। তারপর কিছুদিন পর অকালে আর মানুষের প্রত্যাশা নিতে না পেরে ঝড়ে পড়তে হয়। ম্যারাডোনা একটা বিশ্বকাপ জিতিয়েছিল, কিন্তু এর পরের সব বিশ্বকাপেই আর্জেন্টিনার করুণ পরিণতির জন্য ম্যারাডোনার প্রেতাত্মাই দায়ী। ম্যারাডোনার ড্রাগ-এডিক্ট শরীরের সাথে আর্জেন্টিনার পারফরমেন্সের বড় বেশি মিল পাই। আর্জেন্টিনার সমর্থকদেরই উচিৎ ম্যারাডোনাকে খুন করা, যাতে তার প্রেতাত্মা থেকে আর্জেন্টিনার প্রডিজিরা মুক্তি পাই, আর আর্জেন্টিনাও মিনিংফুল টুর্নামেন্টে কোনদিন জয়ের মুখ দেখে। আর্জেন্টাইনরা স্টেফানো হতে চাইনা কেন? স্টেফানো তো যেকোন স্কেলে ম্যারাডোনার চেয়ে অনেক ভাল খেলোয়াড়, আমার মতে সে বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলার, এমনকি পেলের চেয়েও ভাল। ম্যারাডোনাকে বাদ দিয়ে স্টেফানোকে ধরতে হবে আর্জেন্টাইনদের, তাতেই ম্যারাডোনার প্রেতাত্মা হয়ত ক্ষমা করবে তাদের!



তবুও আর্জেন্টিনা জিতাতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের অভিনন্দন। হোকনা অলিম্পিকের মত কেউ না দেখা টুর্নামেন্ট, তবুও এরকম হঠাৎ হঠাৎ অগুরুত্বপূর্ণ সিরিজ জিতলেও সমর্থকরা আনন্দ করতে পারে। একটা জয়ের জন্য তাদের তো তীর্থের কাকের মত হাহাকার করতে হয়! আহা! বেচারারা, কি যে কষ্ট লাগে আমার তাদের জন্য। মাঝে মাঝে আমার ইচ্ছে হয় ব্রাজিল, জার্মানি, ইটালি এদের কাউকে বলি, কি দরকার তোদের এত জিতার? এবার না হয় আর্জেন্টাইনদের আশাটা পূরণ হতে দে! তাদের সমর্থকরা যে বড় বেশি কষ্টে আছে। তাদেরও কি ইচ্ছে করেনা বুঝি বিশ্বকাপ জিতার আনন্দ উপভোগ করতে?? তাদেরও কি গর্ব করে বলতে ইচ্ছে করেনা তারা কয়বার বিশ্বকাপ জিতেছে??



তবুও আর্জেন্টিনা অলিম্পিক জিতাতে তাদের সমর্থকদের অভিনন্দন।
আমি অবশ্য বলি, বাপের ব্যাটা হলে বিশ্বকাপে করে দেখাও!! মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্তই থাকবে নাকি সারা জীবন??বিশ্বকাপ নামে একটা জিনিস আছে সেটা এভাবে ভুলে গেলে চলবে??


//
হ্যারি সেলডন ওরফে নরাধম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28834583 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28834583 2008-08-25 04:04:50
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সমাচার।
আমি একাউন্টিং আর ফাইনান্সের ছাত্র। ফাইনান্স ইকনমিক্সের একটা পার্ট হওয়াতে আমি ইকনমিক্সের অনেক ধারণায় বিশ্বাস করি। তাই মনে করি ডিমান্ড আছে বলেই এত এত প্রাইভেটের সাপ্লাই আছে। সময়ের সাথে সাথে ভালগুলো থাকবে, খারাপগুলো চলে যাবে। তাই প্রাইভেটের কোয়ালিটি নিয়ে এত চিন্তিত আমি না। তবে ইকনমিক্সে ব্যাড মানি ড্রাইভস গুড মানি আউট অফ দ্যা মার্কেট নামেও একটা কথা চালু আছে। সেটা অবশ্য এক্ষেত্রে সত্য হওয়ার কোন কারণ নেই। এআইইউবি নামে একটা বিশ্ববিদ্যালয় আছে। বিশ্ববিদ্যালয়টা ভাল। ছাত্রদের কোয়ালিটিও ভাল। কিন্তু সেটা নাকি চালায় হাসান নামে একজন ব্যক্তি আর তার পরিবার। বাজারে প্রচলিত আছে ভিসি(বিদেশিনী)নাকি হাসান সাহেবের সাথে লিভ টুগেদার করে। কে কার সাথে লিভ টুগেদার করে সেটা বিবেচ্য না, তবে লিভ টুগেদার করার জন্যই ভিসি কিনা সেই প্রশ্ন অবশ্যই আসে। দেশে সাইফুর'সে জিমেট পড়ানোর সুবিধার্তে প্রাইভেটের প্রচুর শিক্ষকদের সাথে পরিচয় হয়েছিল। আমার কাছে বেশিরভাগ শিক্ষককে ঢাবি'র পলিটিকালি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের থেকে ভাল মনে হয়েছে। কিন্তু কোন এক ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশ্ববিদ্যালয় হলে সেখানে করাপশান হতে বাধ্য। এবসলিউট পাওয়ার করাপ্টস এবসলিউটলি। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে প্রাইভেটগুলোর ছাত্রদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে টাকার পাহাড় গড়লেও তাদের ইনকাম ট্যাক্স-ফ্রি। এর সুবিধা নিয়ে লোকজন ব্যবসা করা শুরু করেছে। নর্থ-সাউথের ইনকাম শুনলে টাসকি লেগে যায় অথচ এরা ১৮ বছর ধরে পার্মানেন্ট কোন ক্যাম্পাস করতে পারেনি। বৃষ্টির সময় বিল্ডিংয়ের সামনে যে পানি জমে যায় সেটার পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা করেনি। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় হইল সেই জায়গা যেখানে "বিশ্বের" সকল "বিদ্যার" "লয়" ঘটিয়াছে। প্রাইভেটগুলো দেখলে সেটা চরম সত্য মনে হয়।

তবে আমার সবসময় যেটা আশ্চর্য্য লাগে সেটা হল প্রাইভেটগুলোর নাম। উত্তর-দক্ষিণ কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম হয়? ব্রিটেনে আর এমেরিকায় বেশির-ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম স্থান বা ব্যক্তির নামানুসারে। বাংলাদেশের পাবলিকগুলো সহ অন্যান্য দেশেও তাই। কিন্তু প্রাইভেটগুলোর এরকম বিতিকিচ্ছিরি নাম দেওয়ার কারণ কি? উত্তর-দক্ষিণ দিয়ে কি বুঝানো হচ্ছে? পূর্ব-পশ্চিমরা দাবি করে তারা নাকি আসলে উত্তর-দক্ষিণ থেকে আগের। কোন এক সরকারি ঝামেলায় পড়ে পরে স্থাপিত হয়েছে। কিন্তু পূর্ব-পশ্চিম নাম নেওয়ার কারণ কি? এটার মানে কি? নর্দান-সাউদার্ণ আরো কত কি আছে। নর্দান শুনলে আমার নর্দমার কথা মনে চলে আসে। আইইউবি অবশ্য ভালই নাম বলা যায়। অন্তত একটা অর্থ আছে। তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যায় তারা মানুষকে(মনকে) স্বাধীন করবে। বা অন্য কিছু হবে। কিন্তু এমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল দিয়ে কি বুঝাচ্ছে? ইন্টারন্যাশনাল লাগানোর মাজেঝা কি? ডেফডিল নামেও একটা আছে। ডেফডিল একটা ওয়েস্টার্ণ ফুলের নাম আমি যদ্দুর জানি। ফুলের নামেই যদি বিশ্ববিদ্যালয় দিতে হয় তাহলে শাপলা বা গোলাপ তো আমাদের দেশীয় ফুল। সেগুলোর নামে দিল না কেন? সবচেয়ে টাসকি লাগার মত নাম হল স্ট্যাম্ফরড। নাম শুনলেই মনে হয় বিশ্ববিখ্যাত স্ট্যানফরডের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু না, ওখানে "এন" না, লিখা আছে "এম"। স্ট্যাম্ফরড মানেটা কি? কেউ কি জানেন? এরকম নাম দেওয়ার মাহাত্ম কি?

কথায় বলে নামে কিবা আসে যায়। কিন্তু আমার এক চাচাত ভাইয়ের নাম "বকালা" হওয়াতে সে চরম মনোবেদনায় ভুগে। তার আসল নাম মুমিন। সে সবাইকেই মুমিন নামটাই বলে। কিন্তু দুষ্ট বালকেরা মাঝে মাঝেই তাকে বকালা বলে ডাকে। নামে কিছু না যায় আসলেও যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেওয়া হচ্ছে তখন সেটার একটা অর্থ থাকা উচিৎ না? যাতে ছাত্রদেরকে কেউ জিজ্ঙেস করলে অন্তত বলতে পারে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের অর্থ কি। বিশেষ করে উত্তর-দক্ষিণ বা পূর্ব-পশ্চিমের মত দিকগুলো নিয়ে টানাটানি করার হেতু কি সেটা আমার মাথায় ঢুকেনা। দশ-দিকের কম্বিনেশান নিয়ে যত বিশ্ববিদ্যালয় আছে তাদের ছাত্রদের উচিৎ কতৃপক্ষকে জিজ্ঙেস করা নাম পরিবর্তন করে ভাল অর্থপূর্ণ নাম রাখার জন্য।


//
নরাধম
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28834206 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28834206 2008-08-24 04:00:01
যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। বর্তমান ঠিকানায় মন্তব্য করবেন। ধন্যবাদ।


আগের পোস্টে জিমেট নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। এবার জিআরই নিয়ে আলোচনা করা যাক। জিমেট না জিআরই দিতে হবে সেটা আগের পোস্টেই বলেছি।


জিআরই।

GRE মানে Graduate Record Examination। এটা ETS(Educational Testing Service) administer করে। জিমেট এডমিনিস্টার করে পিয়ারসন ভিউ। আগেই বলেছি জিআরই জিমেট থেকে ইজি। বিশেষ করে ম্যাথ পার্টটা পান্তাভাত! জিআরই তে টোটাল স্কোর ১৬০০। ম্যাথ বা কোয়ান্টিটেটিভ ৮০০ আর ভারবাল বা ইংলিশ ৮০০। জিআরই আর জিমেটের মধ্যে অনেকাংশেই মিল রয়েছে।
জিআরই পরীক্ষা হয় প্রমেট্রিক সেন্টারে। কমবেশি ৩.৫ ঘন্টার পরীক্ষা। জিমেটের মত এটিও কম্পিউটার এডাপ্টিভ। ম্যাথ আর ভারবাল ছাড়াও আরো একটা সেকশান রয়েছে যেটাকে এনালিটিকাল রাইটিং এসেসমেন্ট বা জিমেটের মত সংক্ষেপে Essay বলা হয়। এই স্কোরটা আপনার ১৬০০ স্কোরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত না। রেজিস্ট্রেশান করতে হবে অনলাইনে ইটিএসের ওয়েবসাইটে। যুক্তরাষ্ট্রে টেস্ট ফি ১৪০ ডলার তবে দেশে ১৭০ ডলার। উল্লেখ্য জিমেট, জিআরই, টোফেল যেকোন পরীক্ষার জন্যই পাসপোর্ট লাগবে আর রেজিস্ট্রেশানের সময় খুব খেয়াল রাখতে হবে যেন পাসপোর্টের নামের বানান আর রেজিস্ট্রেশানের নামের বানান একই হয়। নাহলে পরীক্ষা দিতে দিবেনা। বার্থডেটাও একই হতে হবে।

জিআরই সেকশান কি কি থাকে।

জিআরই তে তিনটা সেকশান নিয়ে কিছু কথা বললাম।

১। Essay: জিমেট আর জিআরই রচনা একই রকম হয়। দুটাতেই আপনাকে দুটা রচনা লিখতে হবে। একটা এনালিসিস অফ ইস্যু আরেকটা এনালিসিস অফ আর্গুমেন্ট। তবে জিমেটে যেখানে দুটার জন্যই ৩০ মিনিট করে সময় থাকে সেখানে জিআরই তে ইস্যুর জন্য ৪৫ মিনিট আর আর্গুমেন্টের জন্য ৩০ মিনিট সময় থাকে। জিআরই-র রচনাগুলো আপনি যদি সায়েন্স পড়তে চান তাহলে খুব গুরুত্বপূর্ণ না, তবে আর্টস, হিউমেনিটিজ পড়তে চাইলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মোটামোটি ৪-এর উপরে পেলেই চলবে ৬-এর মধ্যে। জিমেটে যেভাবে টেম্প্লেট এপ্রোচের কথা বলেছিলাম জিআরই তেই একইভাবে টেম্প্লেট এপ্রোচ ব্যবহার করে ভাল করা যাবে। তার জন্য সাইফুর'স জিমেট/জিআরই Essay বইটা দেখুন। পরীক্ষা প্রথমে শুরু হয় রচনা দিয়ে। রচনাগুলো লেখার পর ১০ মিনিটের ব্রেক আছে।

২। ম্যাথ বা কোয়ান্টিটেটিভ:
আপনার পরীক্ষার ২য় সেকশানটা ম্যাথ বা ভারবাল যেকোনটাই হতে পারে। ম্যাথ স্কোর টোটাল ৮০০। বাংলাদেশের ছেলেদের জন্য ৮০০ তে ৮০০ পাওয়া খুবই কমন। এখানে জিমেটের মতই হাইস্কুল লেভেলের এরিথমেটিক, এলজেব্রা, জিওমেট্রি, ওয়ার্ড প্রবলেম এসব আসে। মোট ২৮টা প্রশ্নের ৪৫ মিনিট সময় থাকবে। তিন ধরণের প্রশ্ন থাকে। প্রবলেম সলভিং, কোয়ান্টিটেটিভ কমপেরিসন আর ডাটা ইন্টারপ্রিটেশান। প্রবলেম সলভিং জিমেটের মতই, আরেকটু হয়ত ইজি। কোয়ান্টিটেটিভ কমপেরিসনে দুইটা এক্সপ্রেশান থাকবে, যেগুলোর মধ্যে কোনটা বড়, কোনটা ছোট বা সমান এসব বের করতে হয়। কয়েক সপ্তাহ প্র্যাকটিস করলে এটা সবচেয়ে সহজ হয়ে যায়। যারা আন্ডারগ্র‌্যাডে স্ট্যটিসটিকস নিয়েছেন তাদের জন্য ডাটা ইন্টারপ্রেটেশন ডালভাত। না নিলেও ক্ষতি নেই। এখানে সাধারণত পাইচার্ট, বার-ডায়াগ্রাম এসবের উপর ভিত্তি করে কিছু প্রশ্ন থাকে। বলা যায় এটা সবচেয়ে সহজ পার্ট যদি আপনি নার্ভাস না হয়ে যান। কম্পিউটার এডাপ্টিভ হওয়াতেপ্রথম ৮/১০ টা প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেগুলোর জন্য একটু বেশি সময় দিতে হবে। ইদানিংকালে এভারেজ, মিডিয়ান, স্ট্যান্ডারড ডিভিয়েশান, প্রবাবিলিটি এসবের উপর প্রশ্ন আসতেছে। এদিকে একটু নজর দিতে হবে। ম্যাথ কিভাবে পড়বেন সেটা প্রেপ সেকশান বলব।

৩।ভারবাল:
জিআরই-র ভারবাল কঠিন। এতে কোন সন্দেহ নেই। জিআরই-র ভারবাল স্কোর ডিপেন্ড করে আপনি ভোকাবুলারিতে কিরকম সেটার উপর। ভাগ্যের ব্যাপার হচ্ছে সায়েন্সের প্রোগ্রামগুলোতে ভারবাল স্কোরটা খুব বেশি গুরুত্ব বহন করেনা। মোটামোটি ভারবালে ৮০০-র মধ্যে ৫০০-৫৫০ পেলেই ভাল প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া যায়। তবে হিউমেনিটিজ বা আর্টেসের সাবজেক্টগুলো্তে ভারবাল গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের অন্তত ৬০০+ পাওয়া উচিৎ স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য। যাদের ইংলিশ স্কিলস ভাল না তারা কিভাবে ভাল করবেন সেটা জিমেটের পোস্টে বলেছি। তাই ইংলিশ ভাল করার জন্য ৫/৬ মাস কষ্ট করুন যেভাবে বলেছি সেভাবেই। ভারবালে মোট ৩০টা প্রশ্ন থাকে, সময় থাকে ৩০ মিনিট। উল্লেখ্য ম্যাথ এবং ভারবালের মধ্যে কোন ব্রেক নেই (জিমেটে আছে)। ভারবালে ৪ ধরণের প্রশ্ন থাকে। সেন্টেন্স কম্পলিশান, এন্টনিমস, এনালজি, রিডিং কম্পরিহেনশান। চারটার মধ্যে তিনটাই সরাসরি আপনার ভোকাবুলারী স্কিলসের উপর ডিপেন্ড করে। তাই ভোকাবুলারীটা জিআরই-র ভারবালের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেন্টেন্স কম্প্লেশান হচ্ছে আমরা ছোটকাল থেকে যে শুণ্যস্থান পূরণ করতাম সেই একই জিনিস, শুধু ইংরেজীতে। তবে বেশিরভাগ প্রশ্নে দুটা শুণ্যস্থান থাকে। এনটনিমস আর এনালজি পুরোপুরি ভোকাবুলারির উপর ডিপেন্ড করে। রিডিং কম্প্রিহেনশান নিয়ে যারাই জিআরই পরীক্ষা দেয় তাদেরই খুব চিন্তিত দেখা যায়। তবে জিমেটের রিডিং কমপ্রিহেনশানের চেয়ে জিআরই-র কম্প্রিহেনশান অনেকটাই সহজ। কিভাবে পড়বেন সেটা বিস্তারিত বলতেছি।


কিভাবে প্রস্তুতি নেবেন।
যেসব ম্যাটেরিয়েলস লাগবে:
১। কাপলান জিআরই/জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক।
২। ব্যারন্‌স জিআরই।
৩। জিআরই বিগবুক।
৪। পাওয়ারপ্রেপ সফটওয়্যার।
৫। পার্টিসিপেশান ইন টেস্টমেজিক ফোরাম।
৬। সাইফুর'স GRE/GMAT Essays.
৭। ওয়ার্ড পাওয়ার মেড ইজি/ ওয়ার্ড স্মার্ট।

প্রথম তিনটা বই নীলক্ষেতে পাওয়া যায়। শেষের দুটাও। বিগবুকের সফট কপি এস্নিপসেও পাওয়া যায়। পাওয়ারপ্রেপ জিআরই-র অফিসিয়াল ইটিএস ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে হবে। টেস্টমেজিক ফোরামের এড্রেস হল http://www.urch.com/forums/gre/ ফোরামে পার্টিসিপেট করলে আপনার পড়ালেখার আগ্রহ বাড়বে আর অনেক নতুন টেকনিক শিখতে পারবেন যা আপনাকে অনেক সাহায্য করবে।

জিআরই প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় চ্যালেন্জ হল ওয়ার্ড শিখা। প্রথমে হল ওয়ার্ড কোনগুলো বা কোথ্থেকে শিখবেন। ডিকশনারীর সব শব্দ মুখস্ত করা সম্ভব নয়, দরকারও নেই। আপনার যদি আগে থেকেই ওয়ার্ড স্মার্ট বা
ওয়ার্ড পাওয়ার মেইড ইজি পড়া থাকে তাহলে অনেক এগিয়ে আছেন। না থাকলেও সমস্যা নেই। আপনার এখন সবচেয়ে বেশি লাগবে হচ্ছে জিআরই-তে ভাল করার অদম্য ইচ্ছা যেটা আপনাকে ওয়ার্ড শিখার জন্য ড্রাইভ করবে। এজন্য আপনি ফোরামে যে ডিব্রিফিংগুলো লেখা হয় সেগুলো নিয়মিত পড়বেন, তাহলে আপনার পড়ালেখারআগ্রহ বাড়বে। তবে সারাদিন ফোরামে বসে থাকলেও খুব ক্ষতি হবে, পড়ালেখা হবেনা। প্রতিদিন ১ ঘন্টা বা ৪৫ মিনিট সময় ফোরামে দেওয়া যায়।

ওয়ার্ড শেখা:

আমি আগেই বলেছি জিআরই-তে ভাল করার জন্য ওয়ার্ড শেখাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যারনসের বইয়ে ৩৫০০টা শব্দ আছে। এই শব্দগুলো আপনাকে জানতেই হবে। এগুলো না জানলে আপনি কোনমতেই পরীক্ষায় ভাল করবেননা। তার আগে আপনি ওয়ার্ড-পাওয়ার মেইড ইজিটা পড়ুন। সেটা পড়ে শেষ করতে যে কোন এভারেজ ছাত্রের ১৫ দিন মত লাগার কথা যদি প্রতিদিন ২/৩ ঘন্টা সময় দেন। এর পরেই আপনার শুরু হবে ব্যারনসের ওয়ার্ড শিখার পালা। এটা আপনার প্রেপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। ৫০টা ওয়ার্ড লিস্টের মধ্যে ৩৫০০ ওয়ার্ডের ১০০০ থেকে ১৫০০ ওয়ার্ড আপনার জানা থাকার কথা। না জানা থাকলেও কোন সমস্যা নেই। এই ওয়ার্ড লিস্টগুলো আপনাকে ২ মাসে সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। এজন্য আপনাকে ফ্ল্যাশকার্ড বানাতে হবে। যাতে আপনি সবসময়ই আপনার সাথে কয়েকটা ফ্ল্যাশ কার্ড রাখতে পারেন এবং ১ মিনিট সময় পেলেও একটু চোখ বুলাতে পারেন। ওয়ার্ড শিখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হল রিভিউ করা। আপনি প্রতিদিন যতসময় নতুন ওয়ার্ড শিখার জন্য দিবেন অন্তত ততটুকু সময় পূর্বের শিখা ওয়ার্ড রিভিউ করার জন্য দিতে হবে। নাহয় কোনদিনই আপনি মনে রাখতে পারবেননা। তাছাড়া এই ওয়ার্ডগুলো যাতে কনটেক্স্ টে পান সে ব্যবস্থা করতে হবে। ইউসেজ না জেনে শুধু শুধু গাদাগাদা ওয়ার্ড শিখে কোন লাভ নেই। এজন্য নিয়মিত ইংরেজী পত্রিকা, জার্নাল, ম্যাগাজিন পড়তে হবে। সেখানে আপনি যখন শিখা ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাবেন তখন আর কোনদিন শব্দগুলো ভুলবেননা। আপনি যদি মুসলিম হন তবে এই ওয়ার্ডগুলো কনটেক্সটে পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ইংরেজীতে কোরআনের আল্লামা ইউসুফের তরজমাটা নিয়মিত পড়া। (মওদুদীরটা পড়বেননা। ভুলভাল আছে।) এখানে জিআরই অলমোস্ট ৯০-১০০% শব্দগুলোই এসেছে। জিআরই-র ওয়ার্ডগুলো সবগুলোই একসাথে কনটেক্সটে থাকার অন্য কোন সোর্স আমার জানা নেই, থাকার কথাও না। এডিশনালি, আপনি ফাযায়েলে আ'মাল বইয়ের ইংরেজী ভারশানও পড়তে পারেন। অন্য ধর্মের হলে আপনি টাইম, নিউজউইক, ইকনমিস্ট, রিডার'স ডাইজেস্ট পড়তে পারেন। নীলক্ষেতে এসবের পুরাতন কপি বিক্রি হয়, এককপি মনে হয় ১০টাকা নেই। এভাবে রিলিজিয়াসলি ওয়ার্ড শিখলে সেটা শুধু জিআরই-র জন্যই নয়, আপনার সারা জীবনে আপনাকে অনেক উপরে নিয়ে যাবে। তাছাড়া শুধু ব্যারনসের ওয়ার্ডগুলো শিখতে পারলে আর মনে রাখতে পারলে আপনি ভারবালে ৬৫০+ পাওয়া গ্যারন্টিড। আর জিআরই-তে ১৪০০-র বেশি পেলেই আপনি যুক্তরাষ্ট্রের ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফান্ডিংসহ পড়াটা বলা যায় একেবারে হাতের কাছেই।

রিডিং কম্প্রিহেনশান:
জিআরই-র রিডিং কম্প্রিহেনশান নিয়ে সবাই ভুগে। সময় কম হওয়াতে আর পেসেজগুলো বোরিং হওয়াতেই সমস্যা। তবে জিআরই-র বিগবুকে এক্সপ্ল্যানেশান না থাকাটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। এজন্য আপনাকে যা করতে হবে সেটা হল জিমেটের অফিসিয়াল গাইডটা কিনতে হবে। সেখানে প্রায় ৩০-৩৫টা রিডিং কম্প্রিহেনশান বিস্তারিত এক্সপ্লানেশান দেওয়া আছে। সেগুলো আপনাকে প্রথমবার কোন টাইমিং ছাড়া করতে হবে। তারপর ব্যাখ্যা বিস্তারিত পড়তে হবে। পরে আবার টাইমিংসহ করতএ হবে। এগুলো জিআরই-র পেসেজ থেকে টাফার এবং ইটিএসেরও বানানো। তাই এগুলো ভালমতে করলে জিআরই-র কম্প্রিহেনশান ডালভাত হয়ে যাবে।

ওয়ার্ড শেখা আর জিমেটের রিডিং কম্প্রিহেনশান করার জন্য আপনার ২-২.৫ মাস সময় লাগবে। এরই ফাকে ফাকে কিন্তু আপনাকে ফোরামে পার্টিসিপেট করতে হবে। আর ব্যারনসের বইটা প্রথম থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ করতে হবে। ম্যাথের জন্য কাপলানের জিআরই/জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক করতে হবে। এতে আপনার অন্যান্য সেকশানগুলোও ক্রমান্বয়ে হয়ে যাবে। রচনার জন্য টাইপিং স্পিড ভাল করতে হবে। সাইফুর'সের বইটা ফলো করবেন। ২.৫ মাস হয়ে যাওয়ার পর এখন আপনার আর ১ মাস লাগার কথা ভালমতে প্রেপ নেওয়ার জন্য। এসময়ে আপনি প্রথমে শুরুতে পাওয়ারপ্রেপ টেস্ট-১ দিবেন। দিয়ে আপনার বিস্তারিত স্কোর ডেটসহ কয়টা ভুল হয়েছে, কোন কোন প্রবলেম ভুল হয়েছে এসব লিখে রাখবেন। এরপরে বিগবুক শুরু করবেন। বিগবুকে মোট ২৭টা টেস্ট আছে। সেগুলো টাইমড কন্ডিশনে সল্ভ করতে হবে। তারপর ভুলগুলো কেন হয়েছে সেটা বুঝতে হবে। কোন প্রশ্ন না বুঝলে ফোরমে পোস্ট করতে হবে। বিগবুক হচ্ছে জিআরই-র বাইবেল। বিগবুক যদি ভালমতে করেন তাহলে আসল জিআরই আপনার জন্য ইজি হয়ে যাবে। প্রতিদিন ২টা করে টেস্ট করবেন। ১৪ দিনে শেষ হবে। এরপরে আপনি পাওয়ারপ্রেপ-২ দিবেন। দেখবেন আপনার স্কোর অনেক ইমপ্রোভ করেছে। এই টেস্টে আপনি যা পাবেন আসল পরীক্ষায়ই আপনি তার কাছাকাছিই পাবেন। পাওয়ারপ্রেপ ১ আর ২ দেয়া হয়ে যাওয়ার পর আনইনস্টল করে, ডিলিট করে রিইনস্টল করুন এবং আরেকবার দুটাই দেন। পরীক্ষার আগ পর্যন্ত আপনার ভুলগুলো ভালমতে এক্সপ্লানেশান পড়তে হবে, স্ট্র‌্যাটেজি ঠিক করতে হবে। ইনশাআল্লাহ এভাবে পড়লে আপনি জিআরই তে ১৪০০-র উপরে পাবেন।


আসলে জিআরই/জিমেটের স্ট্র‌্যাটেজি, প্রেপ এসব নিয়ে লিখতে গেলে অনেক লিখতে হয়। আমার সময় নেই ভাই। আপনাদের প্রেপের সময় অনেক প্রশ্ন মনে উদয় হবে। সেগুলো এখানে পোস্ট করলে আমি জবাব দেবার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।


পরের পোস্টে ইউনিভার্সিটি কিভাবে সার্চ করবনে, স্কলারশিপ কিভাবে ট্রাই করবেন, এডমিশান, ভিসা, রেকমেন্ডেশান, ইন্টারভিউ ইত্যাদি নিয়ে
লিখার ইচ্ছে আছে। আলসেমীর জন্য লিখতে ইচ্ছে হয়না। তাছাড়া ব্যাপক ব্যস্ত আছি।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28831692 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28831692 2008-08-17 01:36:02
যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। বর্তমান ঠিকানায় মন্তব্য করবেন। ধন্যবাদ।

////////////////////////////////////////////////

আমি দেখেছি দেশে পোলাপাইন যুক্তরাষ্ট্রে আসতে তেমনভাবে আসতে না পারার কারন তথ্যের অভাব। মাস্টার্স শেষ হয়ে যাওয়ার পর পোলাপাইন বাইরে যাওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করে। অথচ থার্ড-ইয়ার থেকে চিন্তাভাবনা করা দরকার। যুক্তরাষ্ট্রে ভাল স্কলারশিপ পাওয়ার সবচেয়ে বড় শর্ত জিমেট/জিআরই। আমাদের পোলাপাইন জিমেট/জিআরই'র কথা শুনলেই ভয় পাইয়া যায়। এখানেই সমস্যা। জিমেট/জিআরই ৩/৪ মাস ভালমত প্রেপ নিলে খুব ভাল করা যায়, আর ভাল একটা স্কোর আপনাকে ফান্ডিংয়ের পাওয়ার জন্য খুবই হেল্পফুল। জিমেট/জিআরইতে ভাল করলে ধরে নেওয়া যায় আপনার ফান্ডিংয়ের কাজ ৮০% ডান। আজকের পোস্টে জিমেট নিয়ে আলোচনা করব। পরেরগুলোতে জিআরই, বিশ্ববিদ্যালয় সন্ধান, কন্টাক্ট আর এসওপি, রেকমেন্ডেশান, এপ্লিক্যাশান, ভিসা, ইন্টারভ্যু এসব নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে আছে।

জিমেট নাকি জিআরই?

প্রথমে আপনাকে চুজ করতে হবে কোন পরীক্ষাটা আপনার দেয়া দরকার। জিমেট নাকি জিআরই? আপনি যদি এমবিএ, বিজনেসে মাস্টার্স অথবা পিএইচডি করতে চান তাহলে জিমেট। অন্য সবকিছুর জন্য জিআরই দিতে হয়। তবে মাস্টার্স ইন ফাইন্যান্স, ম্যাথেমেটিক্যাল ফাইন্যান্স, পিএইচডি ইন ফাইন্যান্সেও ৯৫% ইউনি জিআরই প্রেফার করে। অনেক সাবজেক্টের জন্য জিআরই অথবা জিমেট যেকোন একটা দিলেই চলে। আপনার কোন নির্দিষ্ট ইউনিতে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলে সে ইউনির ওয়েবসাইটে গিয়ে খোঁজ নেন আপনাকে কোনটা দিতে হবে। যদি জিআরই অথবা জিমেট যেকোন একটা এক্সেপ্ট করে তবে জিআরই দেওয়াই ভাল। কারন জিআরই জিমেট থেকে আমাদের জন্য ইজি হবে।

প্রথমে জিমেট নিয়ে কথা বলা যাক।

GMAT মানে Graduate Management Admission Test। ম্যানেজমেন্ট শব্দটা দিয়ে বুঝতে পারতেছেন যে এটা বিজনেস পড়ার জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের সব এমবিএ'র জন্যই এটা লাগে। তবে সম্প্রতি কিছু কিছু স্কুল যেমন স্ট্যানফর্ড, এমআইটি জিআরই এক্সেপ্ট করা শুরু করেছে। জিমেটের টোটাল স্কোর ৮০০। মোটামোটি ইংরেজী জানা থাকলে আর ভোকাবুলারী স্কিলস ভাল হলে আমাদের দেশের বুয়েট বা ঢাবি বা অন্যান্য পাবলিক ইউনি এবং ভাল প্রাইভেট ইউনির পোলাপাইন তিন/চার মাস প্রেপ নিলে ৮০০-র মধ্যে ৬০০-৭০০ তুলতে পারবে। আমার পরিচিত অনেকে আরো অনেক ভাল করেছে। ৭০০-র উপরে পাওয়া দেশের কয়েক জনের সাথে আমার পরিচয় আছে। একজন ৮০০-র মধ্যে ৭৭০ আরেকজন ৭৪০ পেয়েছে আমার নিজের পরিচিত। আমি নিজে দেশে ১.৫ বছর আর এখানে গত ৫/৬ মাস জিমেট পড়িয়েছি। তাই সেই অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি জিমেট শুনলে অনেকের রক্তে যে ভয়ের সন্ঞার হয় সেটার কোন ভিত্তি নেই। আপনি ভাল প্রেপ নিলে, ভাল ম্যাটেরিয়েলস থেকে পড়ালেখা করলে তাহলে ভাল করবেনই। জিমেটের ফি ২৫০ ডলার। পরীক্ষা হয় এআইইউবি বনানী'তে। পরীক্ষার সময় কমবেশী ৪ ঘন্টা। জিমেটে তিনটা সেকশান থাকে।

১। এনালিটিক্যাল রাইটিং এসেসমেন্ট অথবা আমরা যেটাকে Essay বলি সেটা। এই রাইটিং পার্টটা প্রেডিক্টেবল ফরমেটে থাকে বলে উত্তর করা সহজ। দুইটা রচনা লিখতে হবে, প্রত্যেকটার জন্য ৩০ মিনিট সময়। স্কোর হচ্ছে ৬। ৪ পেলেই হয়ে যায়। আর ৪ পাওয়া খুব ইজি। টেমপ্লেট এপ্রোচ নামে একটা পদ্ধতি আছে যেটা ইউজ করলে যে কেউ ৩/৪ ঘন্টা প্র্যাকটিস করলে ৫ পাওয়া একদম সহজ। তবে জিমেটের রাইটিং পার্টটা একদমই গুরুত্ব বহন করেনা। এই ৬ স্কোরটা আপনার আসল ৮০০ স্কোরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। এটা সেপারেটলি আসে।

২। কোয়ান্টিটেটিভ বা ম্যাথ পার্ট। বাংলাদেশের বেশিরভাগ লোকের জন্য ম্যাথ পার্টটা মোটামোটি সোজা। অন্তত ইংলিশ(ভারবাল) থেকে অনেক ইজি। এখানে হাই লেভেলের কোন ম্যাথ আসেনা। এরিথমেটিক, এলজেব্রা, জিয়মেট্রি থাকে। সবই ক্লাশ নাইন-টেন লেভেলের। দেশে ভাল প্র্যাকটিস ম্যাটেরিয়েল পাওয়া যায়। ম্যাথের স্কেইলড স্কোর ৫১। সাধারনত ২/৩ টার কম ভুল হলে ৫১ তে ৫১ পাওয়া যায়। ৪৫+ হলেই ভাল স্কোর ধরা হয়। কিভাবে প্রেপ নিবেন সেটা আমি একটু পরেই লিখব। এখানে দু'ধরণের প্রশ্ন থাকে। প্রবলেম সলভিং আর ডাটা সাফিসিয়েন্সি। প্রবলেম সলভিং আমাদের ট্র্যাডিশনাল অংকের মত। এমসিকিউ প্রশ্ন হবে। যারা আইবিএ-তে বিবিএ বা এমবিএ'র ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছেন তারা যেরকম প্রশ্ন পেয়েছেন এখানেও সেরকম, তবে একটু কঠিন। ডাটা সাফিসিয়েন্সি একই কনসেপ্ট পরীক্ষা করলেও প্রশ্নের ধরনটা ভিন্ন। তবে ডাটা সাফিসিয়েন্সি প্রবলেম সলভিং থেকে সহজতর।

৩। ভারবাল বা ইংলিশ। ইংলিশ পার্টে তিন ধরণের প্রশ্ন হয়। সেনটেন্স কারেকশান, রিডিং কমপ্রিহেনশান আর ক্রিটিক্যাল রিজনিং। সেনটেন্স কারেকশান আপনার গ্রামার স্কিলস পরীক্ষা করে। গ্রামার শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই গ্রামার সেই গ্রামার না! এই গ্রামারে ভয়েস, ন্যারেশান, টেন্স ওসব থাকেনা। মোটামোটি ৭/৮ ক্যাটাগরির ভুল থাকে সেগুলো আইডেন্টিফাই করতে পারলেই হয়। এর জন্য খুব ভাল বই পাওয়া যায় যেগুলো পড়লে সেনটেন্স কারেকশান ইজি হয়ে যায়। ক্রিটিক্যাল রিজনিং আপনার কমন সেন্স পরীক্ষা করবে। একটা আর্গুমেন্ট থাকবে যেটাকে স্ট্র্যাংথ্যান, উইকেন এসব করতে হয়। এটা মোটামোটি ইজি পার্ট। কিছুদিন প্র্যাকটিস করলে প্যাটার্ণটা ধরা যায়। রিডিং কম্প্রিহেনশান চিরাচরিত নিয়মের। একটা প্যাসেজ থাকবে যেটার উপর ভিত্তি করে আপনাকে ৩/৪টা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এটার জন্য ভাল ইংলিশ স্কিলস দরকার।

ম্যাথের জন্য সময় ৭৫ মিনিট আর প্রশ্নসংখ্যা ৩৭টা। ভারবালের প্রশ্ন ৪১ আর সময় একই। তিনটা সেকশানের মাঝখানে দুবার ১০ মিনিটের অপশনাল বিরতি থাকে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার সংগে সংগেই স্কোর পাওয়া যাবে। রাইটিং স্কোর পরে দেওয়া হয়। পরীক্ষা হয় কম্পিউটারে। এটাকে বলে CAT (Computer Adaptive Test)। এতে সবাই একই প্রশ্ন পাবেনা। ভিন্ন ভিন্ন লোক ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্ন পাবে এমনকি একই সময়ে পরীক্ষা দিলেও। আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর সঠিক না ভুল এর উপর নির্ভর করে পরের প্রশ্ন পাবেন। আবার ২য় প্রশ্নের উপর ডিপেন্ড করবে ৩য় প্রশ্ন। এভাবেই চলবে....।

কিভাবে প্রেপ নিবেন।

আপনাকে আগে জানতে হবে আপনার ইংলিশ স্কিলস কেমন। যদি ভাল না হয় তাহলে জিমেটে ভাল করা সম্ভব না। যদি ইংলিশ স্কিলস ভাল না হয় তাহলে ৬ মাস প্রথমে ইংলিশ স্কিলস ভাল করতে হবে। এজন্য আপনি ওয়ার্ড পাওয়ার মেইড ইজি বা ওয়ার্ড স্মার্ট বইগুলো পড়ে ভাল ভোকাবুলারি আয়ত্বে আনতে হবে। সাথে সাথে ইংলিশ ফিকশান, নিউজপেপার, ম্যাগাজিন, জার্নাল এসব পড়তে হবে। যেকেউ যদি ৪-৬ মাস এভাবে সিস্টেমেটিক্যালি চেষ্টা করে তাহলে খুব ভাল ইংলিশ স্কিলস আয়ত্বে আনতে পারবে। ইংলিশ তো আরবীর মতই একটা ভাষা। বাংলাদেশের অশিক্ষিত লোকজন কোনদিন আরবী না জেনে মিডল ইস্টে গিয়ে ছয় মাসেই আরবী শিখে ফেলতেছে! তাহলে ইংলিশ না পারার কোন কারন নেই।

আপনার ইংলিশ স্কিলস যদি ইতিমধ্যেই ভাল থাকে অথবা ৫/৬ মাস চেষ্টা করার পর ভাল হয় তাহলে জিমেট প্রেপ শুরু করে দেন। ইংলিশ ভাল না খারাপ সেটা বুঝার জন্য যেকোন ইংলিশ ডেইলির এডিটরিয়াল পেজে কলামগুলো পড়ে দেখুন। যদি আপনি ভাল বুঝতে পারেন আর খুব কম সংখ্যাক শব্দই আপনার অজানা থাকে তাহলে জিমেটের জন্য আপনাকে মাথা ঘামাতে হবেনা। এটুকু ইংলিশ দিয়েই আপনি ভাল করবেন।

জিমেটের জন্য আপনার ৩/৪ মাস সময় লাগবে। যেসব বই দরকার হবে:
১। প্রিন্সটন রিভিউ ক্র্যাকিং দা জিমেট
২। কাপলান জিআরই/জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক।
৩। অফিসিয়াল গাইড ফর দা জিমেট, ১১তম সংস্করন।
৪। জিমেটপ্রেপ আর পাওয়ারপ্রেপ সফটওয়ার(জিমেটপ্রেপ এমবিএ.কম আর পাওয়ারপ্রেপ অনলাইনে এস্নিপসে খূঁজতে হবে)
৫। সাইফুর'স জিমেটপ্রেপ সিরিজ।(৭টা বই আছে ওদের, অন্তত জিমেট ভারবাল আর ম্যাথ টেস্টপেপারস অবশ্যই লাগবে।)

প্রিন্সটন, কাপলান, অফিসিয়াল গাইড আর সাইফুর'স সবই নীলক্ষেতে পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে দাম ৩০০-৫০০ পড়বে।

প্রথমে আপনাকে শুরু করতে হবে প্রিন্সটন রিভিউ ক্র্যাকিং দা জিমেট
আর কাপলান জিআরই/জিমেট ম্যাথ ওয়ার্কবুক দিয়ে। প্রিন্সটন আপনাকে জিমেট কি, কিভাবে দিতে হবে, সব বেসিক ইনফরমেশান, ডাটা সাফিসিয়েন্সির বিশেষ টেকনিক, সব বিষয়ে স্ট্র‌্যাটেজির বিশেষ ধারণা দিবে। কাপলান ম্যাথ ওয়ার্কবুক আপনাকে জিমেটের ম্যাথের সাথে ভালমতে পরিচয় করিয়ে দিবে। প্রিন্সটন বইটা আপনাকে ১০/১২ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। প্রিন্সটন পড়া হলে আপনি পাওয়ারপ্রেপের ক্যাট-১ পরীক্ষাটা দিবেন। এতে যা স্কোর আসবে তার সাথে আপনি আরো ১৫০-২০০ স্কোর যোগ করতে পারবেন ফাইনাল জিমেটে যদি আমার দেওয়া সাজেশান ফলো করেন। পাওয়ারপ্রেপ-১ এ আপনার কয়টা ভুল হল, কি কি প্রবলেম ভুল হল, কোন সাইডে উইকনেস বেশি এসব বিষয় খেয়াল করতে হবে। পরবর্তীতে এসব বিষয়ের উপর একটু বেশি জোর দিতে হবে। এরপরে আপনি নেক্সট ১ মাস সাইফুর'স জিমেট সিরিজের সেনটেন্স কারেকশান, ক্রিটিক্যাল রিজনিং, রিডিং কমপ্রিহেনশান আর ম্যাথ টেকনিক বইগুলা পড়তে থাকুন। নিয়মিত প্রতিদিন ৩/৪ ঘন্টা পড়ুন। ১ মাসের মধ্যে আপনার স্কিলস অনেক বাড়বে। আপনি এগুলো শেষ হওয়ার পর পাওয়ারপ্রেপ ক্যাট-২ দিবেন। এতে দেখবেন আপনার স্কোর ক্যাট-১ থেকে অন্তত ১০০ বাড়বে। প্রথমটাতে ৪৫০ পেলে এটাতএ ৫৫০+ পাওয়ার কথা।

এরপরে আপনার প্রেপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় শুরু হবে। আমরা ইতিমধ্যেই দেড় মাসের মত সময় ব্যয় করেছি। নেক্সট ১ মাস আপনি অফিসিয়াল গাইড পড়বেন। অফিসিয়াল গাইডকে বাইবেল অফ জিমেট বলা হয়। কারন অফিসিয়াল গাইড যদি ভালমতে বুঝেন, সব প্রশ্ন করেন, সব এক্সপ্লানেশান ভালমতে পড়েন তাহলে আপনি জিমেটে ভাল করবেন সেটা গ্যারান্টিড। অফিসিয়াল গাইডের সেনটেন্স কারেকশান ৩ বার, ক্রিটিকয়াল রিজনিং আর রিডিং কম্প্রিহেনশান ২ বার, ডাটা সাফিসিয়েন্সির শেষের ৭০ টা আর প্রবলেম সলভিংয়ের শেষের ১০০টা প্রশ্ন ২/৩ বার করতে হবে। ডিটেল এক্সপ্লানেশান ভালমতে পড়তে হবে এবং নোট নিতে হবে। অফিসিয়াল গাইড ৩/৪ ভাগ শেষ হলে আপনি জিমেটপ্রেপ প্র্যাকটিস টেস্ট -১ দিবেন। আপনার আসল পরীক্ষা আর জিমেটপ্রেপ পরীক্ষা একদম একই। জিমেটপ্রেপ-এ আপনি যত পাবেন আসল পরীক্ষায় তার আশে পাশেই পাবেন। অফিসিয়াল গাইড সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার পর আপনি জিমেটপ্রেপ-২ দিবেন। আপনার হাতে পরীক্ষার আগে আর ১৫/২০ দিন থাকার কথা। এসময়ে সাইফুর'স জিমেট ভারবাল আর
ম্যাথ টেস্টপেপারস পড়েন। প্রতিদিন ২টা করে প্রশ্ন সেটা সলভ করেন। এক্সপ্ল্যানেশান পড়তে থাকেন। আর জিমেটপ্রেপ ২টাই দেওয়া হয়ে যাওয়ার পর আনইনস্টল করে রিইনস্টল করেন আর বারবার দিতে থাকেন।

এভাবে প্রেপ নিলে আপনি আপনার অপটিমাম স্কোর পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশান করতে হয় অনলাইন। এমবিএ.কমে। পরীক্ষা যে কোন সময় দেওয়া যায়। ইন্টারনেটে জিমেট প্রেপ নেওয়ার জন্য ভাল ফোরাম আছে। আমার সবচেয়ে ভাল লাগে টেস্টমেজিক.কম। সেকাহনে পার্টিসিপেট করলে অনেক কিছু শিখবেন।


জিআরই নিয়ে পরের পোস্টে লিখব।



তো লেগে যান জিমেট প্রস্তুতিতে। জিমেটে ভাল করুন আর যুক্তরাষ্ট্রে ভাল স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে আসুন। আপনার বন্ধু-বান্ধব সবাইকেই জিমেট-জিআরই দিতে উৎসাহিত করুন। সবাই লাইন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসুন।ভাল এডুকেশান নিয়ে দেশের জন্য কিছু করুন। আমরা করব জয়, নিশ্চয়ই।

পোস্টটা নিয়াজ মোর্শদের এই পোস্টের সুত্রধরে:

Click This Link


জিমেটের জন্য দরকারী লিংক:
১। রেজিস্ট্রেশান করুন এমবিএ.কমে।
২। টেস্টমেজিক জিমেট ফোরাম।
৩। জিমেটক্লাব জিমেট ফোরাম।
৪। বীট দা জিমেট


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28826794 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28826794 2008-08-03 06:20:05
হা হা প গে। \\

হাহাহাহাহা.......কি আর বলব মশাই.....হাহাহাহাহাহা..........হয়েছে কি মশাই........হাহাহাহাহা...........শুনলে আপনার হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাবে..........হাহাহাহহাহাহা........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28822137 http://www.somewhereinblog.net/blog/kumbhokornoblog/28822137 2008-07-20 10:58:18