somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের সামনের রাস্তায় যেদিন থেকে বাস চলা শুরু করলো...

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের সামনের রাস্তায় প্রথম যেদিন বাস চলল সেদিন আমরা ভাবলাম পৃথিবীটা আক্ষরিক অর্থেই ছোট হয়ে আসছে, খুশী হলাম, এবং মাত্র আধমাইল দুরবর্তী আদমপুর বাজারে যাবার বাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে বুঝলাম প্রখর রৌদ্রে বসে থাকার মধ্যেও আনন্দ আছে। তাছাড়া বাসগুলোতে নতুন নতুন হিন্দী গান বাজছিল বলে আরেক ধরনের রোমাঞ্চ অনুভব করলাম মনে, প্রকৃতপক্ষে বাসের চারটি চাকা মানুষকে যার যার গন্তব্যে নেয়া ছাড়াও আর কি কি করতে সক্ষম উপলব্ধি করতে পারিনি আমরা, সেজন্যে মাথায় গতিবিজ্ঞানের বিভিন্ন হিসাব নিকাশ ক্রমাগত ঘুরতে লাগলো, যদিও বাসে উঠামাত্র “মেরা পিয়া ঘর আয়া...” শুনে আমাদের কিছুটা খটকা লেগেছিল, যেভাবে খেতে বসে হঠাৎ ঝাল তরকারীর ভেতর মিষ্টি স্বাদ আবিষ্কার করে আমরা চিন্তিত হয়ে উঠি।

এভাবে ঘুম থেকে উঠার আগে পোঁ পোঁ ইত্যাদি শব্দ চিৎকারের নতুন উপনিবেশে জীবনে নতুন মাত্রা এনে দিল, আমাদের কয়েকজন বন্ধু প্রথম কয়েকদিন এমনি এমনি বাসে উঠতো, তারপর গ্রামের শেষমাথায় এসে “ড্রাইভার লামাও! ও ড্রাইভার” বলে তড়িৎ গতিতে নেমে যেতো আর ফিরে আসার পথ হাত-পা শরীর দুলিয়ে “মেরা পিয়া ঘর আয়া...” গাইতে গাইতে ...

পার্শ্ববর্তী তিলকপুরের জনৈক ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যোগ দেবার উদ্দেশ্যে নতুন ফেইচুম পাঞ্জাবী পরিহিত কুঞ্জ খুড়া দৌড়াতে দৌড়াতে সড়কে উঠে কোনরকম বাসে উঠার জন্য পা তোলার সময় ফেইচুমের কোণায় পা দিয়ে ফেললেও সম্ভাব্য লজ্জাকর দুর্ঘটনা থেকে এ যাত্রায় রেহাই পেয়ে যান। তবে স্বল্পবয়সী এক তরুণী যে প্রায় ড্রাইভারের কাছ ঘেঁষে বসেছিল, সে খুড়ার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিতেই কুঞ্জ খুড়া ভেতরে ভেতরে জ্বলে উঠেন ‘নির্লজ্জ মেয়েছেলে, মিয়াঙের সাথে কেমন গা ঘেষে বসেছে, হুহ্!’। সিটে বসার পর হাতের বামপাশে বসা লালরাঙা নারীটিকে দেখে তিনি চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন (সেকথা পরে গল্পচ্ছলে আমাদের বলেছিলেন)। এমনই তিনি, এভাবেই বয়ান করে যান জীবনের ছোট বড় নানান অভিজ্ঞতার কথা; এর কিছুদিন বাদে আমাদের বুঝতে কষ্ট হয়না - তার বখে যাওয়া কুপুত্রকে এরকম একটি বাসের ড্রাইভার বানানোর স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন তিনি। আমরাও স্বপ্ন দেখা শুরু করি, তবে তার পুত্রকে নিয়ে নয়, আমাদের নিজেদের জন্যে, আচ্ছা আমরাও তো দেখতে পারি; আদমপুর বাজার টু মৌলভীবাজার বাসের ষ্টিয়ারিং ঘুরাতে ঘুরাতে “মেরা পিয়া ঘর আয়া...”, আহ্ !

কিন্তু বাসের চারটি চাকা আদমপুর থেকে ভানুগাছ, ভানুগাছ থেকে মৌলভীবাজার, মাঙখেইমাঙ থেকে তিলকপুর এবং তিলকপুর থেকে ঘোড়ামারা পৌঁছে দিচ্ছিল। মাত্র ৩/৪ টাকায় এই সেবার মাধ্যমে আমরা অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হলেও এ সেবার মাধ্যমে আমাদের আর কি কি উন্নয়ন ঘটতে পারে সে সম্বন্ধে প্রথম প্রথম আমাদের তেমন ধারনা ছিলনা। যদিও বাসস্ট্যান্ডে উঠতি তরুন সম্প্রদায়ের ব্যস্ততা দিন দিন বেড়েই চলেছিল, এবং কালো চশমা হাই হিল জুতাওয়ালী দু'একজন অচিনপুরের স্বর্গ থেকে ইন্দ্রাভিশপ্ত অপ্সরার মতো নেমে আসলে তাদের চোখের তারা কেঁপে উঠছিল। আমাদের কুমাড়া সেরকম একজনকে দেখার পর বাড়ী ফিরে জ্বর বাঁধিয়ে বসে। জ্বর তীব্র হলে তার মুখ থেকে নিঃসৃত আশ্চর্য রসদগ্ধ বাক্যরাশির লজ্জায় ও অপমানে, শিয়রে বসা জননী চোখে অন্ধকার দেখেন। আমরাও দেখি, আপসোসে, ইস কেন আমরা দেখলাম না , আমরা কয়েকজন তখন থেকে রোজকার ডিউটি ঠিক করে ফেলি পিয়া ঘর আয়া ... এবং আমাদের মধ্যে যাদের পুরোনো প্রেমিকা ছিল, নিঃসঙ্গ দুপুরে উরুৎ ফুরুৎ বাসগুলোর দিকে তাকিয়ে তারা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলা শুরু করলো।

আর রাস্তাঘাটে এপথ বেয়ে নতুন নতুন চিন্তা-গল্প-হা-হুতাশের বাতাস বয়ে যায় আর আমরা ক্রমশ সমাজবিবর্তনের সেবক, প্রকাশক, প্রচারক হয়ে উঠি। আমাদের দু’একজনের মামাবাড়ী ডালুয়া বা এরকম বাস-যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কিছূ প্রত্যন্ত গ্রামে হওয়ার কারণে আরো কিছু জিনিষ পরিস্কার হয়ে আসে। তাদের অনেকে পুরোনো দিনে মামাবাড়ী যাবার পথে পায়ে হাঁটার, রিকশায় চড়ার দারিদ্রিক ব্যবস্থার নস্টালজিক মহত্ত্বের তত্ত্ব তুলে আমাদেরকে খোঁচা দেয়- সত্যি বলতে কি ওদিকে কোনদিন বাস যায়নি, বলা ভাল বাসস্ট্যান্ড বলে কিছু নেই সে গ্রামগুলোতে। বাস থামলে নতুন নতুন উপনিবেশের মালপত্র, ল্যাগেজ, ঘড়ি, চশমা, পারফিউম কিছুই নামেনা সে পথগুলোতে। পোঁ পোঁ শব্দ নেই, উথাল পাথাল বাতাসও নেই; আমরা যারা ‘পোঁ পোঁ’র কাছে, ‘পিয়া ঘর আয়া’র কাছে বিনোদিত হই, রক্তের ভেতরে আরেকর রক্তের নাচনে শিহরিত হই, তাদেরকে রহস্যময় আলো-আধারের ধোঁয়ায় তীরবিদ্ধ করে তারা বলে- “মামাবাড়ীর উঠোনে পা রাখতেই চারপাশে থেকে বন্ধু বান্ধবদের ছুটে আসার সে কী নমুনা, আত্মীয় পরিজনদের যেভাবে কুশলাদি জিজ্ঞাসা করার সে কী নমুনা, কী মায়া, কী টান, কী আনন্দ আহ্ ...... ।”

ততোদিনে আমাদের সামনের রাস্তাটি বাস সড়কে বিবর্তনের অনেক দিন কেটে যায়। আর আমাদের মধ্যে যাদের মগজে আঁচড় কাটতে কাটতে হঠাৎ হঠাৎ সাদা সাদা কাগজেও আঁচড় কাটার অভ্যাস ছিল, তাদের পঞ্চেন্দ্রিয়ের বাইরে আরেক ইন্দ্রিয় যেটি ইশ্বরের কাছ থেকে গোপনে তথ্য পাচার করতো সম্ভবত তারই কল্যানে বুঝতে শুরু করলো, সমাজ জীবনে কিছু একটা ঘটে চলেছে। ২০/৩০ হাতের তুচ্ছ এই যানবাহনগুলো কিভাবে এই জনপদে নতুন অবতার হিসাবে আবির্ভুত হলো... অবশ্য খুশী কিম্বা আনন্দেরও কমতি নেই, পথগুলো দিন দিন ছোট হয়ে আসলে চারিদিকে সব চেনা-অচেনা রেখাগুলো ঝাপসা হয়ে আসে, আমাদের নিজেদের মধ্যে দেখাসাক্ষাতের হার কমে যায়। আর কষ্ট কম আর সময় বাঁচে বলে আমরা কাটাঁঘেরা বাগানে গোলাপের রূপ গন্ধসুধায় বিভোর হয়ে বাসের স্পীকারের সাথে সুর মিলিয়ে যাই ... দিল নে ধড়কে লাগা ....

হঠাৎ কোনদিন দুর্ঘটনায় দু’একজন আহত হলে বেশ চিন্তায় পড়ে যাই, ভাবি আমাদের মতো ধীরগতির সমাজে বাসগুলোর এতো দ্রুত চলা মনে হয় ঠিক নয়। যতই দিন যায় এভাবে আলাদীন বাসগুলোতে চড়তে চড়তে আশ্চর্য মানুষ, পোকামাকড়, যাদু, বিষ, মধু, শব্দ, সুর, বর্ণ, গন্ধ আমাদের ঘরে ঘরে মনে মনে মগজে মগজে প্রবেশ করা শুরু করে। রক্তের কোষে মগজের কোষে চোখের দৃস্টিতে তা ছড়িয়ে পড়লে আমার আরো গভীর চিন্তায় পড়ে যাই – এ কিভাবে সম্ভব? আমাদের ফসলের রঙ বদলে যায়, গানের সুর বদলে যায়, কথার শব্দ, ভালবাসার নমুনা বদলে যায়, আমাদের ফাগুনের বাতাসে অচেনা স্পর্শ । আমাদের রাত্রির গল্পগুলোতে অন্যরকম গল্পের অনুপ্রবেশ ঘটে। আমাদের জমি হাওরের কাদায় পড়ে থাকে মাছের লাশ, আমাদের ভিটায় পাখীরা আর ডাকেনা, আমাদের বৃদ্ধা কৃষাণীর কোমরে গামছার বাঁধন খুলে গেলে আমরা ভাবতে বসি, কষ্ট করে কোমরে গামছা বাঁধার আবশ্যকতা কি?

একদিন 'ক' নগরে ৩ জন মানুষ মারা গেলে 'খ' নগরে মারা যায় ৭ জন। একদিন 'গ' নগরে কোন নারী লাঞ্ছিত হলে 'ঘ' নগরে কোন অফিস পুড়িয়ে ফেলা হয়। একদিন 'ঙ' দেশের কেউ চ দেশে গিয়ে সোনার পদক জিতে এলে 'ঞ' দেশের লোকজন সেই পদক দুর থেকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে, আর আমাদের গোয়ালঘরে বিকেলের ছায়া পড়ে। দোকানগুলোতে টেবিলের আকার বাড়ে, টেবিলে চায়ের কাপের সংখ্যাও বাড়ে। অনেকে আবার চা’য়ে চিনি কম দেবার কথা বলা শুরু করে “চিন্তায় চিন্তায় ডায়াবেটিস বাধিয়ে ফেলেছি, সাবধান না হয়ে উপায় আছে?”

একেকদিন আবার আমাদের কেউ কেউ, নিজেদের বাড়ীঘরে চৌর্যশিল্প চর্চার কল্যানে নতুন পোষাক গায়ে দিয়ে বের হই আর বেদিশা বাসগুলোতে চড়ে বসি- তারপর ‘পিয়া ঘর আয়া’ শুনতে শুনতে আবারো একবার বেদিশা চক্কর দিয়ে আসার পর মনে হয় আমাদের চোখ মগজ জিভ যেন তিনবার এদিক-ওদিক পাক খেয়ে আসলো। পথে নানান কথাবার্তা জ্ঞানগর্ভ আলোচনার সূত্র ধরে ভাবতে বসি, ‘আমাদেরকে আসলে আধুনিকতায় দীক্ষা নিতে হবে’। ভাবতে ভাবতে আধুনিকতার উপরে বসানোর জন্য সেরকম রক্তসম্পর্কের আরেকটি শব্দ খুঁজে খুঁজে গলদঘর্ম হয়ে ভাবি, আসলে বাসের চারটি চাকার কাজ কি কি, আসলে বাসে চড়ে আমরা প্রকৃতপক্ষে কোথায় যাই, বাস কি প্রকৃতপক্ষে আমাদের গন্তব্যে যাচ্ছে নাকি আমরাই বাসের গন্তব্যে যাতায়াত করছি? ভাবতে ভাবতে একদিন ঘুম থেকে উঠে পথে বের হয়ে কিছুক্ষন হাঁটার পর রোজকার মতো সেদিন পোঁ পোঁ শব্দ না শুনে চিন্তায় পড়ে যাই, পড়তে পড়তে শুনি ‘আজ বাস বন্ধ’। বাসগুলো কেন বন্ধ হয়, কেন আমরা কোথাও যেতে চাইলে বাসগুলো আমাদের কথামতো পোঁ পোঁ শব্দে আমাদের সামনের রাস্তায় এসে দাঁড়ায় না, কেন জায়গায় জায়গায় থামেনা? আমরা গভীর চিন্তায় পড়ে যাই। তারপর একদিন এ রহস্য ভেদ করে ফেলি, কিন্তু ততোদিনে আমরা যাবতীয় পুরোনো চিন্তা মাথা থেকে বের করে দিয়ে আরেক চিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়ি....

চিন্তা করতে করতে মান্ডপে যাই। পালির পুঁথিপাঠ শাস্ত্রতত্ত্ব মাথার একহাত উপর দিয়ে গেলে ঘরে ফিরে টেলিভিশন চালু করি। টেলিভিশনের ঝলমলে পর্দায় বাস এবং বাসের চেয়ে ২০/৩০ গুন লম্বা কোন ট্রেনের সর্পিল গতিতে আঁকাবাঁকা কুঁ.. উ.. উ.. ঝিক ঝিক.. কুঁ.. উ.. উ.. ঝিক ঝিক ছুটে চলা দেখে অতীতের সমস্তকিছুকে বিস্মৃত করে বিদ্যুচ্চমকের মতো আমাদের মগজের কোষে আরেক উত্তরাধুনিক চিন্তার উদয় হয়, নতুন আফসোস জাগে, “আহা! আমাদের সামনের রাস্তায় কোনদিন কি ট্রেন চলা শুরু হবে?”



* ফেইচুম - ধুতির মণিপুরী সংস্করন
* মিয়াঙ - অমণিপুরী
* কুমাড়া - জনৈক তরুনের নাম
* ডালুয়া - একটি গ্রামের নাম
* মান্ডপ- মণিপুরীদের সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের কেন্দ্র
* পালি - ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ ও বাখ্যার আসর

গণ্পকারঃ শুভাশিস সিনহা সমীর। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার কবি, গণ্পকার ও নাট্যকার। জন্ম বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায়। প্রকাশিত গ্রন্থাবলী : ছেয়াঠইগির যাদু(২০০২), সেনাতম্বীর আমুনিগৎতো সেম্পাকহান পড়িল অদিন (২০০৩), নুয়া করে চিনুরি মেয়েক (২০০৫), রবীন্দ্রনাথের রুদ্রচন্ড(২০০৭), মণিপুরী সাহিত্য সংগ্রহ -১ম ও ২য় খন্ড(২০০৭) ইত্যাদি।

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী থেকে অনুবাদঃ কুঙ্গ থাঙ । মুল গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার লিটলম্যাগ গাওরাপা, নভেম্বর ১৯৯৯ সংখ্যায়। মুল গল্পের লিংক এখানে
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৪
১২টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×