আমার প্রিয় পোস্ট
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা: যাঁদের ত্যাগে এ দেশ স্বাধীন হল - অচেনা সৈকত
- মি: আকন্দ এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী জোশ (উৎসর্গ : কল্পণা চাকমা) - মেজভাবী
- তারকাঁটার ঐ পাশে আরশি নগর (উৎসর্গ কুঙ্গ থাঙ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- আদিবাসীদের মাতৃভাষাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারসহ সকলের আন্তরিকতা প্রয়োজন - জেনন
- রতন থিয়ামের কবিতা - হামোম প্রমোদ
- রাংলাই ম্রো-শেকলে বন্দী ক্ষুব্ধ পাহাড়। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া... - হমপগ্র
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- পল্লবের পরীরা (শেষ) - বিপ্লব রহমান
- দায় এবং দায়িত্ববোধ... - মিট্ঠু
- আদিবাসী সম্পর্কে ভুলে ভরা বাংলাপিডিয়া (এক) - বিপ্লব রহমান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

বঙ্গে শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ প্রসংগে কিছু তথ্য
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২
"আমি মরিয়া হইবো শ্রীনন্দের নন্দন তোমারে বানাবো রাধা, বনমালী তুমি পরজনমে হইও রাধা" - রাধাররমনের বহুলশ্রুত এই গানে যে রাধার আকুলতার কথা শুনতে পাই, সেই রাধাকে আমরা কতটুকু চিনি? ‘রাধা’ নামে কোন চরিত্রের উল্লেখ মহাভারতে পাওয়া যায় না। এমনকি ১৮,০০০ শ্লোক সম্বালিত শ্রীকৃষ্ণের পুর্ণাঙ্গ জীবনী ভাগবৎ পুরানের কোথাও রাধা নামের কাউকে পাওয়া যায় না। কৃষ্ণের প্রণয়িনী হিসাবে রাধাকে পাওয়া যায় খ্রীষ্ঠিয় দ্বিতীয় শতকের প্রাকৃতকাব্য 'গাহাসত্যসঈ' তে। পরবর্তী সময়ে পদ্মপুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্ত্তপুরাণ ইত্যাদিসহ নানান সংস্কৃত-প্রাকৃত-অপভ্রংশ কাব্যে শ্রীরাধার উল্লেখ পাওয়া যায়। দ্বাদশ শতাব্দিতে কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দ এবং বড়ু চণ্ডিদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তনে রাধাকে কৃষ্ণের পরম প্রনয়িনী হিসাবে আমরা পাই। জন্মসূত্রে সাধারন একজন গোপনারী হলেও কৃষ্ণলীলায় সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ চরিত্র হিসাবে তাঁকে পাওয়া যায়।
রাধা: বাংলার কল্পনা
শ্রীকৃষ্ণের প্রতি শ্রীরাধার গভীর অনুরাগ পৃথিবীর ভালোবাসার গল্পে এক আশ্চর্য কোমল অধ্যায় বলেই বোধ হয়; যে অনুরাগ জৈবিক তাড়নার সীমানা ছাড়িয়ে আরও ব্যাপক অর্থময় ও ব্যাঞ্জনাময় হয়ে উঠেছে। প্রাচীন কাল থেকেই ভারতবর্ষে মথুরা-বৃন্দাবনের কৃষ্ণের কল্পনা চলে আসছে। কারও কারও মতে কৃষ্ণ ছিলেন ঐতিহাসিক ব্যাক্তি। পৌরাণিক জগতে কৃষ্ণ অবশ্য একজন নন; বেশ কয়েকজন কৃষ্ণকেই আমরা পাই। কিন্তু কৃষ্ণের যুগল রাধার কল্পনা যিনি করেছিলেন বাংলারই এক কবি, তিনি কবি জয়দেব। এরপর থেকে অষ্টাদশ শতক পর্যন্ত রাধা বাংলা পদাবলী সাহিত্যের এক বিরাট অংশ জুড়ে রয়েছেন। এই রাধার উপাস্য কৃষ্ণই যুগে যুগে ভারতবর্ষজুড়ে একাধারে প্রেমিক ও উপাসকের কৌতূহলের বস্তু হয়েছেন [১]। তাহলে দেখা যাচ্ছে রাধা বাংলার কবিদেরই কল্পনা।
চৈতন্যপরবর্তী বৈষ্ণব সাহিত্যেই শ্রীরাধা আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে আসেন। নবদ্বীপের শ্রীচৈতন্যদেবকে কৃষ্ণের অবতার বলে বিশ্বাস করেন বৈষ্ণবরা, রাধা ছিলেন তাঁর আরাধ্য। শ্রীচৈতন্যদেব বলতেন আমার অন্তরে রাধা, বহিরাঙ্গে কৃষ্ণ। এই উক্তির ব্যাখ্যা খুবই গভীর। শ্রীচৈতন্যদেব ছিলেন পুরুষ। ‘আমার অন্তরে রাধা’ - মানে, আমার অন্তরে নারীর অনুভূতি। নারীর অনুভূতিই যাবতীয় শিল্পের ভিত। শিল্প-সঙ্গীত পাশাপাশি থাকে। বাংলা গানের ভিতটি শ্রীচৈতন্যদেবের হাতেই গড়ে উঠেছিল। আমরা যে কীর্তনের কথা জানি- সেই কীর্তনের সঙ্গে শ্রীচৈতন্যদেবের নাম জড়িত।
![]()
রাসলীলা প্রসংগে
বৈষ্ণব দর্শনে ভক্তের সাথে শ্রীকৃষ্ণের অপ্রাকৃত লীলাকেই বলা হয় রাস। মণিপুরীরা অষ্ঠাদশ শতকে বৈষ্ণবধর্মের বলয়ে আসার পর তাদের প্রাচীন নৃত্যগীতের সাথে বৈষ্ণবধর্মের রাধাকৃষ্ণ দর্শনের সমন্বয় ঘটিয়ে মণিপুরী রাসলীলা প্রবর্তিত হয়। রাসলীলা অনেক ধরনের হয় - যেমন কুঞ্জরাস, বসন্তরাস, নিত্যরাস, মহারাস, দিবারাস ইত্যাদি। দিনের বেলায় যে রাস হয় সেটা দিবারাস। প্রতি বছর শারদীয় পূর্ণিমায় হয় মহারাস।
রাসলীলার সাথে নরনারীর ইহজাগতিক সম্পর্কের কোন যোগসূত্র নেই। ভাগবৎ পুরাণে বলা হয়েছে, "রস্যতে আস্ব্যাদস্য অনেনেতি রাসঃ" - অর্থাৎ রাস হলো কৃষ্ণপ্রেমের রস আস্বাদন। পুরাণে নরনারী দু'প্রকারের ভক্তের সাথেই শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলার বিবরন রয়েছে। পুরুষদের রাসকে গোপরাস বা রাখুয়াল বলা হয়ে থাকে। বিষ্ণুপুরাণের ভাষ্য অনুযায়ী রাসলীলার সময়ে শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন নিতান্তই শিশু, বয়স ছিল মাত্র ৮ বৎসর ২ মাস। আর রাধা তো লোকসাহিত্যের একটি প্রতীকি চরিত্রের নাম যিনি লোকমুখে ক্রমবিবর্তিত হয়ে একাধারে হয়ে উঠেছেন একজন নারী, কুলবধু, কৃষ্ণভক্ত ও প্রেমিকার প্রতীক। বলা হয় কল্পনার রাধাই মিথলজির কৃষ্ণকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। এই শুন্য শতকে এসেও মণিপুরী কবি তাই লিখে চলেন শ্রীরাধার গাঁথা- তুমি ছাড়া কৃষ্ণকে আমি চিনতাম না হে রাধা!
এক পরমপুরুষ, বাকী সব রাধা
সেই রাধার সাথে কৃষ্ণের প্রনয়কাহিনীর ভেতর আরেক উচ্চমার্গের দর্শন। কৃষ্ণকে মনে করা হয় ভারতীয় মিথলজির পরমপুরুষ বিষ্ণু। কৃষ্ণ/বিষ্ণু হচ্ছেন পরমাত্মা আর সব জীবাত্মা। পরমাত্মা হচ্ছেন পুরুষ, আর জীবাত্মা হচ্ছে প্রকৃতি বা নারী; জীবাত্মার সর্বদা আকাঙ্খা পরমাত্মার সাথে মিলিত হওয়া। বৈষ্ণব দর্শনে রাধারাণীকে সকল জীবাত্মার প্রতীক হিসাবে ধরা হয়, কৃষ্ণকে ধরা হয় পরমাত্মারূপে। পরমাত্মায় বিলীন হবার জন্য জীবাত্মার যে আকুতি - শ্রীরাধার প্রনয়যন্ত্রনা যেন তারই প্রতীক হয়ে উঠেছে।
শাস্ত্রের অকাট্যতা ও জাতিভেদ প্রথাকে অস্বীকার করে শ্রীচৈতন্য পদাবলী সাহিত্যের কোন একটি পাতা থেকে লৌকিক শ্রীরাধাকে তুলে এনে ভাগবৎ পুরাণের কৃষ্ণের সাথে সম্পর্ক গড়ে দিয়েছিলেন, উদ্দেশ্য ছিল সকল মানুষ যেন নিজেকে রাধা ভাবে, তন্ত্রমন্ত্র যাগযজ্ঞ নয়, শ্রীরাধা যেভাবে তার ভক্তি ও প্রেম দিয়ে কৃষ্ণের কাছে পৌঁছে যান, সবাই যেন সেভাবেই তাকে পাবার সাধনা করে। বামুন-চণ্ডাল- বৈশ্য-ক্ষত্রিয় সবাই রাধা হয়ে গেলেতো আর জাতপাতের বিভেদ থাকেনা। সেকারণে শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলায় জাতি-বর্ণ-লিঙ্গ নির্বিশেষে সবাই রাধা হয়ে যান; রাধাভাব নিয়ে এক পরমপুরুষের প্রেমে বিলীন হয়ে স্থাপন করেন মানুষে মানুষে সাম্যতার অনন্য দৃস্টান্ত।
সবাইকে মহা রাসপূর্ণিমার অনেক শুভেচ্ছা।
তথ্যসূত্র:
১. ইমন জুবায়ের এর ব্লগ, রাধা: বাংলার কল্পনা
২. ভক্তি-রসনাম্বুমারি - এন তম্বা সিংহ, ইম্ফাল, ১ম সং, ১৯৬৮
৩. A Brief description of manipuri dance - Sharma, Atombapu & Singh, Amubi, 1960
৪. শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ - শশীভূষন দাসগুপ্ত
৫. বাঙালীর ইতিহাস - নীহাররঞ্জন রায়
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাধা, মণিপুরী রাসলীলা ;
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শয়তান বলেছেন:
অটঃ মুখবৈ এ ফটোর অনুরোধ করছিলাম ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, আপনিই তাহলে সেই ![]()
এবারের উৎসবে যেতে পারি নাই। বন্ধুরা যদি পাঠায় তাহলে শেয়ার করবো।
রাতমজুর বলেছেন:
মহারাসপূর্ণিমার শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: রাসপূর্ণিমার শুভেচ্ছা আপনাকেও।
আইলা বলেছেন:
তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কৃষ্ণের রাধা নামের কেউ ছিলনা। কোন ইতিহাসেই তা নাই। ইতিহাসের মতে কৃষ্ণের বাশি বাজানোর কোন শখ ও ছিল না। ইতিহাসের মতে কৃষন ছিলেন জ্ঞানী কিন্তু অত্যন্ত ধূর্ত, শারীরিকভাবে তিনি নিয়মিত যোদ্ধাদের মত শক্তিশালী ছিলেন না, তাই গেরিলা হামলা করে সরে পড়তেন। তারমতে এখনকার পশ্চিমবাংলা, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও বাংলাদেশের অধিবাসী, সামন্তরাজাদের রাক্ষস, দৈত্য এইসব বলে অভিহিত করতেন কারণ এইসব জাতিস্বত্তা অনার্য ছিল বলে।
লেখক বলেছেন: পুরো লেখাটাতে তো সেটাই বলার চেষ্টা করলাম! বডি না পড়ে কেবল শিরোনাম দেখে মন্তব্য লিখলে তো হবে না।
বিষুন বলেছেন:
শুনেছি 'পর জনমে হোইয়ো রাধা' গানটির নানান ধরন আছে।আপনার জানা কোন লিঙ্ক থাকলে যদি পাঠান খুশী হব।সুন্দর প্রয়াসের জন্য ধণ্যবাদ। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। খুজে দেখি, যদি পাই তাহলে দেব।
রাসপূর্ণিমার শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন: কমপ্লিমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় দীপান্বিতা । রাসপূর্ণিমার অনেক শুভেচ্ছা থাকলো ।
লেখক বলেছেন: আশা করছি আশা পুরণ হবে ![]()
নিশা সিনহা বলেছেন:
ভালো হয়েছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা থাকলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। বানান ঠিক করে দিলাম।
লেখক বলেছেন: বরাবরেই মতোই ধন্যবাদ ![]()
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ। তবে আইলা'র মন্তব্যের জবাব সম্পর্কে স্পষ্ট হেত পারলাম না। কারণ তিনি রাধার অস্তিত্বের চেয়ে বরং অনার্যেদর প্রতি আর্যেদের নেতিবাচক মনোভাবের কথাটিই জোর দিয়ে বলেছন যা আপনার লেখায় নেই। তবে আমার মনে হয় রাধা-কৃষ্ণ আর্যদের নয় বরং অনার্যদেরই কোন প্রতিনিধি। আন্যান্য দেব দেবীর মত পরে আর্যদের ধর্মে যুক্ত হয়েছে।
কি বলেন?
লেখক বলেছেন: আমারও তাই ধারনা। বেদে পরোক্ষভাবে (ঋগ্বেদ ১-১০১/ ১১৬-৭/১৩০ ইত্যাদি) উল্লেখ আছে যদিও অনেক গুরুত্তহীনভাবে উপস্থাপিত। ছান্দোগ্যোপনিষদে দেবকীপুত্র কৃষ্ণের উল্লেখ আছে কিন্তু দেবতা হিসাবে নয়। কালো বা কৃষ্ণবর্ণ অনার্য দ্রাবিড় জনগোষ্ঠিকেই নির্দেশ করে। কাজেই কৃষ্ণকে অবৈদিক ধরা যায়। বিপুল জনপ্রিয়তার জন্য বেদপরবর্তী আর্য সাহিত্যে তাকে absorb করা হয়ে থাকতে পারে, যেভাবে শিব বা দুর্গার বেলায় হয়েছে।
কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:
জীবাত্মা পরমাত্মার বিষয়টিতে গৌড়ীয় ব্ষ্ণৈব ভাবান্দোলনের সাথে আবহমান বাংলার বাউল সুফীবাদের একটা ঐক্য রয়েছে। সুফীরা একহাত তুলে জিকির করতেন, গৌরীয়রা দু'হাত তুলে।
লেখক বলেছেন: অভিনব বিষয় বের করেছেন। পন্ডিতজীকে ধন্যবাদ পাঠ করার জন্যে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইমন জুবায়ের । কৃত্তিত্বটুকু আপনারই প্রাপ্য; আপনার লেখাটাকেই টেনে বড় করেছি।
লেখক বলেছেন: নতুন লেখা দেন।
লেখক বলেছেন: চমৎকার! অনেক অনেক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা থাকলো।
ম্দু বলেছেন:
মহারাসপূর্ণিমার শুভেচ্ছা+
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আপনার জন্যেও।
লেখক বলেছেন: আপনি বেশী দিয়ে ফেলতেসেন, আমারে একটা ধন্যবাদ বেশী দিতে দেন ![]()
লেখক বলেছেন: যাচ্ছি...
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
চ ম ৎ কা র!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মে ঘ দু ত। অ নে ক দি ন প র আমার ব্লগে। কেমন আছেন?
হযরত মামুন আব্দুল্লাহ্ বলেছেন:
সবাই যদিও কৃষ্ণ-প্রেমিক, আমি কিন্তু রাধার নামেই পাগল...মে ঘ দূ তে একটা চমৎকার একটা পোষ্ট দেবার জন্যে কালিদাস কে ধন্যবাদ...
হযরত মামুন আব্দুল্লাহ্ বলেছেন:
মে ঘ দূ ত মারফত এ রকম একটা চমৎকার পোষ্ট দেবার জন্যে কবি কালিদাস কে ধন্যবাদ...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















