somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মণিপুরি শাড়ির ইতিহাস

১৯ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মণিপুরি শাড়ি বলে আদতে কিছু ছিল না । শাড়ির প্রচলন মণিপুরি সমাজে কখনই ছিল না। মণিপুরি নারীদের ট্র্যাডিশনাল পোষাক হলো লাহিং বা ফানেক যেটা কোমরে প্যাঁচ দিয়ে পরতে হয়, সাথে ফুরিৎ বা ব্লাউজ, এবং ফিতুপ অথবা ইনাফি । ইনাফির উন্নত সংস্করন মৈরাংফি যেটা মুলত কারুকার্যখচিত উড়না বিশেষ। মণিপুরি শাড়ি এই মৈরাংফিরই ইনপ্রোভাইজড সংস্করন যেটির উৎপাদন শুরু হয় নব্বই দশকে, মুলত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই । 'মৈরাং' প্রাচীন মণিপুরের একটি রাজ্য, 'ফি' অর্থ পোষাক । মৈরাংফির সবচেয়ে বৈশিষ্ঠ্যপূর্ণ অংশটি হল এর পাড়ের বৈচিত্রময় 'মৈরাং' বা মন্দির ডিজাইন। মন্দির ডিজাইনটিতে মৈরাং এর সুপ্রাচীন থাংজিং মন্দিরের নকশার অনুকরনে করা। থাংজিং মণিপুর মিথলজির দেবতা; তিনি ঈশাণ কোণের দিক রক্ষাকর্তা। মৈরাং এর নারীরাই প্রথম মৈরাংফির বুনন শুরু করেন। মৈরাং এর রাজকন্যা থৈবী সর্বপ্রথম মৈরাংফি পরিধান করেন বলে জনশ্রুতি আছে ।

তাঁতশিল্পের সঙ্গে মণিপুরিদের রয়েছে যুগযুগান্তরের সম্পর্ক। একসময় মেয়েদের তাঁতশিল্পে দক্ষতাকে বিয়ের ক্ষেত্রে পূর্বযোগ্যতা হিসেবে দেখা হত। প্রায় ঘরে ঘরেই থাকে কোমরতাঁত । তবে শাড়িগুলি তৈরী হয় বিশেষ তাঁতে, এক একটি শাড়ী তৈরী করতে সময় লাগে প্রায় এক সপ্তাহ । গুনগত মান, নান্দনিক ডিজাইনের কারণে মণিপুরি শাড়ি বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আজ টিভির সংবাদ পাঠিকা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপ্রধান পর্যন্ত মণিপুরি তাঁতের শাড়ি পড়ছেন দৃশ্যটা ভালই লাগে ।







সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০১৭ বিকাল ৫:১৯
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্লগ নিয়ে একান্ত ভাবনা ও ব্লগীয় সমস্যা

লিখেছেন নীল মনি, ২৫ শে মে, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

দেখতে দেখতে বছর পার হয়ে গেছে আরো বছর খানেক আগে। কিন্তু ব্লগে উপস্থিতির হার ছিল কম। কেন ছিলাম না সে প্রসঙ্গে পরে আসছি।
কিছু অভিযোগ কিংবা প্রতিবাদ জানাতে মূলত পোস্টটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোটগল্পঃ টেডিবিয়ার

লিখেছেন অপু তানভীর, ২৫ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৪

অপু খানিকটা সময় অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো নিথির দিকে । টেডিবিয়ারটা প্রায় নিথির সমান লম্বা । দুই হাত দিয়ে সেটা চেপে ধরতে ওর কষ্টই হচ্ছে তবুও চেপে ধরে আছে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনারা যারা সেফ হওয়ার অপেক্ষায়....

লিখেছেন প্রান্তর পাতা, ২৫ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৪:১৪



Somewhere in blog এ ব্লগিং শুরু করার পর সবাইকে প্রথম যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়, তা হলো, ব্লগে সেফ হওয়া।
আমি এই ব্লগে কমবয়সীদের মধ্যে সবার আগে সেফ হয়েছি, তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দরিদ্রদের কবির একটা কবিতাও পড়ার সুযোগ পায়নি দরিদ্ররা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:১৯



শেখ সাহেব জীবনে একটা বড় কাজ করেছিলেন, বাংগালীদের দরিদ্র-কবিকে ঢাকায় নিয়ে এসেছিলেন; কবির জীবনের শেষদিনগুলোতে কবির পরিবারকে বাসা ভাড়া, খাবার, ডাক্তার নিয়ে কষ্ট করতে হয়নি। আপনারা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষের পর হাতি পৃথিবীর সবচেয়ে ইমোশনাল প্রানী

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে মে, ২০১৮ রাত ৯:২৫



১। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসাই পারে সকল সমস্যার সমাধান করে দিতে। সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন মানুষের প্রতি অন্য একজন অপরিচিত মানুষের ভালোবাসা দেখলে আনন্দে চোখ ভিজে উঠে। মানুষের সবচেয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×