গ্রাম বাংলার একটা প্রবাদ, “ গাই না কিনতেই দোয়ানীর আলাপ”। সহজ বাংলায় দুধ দেওয়ার গাই গরুই আমার নাই অথচ আলাপ করছি এ গরুর দুধ কে সংগ্রহ করবে কে পালন করবে ইত্যাদি নিয়ে।
মাধ্যমিক শিক্ষায় কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবটা ঠিক এই প্রবাদ বাক্যটার মত। আমাদের কয়টা সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে কম্পিউটার শিক্ষা দেওয়ার মত দক্ষ অথবা অদক্ষ শিক্ষক আছে। আর যারা এ বিষয়টা নিয়ে মাধ্যমিকে লেটার নম্বর অথাৎ এ+ নিয়ে বের হচ্ছে তারা যে কি কম্পিউটার শিখছে তার খবর কি রাখে আমাদের শিক্ষা বিদ রা।
আর কম্পিউটারের যে বইটা বোর্ড কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেছে। তা মোটেও ভাল মানের না। বইটা সহজ ভাবে মাধ্যমিকের উপযুক্ত করে লেখা হয় নাই। অনেক পন্ডিতি মার্কা ফালতু বক্তব্য এর মধ্যে ঢুকে গেছে।
বইটার লেখক দেখলাম মোস্তফা জব্বার। আমি নিজেও জানি না কম্পিউটারের কোন প্রসঙ্গ উঠলে কেন এই মোস্তফা জব্বারের মতামত নিতে দৌড় মারে মিডিয়া গুলি। যে পাবলিসিটি এই মোস্তফা জাব্বর পান তা মনে হয় আর কোন ব্যক্তি পান না। এক বাংলা বিজয় কি বোর্ড ছাড়া উনার কি অবদান আছে। আর এর চেয়ে ভাল কি বোর্ড তো অনেকে বানিয়েছেন । কই তাদেরকে তো মিডিয়া আলারা ডাকে না। আমি যতদূর জানি মোস্তফা জাব্বরের মত যারা প্রবিন লোক আছে তারা কেহই কম্পিউটারের উপর লেখা পড়া করেন নাই আমাদের দেশে। তারা অন্য বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহন করেছেন। যেমন কায়কোবাদ উনি পরিসংখ্যান থেকে নাকি স্নাতক অথচ উনার নাম আসে কম্পিউটারের প্রতিযোগিতার কথা উঠলে।
একটা জিনিস আমার কাছে অবাক লেগেছে যে ভিজুয়াল বেসিক প্রোগরামিং উচ্চ শিক্ষায় মানে স্নাতক লেভেলে দ্বিতীয় ও কোন কোন ক্ষেত্রে তৃতীয় বর্ষে পড়ানো হয় সেসব আলোচনা মাধ্যমিকের ছেলে মেয়েরা পড়বে।
একেই বলে বাংলাদেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

