সুদখড় মহাজনের মতোই চলছে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট সেবা। ডিজিটাল সরকার এদের প্রতারণা ধরতে পারছে না। গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামবাংলার দরিদ্র জনগোষ্ঠী যারা ঋণ নিতেন তারা একটি নিদিষ্ট হারে ঋণের টাকা সুদ সহ পরিশোধ করতেন। সুদ দিতে না পারলে। পুলিশ দিয়ে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুয়ো পুলিশ বানিয়ে জেল জরিমানার ভয় দেখিয়ে ঋণের টাকা আদায় করে গ্রামীণ ব্যাংক। পুলিশি ঔষধ ব্যর্থ হলে গ্রামের মস্তান শ্রেণী ভাড়া করে গরীবের গরু ,বাছুর, ছাগল এমনকি গরীবের টিনের চালটি খুলে নিয়ে ঋণের টাকা পরিশোধ করে থাকে বাংলাদেশের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গ্রামীণ ব্যাংক। এদেশের দৈনিক পত্রিকা গুলো এদের এহেন কার্যকলাপ এক সময় লিখে এখন বিজ্ঞাপন হারানোর আশংকায় গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে কিছু লিখে না।
যাক মূল ঘটনায় আসি । গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট সেবাটাও ঠিক ওই সুদ খড় মহাজনের মত আচরণ করছে। আপনি গ্রামীণ ফোনের একটি ইন্টারনেট প্যকেজ একটি নিদিষ্ট সময়ের জন্য কিনলেন। প্যকেজটি ব্যবহার করলেন এবং নিদিষ্ট দিন আগেই অথবা নিদিষ্ট দিনেই শেষ করে ফেললেন। এখন একই প্যকেজ ব্যবহার করতে নাই চাইলে অর্থাৎ যে প্যকেজটির জন্য আপনি গ্রামীণফোনের সাথে চুক্তি করেছিলেন সেই প্যকেজটি নবায়ন করার আগেই আপনাকে তারা অগ্রিম একটা প্যকেজ জোর পূর্বক দিয়ে দিবে। মানে চড়া সুদে ঋণ নেয়া হয় এমন একটি প্যকেজ তারা দিবে। এবং সেটা জোর করেই দিবে। এটা নাকি তাদের ইন্টারনেট প্যকেজ ব্যবহার করার শর্ত। এখন হঠাৎ যদি ।অাপনি তাদের কাছ থেকে কেনা কোনো প্যকেজের জন্য ঋণ নেয়া বন্ধ করে দেন তবে তারা এমন এক প্যকেজ আপনার অজান্তেই চালু করবে যেটার সুদ আপনি দিতে পারবেন না। আর সেটা উসুল করার জন্য আপনার গরু বাছুর মানে আপনার মোবাইল ফোনে কথা বলার জন্য যে টাকা আলাদা ভাবে ভরেছিলেন সেখান থেকে তারা তা জোরপূর্বক কেটে রাখবে । এবং সেটা করবে আপনার অজান্তেই। এর জন্য তারা কোনো আগাম নোটিশ অথবা আগাম ম্যসেজ দিবে না। এরকম একটি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে গ্রামীণ ফোন ইন্টারনেট সেবা চালাচ্ছে।
তাছাড়া আরো কিছু অভিযোগ আছে এই প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা করার ব্যাপারে। গ্রাহকদের ইন্টারনেটে প্যকেজ দেয়ার ক্ষেত্রে তারা অস্বচ্ছতার আশ্রয় নিচ্ছে। একজন গ্রাহক তার কেনা প্যকেজ কীভাবে ব্যবহার করছে তা পর্যবেক্ষণ করার কোনো সুযোগ তারা রাখেনি। গ্রামীণফোন ইন্টারনেট সেবা যেভাবে দিচ্ছে মানে ১ জিবি, ৪ জিবি স্টাইলের প্যকেজ। এরকম ভাবে দেশের অন্যান্য ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট সেবা দেয় না। এসব প্যকেজ কীভাবে শেষ হয় গ্রাহকরা তা ভালভাবে জানতে পারে না। কীভাবে গ্রাহকের প্যকেজ কেটে নিচ্ছে তারজন্য তারা কোনো জবাবদিহি করতে পারে না। অন্যান্য আইএসপি যেখানে মাস, ঘন্টা, হিসেবে প্যকেজ দেয় । সেখানে মহাশক্তি শালী এই প্রতারক প্রতিষ্ঠান সেরকম কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


