কবজ হয় প্রাণ ভোমরা; জীবন, মর্ত্যে তোমার ধোঁকা।
"খেলিছো, এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু",
কত নামে ডাক; আল্লাহ, ভগবান, যীশু।
তোমার অঙ্গুলী ইশারা ব্যতিত, হেলেনা বৃক্ষ, ঝরেনা পত্র,
তুমি নিরাকার, সর্বেসর্বা;তোমার কারিশমা যত্রতত্র।
পর্দার অন্তরালে কষে যাও হিসেব; এ এক রহস্যময়তা,
ভুল কি হয় না ! কোথায় স্বচ্ছতা ? জবাবদিহিতা ?
যে জীবন ছিল সুখী, সব পেয়েছে এইটুকুই বিভ্রান্তি,
ভুলুন্ঠিত হয় সে দর্প; নিমিষেই কেড়ে নাও প্রশান্তি।
উপহাসে জর্জরিত সেই প্রাণ, যখন আত্মহননে উদগ্রীব,
তুমি চাল ফেলো উল্টে, আনো জীবনে জোয়াড় অতীব।
তবে কেন কেউ চলে যায়, মৃত্যুর আকষ্মিক আলিঙ্গনে ?
অংকের খাতা কি ফেলেছো কোথাও ? হারিয়েছো অযতনে?
জানি এ বড় ভুল, তবু রবে অগোচরে, নিশ্চুপ পুরোদস্তর কৃতকর্মে,
'তোমারই মহীমা, ভবে আনাগোনা', মুর্খরা শান্তনা খোঁজে এই মর্মে।
জীবনের স্রষ্টা তুমি, মরনও তোমারি বিতর্কিত দান,
সমীকরণ বড় পীড়াদায়ক;কে কার আগে করবে প্রস্থান।
তাই উদ্ধত হই ফের; তোমাকেই দেই সুযোগ, শুধরে নাও এই ভুল,
অন্তর-বদল কর দুই জীবনে-মরনে; আমি আত্মাহুতিতে হই মশগুল।
দ্বিধা তবে কিসে! ধরায় এ হবে তোমার অলৌকিকতার প্রমাণ,
এবারে ফিরবো না আমি; করি পেয়ালাতে চুম্বন, নীল গরল পান।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



