সেই সে ব্লগার
আজ যে ছুতো
সব আড্ডার ;
খোলা ছাদে
কিনবা সিঁড়ি
এক ডাকে সব
খায় হুমড়ি ;
হয়তো কভূ
প্রাপ্তিমনি
যায় যে দিয়ে
হাতছানি ;
কিনবা আবার
এক শ্বাশ্বত
জড়ালো ফের
ওতপ্রোত ;
ক্লান্ত খেটে
নয় যে হেরে
ব্লগাররা ভাই
পারে রে পারে;
মিলনমেলার
এই বাহানা
কাছের দূরের
জানাশোনা ;
তরুণ থেকে
বৃদ্ধ ব্লগার
হাসি ঠাট্টায়
মাতলো আবার ;
হালকা কিছু
নাশতা-পানি
কথার ভিড়ে
হবেই জানি ;
আমার দিন তো
আজকালেতে
কাটছে মিছেই
ব্যস্ততাতে ;
এত্তো করে
বল্লে সবাই
আমি ভীষণ
লজ্জিত ভাই;
আজ যে এই
অধম অপারগ
কিন্তু চলুক
তোমাদের যোগ;
কিনবা হয়তো
চুপটি করে
দেখছি সবিই
ঘাপটি মেরে ;
ধুর ! খুঁজছো বুঝি
সত্যি সত্যিই
আসলে আমি
জানবে ঠিকই;
জানিয়ো শুধু
আবার কবে
মাতবো সবে
ব্লগ-উৎসবে;
সেদিন না হয়
পুষিয়ে দেবো
আজকে শুধু
ক্ষমাই চা’বো।
পুনশ্চ : সেইদিন পা.লাই. -তে (পাবলিক লাইব্রেরী) আরেকবার ব্লগাড্ডা হইয়া গেল । নিমন্ত্রণবার্তা পাইয়াছিলাম ঠিকই কিন্তু ছোটখাট দৌড়াদৌড়িতে আর যাওয়া হইয়া উঠেনাই । মনটা কিঞ্চিত খচখচ করেতেছিল তাই প্রাত:কালেই কয়েক জোড়া পংতিমালা রচনা করিয়া রাতমজুরকে তড়িৎবার্তা মারফত পাঠাইয়া দিলাম । একখানা সুপ্ত বাসনা ছিল, আলোচ্য পংতিগুলি যদি সুনীল সমুদ্র কর্তৃক পঠিত হইতো তাহলে সোনায় সোহাগা ধরনের অনুভূতি জাগিত । কিন্তু সুনীল'দা ভাব-গম্ভীর কবিতা আবৃত্তি করিয়া থাকেন প্রতি ব্লগাসরে; এরকম হালকা-চটুল কিছু হয়ত উনি পাঠ করিবেন না বলিয়াই ধরিয়া নিয়াছিলাম । রাত্রিবেলা নাইম হইতে অত্র আড্ডার হাইলাইটস লইতে গিয়া যখন জানিলাম সুনীল'দাই পাঠ করিয়াছেন তখন খুশিতে ধেই ধেই অবস্থা আরকি ! ব্লগে ছাপাইবো কি ছাপাইবোনা ভাবিতে ভাবিতে ছাপাইয়াই দিলাম (যৎসামান্য পরিমার্জনা করা হইয়াছে), সংরক্ষণ করিবার লোভখানা সামাল দেয়া গেলনা । অপরদিকে মস্তিস্কে নানা কিসিমের লেখনী কিলবিল করিলেও স্থিররূপে বসিয়া তাহা প্রকাশের অবসরটুকু হইতেছেনা কেন জানি! সেই সাথে ভাবিলাম সুনীল'দাকে একখানা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা জরুরী, আর আমার ভাব-বার্তার ভার পা.লাই. পর্যন্ত বহন করিবার জন্য রাতমজুরের নিকট আমি চিরঋণী হইয়া গেলাম । তবে আশা রাখিতেছি, পরবর্তীতে আমার বার্তা নহে আমি সয়ংই ব্লগ-সভায় উপস্থিত থাকিব ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

