আমার প্রিয় পোস্ট

অনেকের মাঝেও একা থাকা যায়, নি:সঙ্গতায় কারো অনুভব ছুঁয়ে যায় ...

আমাদের slumdog –রা

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৮

শেয়ারঃ
0 1 0



*** ভূমিকা : intro ***

এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। পত্রিকায়, অফিসে, বন্ধুদের আড্ডায় এমনকি ব্লগেও- সবাই আলোচনায় মাতোয়ারা; কেউ বলছে, ”অনেক দিন পর একটা ভাল সিনেমা দেখলাম”, কেউ বলছে ,”দারুণ একটা মুভি”, আবার কেউ বলছে, ”দেখার মত ছবি” । আর তাই দেখতেই হলো - slumdog millionaire ।

*** light, camera, action ***

এক বিপণী বিতানে কেনাকাটা শেষে মূল্য পরিশোধের মুহূর্তে পাশ থেকে হাত বাড়িয়ে দেয়া তরুণের দিকে দ্বিতীয়বার দৃষ্টিপাত করি। তরুণের হাতে ল্যামিনেটিং করা একটি আবেদন পত্র ; পড়ার ধৈর্য্য হয় না অবশ্য । এক পা আর এক লাঠি হলো তরুণের চলার পাথেয়; ডান পা শুধু হাঁটু পর্যন্ত, তাও কেমন সরু হয়ে এসেছে জায়গাটা! একটি প্লাস্টিকের পা কেনার জন্য চলছে তরুণের ভিক্ষাবৃত্তি।

ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ট্র্যাফিক সিগন্যাল বা যানজটের ফাঁকে উঁকি দেয় দশ থেকে বারো বছরের এক কিশোর । দু’খানা নয়, দেড়খানা পা আর একটি লাঠিতে ভর করে শরীরটাকে টেনে এনে, থেমে থাকা গাড়িগুলোর জানালায় হাত বাড়িয়ে দেয় জীবিকার খোঁজে।

বছর দুয়েক আগে একটি আট-নয় বছরের মেয়েকে বাসে ভিক্ষা করতে দেখতাম। তবে মেয়েটি শুরুতেই টাকা চাইতো না, বরং এক জায়গায় দাঁড়িয়ে স্পষ্ট, সুউচ্চ ও সুরেলা কণ্ঠে কোন মারফতী ধরনের গান শোনাতো। গানের শেষে যাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ শুরু হতো। যতদূর মনে পড়ছে মেয়েটি অন্ধ ছিল।

গত রোজার মাসের সময়; আট-দশ বছর বয়সী এক মেয়েকে দেখলাম চুপচাপ বাসের প্রতিটা যাত্রীর কাছে চিরকুট বিলিয়ে গেল একাধারে। আমার কাছেও চিরকুট এলো । চিরকুটের লেখা অনেকটা এরকম ছিল , ”সংসারের সব ব্যয়ভার আমার উপর, আমি চকলেট বিক্রী করে সংসার চালাই, কিন্তু রোজার মাস বলে কেউ চকলেট কিনছে না, তাই অনুগ্রহ করে কিছু টাকা সাহায্য করার আবেদন জানাই” । যাত্রীদের অনেকেই এক-দু’টাকা সহকারে চিরকুট ফেরৎ দিতে দেখি।

ঠিক একই রুটের বাসে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে দেখলাম। তবে প্রতিদিন চেহারা বদলাতে লাগল, চিরকুটের শেষে নাম বদলাতে থাকল - কখন বেলী কখনও মালা আবার কখনও শেফালী; বেশীর ভাগই মেয়ে। একদিন তের-চৌদ্দ বছরের এক মেয়েকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলাম। মেয়েটির সাজ-পোষাকের সাথে বিলানো চিরকুটে বর্ণিত দূরাবস্থা মেলানো যায় না। হতে পারে এই কিশোরী হয়ত হুট করে আর্থিক দূরাবস্থার সম্মুখীন হয়ে সাহায্য প্রার্থনা করছে। কিন্তু প্রতিদিন বিভিন্ন নামে একই রকম চিরকুট পড়তে পড়তে সন্দেহ দানা বাঁধে- নিত্যদিনের এই মিল কোন দৈবযোগ নয়, বরং একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ব্যবসা বুঝতে বেগ পেতে হয়না মোটেও।

ছোটবেলায় এলাকায় দলগত ভিক্ষাবৃত্তি দেখতাম মাঝে মাঝে। তিন থেকে আট জনের একেকটি দলের বেশীর ভাগই পঙ্গু ; কেউ গড়িয়ে, কেউ রাস্তায় ছেঁচড়ে নিয়ে চলেছে নিজেদের। সেই সাথে তীক্ষ্ণ কণ্ঠে চলতো মিলিত সংগীত , ”আমার আল্লাহ-নবীর নাম...”; গানের মাঝে মাঝে কেউ কেউ একটা হেঁচকি তুলে টান দিত। আজকাল অবশ্য এধরনের ভিক্ষুকের দল দেখি না এলাকায়।

কয়েক মাস আগের কথা; স্কুটার থেকে নামতেই এক তরুণ সামনে দাঁড়িয়ে সাহায্য চাইলো। তরুণের এক হাত নেই, আরেক হাতও শারীরিকভাবে অক্ষম- সরু হয়ে এসেছে এবং খানিকটা বাঁকানো। তরুণের কাঁপুনি ধরনের কোন অসুখ ছিল , শরীর কাঁপছিল । আমার অবশ্য প্রথমে মনে হচ্ছিল মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এ বুঝি কোন কৌশল । তারপরও শারীরিক অক্ষমতার কথা ভেবে টাকা দিতে গিয়ে দেখি ভাংতি নেই। ভাংতি ফেরৎ দিতে পারবে কি না জিগেষ করতে তরুণ মাথা নেড়ে অক্ষম হাত দিয়ে চেষ্টা করল পকেট থেকে টাকা বের করে আনতে। সমস্যা হলো তাতে তার হাত এবং শরীরের ঝাঁকুনি বাড়ছিল। হাতের আঙ্গুল পকেট স্পর্শ করেও ছুটে গেল দু’বার। ভাংতি টাকা ফেরৎ পাবার আশায় আমি একটু ভাবলেশহীনভাবে দৃশ্যটি দেখছিলাম । শরীরের তীব্র ঝাঁকুনিতে তৃতীয় বারের চেষ্টাতেও ব্যর্থ তরুণের মুখ দিয়ে একটি অস্ফুট আওয়াজ বার হলো। হয়ত নিজের অক্ষমতায় সামান্য ক্ষোভ, বিব্রতবোধ - কিছু একটা ছিল সেই আওয়াজে; আমি সংবিৎ ফিরে পাই, নিজের দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে নিজেই বিব্রত হই। ”আচ্ছা, থাক, ভাংতি লাগবে না”, সরে পরি তাড়াতাড়ি।

পপকর্ণ সংস্স্কৃতি খুব তাড়াতাড়ি ছেয়ে গেছে আমাদের দেশে। ট্রাফিক সিগন্যালে বা যানযটে, গাড়ি থামলেই একজনের পর একজন পপকর্ণের প্যাকেট বাড়িয়ে ধরে । ১০ টাকা দামের এই প্যাকেট চলতি পথে কতটা বিকিকিনি হয় তা জানিনা, তবে বহু কিশোর-কিশোরীদের ”পপ্পন, পপ্পন” ধ্বনিতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে প্রতিটা ট্র্যাফিক সিগন্যাল, নড়েচড়ে ওঠে যানযট ।

আমাদের এলাকার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান সম্পূর্ণ অবৈতনিক বলেই জানি। অনেক ছোটবেলার কথা, আমি তখন স্কুল ছাত্রী; প্রায় রোজই এক ছেলেকে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে দেখতাম। ছেলেটি তার সরু দু’পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারতোনা । তাকে চলতে হতো জন্তুর মত চার হাত-পায়ে আর পিঠে থাকতো স্কুলের ব্যাগ। জানিনা ওই ছেলে কতদূর পড়াশুনা শেষ করেছে ।

গোলাপই চলে বেশী, তবে বর্ষাকালে কদম আর বেলীর মালা হাতেও ছুটে আসে উস্কখুস্ক চুলের কিশোর-কিশোরীরা, টোকা দেয় গাড়ির জানালায়। কেউ কেউ আবার চকলেট বিক্রী করে। এক সময় রাজনীতির মিছিলে টোকাইদের ঠেলে দেয়া হতো। পিকেটিং করানো হতো। বস্তির জীবনে বিচিত্র লোকের আনাগোনায় , অনেক কিশোর ভিড়ে যায় মাদক ব্যবসায়, নিজেই হয়ে যায় মাদকসেবী।



নাক চেপে ধরে রাস্তার ডাস্টবিনগুলোকে পাশ কাটানোর সময় চোখ-মুখ কুঁচকে একবার তাকালে চোখে পড়বে নেড়ি কুকুরের আশেপাশে কিছু শিশু-কিশোর ময়লা নাড়াচাড়া করছে; কারো কাঁধে বস্তা বা হাতে ব্যাগ । অবলীলায় দূর্গন্ধময় ময়লার স্তুপে দাঁড়িয়ে খুঁজে দেখে কোন খাবার পড়ে আছে নাকি ! নয়তো এমন কোন পুরনো জিনিস যা হয়ত একটু ঘষেমেজে বেচা যেতে পারে!

*** Interval-এ ভাবনা, ভাবনায় Interval ***



সিনেমার প্রভাব বেশ জাঁকিয়ে বসেছে মগজে।

slumdog -এর কাতারে দাঁড় করাই আমাদের পথকলি, টোকাইদের। আজকাল অন্ধ বা খোঁড়া কোন কিশোর-কিশোরী ভিক্ষুক দেখলে তাদের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্বের পেছনের কাহিনী নিয়ে ভাবি ! এ জীবন কি বিধাতার অভিশাপে অভিশপ্ত নাকি দুষ্টুচক্রের ব্যবসায়িক ফন্দিতে অসহায় বন্দীত্ব ! স্যাঁতস্যাঁতে বস্তিতে কত বিচিত্র অভিজ্ঞতা! দারিদ্রতা আর পরিবেশ পরিচয় করিয়ে দেয় অন্ধকার জীবনের সাথে। গমনাগমন হয় অপরাধ জগতে, নিষিদ্ধ পল্লীতে! ”আজকের শিশু, আগামী দিনের ভবিষ্যৎ” , -কে তুড়ি মেরে ভুল প্রমাণিত করে কেউ কেউ হয়ে ওঠে পকেটমার, ছিনতাইকারী, মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ী আর অপরাধ জগতের বাসিন্দা। জীবনের বিশেষ বিশেষ মোড়ে life line এর সাহায্যে এরা সঠিক দিক-নির্দেশনা পায় না ! আমাদের slumdog –রা ভাগ্যদেবীর সুপ্রসন্নতার অভাবে নাটকীয়ভাবে millionaire হয় না !

*** সমাপ্তি : the end ***

It is written !!!







================
ছবিসূত্র :
১. Click This Link
২. Click This Link
৩. Click This Link

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ভাবনা: দৈনন্দিন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২২
জেরী বলেছেন: বাস্তব জীবনের কথা.......+++.....
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: বাস্তব কে কুট কুট করে কামড়ে খেয়ে ফেলা যায় না ?

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: কেউ বলছে, ”অনেক দিন পর একটা ভাল সিনেমা দেখলাম”, কেউ বলছে ,”দারুণ একটা মুভি”, আবার কেউ বলছে, ”দেখার মত ছবি” ।


...সুতরাং দেখে নিন ...

৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৫
ভেংচুক বলেছেন: দেখেই যাব আমরা,
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: হুমম...

৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৮
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: ওদের কথা কেউ ভাবে না।হয়তো আমি নিজেও না।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: কে আর কার কথা ভাবে বলেন ! তারপরও একটা সচেতনতাবোধ থাকা দরকার...আমাদের আশেপাশের পরিবেশ যদি উন্নত হয়, শিক্ষার হার বাড়ে, তাতে আমাদেরই লাভ ...

৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩০
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমি স্লামডগ সিনেমাটা দেখিনি।অনেক আগে কলকাতাকে নিয়ে "সিটি অফ জয়" নামে একটা সিনেমা দেখেছিলাম।ফরাসি বংশোদ্ভুত পরিচালকের কলকাতার বস্তি নিয়ে
সিনেমা।
স্লামডগ নামটাই আপত্তিকর।স্লামে বাস করলেই কি কেউ/কাউকে ডগ বলাটা (সিনেমাটিক প্রয়োজনে) যায়েজ হয়ে যায়।আর এই ধরনের দু/এক জনের সাফল্যের গল্প পরিচালকের ক্যারিয়ারে ব্যাপক সাফল্য আনলেও যাদের নিয়ে সিনেমা তারা সেই তিমিরেই থেকে যায়।যাইহোক, আপনার পোষ্ট নিয়ে বলার কিছু নাই; ঢাকায় নিত্যদিনের জিবন এমনই।আর কিছুটা অপ্রাসংগিক আলোচনার জন্য দু:খিত।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: নাহ, আলোচনা অপ্রাসংগিক হয় নি...

আসলে বাস্তব জীবনেও কিন্তু আমরা নানা রকমের গালি ব্যবহার করি...সিনেমাটিতেও কিন্তু সেগুলোর কিছু বারবার ব্যবহার হয়েছে ...

৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩১
নতুন বলেছেন: আমাদের সমস্যা হচ্ছে জনসংখ্যা....

১ মুখ সোনা দিয়া ভরা যায়... হাজার মুখ ছাই দিয়া ভরা সম্ভব.... কিন্তু লক্ষ কোটি মুখ ছাই দিয়া ভরতে হলে...

ছাই ও আমদানী করতে হবে... :(

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: বিশাল সমস্যা ...:(

সবার জন্য শিক্ষা জোরদার করতে হবে... শিক্ষা ছাড়া পরিবর্তন আসবে না

৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩২
ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: "slumdog" শব্দটি ব্যবহার করে ছবির নির্মাতার মুম্বাইয়ের বস্তিবাসিদের অবমাননা করেছেন। ছবি যতই পুরষ্কার পাক, প্রশংসিত হোক, কাউকে তথা বস্তিবাসিদেরকে এভাবে অপমান করা ছবি নির্মাতার (দের) মোটেই উচিত হয়নি।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয়, বস্তিবাসীদের প্রতি আমাদের যে নাক সিঁটকানো ভাব থাকে, আচরণে ঘিনঘিনে ভাব থাকে, সেটার প্রকাশের জন্যই এইরকম নামকরণ ...

slumdog থেকে millionaire ...দুটোর চরম বৈপরীত্য শব্দগত ব্যবহারে ফুটে ওঠে ...

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: আসলেই ...

৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪২
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: স্লামডগ মিলওনার একটা ফিল গুড মুভি। বলা হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ফিলগুড মুভি। এটা শেষ করে মন বিষন্ন হয় না, ক্রোড়পতি আর লতিকাকে পেয়েছে বলে মন খুশী হয়।
আপনার স্লামডগ পড়ে মন বিষন্ন হল।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: মুভিটা শেষ করে আমারও "ফিলগুড" বোধ হয়েছিল...যাক সব কিছু ভালয় ভালয় হলো..এরকম একটা ব্যাপার...জামাল যদি শেষে ক্রোড়পতি নাও হতো, শুধু লতিকাকে ফিরে পেলেও সেই অনুভূতিটা বজায় থাকতো...সেক্ষেত্রে অর্থ ছিল একটা বাড়তি মাত্রা ...

সমস্যা হলো, শেষের এই ফ্যান্টাসিটা যখন বাস্তবে মেলাতে গেলাম..স্বভাবতই মিললো না... জীবনের এতো চড়াই-উৎরাই পার হয়ে সব জামাল বা লতিকা সুন্দরভাবে ফিরে আসতে পারে না...

১০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৪
সুদীপ্ত বলেছেন: হুমম। দেখি নাই এখনও।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: দেখে ফেলুন ...

১১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
মেঘবাজি বলেছেন: আমি দেখসি...প্রথমে খানিক টানলো এর পর দেখি টিপিক্যাল বলিউডি ছবি, শুধু বানাইছে এক বৃটিশ পরিচালক
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: যেহেতু বলিউডের উপরই কাহিনী ছিল...প্রভাব তো পড়বেই ..

১২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
রিসাত বলেছেন: hmmm... oder durvaggo:( unader jonno amader korar kichui nei,,, karon hisheb korle dekha jabe ora shongkhai khub ekta kom na,,,

jonosjonkhar eto bishal ekta onshsher jonno ki kora jai ta niye vabte gel amar brain kaj kore na,,,

sorkar ki kichu korte pare na?

achcha eta ke je shonghboddho beboshai chokro bola shuru hoyeche ta ki gronjoggo?? ekta baro tero bochorer bachcha ba ekta ondho ba pongu ekta lok jokhon vikkha kore,, ba dustnean e moila khuje tokhon khub koshto hoi,,,

nice post

অনিল কাপুরের কিছু ছবি খুব জটিল
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৫

লেখক বলেছেন: ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ভিক্ষাবৃত্তি করানোর পেছনের তাদের আর্থিক অবস্থা, পরিবেশ যেমন দায়ী, তেমনি ওদের ব্যবহারও করে কেউ কেউ ...এক্ষেত্রে সংঘবদ্ধ চক্র তাদেরই বলা হয়েছে ।

অনিল কাপুরের অনেক সিনেমা আসলেই জটিল।

১৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
সহেলী বলেছেন: খুবভাল বলেছো ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সহেলী ।

১৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৩
মেহবুবা বলেছেন: এমন করে ভাবনা এলেও লেখা হয়ে ওঠে না । অনেক ধন্যবাদ তোমাকে ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহবুবা । আসলে সবকিছু লেখাও হয়নি...ওতোটা দেখাও হয়নি বলে ...

১৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৬
কুতুব্ বলেছেন: ভালো লেগেছে, তবে জতো হৈচৈ শুনছি ততোটা ভালো মনে হৈনি....
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: শুনলাম, ছবির পরিচালক এখন দুস্থ: শিশুদের জন্য তহবিল সংগ্রহ করবেন....এমন হলে ভাল হয়...

১৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৮
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: slumdog থেকে millionaire ...দুটোর চরম বৈপরীত্য শব্দগত ব্যবহারে ফুটে ওঠে ....।
শব্দদুটোকে আমার চরম বিপরীত মনে হয়না।"ডগ" শব্দটা দিয়ে শুধু আর্থিক দৈনতা বুঝায় কি?বিশেষত ভারতীয় কনটেক্সে।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: আমরা যেমন বলে থাকি বস্তির ছেলে.... এখানে ডগ শব্দটি আলাদা ভাবে দেখলে শব্দগত অর্থ দাঁড়াবে না মনে হয়...বস্তির ঘিনঘিনে জীবন ফুটে উঠেছে সিনেমাতে...তাতেই হয়ত প্রতিক্রিয়া তৈরীতে এই শব্দ...সিনেমাতে গালি, তুচ্ছতাচ্ছিল্য হিসেবে কয়েকবারই বলা হয়েছে এই শব্দ

১৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৯
আবু সালেহ বলেছেন:

বাসত্ব .......বাস্তব........অতিব বাস্তব..............
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৩

লেখক বলেছেন: জটিল বাস্তব....কঠিন বাস্তব

১৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আমার কাছে মনে নামের মধ্যে কুত্তা শব্দটা ইচ্ছে করেই ব্যবহার করেছেন পরিচালক। আমাদের অনুভূতির জায়গাটাকে ধাক্কা দেয়ার জন্য।
অসাধারণ ছবি। সম্পাদনার জন্য বেশি ভালো লেগেছে।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: অনুভূতির জায়গাটাকে ধাক্কা দেয়ার জন্য.....আমারো তাই মনে হয়।

১৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৪
দুঃখবিলাস বলেছেন: আমি সামুতে এই মুভি নিয়ে যতগুলো পোস্ট দেখেছি, সবাই টাট্টিখানার ফুটুক দিয়া যে কেন রাখে, বুঝি না। :(
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: মুভিটা দেখা শুরু করলেই বুঝবেন ...;)

২০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৬
পোকা বলেছেন: লেখাজোকা শামীম সাহেব কুত্তা শব্দটা পরিচালক না বইয়ের লেখব ব্যভার করেচে।
২১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: ভালো লিখেছো.....

ভালো থেকো আইরিন।শুভেচ্ছা।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাজি'পু :) দেশে সময় ভাল কাটুক ...

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: সিনেমাটা না লেখাটা ???

:)

ধন্যবাদ ।

২৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩২
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ছবিটা আমার সত্যিই খুব ভাল লেগেছে। কাহিনীটা অসাধারন।

আপনার ছবিটাও ভাল লাগলো। জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। প্রায়ই এদের সম্মুখিন হই। কেন জানি কোন অনুভূতি আসেনা মনে। হয়তো অনুভূতিগুলো মরে যচ্ছে অসহ্য যান্ত্রিকতায় অথবা ট্রাফিক সিগনাল, স্লামডগ মিলিওনেয়ারের মতো ছবি দেখার ফল। জানিনা।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: সিনেমাটির কাহিনী এবং চিত্রায়ন আসলেই ভাল ।

সমস্যা হলো এটাই, প্রতিদির কত রকমের মানুষ পাশ কাটিয়ে যাই...এদের গল্পগুলো জানার তেমন আগ্রহ হয় না ...এদের সমস্যাগুলো তেমন অনুভব করিনা..কিন্তু একটা দেড় ঘন্টা কিনবা আড়াই ঘন্টার সিনেমা আমাদের আলোড়িত করে পর্দার মানুষগুলোর জন্য।

২৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৯
পোকা বলেছেন: আইরিন সুলতানা বোন আমার পুষ্টে আপনার মন্তব্য আশা করচিলাম কিন্তু
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাই পোকা, আমি ইচ্ছে করেই মন্তব্য দেই নি । তবে পোস্ট পড়েছি আপনার ।

২৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
সাইফুর বলেছেন: চুপচাপ পড়লাম...এবং ভালো লাগলো
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: চুপচাপ শুনলাম ...

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: হুম

২৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
শান্তির দেবদূত বলেছেন: মন খারাপ করা লেখা :( .......

ঐ সব শিশুদের জায়গায় আমিও তো থাকতে পারতাম ...... ভাগ্যের কি পরিহাস :|
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: ঠিক...ভাগ্য কোন কোন ক্ষেত্রে অনেক পরিহাসই করে । :(

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: তোমাকেও + ।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: এরই নাম জীবন ...

৩০. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
নাজনীন খলিল বলেছেন:
ছবিটি দেখেছি-----তোমার মতোই আমাদের স্লামডগদের কথা ভেবেছি-----মন খারাপ হয়েছে----এরপরতো আর কিছুই করার নেই নিজের বৃত্তে ফিরে গেছি.......................................

যে কোন ছবির শেষে দর্শকদের প্রত্যাশিত আনন্দ থাকে।বাস্তবের চলমান ছবিটির কোন শেষ নেই---আনন্দের কোন প্রত্যাশাও নেই........................
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: ছবির শেষটা আনন্দেরই ছিল..ওই জায়গাটা নেহায়েতই সিনেমা...মাঝের ঘটনাগুলো বাস্তব থেকেই...

তারপরও প্রত্যাশা বাস্তবের শেষগুলোও এমন হোক ...

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: :(

৩২. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২
'লেনিন' বলেছেন: অনেকদিন পর ঠিক ব্লগ লিখলেন। সামুতে আসার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের অ্যাক্টিভিজম নিয়েই পোস্ট দেখেছি কেবল। তার মাঝে আপনার স্বভাব-সুলভ লেখাগুলো সুযোগই পাচ্ছিলো না।

কবিতা, ছড়াও দেখবো আশা রাখি। :)
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: তা ঠিক অনেক দিন আলাদাভাবে নিজের ব্যক্তিগত কিছু প্রতিদিনের চিন্তাভাবনা নিয়ে লিখলাম....

ছড়া-কবিতা ? ছড়াকার লেনিন থেকেই শুরু হোক তবে ...:)

৩৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: ছবিটা এখনও দেখা হয়ে উঠেনি, পেপারে আজও এর সমালোচনা পড়লাম।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: এই সাপ্তাহিক ছুটিতেই সময় থাকলে দেখে ফেলুন...তারপর আপনি নিজেই এই সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করতে পারবেন :)

৩৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: অনেকদিন পর আসলাম আপনার ব্লগে....আসলে ব্লগেই আসা হয়না আজকাল....লেখাটা অনেক ভাল লাগলো....ভাল থাকবেন সব সময়।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: হুম...আসলেই অনেকদিন পর আসলেন...লিখছেনও না আজকাল ...

আশা করি সব কিছু ভালই চলছে...এখন না লিখলেও লেখার মত নানা অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই জমা হয়েছে আপনার ঝুলিতে ...

৩৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:০২
মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা নাদিম বলেছেন: অনেক সুন্দর। আমার পোষ্টটি দেখার আমন্ত্রণ রইলো।
৩৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
মেঘ বলেছেন: আগামীকাল বই মেলায় যাব। সেখানে কি গণস্বাক্ষর এর ফরম নিয়ে যাব??http://www.somewhereinblog.net/blog/meghkanyablog/28907294
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: দু:খিত মেঘ, অনেক পরে আপনার মন্তব্য খেয়াল করার জন্য।

জ্বী, অবশ্যই, আপনি ফর্ম নিয়ে স্বাক্ষর সংগ্রহের প্রচেষ্টা বই মেলাতেও চালিয়ে যেতে পারেন ।

আজকে বিকালে কিছু ব্লগার জমায়েত হচ্ছেন বই মেলাতে ...বিকাল ৩ টার পর একুশে বই মেলায় "সংহতি" নামক স্টলে ...

আপনি চাইলে সেখানেও যোগ দিতে পারেন।

৩৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: "ডগ" শব্দটি পুরো দক্ষিন এশিয়ার সংস্কৃতিতে খারাপ গালি অর্থে ব্যবহার হয়। হিন্দি ছবিতে প্রচুর ডায়ালগ "কুত্তা - কমিনা " মার্কা, ভিলেনকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে। সেই অর্থে "স্লামডগ" গালি ছাড়া অন্য কিছু না।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: ঠিক...এই বস্তি শ্রেণীর মানুষদের আমরা তাচ্ছিল্যস্বরূপ অনেক ধরনের গালিই দিয়ে থাকি...সিনেমাটিও কিন্তু এরকম কিছু গালি ব্যবহৃত হয়েছে...স্লামডগও সেরকমই একটা গালি ।

৩৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১১
মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন রেজা নাদিম বলেছেন: নতুন একটি পোষ্ট দিলাম। একটু ঘুরে আসবেন নাকি?
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ে এসেছি ।

৩৯. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৩১
নাজিম উদদীন বলেছেন: পাশ্চাত্যে কুত্তাকে অনেক সম্মানের চোখে দেখা হয়। একবন্ধু আরেক বন্ধুকে বলে 'হোয়াটস আপ ডগ'। উপমহাদেশের কনটেক্সট এ কিছুটা খারাপ শোনায়।

স্লামডগ নাম মনে হয় খারাপ অর্থে ব্যবহার করা হয়নি,মানেটা হয়ত ' বেওয়ারিশ কুকুর ' জাতীয় হবে।

মীরা নায়ারের 'সালাম বোম্বে' দেখেছিলাম অনেক আগে। মোটামোটি ভাল মানের হয়েছিল, কিন্তু বেশি সাড়া পায়নি, তখন ভারত নিয়ে , মুম্বাই নিয়ে কারও আগ্রহ ছিল না।

অর্থনৈতিকভাবে এখন ইন্ডিয়ার প্রতি সবার নজর হওয়ায় ছবিটি সবার মুখে মুখে। মুম্বাইয়ের বোমা হামলার কারণেও হয়ত মুভিটি যথেষ্ট এটেনশান পেয়েছে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: ঠিক স্লামডগ ঠিক ওইভাবে এই শ্রেণীর লোকদের নীচু করতে ব্যবহৃত হয়নি ...বরং সমাজে তাদের অবস্থান যেভাবে সবার মাঝে বিদ্যমান...তারই একটি প্রতিফলন ঘটানো হয়েছে নামকরণে ।

মন্তব্যে জন্য ধন্যবাদ ।

৪০. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
শব্দ০০৭ বলেছেন: কেমন আছেন ?
ভাল থাকা হয় যেন।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

বুঝতে পারছি আপনি আমার দেয়া কথা মোতাবেক নতুন কোন বিশেষ পোস্ট খুঁজছেন আমার ব্লগে ...:)

দেখি...আপনার জন্য কিছু তথ্য দেয়া যায় নাকি আজ/কালের মধ্যে ...

৪১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৪
হীরা হাসান বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন। কিন্তু কিছু কি করতে পারি এদের জন্যে!!
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: আপাতত সামান্য সহমর্মিতা ... এবং তারপর যাদের সরাসরি কিছু করার সুযোগ আছে তাদের সঠিক বোধদয় ...এবং অত:পর আমাদের সহযোগীতা ...

৪২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৫
শব্দ০০৭ বলেছেন: আপনিতো অনেক চালাক, বাবু!মাথায় বুদ্ধি ও আছে বেশ।ভাল থাকুন।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নি ।

৪৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
মাইনাস বলেছেন: আমি তুই রাজাকার। বুজলাম নাআমার পুস্টটা মুইছা দিল। পুরা ব্যান করল।
আর এই মাইনাস নিকে একটা পোস্ট দিসিলাম নিকটাই ডিলিট কইরা দিল। মডুগ যে কি হইসে আল্লাই জানে। লগ আউট হইলে আমার কমেন্ট দিতে পারুম না। আমিত বুইঝা পাইলাম না আমি কি দোষ করছি।

আপনেরে পোস্টটা দিয়া গেলাম। শেষেরটা।

..........................

হঠাৎ থমকে গেলাম, নেই, যেখানে থাকার কথা ছিল সেখানে এখন শূন্য। শূন্যতার তীব্র আহাকার কামরে ধরে বুকের পাজর, চোখে অন্ধকার লাগে, আবারও দেখি, নাহ পোস্টটি নেই। পোস্টটি ডিলিট হয়েছে। অবাক হয়ে খুজি কি কারন থাকতে এর পেছনে। নাস্তিক, আস্তিক, প্রলয়, কোন জায়গা থেকে ডিলিট হল পোস্টটি ? আমি নাস্তিকতা ও আস্তিকতার মৌলবাদিদের সাপোর্টার নই, আমি প্রলয়েরও সাপোর্টার নই। আমি আমার দেশের সাপোর্টার। আমার দেশের জন্য যেটা ভাল হবে আমি তাই করব। সেটাকে কেও জাতীয় করন বলুক আর সব দোষ নিজের ঘাড়ে নেয়ায় বলুক আমি থোড়াই কেয়ার করি! একজন বাঙালী হিসেবে যদি আমার লজ্জা হয় প্রলয়ের অপকর্মে, তাহলে সেটা কি আমার দোষ, নাকি, সময়ের অযাচিত হস্তক্ষেপ ? আমি যদি আমার ছোট মেয়েটার জন্য ভয়ে কুকড়ে উঠি, ওর ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হই, সেটাও কি আমার দোষ ? আমার বুকে আচড়ে পড়া মেয়ে যখন বিষের যন্ত্রনায় নীল হয়ে যায়, মুখ দিয়ে অনবরত ফেনা পড়তে থাকে, সেটাতে কষ্ট পাওয়াও কি আমার দোষ ? হ্যা, সেটা আমার দোষই হবে, নইলে আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ পিতার মেয়ের কাছে ক্ষমার চাওয়ার পোস্টটি কেন ডিলিট করবে মহাশয় দেবরা ? দেবরা ভাই নাকি এই ব্লগের মডারেটর। উনার মানুষের ফিলিংস নিয়ে কিছু যায় আসে না। চোখে ঠুলি পড়ে সামনে যা আসে সব কিছু ডিলিট করে দিয়ে তার কর্মের দক্ষতা প্রমান করে থাকেন। কোন মেয়ের নিরব আকুতি লেখার অক্ষর ভেদ করে তার কাছে পৌছায় না। কে মরল, কে বাচল, কিসে যায় আসে!

মহাশয় দেবরা, হাত জোর করে বলি, আমার লেখার প্রলয় একটা চিহ্ন ছিল মাত্র। ওখানে কোনভাবেই প্রলয়কে নিয়ে কিছু বলা হয় নি যেটা নিয়মের লংঘন হয়। লংঘন যদি খুজতে চান তবে চোখ খুলে দেখুন সারাদিন আস্তিক আর নাস্তিক দিয়ে দুই মৌলবাদি গ্রুপের মারামারি। তাদের শব্দচয়ন হয়ত আপনার কাছে অতিশয় মধুর লাগে বিধায় তাদেরকে অনায়াশে দেখা যায় ব্লগের ময়দানে। আপনি কি তাদের পোস্টগুলো পড়ে দেখেন, নাকি চোখ বুলান ? কোন অসামঞ্জস্য কি আপনার চোখে পড়ে না?

মহাশয় দেবরা , আমি অতিশয় দুঃখিত এইভাবে কথা বলার জন্য। আমার গোস্তাকি মাফ করবেন। আমি মিনতি করি, আপনার যেন কোন মেয়ে না হয়, সেই এলোচুলে যেন আপনার বুকে কোনদিন আছড়ে না পড়ে। কোনদিন যেন না বলে, "বাবা, আমাকে পুতুল কিনে দিবে, ঐ যে লাল রংএর পুতুলটা?" আপনিও মায়াময় চোখে যেন ওর দিকে তাকিয়ে না বলেন," মা। চল বাইরে যাই, তোমার জন্য পুতুলের রাজ্য কিনে দেব।"আমি মিনতি করি, স্বপ্নভংগের ব্যথায় যেন আপনাকে নীল না হয়ে উঠতে হয়!" দুলছে হাওয়ায়, না না কোন ফুল নয়......নীলাঞ্জনা গানটার কথা খুব মনে পড়ছে। জানি না এই সময় মনে পড়ে ভুল করলাম কিনা! তাও মনে পড়ছে। এ যে বাবার মন! বাবাতো কখনো পারে না তার সন্তানের ক্ষতি চাইতে? সেতো চাইতে পারে না, তার সোনামনি মেয়ে লম্পট কাপুরুষের হাতে পড়ে নিঃশ্বেষ হোক! আমি আবারও মিনতি করি, আপনার যেন এই অবস্থা দেখতে না হয়।

মহাশয় দেবরা, আমাকে যদি চিনতে না পারেন তবে আমি বলি আমি কে? আমি অন্য আরেক নিকের অধিকারী এক মানুষ , যে ছদ্মবেশে সবসময় আপনাদের পাশে পাশে ঠাকে কিন্তু মুখ দেখানোর সাহস হয় না। লজ্জায়, ঘৃনায়, পুরুষ হবার যাতনায়। হ্যা, আমি তুই রাজাকার নিক। যেই নিকের পোস্ট আপনি আজকে ডিলিট করেছেন। কি ছিল তাতে, ছিল এক পিতার ঐ স্বপ্নগুলোর কথা ও স্বপ্নভংগের হতাশায় মেয়ের কাছে অক্ষম পিতার ক্ষমা চাওয়ার কথা। হয়ত সেই অক্ষম পিতার ক্ষমা আপনের ভাল লাগে নি। হয়ত সেই মেয়ের বিবর্ণ ছবিও আপনার মনকে নাড়া দিতে পারে নি। কিন্তু কি বলব মহাশয়, ওটাই যে আমার নিয়তি। ওর থেকে ভালভাবে যে আমি মনের কষ্ট প্রকাশ করতে পারি না। আমি তো সিনেমার ডায়লগের চিৎকার করে বলতে পারি না, হে পৃথিবী আমার বুকটা চিড়ে দেখ এই কষ্ট সত্য কিনা, মৃত মেয়ে কান্নায় এই বুকটা ভারাক্রান্ত কিনা। মহাশয় মাফ করবেন, আমি সিনেমা ও ভান্ডামী শিখিনি, আজও শিখতে পারলাম না।

দোয়া করি আপনার মেয়ে হলেও যেন সে সুখি হোক!
৪৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০০
চাচামিঞা বলেছেন: অনেক বড় লেখা হলেও, সুন্দর লিখনির কারনে খুব দ্রুতই পড়ে ফেললাম।
৪৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
অরণ্য আনাম বলেছেন: বই মেলায় কী এসেছিলেন আপা?
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: নাহ..এখনও যাই নি বইমেলাতে...তবে এই শুক্রবার যাবো...আশা রাখি...আমার কাছে কিছু স্বাক্ষর জমা পড়েছে..সেগুলো এই সুযোগে জমা দিয়ে আসব ।

৪৯. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৯
নিহন বলেছেন:

এবং বাসন্তী শুভেচ্ছা ।

৫০. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৫
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ছবিটা দেখি নি। বিগ বি কে নাকি ছবিতে অভিনয়ের অফার দেয়া হয়েছিলো। ভারতকে বিশ্বের সামনে ছোটো করা হচ্ছে এ ছবিতে, এ অভিযোগ তুলে তিনি রাজী হন নি।

স্লামডগ দেখার ইচ্ছে রইলো। লেখা যথারীতি ভালো লেগেছে।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: এতো দিনে সিনেমাটি দেখা হয়ে গেছে নিশ্চয়ই :) ধন্যবাদ ।

৫১. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০২
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন: ইয়া! ইট ইজ.. এন্ড উই জাস্ট অ্যাক্সিলারেট দ্যা হাংপেনিং।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: Irony of fate ...

৫২. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৩
মজনু মিয়া বলেছেন: ভাবনার খোরাক জোগাবে এই লেখা।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৭

লেখক বলেছেন: কোন কাজ করার আগে ভাবতে হয়...আশা করি আমরা সবাই এদের নিয়ে ভাবব এবং যার যার জায়গা থেকে কিছু করব।

৫৩. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৩
পারভেজ বলেছেন: হুম, খুব বেশী মন্তব্যের কিছু নেই। কথায় , আলোচনায় তো কিছু হয় না :( যাদের করার থাকে তাদের নজরে কিছু পড়ে বলে মনে হয় না।
লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: ঠিক...যারা সরাসরি এসব কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন আমার মনে হয় কোথাও একটা বিশাল আন্তরিকতার অভাব আছে ...নাহলে বাস্তব চিত্রটা কিছু হলেও অন্যরকম হতো । ধন্যবাদ পারভেজ ভাই ।

৫৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৪২
তানবিন বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন.....:) সত্য...খুবই সত্য কথা গুলি।
but
"এক সময় রাজনীতির মিছিলে টোকাইদের ঠেলে দেয়া হতো। পিকেটিং করানো হতো।" এটা সত্য না। "হতো" না বলে,"হয়" বলা উচিৎ। they still use them...:@

 

মোট সময় লেগেছে ২.১৯৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন***...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ