আমার প্রিয় পোস্ট

অনেকের মাঝেও একা থাকা যায়, নি:সঙ্গতায় কারো অনুভব ছুঁয়ে যায় ...

Split Personalities:: আপনি সুস্থ আছেন তো?

১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

শেয়ারঃ
0 5 0



"Twisted excursions of the mind Denote something of a different kind A hidden self lost within Free to roam Unconscious of sin"
[সূত্র: http://lisaacs.wordpress.com/2009/03/ ]


আজকের যুগে হরেক-রকম অসুখ-বিসুখের কথাই শোনা যায়। মানসিক অসুস্থতাও রোগ-ব্যাধির আওতায় পড়ে এবং মানুষের দ্বৈত-স্বত্বা বা বহু-স্বত্বা এরকমই একটি মানসিক ব্যাধি বলে গণ্য করা হয়। যদিও অনেকেই এই অসুখটির প্রকৃত অস্তিত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে থাকে অথবা ধারণা করা হয় কেউ বড় জোর অভিনয় করে চলেছে!

আমরা যখন শিশুদের মাঝে থাকি অথবা সহপাঠিদের সাথে কিংবা বয়োজেষ্ঠ্যদের সাথে কিংবা অশিক্ষিত মানুষদের সাথে কিংবা মেয়েদের সাথে বা উচ্চমার্গের ব্যক্তির সাথে- আমরা কিরকম আচরণ করে থাকি? বস্তুত একেকটি শ্রেনীর বা সম্পর্কের মানুষের উপরই এই আচরণ নির্ভর করে। বিশ্বাস করুন, আমাদের আচরণ, উপস্থাপন ভঙ্গি এমনকি প্রতিক্রিয়া পর্যন্ত নির্ভর করে বিভিন্ন পারিপার্শ্বিকতা, শ্রেনী বা সম্পর্কের উপর। তারমানে কি এই যে আমরা দ্বৈতস্বত্বা বা বহু-স্বত্বার স্বীকার? যদি তাই হয় তবে বলতেই হবে যে আমাদের সকলেরই দ্বৈত-স্বত্বা/বহু-স্বত্বা আছে; আমরা আমাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে, বন্ধুদের সাথে, জীবন-সঙ্গির সাথে এবং কোন অচেনা ব্যক্তির সাথে ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করি, তাই না ?

এখন আসুন জেনে নেই Split Personality বা দ্বৈত-স্বত্বা/বহু-স্বত্বা বলতে আসলে কি বোঝায়!

দ্বৈত ব্যক্তিত্ব হলো প্রকৃত পক্ষে বিরল এবং বিপরীত ধর্মী মানসিক অবস্থা যেখানে নিজস্ব, স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বময় গুণাবলীগুলো বিলুপ্ত হয়ে দুই বা ততোধিক ভিন্নধর্মী, স্বাধীন ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটে। একে বহুরূপী ব্যক্তিত্বের লক্ষণ অর্থ্যাৎ Multiple Personality Syndrome (MPS) বলা যায়।



ব্যাখ্যাঃ দ্বৈত-ব্যক্তিত্ত্ব সংক্রান্ত সরাসরি এমন কোন বিভাগ বা বিবরণ মনোবিজ্ঞানে নেই। তবে ডা: জেকিল এন্ড মিস্টার হাইড জাতীয় নাটকীয় এবং বহুরুপী চারিত্রিক বিশ্লেষণে এই বিশেষণটি বস্তুত প্রচলিত কথাবার্তায় ব্যবহার করা হয় । প্রায়শই(schizophrenia) নামক মানসিক ব্যাধির সাথে একে গুলিয়ে ফেলা হয় কারণ এর শব্দোৎপত্তিগত দিক (from the Greek schizein, to split + phren, mind) খানিকটা ভ্রান্ত ধারনা দেয় যে, স্কিজোফ্রেনিয়া (উচ্চারণটি: স্কিট-জো-ফ্রিনিয়া/স্কিট-জো-ফ্রেনিয়া) একটি দ্বৈত-ব্যক্তিত্ব। যদিও স্কিজোফ্রেনিয়া রোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিত্বের আচরণ, চিন্তাভাবনা, আবেগের হুটহাট পরিবর্তন হয় তবে তা একক ব্যক্তিত্বেরই প্রকাশ। স্কিজোফ্রেনিক রোগী, দ্বৈত বা বহু ব্যক্তিত্বের অধিকারী মানসিক রোগীদের চেয়ে অনেক বেশীই যুঝতে থাকে নিজের সাথে মূলত নিজের ভেতরের চরম বৈশাদৃশ্য নিয়ে।

এবার একটু জেনে নেয়া যাক ব্যক্তিত্ব বলতে আসলে আমরা কি বুঝি।

ব্যক্তিত্বের মূলত তিনটি বিশ্লেষণ আছে; যার দু’টো হলো সাধারণ এবং জনপ্রিয় অর্থে এবং তৃতীয়টি বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্বিক । ব্যক্তিত্বের প্রথম এবং সাধারণ সংজ্ঞাটি হলো মূলত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগত সমষ্টি অর্থ্যাৎ চেহারা, আচরন, অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্দ এবং নীতি-আদর্শগত দিক। দ্বিতীয় সংজ্ঞাটি মূলত নির্দেশ করে একজন ব্যক্তি থেকে আরেকজনকে আলাদা করে দেখার বৈশিষ্টগুলো। প্রথম বিশ্লেষণটি শুধুমাত্র ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্টগুলোকেই নির্দেশ করে অন্য কারো সাথে কোনরূপ তুলনা ব্যতীত। অন্যদিকে দ্বিতীয় বিশ্লেষণটি একই বৈশিষ্টগুলোকে চারপাশের অন্যান্যদের সাথে মিলিয়ে দেখে এবং তাই উল্লেখ করে যা কেবল অন্যদের থেকে একজনকে আলাদা করে তোলে। দ্বিতীয় সংজ্ঞাটি আসলে নির্দেশ করে একক চারিত্রিক বৈশিষ্টকে।

তবে তৃতীয় সংজ্ঞাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং যে কোন গবেষক, দার্শনিক বা মানসিক চিকিৎসকের কাছে একটি মূল ব্যাখ্যা। এই ধারণাটি সম্পূর্ণই মানসিক বৈশিষ্টগুলোকেই ইঙ্গিত করে এবং কোন সাধারণ বা সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ করেনা। বস্তুত নির্দিষ্ট কোন বৈশিষ্টের চেয়ে মানসিক অবস্থার বিভিন্ন ধাপকেই নির্দেশ করা হয়। মানসিক অবস্থার বিভিন্ন ধাপগুলোর ধারণ ক্ষমতা বা কিরূপে তা বহন করা হয় তাই মূলত ব্যক্তিত্ব বলে মানসিক চিকিৎসক বা দার্শনিকরা মনে করে থাকেন। এভাবে বলা যায় যে, ব্যক্তিত্ব মূলত সচেতনতার একটি প্রবাহ যেখানে প্রশ্নাতীতভাবে কোন একটি বিশেষ অবস্থা স্থির বা স্বাভাবিক বা প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় থাকবে। শারীরিক নিদর্শন এখানে কোন ভূমিকা রাখেনা যদিনা তা কোন না কোন ভাবে মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে।



দ্বৈত বা বহু-ব্যক্তিত্ব সংক্রান্ত সম্ভাব্য ঘটনাবলী চিকিৎসা শাস্ত্রে অন্তর্ভূক্ত হতে শুরু হয় উনিশ শতক থেকে। যদিও একসময় এই অসুখটিকে প্রায় অস্থিত্বহীন ধরা হতো এবং এই অসুখ সংক্রান্ত ২০০টিরও কম ঘটনা জানা যাবে ১৯৮০ সালের পূর্বেকার সময়ে। এই বিশ্লেষণটি নানা কারণে বেশ গতিপ্রাপ্ত হয় ১৯৮০ সালের দিকে। ১৯৭৩ সালে Flora Schreiber –এর ষোলটি ভিন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী এক মহিলার কাহিনী নিয়ে Sybil বইটি অভূতপূর্ব সাড়া জাগায়। বহুরূপতা নিয়ে কাল্পনিক বা অন্য কোন গল্প নতুন কিছু ছিলনা অবশ্য; ১৯৫৪ সালে The Three Faces of Eve এবং ১৮৮৬ সালের সেই The Strange Case of Dr. Jekyll and Mr. Hyde, তথাপি Sybil যেন একটি বিশাল আবিস্কার ছিল- শিশুকাল থেকে পারিপার্শ্বিক নেতিবাচক ঘটনার মানসিক চাপ বিস্তৃতি লাভ করে বহুরুপী ব্যক্তিত্বের জন্ম দিতে পারে।

দ্বৈত/বহুরুপী ব্যক্তিত্বের বিশেষ লক্ষণসমূহ -

এ ধরনের বিকারগ্রস্ত রোগীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারের লক্ষণগুলো সময় সময় পরিবর্তিত আকারে দেয়। এই লক্ষণসমূহ কখনও স্বল্পমাত্রায় আবার কখনও ভয়ংকররূপেও দেখা দিতে পারে। লক্ষণসমূহ –

- বহুরুপী আচার-আচরণ যা বলা চলে একটি আরেকটির সাথে সামঞ্জস্যহীন
- মাথাব্যাথা বা শরীরের অন্যান্য জায়গায় ব্যাথা অনুভব
- সময়ের অবহেলা বা অপচয়
- মনুষত্যহীনতা
- স্মৃতিশক্তিহীন
- বিবেকহীনতা/আবেগহীন
- অতীত দূর্ঘটনা বারবার মনে করা
- ব্যাখ্যাতীত কোন ভয়
- কারণ ছাড়াই হঠাৎ রেগে যাওয়া
- মানুষজনকে এড়িয়ে চলা
- প্রায়শই কোন কাল্পনিক ভয়ে আক্রান্ত হওয়া
- কাল্পনিক কোন ব্যক্তিকে দেখা এবং আপন মনে কথা বলা

চিকিৎসাঃ এধননের মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেনা কারণ সময় সময় বিভিন্ন উপসর্গগুলো বদলাতে থাকে। তারপরও এমন বহুরুপী ব্যক্তিত্ব রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় মূল লক্ষ্যই থাকে তাদের একক, সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিত্বে ফিরিয়ে আনা। এধরনের ক্ষেত্রে রোগীকে মানসিক চাপ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হয় সবসময়। এছাড়াও সাইকোথেরাপি, মেডিকেশন এসবও প্রযোজ্য হয় রোগীর ক্ষেত্রে। আচরণগত বৈসাদৃশকে শুধরে নিতেও চিকিৎসকরা নানারকম কৌশলী ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন যেমন রোগীর শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিত্বের সাথেই প্রয়োজনীয় সাড়া প্রদান করা।

বহু-স্বত্বা রোগে আক্রান্ত ৫৫ বছরের Nira Nevins -কে আদালত ব্যাংক ডাকাতির দায়ে শাস্তি ঘোষনা করেছিল। Nira Nevins আদালতে জানায় যে মাত্র একটি স্বত্বাই ব্যাংক ডাকাতিতে জড়িত ছিল অথচ বিচারের রায়ে সবাইকেই জেলে যেতে হচ্ছে। Nira Nevins দাবি করে ব্যাংক ডাকাতির দিন তার মাঝে একটি শিশুসুলভ স্বত্বা জাগ্রত হয়। ”আমাদের কৃতকর্মের জন্য আমি খুবই লজ্জিত”, নিজের বহু-ব্যক্তিত্ব নিয়ে Nira Nevins আদালতে একথা জানায়। আদালত Nira Nevins -কে ১৮ বছরের হাজতবাসের রায় প্রদান করে ব্যাংকের এক অফিসারকে কিডন্যাপিং করার দায়ে এবং ১৩ বছরের একটানা কারাবাস প্রদান করে ২০০২ সালে ব্যাংক ডাকাতির জন্য। Nira Nevins -কে অবশ্যই ১৫ বছর ৩ মাসের কারাভোগ করতে হবে, প্যারোলে মুক্তির সুবিধাপ্রাপ্ত হতে।

একজন জুরি তাকে ধোঁকাবাজ সাব্যস্ত করে ব্যাংক থেকে $৫০০০ এরও বেশী অর্থ ডাকাতি করার দায়ে এবং তার মাঝে Jimmy নামে একটি শিশু ব্যক্তিত্বের আবির্ভাবে ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে এই প্ররোচনার দায়ে।

Nira Nevins -এর এটর্নি আদালতে প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে Nira Nevins বহু-ব্যক্তিত্বের মানসিক রোগে আক্রান্ত এবং তাকে মুক্তি দেয়া উচিৎ তার এই মানসিক ভারসাম্যহীনতার জন্য। Nira Nevins নিজেও এই বক্তব্য প্রদান করে যে, ২০শে মার্চ ২০০২ সালে, সকাল বেলা সে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে এবং পরবর্তীতে সে যতটুকু মনে করতে পারে তা হলো, ব্যাংক ডাকাতির পর সে নিজেকে পুলিশের গাড়িতে আবিস্কার করে।

তবে আদালত Nira Nevins কে সুচতুর মহিলা হিসেবেই মত প্রদান করে, যে কিনা $১,২৪,০০০ -এর ঋণ এড়াতে এরকম ব্যাংক ডাকাতির পরিকল্পনা করে। আদালত Nira Nevins এর বক্তব্যকে মিথ্যে অভিহিত করে জানায় যে Jimmy নামে একটি শিশু ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি একটি সাজানো নাটক।

এখন ঠিক কি মনে হচ্ছে আপনার – দ্বৈত্ব-স্বত্বা বা বহু-স্বত্বা রোগটি আসলেই বিদ্যমান নাকি সাজানো নাটক?

এমন তো হতে পারে, কোন একক ব্যক্তির মাঝে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি লোকসমাজে তেমন প্রকট ভাবে ধরা দেয় না কিংবা আপাতদৃষ্টিতে তেমন ক্ষতিকারক নয় বলেই এমন ভয়াবহ একটি ব্যাধি আপনার-আমার অজ্ঞাতসারেই আপন ব্যক্তিত্বে বিস্তৃতি লাভ করছে!

আচ্ছা, এমন মনে হচ্ছে না তো যে আপনার মাঝেও এমন অদ্ভূত কিছু বিপরীত ধর্মী স্বত্বা আসলেই লুকিয়ে আছে!!!


সুস্থ মানসিক বিকাশ ঘটুক।
সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন।




*** *** ***
তথ্য সূত্রঃ
১. Click This Link
২. http://www.bbc.co.uk/dna/h2g2/A446393
৩. Click This Link
৪. Click This Link


*** *** ***
কিছু ভয়ংকর/অদ্ভূত কেস হিস্ট্রিঃ
১. Click This Link
২. Click This Link


*** *** ***

একটা গান শুনে নিন-



 

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: কে ? কাকে ? ;)

২. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: lokshyan mele na :(
Toy amar ar duita nick dekhle bujhben split personality keram jinis :#)
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: :) ব্লগে তাহলে তো এই রোগের আক্রান্ত অনেক লোকই আছে !!! :|

১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাজনীন আপু। ভাল থাকুন।

১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: ইউ-টিউব ভিডিও দিসি তো পোস্টের শেষে....দেখতে না পেলে এই লিংকে যাও -

http://www.youtube.com/watch?v=dgxcGejOtYc

১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: লক্ষণ মিলেছে কোনটা ?? ;)

৬. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১১
একরামুল হক শামীম বলেছেন: খাইছে আফায় দেহি চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়া লেখা দিছে :)
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: ছোটকালে ডাক্তার হওয়ার খায়েশ ছিল মনে :)

৭. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১২
অ্যামাটার বলেছেন: - বহুরুপী আচার-আচরণ যা বলা চলে একটি আরেকটির সাথে সামঞ্জস্যহীন
- মাথাব্যাথা বা শরীরের অন্যান্য জায়গায় ব্যাথা অনুভব
- সময়ের অবহেলা বা অপচয়
- মনুষত্যহীনতা
- স্মৃতিশক্তিহীন
- বিবেকহীনতা/আবেগহীন
- অতীত দূর্ঘটনা বারবার মনে করা
- ব্যাখ্যাতীত কোন ভয়
- কারণ ছাড়াই হঠাৎ রেগে যাওয়া
- মানুষজনকে এড়িয়ে চলা
- প্রায়শই কোন কাল্পনিক ভয়ে আক্রান্ত হওয়া
- কাল্পনিক কোন ব্যক্তিকে দেখা এবং আপন মনে কথা বলা;

কমসেকম ছয়টা লক্ষন মিলেগেল, ৫০% পজিটিভ; ইন্নালিল্লাহ্!:|


নিরা নেভিসের কেসটা সম্বন্ধে আজই প্রথম জানলাম, গত বছর একটা হিন্দি মুভি দেখিলাম সম্ভবত এইটার উপর ভিত্তি করে, নামটা মনে আসছেনা :( দ্বৈত সত্বা, একটা ভিষন নিরীহ, আরেকটা দানব, এ'রকম।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ডাক্তার দেখাও শীঘ্রই :|

হুমম, অজয় দেবগন-উর্মিলার একটু মুভি ছিল, আবার আরেকটা কি জানি মুভি আসছিল, শিল্পা শেঠ্ঠি ছিল, আরো অনেকে, একটা মোটেলে/রেস্ট হাউজে খুন হয়, একটা বাচ্চা ছিল মনে হয় স্প্লিট পারসোনালিটি রোগে আক্রান্ত....কোন মুভিরই নাম মনে নাই....!!!! হায় আল্লাহ...স্মৃতি শক্তি তে সমস্যা ! তাহলে কি ......?? :|

১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: হালের ভুলভুলাইয়া মুভিতেও কিন্তু বিদ্যা বালান এই রকম দ্বৈত-স্বত্বার চরিত্রে অভিনয় করেছিল, যদিও মুভিটিতে শুরু থেকে ভুতুড়ে কারবার মনে হচ্ছিল ।

৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:১৫
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: সচেতনভাবে স্ববিরোধী আচরনও দৈত চরিত্রের নামান্তর। সে হিসাবে এই ব্লগ Split Personalities-এর আখড়া। কাজেই এখানে "আপনি সুস্থ আছেন তো?" প্রশ্নটা আমার কাছে খুবই প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে। যদিও একটি রোগের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ায় আপনার পোষ্টের উদ্দেশ্য বলে মনে করি।

যতটুকু জানি Split Personalities-এ আক্রান্তরা দ্বৈত আচরন করে অচেতনে, এক প্রকার আচরনের সময় অন্য প্রকার আচরনের কথা বেমালুম ভুলে যায়।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে প্রথম অংশটি নিয়ে আর নাইবা কিছু বলি :)

একদমই যে ভুলে যায় তাও হয়ত নয়, ব্যাপারটা একটু সিনেমাটিকও হতে পারে। ছোট-খাট কিছু ক্ষেত্র বিশেষে মনে রাখতেও পারে, যদি একই ব্যক্তিতে দুইয়েরও বেশী ব্যক্তিত্বের সমাবেশ ঘটে থাকে।

৯. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩১
চরণ দাস বলেছেন: উচ্চারণের প্রতি যত্নবান হতে অনুরোধ রাখছি। কেউ ভুল করলে সঙ্গে সঙ্গে আরেকজন তা শিখে যায়।

সঠিক উচ্চারণ স্কিজোফ্রেনিয়া।

সিজোফ্রেনিয়া বহুলপ্রচলিত কিন্তু ভুল।

উইকির লিঙ্ক দিয়েছেন দেখলাম। এখন এটাকে আমরা ডিড ( ডিসোসিয়েটিভ আইডেন্টিটি ডিসর্ডার ) বলি। ওগুলো আগে বলতো। সুতরাং হেডিংটা ডিড লিখলেই ভালো হত। যার জন্যে ওখানেও আর্টিকল রিডিরেক্টেড করা আছে।


রেফারেন্স হিসেবে সব সময় আপাকে ( আমেরিকান সাইকায়াট্রিক আসোসিয়েশন ) ফলো করবেন - জীবনেও ঠকবেন না।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, সঠিক উচ্চারণটা জানা ছিলনা, পোস্টে বানান ঠিক করে দিয়েছি।

ডিড বলা হয়, সেটা দেখেছি, যেটা আমি ইউকির লিংকটা পড়ার আগে জানতাম না..তবে স্প্লিট পারসোনালিটি শব্দটার সাথেই বেশী পরিচিত ছিলাম, আর এটা মনে রাখাও বেশ সহজবোধ্য হবে সবার কাছে, তাই শিরোনামে এটাই দিলাম।

মনে রাখলাম, ঠকতে না চাইলে আপা'র কাছে যাবো। আবারো ধন্যবাদ।

১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: ব্লগার মাভেরিক জানালেন, শব্দটির উচ্চারণ অনেকটা এরকম : স্কিট-জো-ফ্রিনিয়া/স্কিট-জো-ফ্রেনিয়া

১০. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৩
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: আপার পোষ্টতো ১০০% তথবহুল। পড়লাম & প্রিয়তে রাখলাম।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: তথ্যের কি আর শেষ আছে রে ভাই !!! কিন্তু এতো পড়ার আর ধৈর্য্য হলো না, লেখাও সম্ভব না...আপাতত সাধারণ জ্ঞানটাই থাকুক ।

পড়ার জন্য এবং প্রিয়তে নেয়ার জন্য ধন্যবাদ রোমাস।

১১. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:০৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অক্ষয় খান্না, অজয় দেবগান আর উর্মিলার একটা হিন্দি মুভ্যি দেখছিলাম, দিওয়াঙ্গি নামে। ওইটা নকল করছিলো রিচার্ড গেরের প্রাইমাল ফিয়ার থিকা। split personality সম্পর্কে ওই প্রথম জানি। আজকে আরো বিস্তারিত জানলাম, ধন্যবাদ আপনারে আপু
১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:০১

লেখক বলেছেন: আমিও ওই মুভিটা দেখেই স্প্লিট পারসোনালিটি ওয়ার্ডটা সম্পর্কে ওয়াকেবহাল হই।

১২. ১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
জেরী বলেছেন: লাকি আফার তেনার কথা মনে পড়ে গেল;)
১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: জেরী দেখি মনের কথা বলে ফেললো ;)

১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ।

১৪. ১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
রাহামনি বৃষ্টি বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে নিলাম....

পরে পড়ে কমেন্ট দিবো।
১৪ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: হুমমমমমম, ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
চিকিৎসাসেবা নিয়ে অসাধারণ পোষ্ট !!! বিস্তারিত জানতে পারলাম।
পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আইরিন'পু।


-মাথাব্যাথা বা শরীরের অন্যান্য জায়গায় ব্যাথা
- সময়ের অবহেলা বা অপচয়
- অতীত দূর্ঘটনা বারবার মনে করা
- ব্যাখ্যাতীত কোন ভয়
- কারণ ছাড়াই হঠাৎ রেগে যাওয়া
- প্রায়শই কোন কাল্পনিক ভয়ে আক্রান্ত হওয়া



তবে এই সমস্যাগুলো আমার রয়েছে।


ভালো থাকুন।
শুভেচ্ছা আপনায়।
১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: পোস্টে দেয়া লিংকগুলো পড়লে আরো অদ্ভূত তথ্য জানতে পারবেন ভাস্কর'দা।


হুমমম..কিছু লক্ষণ মিলছে তাহলে :)

সুস্থ থাকুন সব সময়। শুভেচ্ছা।

১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: :) রামুউউ, তোমারও লক্ষণ মিলে গেছে নাকি !!!

১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: :| :| :|

১৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
ফেরারী পাখি বলেছেন: আমি মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী, তাই আপনার পোষ্ট পড়ে ভালো লাগছে। নিজের বিষয়গুলেঅ তো ঝালাই হলই-- পাশাপাশি চমৎকার একটা লেখা পেলাম।

অনেকদিন নিজের পাঠ্যপুস্তকের সাথে কোন যোগাযোগ নাই। প্রিয়তে নিলাম।
১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

লেখক বলেছেন: উপসসস!!! আমি কিন্তু মনোবিজ্ঞানের ছাত্রী না ...টার্মটার সাথে পরিচিত ছিলাম...অনেক সময় আশেপাশের অসুস্থ চিন্তাভাবনার মানুষদের চিনতে পারলে এই টার্মটা মনে হয়....সামান্য আগ্রহ হলো একটু ইন্টারনেটে এ নিয়ে টুকটুক পড়ে দেখার...পড়তে গিয়ে মনে হলো অনুবাদ করে ব্লগেই দিয়ে দেই :)

কোন ভুল তথ্য দিলে শুধরে দিতে কার্পণ্য করবেন না কিন্তু। ধন্যবাদ।

১৯. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০
পারভেজ বলেছেন: চিকনমিয়া বলেছেন: খাইচে
১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: লক্ষণ মিলেছে কোনটা ?? ;)

১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন: ভয় পাইসি :-& :-& :-&

১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু থ্যাংকু ।

২২. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
কালপুরুষ বলেছেন: দারুন পোস্ট! চমৎকার বর্ণনা ও বিশ্লষণ। খুব ভাল লিখেছছিস। এমন লেখা নিজেকে নিয়ে ভাবতেও উদ্বুদ্ধ করে। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: এই ভেবে ভেবেই পোস্টটা দিয়ে ফেললাম শেষে। ধন্যবাদ।

২৩. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
কালপুরুষ বলেছেন: ইশ্ কত্তোগুলো বানান ভুল। দ্বৈত মানসিকতার ফল।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৪

লেখক বলেছেন: হুমম...ধন্যবাদ।

২৫. ১৪ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪
তারার হাসি বলেছেন:
"আচ্ছা, এমন মনে হচ্ছে না তো যে আপনার মাঝেও এমন অদ্ভূত কিছু বিপরীত ধর্মী স্বত্বা আসলেই লুকিয়ে আছে!!!"
আমি বিশ্বাস করি প্রত্যেক মানুষের মাঝেই
আরেকটা মানুষ, আরেকটা স্বত্তা বাস করে।
ধন্যবাদ আইরিন চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন: ভিন্ন ভিন্ন মানসিক অবস্থাকে কেন্দ্র করে আমাদের মাঝে ভিন্ন ভিন্ন স্বত্বা জেগে উঠতে পারে..তবে অস্বাভাবিক কোন আচরণ এবং তা যদি নিজের এবং অপরের জন্য উগ্র, ক্ষতিকারক হয়ে ওঠে তবেই সমস্যা আসলে ...রোগ এবং রোগী নিয়ে পর্যবেক্ষণ তখন করতেই হবে।

ধন্যবাদ তারার হাসি, সময় করে পড়ার জন্য।

২৬. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫০
ম্যাভেরিক বলেছেন: ত্রৈলোক্যনাথের "ডমরু চরিত"এর চেয়ে দ্বৈতসত্তার অধিকারীরা কি বেশি বিপদজনক? :)

টিউটোরিয়ালটি খুব কাজের। :) :) :)

১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: ওহহহ...ডমরু চরিত....জটিল...হাহাহা..নামটা মনে পড়তেই হাহাহা করে হেসে নিলাম ম্যাভেরিক ভাই :) লোকটা আসলেই দূর্দান্ত ছিল...বড়ই চশমখোর, মিথ্যেবাদি এবং সুচতুর...তার মধ্যে মনে হয় দ্বৈত নয় বরং বহু-স্বত্বার সমাবেশই ছিল :)


স্কিটজোফ্রেনিয়া শব্দটির উৎপত্তিগত কোন ইতিহাস থাকলে সেটা নিয়ে লিখুন না ম্যাভেরিক ভাই :)

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৭. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০১
তনুজা বলেছেন: কাজের পোস্ট -----নিয়ে গেলাম আপু
অনেক ধন্যবাদ
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়ে মন্তব্য দিয়ে পোস্ট টা সাথে করে নিয়েও যাচ্ছেন..তারমানে তো আসলেই কাজের পোস্ট !!! :) আমি খুশী ।

ধন্যবাদ ধন্যবাদ।

২৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৭
পাপী বলেছেন: ভালো লিখেছেন। অনেক তথ্য।
১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: লিখলাম আর কই ! অনুবাদ আর টাইপ করলাম ২-৩ রাত ধরে । মাথাটাই ব্যাথা করতেছে এখন....!!!

২৯. ১৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
চরণ দাস বলেছেন: প্রথম যখন শব্দটি কয়েন্ড হয় তখন স্কি বলা হতো। একটা সময় পরে স্কি -এর সাথে যৌথভাবে স্কিট উচ্চারণটি স্ট্যান্ডার্ডপ্রাপ্ত হয় যেভাবে হের ম্যাভেরিক উচ্চারণ করেছেন। এর কারণ হলো জার্মান ভাষায় জেডের উচ্চারণ ট্স। আপনিসহ আরো অনেক প্রাথমিক শিক্ষার্থীর পক্ষে জটিল হবে বলে আর উল্লেখ করি নাই। মনে রাখিবেন স্কি বা স্কিট কিন্তু সি কভু নয়। ট্র্যান্সলিট্রেশনের সময় অপরিসীম সতর্কতা প্রয়োজন। শুদ্ধতম উচ্চারণটি আরো এক বার দেওয়া হলো :

স্কি---সু--ফ্রি---নি---আহ

অথবা

স্কিট---সু---ফ্রি---নি---আহ

( প্রচুর লোকে ফ্রেনিয়া বলে। তবে সঠিকভাবে দেখতে গেলে এটিও বিকৃত। )

btw, মেঘের ব্লগে আপনাদের জন্যে আমার একটা কমেন্ট আছে। একদম শেষ কমেন্ট। লেসবিয়ানের...
১৮ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: চমৎকার !!! এই পোস্টে এই শব্দটা লেখার সময়ও বুঝতে পারিনি এতোটা বিশ্লেষণ হবে এবং একটা শব্দ নিয়েই জানার আছে অনেক!!! ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার দেয়া লিংকগুলো পড়লাম মাত্র। আসলে কি, জানেন, মেডিক্যাল সায়েন্স এই বৈশিষ্টটিকে অবশ্যই স্বীকৃতি দেবে। তবে ধর্ম এখানে সামাজিক ধ্যান-ধারনাকে যথেষ্ট প্রভাবিত করবে। এমন না যে আমরা যারা এই নিয়ে বিরোধিতা/ উচ্চবাচ্য করতে যাবো তারা সবাই খুব ধার্মিক !!! হাহাহা ....ধন্যবাদ আপনাকে।

৩০. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৭
আবু সালেহ বলেছেন: সুস্থ মানসিক বিকাশ ঘটুক।
সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন।


ব্যাপক বিশ্লেষন........................
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: সালেহ, আপনার অফিসের মেজাজী বসের সাথে এখানকার লক্ষণগুলো মেলে কিনা দেখে নিন ;)

৩১. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫১
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
এইরম গিয়ানী পুস্ট দেকিলে খালি সারওয়ার ভায়ের কথা মনে পরে।
আফসুস।
১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: দিশা হারাইয়া ও মোর ব্লগে সোলাইমান আসছে রে !

১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: আমিও :| :|

১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: সোলাইমান সাহেব, এখন তো ১ থেকে ৫ এর রেটিং নাই....ওটা তো ব্লগের পুরোন পদ্ধতি ছিল!

৩৪. ১৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৭
ছায়ার আলো বলেছেন: কয়েকদিন আগে এই ভিডিওটা দেখেছিলাম ইউটিউবে:
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন: হুমম, ভিডিও টা দেখলাম, পরে গুগল সার্চ দিয়ে ইউকি থেকে কিছু তথ্যও পড়লাম লুইস ওয়াইন সম্পর্কে । শুরুর ছবিগুলো মজারই ছিল তবে পরে তা অবশ্যই অদ্ভূত ছিল। মনে হচ্ছে পারিবারিক ঘটনা এবং আর্থিক টানাপোড়েন তার মানসিক নেতিবাচক মনোভাবে প্রভাব ফেলেছিল অনেক বেশী শেষের দিকে।

৩৫. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
'লেনিন' বলেছেন: মনস্তত্ত্ব নিয়ে আসল গবেষণা তো করছেন আপনি। :)

দু'বার মন্তব্য করতে গিয়ে করা হয়নি। তার মধ্যে শেষের বার বিদ্যুৎ চলে গিয়েছিল।

উপসর্গগুলো দেখলাম, মনে তো হচ্ছে আমি স্প্লিট পারসোনালিটিতে আক্রান্ত :D
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: কি অবস্থা দেখুন তো !!! পোস্ট লেখার পর দেখা গেল অনেকেই আক্রান্ত :|

১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: :-& :-& :-&

৩৭. ১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮
কক বলেছেন: ডা: জেকিল এন্ড মিস্টার হাইড চরিত্রটা আমার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং মনে হয়। ব্লগে এই খেলাটা আরো সহজ। আপাতত আমার কক নামটা মিস্টার হাইডের সাথে তুলনা করতে পারেন, যেখানে আমি বিভিন্ন সহব্লগারদেরকে খোচা মেরে থাকি......শিগ্রই আর একটা নিক করবো..যেখানে আমাকে সবাই সুশীল সমাজের মানুষ বনে ধরে নেবে...শ্রদ্ধা করবে....সালাম দেবে। কাউকে পছন্দ করেলে আমি নতুন নিক দিয়ে আশির্বাদ করবো....আর অপছন্দ হলে কক নাম নিয়ে গালী মেরে যাবো।
বিষয় ডা কি আমি কি অসুস্হ নাকি? ......হুম....আপনার লিখাটা পড়ে নিজেকে এমনই মনে হচ্ছে।
ভালো লিখা.....অবশ্য ব্লগে এর আগে কাকে যেনোডা: জেকিল এন্ড মিস্টার হাইড চরিত্র নিয়ে লিখতে দেখেছি। একজন ব্লগারও আছেন যার নাম ডা: জেকিল এন্ড মিস্টার হাইড।
=================================
সিনেমা টা অনেক দিন ধরে খুজছিলাম....কোথায় পাওয়া যেতে পারে জানেন?
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: আন্তর্জালে এই খেলাটা খেলা অনেক সহজই বটে। তবে বাস্তবেও কিন্তু কম হয়না।

সিনেমাটা আমি অনেক আগে টিভিতে দেখেছিলাম; আপনি ডিভিডি/সিডি দোকানে খুঁজে দেখতে পারেন। নয়তো কোন সাইট থেকে পুরনো মুভি কালেকশনে পেলে ডাউনলোড করার চেষ্টা করতে পারেন।

৩৮. ১৯ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭
কক বলেছেন: রাইফেল্স স্কোয়ারে অনেক খুজা খুজি করসি, পাই নাই। আর আস্তো মুভি ডাউনলো....ও আমার স্পীডে হবে নারে ভাই:(
২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: প্রয়োজনে বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে ১০৮টা নীল পদ্ম খোঁজার মত করে ঢাকার সব কটি দোকানে খুঁজুন ...আপনার তো কেবল একটাই ডিভিডি/সিডি দরকার ।

৩৯. ১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৩
'লেনিন' বলেছেন: তোমার ঘরে বাস করে মন কয়জনা মন জানো না...
তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা...
এক জনে ছবি আঁকে আনমনে... ওহো.. ও মন..
আরেক জনে বসে বসে রঙ মাখে... ওহো.. ও মন..
:)
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: দারুণ দারুণ....:)

মজার কথা বলি, আমি প্রথমে ভেবেছিলাম শিরোনামের সাথে এই গানের প্রথম লাইনটা দিব ...:)

৪০. ২০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: উৎপল দত্তের একটা নাটক আছে "মেঘ", এই দ্বৈত স্বত্বা নিয়ে। পারলে পড়ে দেখবেন।

দারুন লিখেছেন, অনেক কিছু জানা গেলো। ্
২০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: এটা পড়িনি, কোন লিংক থাকলে দিতে পারেন।

পোস্টের শেষে কিছু লিংক দেয়া আছে, চাইলে পড়ে দেখতে পারেন সেগুলোও , লেখা বড় হয়ে যাবে বলে সাধারণ কিছু তথ্যই দিয়েছি কেবল। আপনাকে ধন্যবাদ ।

৪১. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০৭
ছায়ার আলো বলেছেন: - মাথাব্যাথা বা শরীরের অন্যান্য জায়গায় ব্যাথা অনুভব
- সময়ের অবহেলা বা অপচয়
- স্মৃতিশক্তিহীন
- অতীত দূর্ঘটনা বারবার মনে করা
- ব্যাখ্যাতীত কোন ভয়
- কারণ ছাড়াই হঠাৎ রেগে যাওয়া
- মানুষজনকে এড়িয়ে চলা

এই কয়টা আমার আছে...আমি মনে হয় ভালো নাই! :(
ক্যান যে এই পোস্ট পরতে আসছিলাম :(
২১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার সাথেও লক্ষণ মিললো !!!! ;) কেউ তো আর বাকি থাকলো না দেখি !

৪২. ২১ শে মে, ২০০৯ রাত ২:১৯
তামিম ইরফান বলেছেন: জ্বী না আমি সুস্থ নাই।নিজেরে ইদানিং মানুষ মানুষ মনে হইতেছে!
২১ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: তাহলে তো বড়ই চিন্তার বিষয় রে তামিম !!! :|

২১ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: দুই জনের পারসোনালিটি এক হলো কেমনে !!!

৪৪. ২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
রুবেল শাহ বলেছেন: বুজা নোয়া লেয়া দেও না কিল্লায়................... ?
২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪

লেখক বলেছেন: কি বললে তার কিছুই বুঝলাম না তো !!

৪৫. ২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
সার্কিট বলেছেন: স্প্লিট পারসোনালিটিতে সবচেয়ে বেশী আক্রান্ত আমাদের দেশের রাজনীতিবিদগণ। তবে এটা করা হয় সজ্ঞানে। নির্বাচনের আগে পরে উনাদের চরিত্র ড.জেকিল এন্ড মি. হাইড এর চেয়ে কোন অংশেই কম নয়।

তথ্যবহুল পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
২১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: আপনি খুব উপযোগী একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। রাজনীতিবিদদের আচরণ আসলেই এমন এবং ঠিকই বলেছেন, এরা তা সজ্ঞানেই করে।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার মন্তব্যের জন্য।

৪৬. ২২ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
কৌশিক বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়াই ঝামেলার। কোন মানুষের পোস্টে এত মন্তব্য দেখলেই তো সবকিছু স্পিল্ট হইতে শুরু করে। আমরা কি মন্তব্য দেবার জায়গা পামু না!
২২ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ঝামেলা এড়াতে, দেরী না করে আপনার ব্রাউজারের স্ক্রল বাটনটির সহায়তা নিন ..নিমিষেই শেষ প্রান্তে পৌঁছে যাবেন ;) দেখা যাচ্ছে, মন্তব্যের ৪৬ নং ঘরে আপনি জায়গা দখল করে বসে আছেন !!!

৪৭. ২২ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
শুভ মিয়া বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম .. ( মানে পড়ে পড়ি ?? )
২২ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। সময় করে পড়ে দেখবেন।

(না পড়লেও প্রবলেম নাই, একটা মন্তব্যের সংখ্যা তো বাড়লো ;))

৪৮. ২২ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
চানাচুর বলেছেন: ও আপু এইটা কি পোস্ট দিলেন! লক্ষণ কিছু কিছু মিলে গেল :(
২২ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

লেখক বলেছেন: হায় ! হায়! ভেবেছিলাম, তুমি অন্তত ঠিক আছো....কিন্তু এখন দেখি চানাচুরেও ভেজাল !!! #:-S

৪৯. ২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৮
মেহবুবা বলেছেন: অনেক ভাল একটা পোষ্ট , অনেকের জানা হবে প্রয়োজনীয় বিষয় ।
২২ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: জানার কোন সীমা নাই ....:) জানার চেষ্টা বৃথা তাই :(

ধন্যবাদ পড়ার জন্য। বিষয়টা আসলেই ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছিল তাই শেয়ার করা সবার সাথে। তবে আশা এটাই বরাবরের মত, সবাই সুস্থ মানসিকতার চর্চা বজায় রাখি যেন।

৫০. ২৪ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
চাচামিঞা বলেছেন: এতো দেখছি স্টিকি পোস্টের চাইতেও বেশি মন্তব্য পড়েছে.....শেষই যেনো হতে চাইছেনা।
======================================
ভালো পোস্ট সন্দেহনাই.....আসলে ব্লগে এমন পোস্টই দরকার। জ্যাক আর হাইডের গপ্পটা আমার খুব প্রিয়....মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, আমিই সেই ব্যক্তি নাতো?!
২৫ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: সেরেছে !! আপনিই তাহলে ড:জেকিল এন্ড মি: হাইড !!!!! তাহলে তো গল্পটা/সিনেমাটা আবার পড়তে/দেখতে হয়...মিলিয়ে দেখা দরকার !

আপনার ব্লগে ঘুরে এলাম, ব্লগ প্রাণ ফিরে পাচ্ছে মনে হলো। শুভেচ্ছা।

৫১. ২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৩
রুবেল শাহ বলেছেন: বলেছিলাম,
আপু নতুন লেখা দিচ্ছনা কেন................... ?
২৫ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা, আচ্ছা, এখন বুঝেছি ...দেব দেব...গল্প লিখছি..দেখি কতটা শেষ করতে পারি।

৫২. ২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৩
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ব্লগে এই ঘরনার পোস্ট পড়তে ভাল্লাগে, বিশেষ করে বিজ্ঞান-বিশ্লেষণ। আপনার বিশ্লেষণ চমৎকার, পড়ে জানা হলো অনেক এবং ভাল লাগল।
২৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

উপসর্গগুলো মিলেছে কিনা সে ব্যাপারে কিন্তু কিছু বলেননি ;) :|

৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

৫৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
রোবোট বলেছেন: এই পোস্টে ১টা বড় কমেন্ট দিসিলাম। বাঘে খায়া ফেলসে।
৩০ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: বাঘের পারসোনালিটি নিয়ে শংকিত হয়ে পড়লাম ;)

৫৫. ১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: চমৎকার একটি জিনিস তুলে ধরেছো আইরিন? Personality পড়ার অনেক আগ্রহ আমার। Personality Development নিয়ে কিছুটা পড়েছি...........সে এক সাগর। বুঝা অনেক কঠিন।

ভালো থেকো।
১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: বলেন কি আপু !!! আমার আসলে বিষদ পড়াশোনা নেই, শুধু কিছু লিংক পড়ে একটু ইন্টারেস্টিং মনে হলো তাই পোস্ট করলাম।

ধন্যবাদ আপু পড়ার জন্য। ভাল থাকুন। শুভেচ্ছা।

৫৬. ১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: ...........মানুষ চেনা অনেক কঠিন হবে।
১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: হুমম...মানুষ চেনা আসলেই অনেক কঠিন !

৫৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: এই টপিকে অনেক মুভি / বই বের হইছে :)
অনেক কিছু শিখলাম আপু :D
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: ঠিক; গুগলে সার্চ দিলে অনেক মেডিকেল কেস পাবেন । ইন্টারেস্টিং টপিক যা অনেক ক্ষেত্রেই ভয়াবহ ছিল !

আমিও শিখলাম। :)

৫৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আলফ্রেড হিচকক এর সাইকো তো এই টার উপর বেইস করেই । সিম্পলি জুশ এক টা মুভি :D
দেখছেন নাকি আপু?
ইন্ডিয়ার দক্ষিণের একটা মুভি নাম অপরিচিত এই থিমের উপর বেইস করে ভাল লাগছিল ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯০১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন***...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ