আমার প্রিয় পোস্ট

অনেকের মাঝেও একা থাকা যায়, নি:সঙ্গতায় কারো অনুভব ছুঁয়ে যায় ...

শততম আন্তর্জাতিক নারী দিবসঃ দশম মহিলা যাত্রীটি বাসের কোন আসনে বসার অধিকার রাখেন?

০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৭

শেয়ারঃ
0 1 0



পেছনের কথা
১৯১০ সাল। কোপেনহেগেনে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সভা চলছে কর্মজীবি মহিলাদের নিয়ে। জার্মানীর সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক দলের মহিলা কার্যালয়ের নেত্রী ক্লারা জেটকিনই (Clara Zetkin) মূলত প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। ফিনল্যান্ড সংসদে নির্বাচিত প্রথম তিনজন মহিলা সাংসদসহ সতেরটি দেশের একশত জন মহিলা, যারা প্রতিনিধিত্ব করেন কোন না কোন ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক দল, কর্মজীবি মহিলা সংঘ- সবাই একবাক্যে সমর্থন দেন জেটকিনের প্রস্তাবনাকে। ফলাফল আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

জেটকিনের প্রস্তাবনা মতে প্রতিবছর একটি নির্দিষ্ট দিনে বিশ্বের প্রতিটি দেশে একত্রে নারী দিবস পালন করা উচিৎ যাতে নারী অধিকারের দাবিগুলো জোরালো হয়। সেই বছরই প্রথমবারের মত পালিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ১৯শে মার্চে। শুরুতে এই দিনটিকেই বেছে নেয়া হয় কারণ ১৮৪৮ সালে ১৯শে মার্চে জনগণের ক্রমবর্ধমান বিদ্রোহের মুখে প্রুসিয়ার রাজার পতন ঘটে। অজস্র প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ রাজার একটি উল্লেখযোগ্য ব্যর্থতা ছিল নারীদের ভোটাধিকার প্রণয়ন।

১৯১১ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যায়। সেসময় ত্রিশ হাজার নারীর এক বৃহত্তম মিছিলে প্রদর্শনরত ব্যানারগুলো সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ। এবং মহিলা শ্রমিকরা স্বভাবতই তা প্রতিরোধে সচেষ্ট হয়। হাতাহাতির এই পর্যায়ে রক্তপাত এড়ানো সম্ভব হয় শেষ পর্যন্ত সংসদের সোশ্যালিস্ট ডেপুটিদের হস্তক্ষেপে।

১৯১৩ সাল থেকে ৮ই মার্চে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন শুরু হয় যা এখন পর্যন্ত পালিত হয়ে আসছে সারা বিশ্বে। ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘের স্বীকৃতি লাভের পর অনেক দেশেই সরকার তরফ থেকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন শুরু হয়। চীন, আর্মেনিয়া, রাশিয়া,বুলগেরিয়া,মঙ্গোলিয়া, ইউক্রেন, উজবেকিস্তান, ভিয়েতনাম সহ আরো প্রায় ৭টির মত দেশে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জাতীয় ছুটি ঘোষিত হয় দিবসটির স্বতঃস্ফূর্ত পালনের লক্ষ্যে।

১৯১০ থেকে ২০১০: নারী দিবসের মূল সুর

বিভিন্ন বছর পালিত নারী দিবসে জাতিসংঘের মূল আলোকপাত বা থিম।

২০১০: সমঅধিকার, সমান সুযোগ- সবার জন্য উন্নতি
২০০৯: নারী ও মেয়েদের প্রতি নির্যাতন রুখতে নারী ও পুরুষের যুথবদ্ধতা
২০০৮: নারীর জন্য বিনিয়োগ
২০০৭: নারী মুক্তি ঘটুক নির্যাতন থেকে
২০০৬: নারী যখন সিদ্ধান্ত গ্রহণে
২০০৫: ২০০৫ পরবর্তী লিঙ্গ সমতা- একটি সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ গঠন
২০০৪: নারী ও এইচআইভি/এইডস
২০০৩: লিঙ্গ সমতা এবং যুগান্তরী উন্নয়ন পরিকল্পনা
২০০২: আজকের আফগান নারীঃ বাস্তবতা এবং সুযোগ
২০০১: নারী ও শান্তি- দ্বন্দ নিরসনে নারী
২০০০: শান্তির সপক্ষে নারীর যুথবদ্ধতা
১৯৯৯: নারী নির্যাতনমুক্ত বিশ্ব
১৯৯৮: নারী ও মানবাধিকার
১৯৯৭: শান্তি আলোচনায় নারী
১৯৯৬: অতীত পর্যবেক্ষণ, ভবিষ্যতের প্রস্তুতি
১৯৭৫: জাতিসংঘের প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

এই থিমগুলো যে বাধ্যতামূলকভাবে সব দেশেই পালিত হবে বা হয়েছে, তা নয়। বরং প্রতিটি দেশ বা সংস্থা তাদের মত করে বিষয়ভিত্তিক থিম বা স্লোগান সহকারে নারী দিবস উদযাপন করতে পারে।
বাসে নয়টি সংরক্ষিত মহিলা আসনঃ আমাদের নারী অধিকার অর্জন না অবমাননা?

সিদ্ধান্তটা সরকারি ছিলনা নিঃসন্দেহে, তবে বেশ আগের মডেলের বাসগুলোতে ড্রাইভারের বামে,ইঞ্জিনের পাশে, জানালার পাশ ঘেঁষে গদি লাগানো বেঞ্চ জাতীয় আসন রাখা হতো। এখনো এমন রুগ্ন-ভগ্ন মডেলের বাস চলছে যদিও। কোনমতে তিনজন বসা যেত সেই আসনে। কোন এক অলিখিত নিয়ম মোতাবেক, বাসে মহিলা উঠলেই ঠেলে দেয়া হতো সেসব আসনে। পুরুষেরাও যে সে আসনে বসেন না তা নয় অবশ্য। ওগুলো মহিলা আসন হিসেবে যথার্থ কিনা সে প্রশ্নে যাবার আগের প্রশ্নটা হলো, ওগুলো আদৌ যাত্রী আসন হিসেবে গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিৎ কিনা! প্রথমত, যদি সড়ক দূর্ঘটনায় বাসটির সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্থ হয় তো, ওই আসন গ্রহণকারিরা নিঃসন্দেহে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন সবার আগেই। বাসের সামনের কাঁচ, পাশের জানালার কাঁচ- ভেঙ্গেচুড়ে গুড়ো গুড়ো হয়ে গায়ে বিঁধে যাওয়ার আশংকা কোন ভাবেই অমূলক নয় । দ্বিতীয়ত, এসব বাসগুলো যখন ক্রয়-বিক্রয় বাজারে আসে তখন এমন উদ্ভট জায়গায় আসন ব্যবস্থা থাকার কথা নয়। এগুলো নিশ্চিত ভাবেই আমাদের পরিবহন ব্যবসায়ীদের অতি লোভের ফলাফল স্বরূপ অতিরিক্ত সংযোজন। বাড়তি আয়ের ধান্ধায় কিছু ছোট ছোট বাসে তো টুল,মোড়ার মত একটা-দু’টো আসনও দেখা যায়। ফলে মহিলা আসন বন্টন নিয়ে বাড়তি আন্তরিকতা আশা করাই মনে হয় অরণ্যে রোদন।

কর্মক্ষেত্রে আগের চেয়ে মেয়েদের পদচারণা বাড়ছে। ট্যাক্সি-স্কুটার পোষানো সম্ভব নয় বলে বাসমুখী হওয়া ছাড়া গতি নেই। অনেক বাসস্টপেই যাত্রী লাইন মানা হয়না বলে বাসে ওঠার প্রতিযোগীতায় একরকম পেশী শক্তির খেলায় নামতে হয় সবাইকে। নারী চক্ষুলজ্জায় পিছিয়ে যান। একসময় গতন্তর না দেখে তিনিও বাসের পিছু দৌড় দেন, পাশের জনকে অন্যান্য পুরুষদের মত ধাক্কা মেরে সরিয়ে বাসে উঠে ঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করে বসের ঝাড়ি এড়াতে চান, বা ঠিক সময়ে বাড়িতে ফিরে পরিবারের ভ্রুকুটির সমাধা করতে চান। আমরা বাকিরা অবশ্য কেবল দৃশ্যমান মজাটুকুই নেই, ’দেখ্ দেখ, মহিলাডা য্যামনে সবাইরে ঠেইল্যা উঠলো না... !’

ঠেলেঠুলে উঠুন আর লাইনে দাঁড়িয়েই উঠুন, ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর বাসে উঠে একটা খালি আসন পাওয়া সোনার হরিণ পাওয়া সম। নিঃশ্বাস নেয়ার জন্যও বাড়তি জায়গাটুকু পাওয়া যায়না ভিড়ে । ওই গাদাগাদিতে নারীও দাঁড়িয়ে যদিনা কোন সুহৃদ তার আসনটি স্বেচ্ছায় ছেড়ে দেন কোন নারীকে। বসাটা আরামদায়ক নিঃসন্দেহে, তবে দাঁড়ানোটাও খুব বেশী অসুবিধাজনক হতো না যদিনা ভিড়ের মাঝে কেউ না কেউ নারীর আশপাশ থেকে কিছু ঘৃণ্য সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করতেন। বাস থেকে নামাটাও কিন্তু কম ঝামেলার নয়! চালকের অতিরিক্ত তাড়া থাকে যেন, ফলে বাস না থামিয়েই যাত্রী নামানো চলে। ’বাম পা আগে, বাম পা আগে’ নির্দেশনায় চলন্ত বাস থেকে নামেন যাত্রীরা। পদ্ধতিটি এমনিতেই বিপজ্জনক, তার উপর চলাফেরায়, পোষাকেআসাকে- বিশেষত শাড়ির কারণে, কিছু আরোপিত আড়ষ্ঠতায় নারীদের জন্য চলন্ত বাস থেকে এই ওঠা-নামা তো আরো অসুবিধাজনক।

বদলে যাওয়া, বদলে দেওয়ার যুগে দিন বদলের সরকারের সাম্প্রতিক সময়ের একটি সিদ্ধান্ত ছিল বাসে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন। নগরীর বেশীর ভাগ বাসেই এরপর থেকে প্রায় নয়টি আসন সংরক্ষিত রাখা হয় মহিলাদের জন্য। বাসের ভেতর বড় বড় করে লেখা দেখা যায় মহিলা, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সংরক্ষিত আসন। আসনগুলো প্রথম সারির দিকে, তাই নামার সুবিধার্তেই কিনা কে জানে, পুরুষ যাত্রীরা বাসে উঠেই ওগুলো দখল করে নেন। নারী যাত্রীরা নয়টি আসন সম্পর্কে স্বভাবতই অবগত হলেও এতো দিনেও পুরুষ যাত্রীদের অনেকেই দেখা যায় বিষয়টি ’জানেনই না’ জাতীয় চোখ-মুখ করে তাকিয়ে থাকেন। তাদের আসন থেকে উঠে যেতে বললে সে আরেক ফ্যাকড়া! রাজ্যের গোয়ার্তুমি জুড়ে বসে চোখে-মুখে। কেউ কেউ তো রীতিমত কথা অগ্রাহ্য করে গ্যাঁট হয়ে বসে থাকেন। এক্ষেত্রে অবশ্য অনেক পুরুষ যাত্রীও নারীর সহযোগীতায় এগিয়ে এসে আসন দখলকারির উদ্দেশ্যে উচ্চবাচ্য করেন। অতঃপর সেই ব্যক্তি মুখ গোমড়া করে আসন ছাড়েন। নারীর দৃষ্টিতে অধিকার আদায় এবং আসনের পুরুষ যাত্রীটির চোখে রীতিমত উচ্ছেদ পর্বটির সময়কালে কিছু তীর্যক খোঁচা উচ্চারিত হয় নারীর প্রতি। প্রথমেই যে আক্রমণটি আসে তা হলো, সমঅধিকার চাইলে বাসে আলাদা আসন কেন লাগে নারীর? নারী প্রতিবাদী হন,নয়তো চুপটি করে আসনে বসে গন্তব্যে পৌঁছার অপেক্ষা করেন।

একটি হাস্যকর অসচেতন কাজ খোদ নারীও করেন। মাঝে মাঝে নারী-পুরুষ সঙ্গী একত্রে ওঠেন বাসে। তারা দুজন যখন খুব সহজেই বাসের অন্যান্য দ্বৈত আসনগুলো দখল করে নিতে পারেন তখন তারা, পুরুষ সঙ্গীটি সহযোগেই, মহিলা আসনগুলো দেখে, জেনেবুঝেই মহিলা আসনে বসে পড়েন । মনে হয় তারা কোন পরিস্থিতিতেই একে অন্যকে ছেড়ে না যাওয়ার অটল প্রতিজ্ঞা রক্ষা করে চলেন। এক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গীটিকে উঠে যেতে বলা হলে, নারী সঙ্গীটির চোখে সে যে কি ভীষণ উৎকণ্ঠা পরিলক্ষিত তার সঙ্গীটির জন্য! সঙ্গীকে পাশে রাখতে জানিয়ে দেন, ইনি তারই সাথে আছেন বলেই বসেছেন। পুরুষটিও গলা মেলান। কিন্তু এরকম সোনায়-সোহাগা জুটিকেও উচ্ছেদ করতে হয় আসন-অধিকার বুঝে নিতে!

বস্তুত বহু তর্ক-বিতর্কের এই পর্বে যে উপলব্ধিটি নারী নিজেই এড়িয়ে যান তা হচ্ছে, শিশু ও প্রতিবন্ধী যারা মূলত চলাফেরায় স্বাবলম্বী নয়, তাদের কাতারে নয়টি সংরক্ষিত আসন ভাগাভাগি করে নিয়ে সুস্থ, সবল এক মানুষ, যিনি একজন নারীও বটে, তার অধিকার কি সমৃদ্ধ হয় নাকি নারী যে অবলা তার প্রচারণাটি আরো ঢাক-ঢোল পিটিয়ে হয়? অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত নারীরা কি এই চেয়েছেন আসলে?

বাসে নয়টি সংরক্ষিত আসন কোন ভাবেই অধিকার আদায় পর্বের অন্তর্ভূক্ত নয়। এটি বরং কিছু বিব্রতকর ঘটনা এড়ানোর জন্য একটি আপাত বন্দোবস্ত। এবং এই সমাধান আসলে পুরুষদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় তাদের সাথে এক বাসে ভ্রমণ কতটা অনিরাপদ হতে পারে নারীর জন্য। কিন্তু পুরুষ যাত্রীটি বোধকরি এভাবে লজ্জিত হতে নারাজ। তিনি বরং উল্টো প্রশ্ন করেন, ’তাইলে নয়টা আসনের পর মহিলারা ডাবল সিটে বসে ক্যান?’ তারমানে নয়টি আসন যেহেতু নারীর জন্য বরাদ্দই, তাই দশম মহিলা যাত্রীটি অন্য কোন আসনে বসার দাবি করতেই পারেন না ! অর্থ্যাৎ বাসের বাকি সবগুলো আসন তাহলে পুরুষের জন্য সংরক্ষিত! ’বিশেষ অধিকার’ আদায় করতে গিয়ে নারী উল্টো বেকায়দায়!

সরকার আসন সংরক্ষণের ঘোষণা দিয়েই খালাস। মনিটরিং নেই, প্রচারণা চালিয়ে সচেতনতা তৈরীর বালাই নেই। আর সাধারণ জনগণের কাণ্ডজ্ঞানের যথেষ্ট অভাব তো রয়েছেই। শুরুর দিকে বাস চালক, কন্ডাকটাররা বার বার বলে দিলেও আজকাল তারাও কে কোথায় বসলো তা নিয়ে মাথা ঘামায়না। ফলে নিজেদের আসন খুঁজে নিতে নারীবাদি আর পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব অযথাই পরস্পরের মুখোমুখী হয়ে একে অন্যকে বাসেও প্রতিদ্বন্দি করে তুলছে।

নারী অধিকার বলতে আদতে কি বোঝানো হয়, এর যথাযথ মর্মার্থ উপলব্ধিতে বোধ করি নারী নিজেই এখনো পিছিয়ে। নারী ডাবল সিটেই বসুক না হয়, নয়তো ভিড়ে দাঁড়িয়েই থাকুক। নারীর জন্য সংরক্ষিত আসনের চেয়ে কিছু যাত্রীদের বিকৃত মানসিকতার বদলটাই জরুরী। নারী তার অধিকার আদায়ে এই মানসিকতা পরিবর্তনের দাবিতে যদি সজাগ না হন তবে পঞ্চাশ আসনের বাসে কোন অধিকারে নয়, বরং শিশু ও প্রতিবন্ধীদের সাথে প্রাপ্ত নয়টি আসনে ’বিশেষ বিবেচনায়’ টিকে থেকে আত্ম-অবমাননা করে যাবেন হররোজ।


-------------------------
এই লেখাটির অংশবিশেষ প্রকাশিত হয়েছে সমকালের ১১ই মার্চ ২০১০ সংখ্যায়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০১০ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ভাবনা: দৈনন্দিন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৫
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: দশম যাত্রী শূন্য যে কোন আসনে বসলে অসুবিধা আছে?
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: ওরকমটাই তো হওয়া উচিৎ । কিন্তু বাসে কেউ কেউ মুখের জোরে প্রশ্ন (বা খোঁচা) উত্থাপন করেন কিনা ...তাই জানতে চাইছি, তাহলে দশম মহিলা যাত্রীটির আসলে কী করা উচিৎ...!

২. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৭
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: প্রথম নয়টি আসন নারী , শিশু এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ......!
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: তাই -ই তো ...!

এবং এরপর ...?

০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:১২
সাইফুল ফারদিন বলেছেন: নারীর জন্য আলাদা সীট অবমাননাকর। আবার অন্যভাবে বলতে গেলে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক হীন সমাজ ব্যাবস্থায় আলাদা সীটের ব্যাবস্থা না করে ও উপায় নাই। কারন আমরা তো নারীকে নারী মনে করি, মানুষ না।

আসলে যত দিন না নৈতিকতার উপর ভিত্তি করে সমাজব্যবস্থা না দাড়াবে ততদিন নারীদের নানাবাবেই অবমাননার স্বীকার হতে হবে।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন:
বাসে নারীর জন্য আলাদা আসন ব্যবস্থা আমার কাছেও অবমাননাকরই মনে হয় । তবে যেহেতু বাসে ৯টি সিট রাখা আছে, তাই ওমন বড় বড় করে লেখা নির্দেশনাকে এড়িয়ে যাওয়া পুরুষ যাত্রীটিকে দেখেও আমি বিরক্ত হই।

কেউ আলাদা আসনকে নারী অধিকারের সাথে গুলিয়ে ফেলেন। এখানটায় আমার ঘোর আপত্তি।

এবং আসলেই প্রয়োজন হলো নৈতিকতা বোধের উন্নতির। নারী অধিকার আন্দোলনে এই দাবি জোরালো হওয়া উচিৎ। এমনকি সরকারেরও উচিৎ আমাদের সচেতন করতে নানা রকম প্রচারনা চালানোর।

আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সাইফুল।

৭. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৬
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এটা ভাবের পাব্লিক বুঝলে তো :(

বছর পাঁচেক আগেও চট্টগ্রাম শহরে বহদ্দারহাটের বাস ছিলো ( ব্রিটিশ আমল থেকে চলতো সামনে ধ্যাবড়া নাক, কাঠের বডি)। অতিপ্রাচীন সেই বাসের পরিচালনা ছিলো অনেক আধুনিক। অর্ধেক আসন (একপাশ) নারীদের জন্য। :) চট্টগ্রাম-কাপ্তাই লোকাল বাসগুলোতেও একই নিইয়ম ছিলো। জানি না এখনো আছে কিনা।

ওখান থেকেই আমাদের যদি কিছু শেখা হতো!
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: বাহ ! বেশ ভালই পদ্ধতি ছিল বলেই তো মনে হচ্ছে !

কিন্তু আমি এটা বলছি না যে, নয়টি আসন অপর্যাপ্ত । বা আসন বাড়াতে হবে। নারী যদি যাত্রী হয় তো, আসন খালি থাকলে সে যে কোন আসনেই বসুক, এটা হলো প্রথম কথা। আসন খালি না থাকলে, দাঁড়িয়ে যাক। নারীর মনে হয়না এতে আপত্তি আছে। বিপত্তি হলো, কিছু বিব্রতকর অভিজ্ঞতা। এই ঘটনাগুলো নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা, বা সরকারি পক্ষ থেকে নানা ধরনের সচেতনতা মূলক প্রচারনা চালানো উচিৎ। এবং জোরালো ভাবেই।

তবে যেহেতু নয়টি আসন, বা এমন স্বল্প কিছু সংরক্ষিত আসন, উল্লেখ করাই হয়, সেক্ষেত্রে, পরিস্থিতির প্রয়োজনীয়তা বুঝে অন্যান্য যাত্রীদের এই সু-মনোভাবটি দেখানো দরকার যে, তারা ওই আসনগুলো বাদ দিয়ে অন্য আসনে বসবেন, অযথা বাসে কোন তর্ক না করে।

মজার ব্যাপার এবং একই সাথে বিরক্তিকর হলো, মিরপুর থেকে উত্তরা পথের দেশ বাংলা বাসে প্রায় রোজকারে ঘটনা হলো এই মহিলা আসন নিয়ে বাকবিতণ্ডা !

৮. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৩০
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
পোস্টের প্রথম অংশ নিয়ে আলোচনার তেমন কিছু নেই।
দ্বিতীয় অংশের কয়েকটি বিষয়ে তীব্র দ্বিমত। পুরো অংশটি অত্যন্ত আবেগ কাতর বক্তব্যে পূর্ণ, যেখানে যুক্তি ও বাস্তবতা প্রাধান্য পায়নি।

প্রথমত গণ পরিবহন ব্যবস্থায় ওভারলোডিং আইনানুগ নয়। আমাদের যে পরিমান বাস আছে, সেগুলো পরিবহন চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট নয়। ফলত লোকজনকে বাসে দাড়িয়ে যেতে হয়। আর এর সাথে রয়েছে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক পক্ষের বাড়তি বানিজ্য যা তারা হাত ছাড়া করতে চায় না। অফিস আওয়ারের শুরু ও শেষে যে ভয়াবহ অবস্থা তৈরী হয় সেটার কারনে পুলিশের পক্ষে ওভারলোডিংয়ের বিপক্ষে কোন ব্যবস্থা নেয়াও সম্ভব হয় না। পুরো বিষয়টির সাথে জড়িয়ে আছে মালিক-শ্রমিক-পুলিশ-বিআরটিএ-রাজনীতিকদের একটি নেটওয়ার্ক।

এই মহা দুরাবস্থা থেকে বিছিন্নভাবে নারীকে মুক্ত করা সম্ভব নয়। তাই সংরক্ষিত আসনের এই আপদকালীন ব্যবস্থা। এদেশের বহু অঞ্চলে অনেক আগে থেকেই লোকাল বাস সার্ভিসে নারীর জন্য সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা প্রচলিত। এবং সেটি সামনে বা চালকের কাছাকাছি আসনসমূহ নয় বরং বামপাশের সকল আসনই সংরক্ষিত। সামনে বা চালকের পাশে বসে/ দাড়িয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার পুরুষ যাতায়াত
করছে। দূর্ঘটনা ঘটলে কেবল নারী নয় ক্ষতিগ্রস্থ হয় পুরুষই বেশি।
আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে পরিবহন ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নে। সেটা সম্ভব না হলে শুধু নারীর জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

যখন আপনারা নারীর অধিকার বা পুরুষ কর্তৃক রাস্তায় নারীর 'টিজিং'-এর বিষয়ে বলেন, তখন সমগ্র বিষয়টি এমনভাবে উত্থাপন করতে আগ্রহী হন যেন সকল পুরুষ সকল নারীকে সর্বদা টিজ করতে ব্যগ্র থাকে।

প্রথম পর্যায়ে ছিল না, তবে প্রচলনের কিছুদিন পর থেকেই দেখে আসছি ঢাকা শহরে সংরক্ষিত নারী আসনসমূহে সচেতন পুরুষরা উঠে না। যারা উঠে তারাও পুরুষদেরই প্রতিরোধের শিকার হয়।

একটি দূষিত সমাজের সকল মানুষের চেতনার উন্নয়ন ঘটিয়ে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন হাস্যকর। সমাজ জীবনের প্রতিটি স্তরে এমন আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে যেন নারী ধীরে ধীরে তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।

আশা করবো আপনি এখানে আলোচনা করবেন/ আপনার দৃষ্টিভঙ্গি জানাবেন যে কিভাবে নারীর জন্য একটি নিরাপদ, সম্মানজনক পরিবহন ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করতে পারি এবং সে লক্ষ্যে কি কি করনীয়।

শুভ কামনা রইল।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: আমি আপনার তীব্র দ্বিমতগুলো ধরতে পারিনি। আমি কিন্তু কেবল পুরুষ বিরোধী , এক পেশে বক্তব্য দেই নি পোষ্টে, ফলে কেবল আবেগ নিয়ে লেখা এটি মনে হয় ঠিক নয়।

বাসে উদ্ভট কিছু আসন ব্যবস্থা প্রসংগে আমিও পরিবহন মালিকদের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তির কথা উল্লেখ করেছি। আপনি সেখানে আরো একটু বিস্তারিত বললেন সেজন্য ধন্যবাদ।



"এবং সেটি সামনে বা চালকের কাছাকাছি আসনসমূহ নয় বরং বামপাশের সকল আসনই সংরক্ষিত। "

এরকম বন্টন ব্যবস্থা সরকার যদি ঘোষনা করেও থাকে তো মনে হয়না তা মেনে চলা হয়েছে। লক্কর-ঝক্কর মার্কা বাসেও উঠে দেখেছি। বাসের দরজার পাশে, ইঞ্জিনের সাথে বেঞ্চের মত আসনেই নারীরা বসেন মূলত। এই সিটগুলো একটু উঁচুতে হয়, এর নীচেও একটা গদির মত থাকে. সেগুলোও আসন !!! নারী যাত্রীদের বসতে দেয়া হলেও ওগুলোতে বহু আগে থেকেই পুরূষ যাত্রীদেরও বসতে দেখে আসছি।

কাঁচ ভেঙ্গে দূর্ঘটনার শিকার কেবল নারীই হবেন, কেবল এই আশংকায় তো আমি বিচলিত নই ! আমি পোস্টে বলেছিই, ওগুলো নারী আসন হিসেবে কেমন বা ভাবার আগে বিবেচ্য হলো ওগুলো যাত্রী আসন হিসেবে কতটা গ্রহণযোগ্য, তারমানে, নারী-পুরুষ কারো জন্যই ওইরকম আসন ব্যবস্থাটির পক্ষপাতি আমি নই, সেটা আমি যথেষ্টই ষ্পষ্ট করে বলেছি পোস্টে।

দেখুন , আমি বাড়তি কোন চাপ দিয়ে পুরুষের দিকে আঙ্গুল তুলিনি এই পোস্টে। ফলে আপনার মন্তব্যের এই অংশটুকু "যখন আপনারা নারীর অধিকার বা পুরুষ কর্তৃক রাস্তায় নারীর 'টিজিং'-এর বিষয়ে বলেন, তখন সমগ্র বিষয়টি এমনভাবে উত্থাপন করতে আগ্রহী হন যেন সকল পুরুষ সকল নারীকে সর্বদা টিজ করতে ব্যগ্র থাকে।" -তে আপনাকে উত্তেজিত মনে হলো অযথাই।

পোস্ট পড়ে দেখুন, আমি নারীকেই বরং কিছু হাস্যকর কাজ করে ফেলেন, সে কথাও বলা আছে। আর বাসে যে, নারীকে বিব্রতকর পরিস্থিতি পড়তে হয়, সেটাতো সত্যিই।

একই সাথে, অনেক পুরুষ যাত্রীও যে, নারীকে আসন পেতে সহযোগীতা করেন, সে কথাও পোস্টে উল্লেখ করেছি আমি।

দয়া করে একটু খেয়াল করে পড়ে দেখুন। নয়তো আমি ভেবে নেব, নারীরা একটু নারী সমস্যা বিষয়ক লেখা লিখলেই পুরুষেরা ডিফেন্সিভ হয়ে যায়। ...হাহাহাহা


যখন আমি আইন তো অনেক আছে আমাদের দেশে, ট্রাফিক আইন, খোলা স্থানে ধুমপান করার আইন, কিন্তু পালন হচ্ছে কি? হচ্ছে না। কারণ, আমাদের মূল্যবোধে সমস্যা আছে, আমাদের সচেতনতার লেভেলে মারাত্মক সমস্যা আছে। তাই ওঠার উন্নতির জন্য জোরালো প্রচারনা দরকার।

শেষ অংশটুকু নিয়ে পরে মন্তব্য করছি ...

৯. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৪২
সায়েন্স জোন বলেছেন: প্রথম নয়টি আসন নারী , শিশু এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ......!

এবং এরপর ...ar sit gulo je agay utbe & faka pabe tar jonno.
sohoj akta topic re pechaiYa uposthapon korar ki dorkar :(
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন:
আপনি ঢাকার বাসে ওঠেন ?

যা আপনি খুব সহজ করে সহজ বলে দিলেন, তা বাসে প্রতিদিনের অযথা বিতর্ক।

এর কারণ, আমাদের অসচেতনতা, এবং কাণ্ডজ্ঞানের অভাব :(

আসন ফাঁকা থাকলো দশম মহিলা যাত্রীটি অবশ্যই সেখানে বসবেন, কিন্তু আপনি পোস্টের বক্তব্য পড়ে বোঝেননি (যদি খেয়াল করে পড়ে থাকেন) যে, এই সংরক্ষিত আসনগুলো নিয়ে নারীকে কতটা খোঁটা শুনতে হয় কিছু গোঁয়ার পুরুষ যাত্রীদের।

১০. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:১২
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: দেখ্ দেখ, মহিলাডা য্যামনে সবাইরে ঠেইল্যা উঠলো না... !’

আপনারা কেন এটা নিয়ে বিচলিত হন? এটা কি আদৌ ভাবনার কোন বিষয় বস্তু? কে কি বললো সেটা নিয়ে চিন্তা করার টাইম কই যে পান আপনারা!

যাই হোক আলোচনায় আসি। আমি দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় দেখেছি বাসের বামপাশের সব আসরই নারীর জন্য বরাদ্দকৃত। দেখেছি চট্টগ্রামেও। উপরে একজন রুট উল্লেখ করছেন। যখন পাবলিক প্লেসে ধূমপান বিষয়ক কোন আইন ছিল না তখন লোকাল বাসে (কখনো কখনো দুরপাল্লার বাসেও) অনেকেই ধূমপান করতো। আমি চট্টগ্রাম-কাপ্তাই রুটের বাসে বহুবার পাহাড়ি নারীদেরকে ধূমপান করতে দেখেছি। যদিও ধূমপানের পক্ষে বলছি না, পাহাড়ি নারী (আইনানুযায়ী সমগ্র গোত্রটিই অনগ্রসর) অনেক অগ্রসর আমাদের বাঙ্গালি নারীদের থেকে। তারা সর্বত্র পুরুষের সাথে সমান তালে চলে। হয়ত পাহাড়ি পুরুষরাও বাঙ্গালী পুরুষদের থেকে প্রগতিশীল বলে।

আপনি পুরুষ-নারী উভয় পক্ষেই বলেছেন। তবুও সমগ্র রচনাটি কেমন যেন অসহায়ত্বের আর্তনাদ বলে মনে হয়েছে। হয়ত আপনার কাছে প্রত্যাশা বেশি ছিল বলে। হয়ত আমি আরো বলিষ্ঠ কিছু, আরো সুনির্দিষ্ট সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনা পাবো বলে পোস্টে ঢুকেছিলাম; তাই অমন মন্তব্য করেছি। তবে উত্তেজিত হয়নি, সেটা নিশ্চিত।

আমার ব্লগে আমন্ত্রন জানিয়ে গেলাম।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন:
কেউ কোন কটূ কথা বললে, অন্য পক্ষ আসলে কম-বেশী বিচলিত হবেই। তবে আবার নিজের প্রয়োজনের তাগিদেই এক সময় এগুলো গা সওয়াও হয়ে যাবে, এটাও সত্য। কেবল কেউ না কেউ কটূ কথা বলতে বলে মেয়েরা সমাজে কেবলমাত্র মেয়েই থেকে যায়, মানুষ হওয়ার ইতিবাচক ইচ্ছা, ইতিবাচক সাহসটুকু দমন করে যায়।

পাহাড়ি নারীদের অবস্থান তাদের নিজস্ব সমাজ ব্যবস্থায় এবং পরিবারে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই আদি প্রথার কাছে আমাদের মূল ধারার সমাজ ব্যবস্থা পিছিয়ে আছে তা মানতে দ্বিধা নেই।

অসহায়ত্ব আছে বললে যে একদমই মানতে পারবোনা। তবে খানিকটা উপহাস আছে, লেখার পেছনে যে বিরক্তিটা কাজ করছিল, ওটা প্রকাশ না করার চেষ্টা করেছিলাম। যদি কেবল পুরুষকে দায়ী করে যেতাম এক চেটিয়া, তাহলে অসহায়ত্বটা স্বীকার করে নিতাম। কিন্তু একটা মজার ব্যাপার হলো, নারী অধিকার আদায় করার দাবিটিতেই নারীকে পুরুষ মুখাপেক্ষীই হতে হয়। মানে পুরুষেরা যদি নিজে নিজে ঠিক হয় তো সব টিক হয়ে যাবে যেন, কিন্তু নারীর নিজেকে যে যুথবদ্ধ অবস্থানে আসতে হবে, একটু ইতিবাচক সাহসী হয়েই নিজের অবস্থান গড়তে হবে, তবে অন্যেরা ঠিকই এক সময় সেই নারীর প্রতি অযাচিত চাপ প্রয়োগে বিরত হবে ধীরে ধীরে। যা বললাম, তা করতে গেলে নারীকে অবশ্যই অনেক মনের জোর, আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দিতে হবে, নচেৎ এটাও এমন সোজা বিষয় নয় । এই দিকটা বিচার করলে লেখাটায় এক ধরনের অসহায়ত্ব আছে বলতে পারেন। যেটা শেষে বলার চেষ্টা করেছি, নারী অধিকার কী সেটা নারী নিজে বুঝুক আগে। নয়টি আসন নারী অধিকার নয়, বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা, এটাও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বুঝুক।


এই বিব্রতকর পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার জন্য, আমাদের রুচিবোধের পাশাপাশি পরিবহন ব্যবস্থার আমূল উন্নতি প্রয়োজন। আকারে বড়সর বাস স্টপেজ দরকার। এখন কিছু ব্যাংক/টেলিকমের কল্যাণে ছোট-মাঝারি আকারের বাস স্টপেজ দেখা যাচ্ছে অনেক জায়গাতেই। তবে তাতে মূলত খুব বেশী সুবিধা হচ্ছে না। আমাদের রুট পরিকল্পনাতে এখন ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানীর বাস এতো বেশী বেশী হয়ে যাচ্ছে যে, একসাথে সব বাস এসে রাস্তায় জ্যাম তৈরী করছে। যাত্রীদের পাশাপাশি অনেক লাইন হয়ে যাচ্ছে, ফলে বাস আসার পর একরকম হুটোপুটি শুরু হয়ে যায়। এর চেয়ে অহরহ উমুক-তুমুক পরিবহন রাস্তায় নামিয়ে দেয়ার সুযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, একই পরিবহনের বাসের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রতি মনোযোগ দেয়া উচিৎ। বাসের আকারের দিকটাও জরুরী। এখনো মুড়ির টিন, পানির ট্যাংকি জাতীয় বাসগুলো চলে। বাসের ভেতরে জায়গা অনেক কম থাকে, ফলে ভেতরে যাতায়াত করাটা, দাঁড়িয়ে থাকাটা পুরুষদের জন্যই তো বিরক্তিকর ঠেকে।

বর্তমানে প্রচলিত এই সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থা যেহেতু আছেই, সেহেতু এর প্রচারণার জন্য অথবা মূলত বাসে যাত্রী আচরণ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার-প্রচারণা চালানো যেতে পারে গণমাধ্যমগুলোতে।

যেসব সংস্থা, নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেন, তারা বাসে নারীর সুযোগ সুবিধার চেয়ে কেবল "যাত্রী" ভিত্তির সুযোগ-সুবিধা উন্নত করার দাবি জানিয়ে আসলে আমার মনে হয় পরিবহন ব্যবস্থার মূল পরিস্থিতির প্রতি ফোকাসটা জোরালো হয়।

ট্রাফিক আইন সপ্তাহ হয়, কিন্তু এরপরও বাসগুলো কিন্তু বলা চলে না থেমেই যাত্রী ওঠায়-নামায়- এর জন্য কড়া নজরদারি প্রয়োজন।

পাবলিক পরিবহনগুলো উন্নতি সাধন করলে কিন্তু ট্রাফিক জ্যামও কমে যাবে অনেকটাই, মানুষের সাশ্রয়ও হবে, ট্যাক্সি-স্কুটার নির্ভরশীলতা কমে গিয়ে।

১১. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪১
আতিকুল হক বলেছেন: এইভাবে সংরক্ষন বা কোটা ব্যবস্হা করে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। কারন, সমঅধিকার সংখ্যায় সমতা না। এইভাবে সমতার চেষ্টা আমি মনে করি ভুল ডিরেকশনে এফোর্ট দেয়া। চেষ্টা করা উচিত, নারী-পুরুষ সবাই যেন লিঙ্গ পরিচয়ের বাইরে গিয়ে ভাবতে পারে। পথটা কঠিন অবশ্যই। কিন্তু এটাই এখমাত্র পথ। বাসে সংরক্ষিত আসন থাকা উচিত প্রতিবন্ধী, শিশু, অসুস্হ, গর্ভবতী মহিলা বা বৃদ্ধ নারী-পুরুষ তাদের জন্য। একজন সুস্হ-সবল মহিলার তো সংরক্ষিত সিটে বসতে চাওয়া উচিতই না, বরং কেউ অফার করলে প্রত্যাখান করা উচিত। এটাই সত্যিকার অর্থে একজন মহিলার শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের পরিচয়। আর একজন অসুস্হ বা বৃদ্ধ বা প্রতিবন্ধী পুরুষ আসলে একজন মহিলাও সিট ছেড়ে দিতে পারেন। পুরুষদের বদলানো উচিত অবশ্যই, কিন্তু একজন মহিলাই যদি লিঙ্গ পরিচয়ের বাইরে গিয়ে ভাবতে না পারেন, একজন পুরুষকে মোটিভেট করবেন কিভাবে। এক্ষেত্রে দুরন্ত স্বপ্নচারির সাথেই একমত - আর্তনাদের মত শোনাচ্ছে পোষ্টটা।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: ভাবলাম, হালুয়া দিতে আসছেন ...কিন্তু মাঝপথে হালুয়া নিজেই খেয়ে শেষ করে ফেলসেন ! :(

ভালু আছি, ভালু থাকেন। শততম নারী দিবসের শুভেচ্ছা।

১৩. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৩৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বাসে যাতায়াত করি বলে , মহিলাদের অসুবিধাগুলো খুবই অসহায়ভাবে দেখি । অনেক অনেক কথা জমে আছে , লিখে ফেলতে পারলে ভাল লাগত ।

৯ টা সিটের ব্যাপারে বলি , এটাকে অবমাননা মনে হয়নি আমার , বরং অসম্ভব ভাল একটা উদ্যোগ মনে হয়েছে । ব্যাখ্যাটা থিওরিটিকালি দিব না , কিন্তু বাস্তবতার প্রেক্ষিতে বললাম । আর এই ৯ টি বাদেও যে কোন সিটে নারীরা বসতে পারেন , বাসে অন্তত তাই দেখি ।

কিন্তু , এরপর কিছু কথা থেকে যায় । সেই কথাগুলো বলতে গেলে আলাদা একটা পোস্ট দিতে হবে :( । সংক্ষেপে এতটুকু বলি , বাঙালীদের মাঝে সভ্যতা ভব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে বলে মাঝে মাঝে মনে হতে থাকে
১৪ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: বাস্তবতাটা যেহেতু ইরিটেটিং, তাই কেবল ওই বিশেষ বাস্তবতার খাতিরেই নয়টা বিশেষ আসনের প্রয়োজনীয়তাটুকু মেনে নিতে পারি। নচেৎ, মহিলাদের জন্য এই বিশেষ আসনকে কোনভাবেই তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয়না, হওয়া উচিতও নয়। তবে শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য এই ব্যবস্থাটি চালু রাখা উচিৎ সর্বদা।

ঠিক,অতিথিপরায়ণ বাঙালির মাঝে আজকাল কিছু বেসিক সৌজন্যতার প্রকট অভাব দেখা দিচ্ছে। সব জায়গায় কেমন জানি জোর যার জায়গা তার অবস্থা!! :(

১৪. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৫৩
ডিজিটালভূত বলেছেন: উপরের ছবিটা আসলে কিসের? নারী দিবসের লোগো? ছবিতে খৃষ্টানদের ক্রুশ চিহ্ন কেন ব্যবহার করা হয়েছে? নারী দিবস কি খৃষ্টান সম্প্রদায়ের না সকলের? সবিনয়ে জানতে চাই।
এ জানতে চাওয়ার কারণে আমাকে ব্যান করবেন না, আশা করি।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন:
হাহাহহা....আগ বাড়িয়ে ব্যান প্রসংগ টেনে আনার কারণ কি!

আপনি এই চিহ্নটির ব্যাপারে অবগত নন দেখে একটু অবাক লাগছে। তবে নাজনীন১ খুব সুন্দর করে আপনার প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।

১৫. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:২৫
নাজনীন১ বলেছেন: @ডিজিটালভূত, "+" চিহ্নটা বায়োলজিক্যাল, http://en.wikipedia.org/wiki/Gender

@লেখক, আমাদের মতো জনবহুল দেশে সব বাসগুলোতে সামনে-পিছনে দুটো দরজা এবং সামনের মোটামুটি অর্ধেক সীট নারীদের জন্য এবং পিছনের অর্ধেক পুরুষদের জন্য ব্যবস্থা করা হলে ভাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো এক্ষেত্রে চমৎকার মডেল, সবার জন্যই স্বস্তিকর। আর ইঞ্জিনের পাশের সীটগুলো তুলে দেয়াই উচিত।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন:
আমাদের মতো জনবহুল দেশে সব বাসগুলোতে সামনে-পিছনে দুটো দরজা এবং সামনের মোটামুটি অর্ধেক সীট নারীদের জন্য এবং পিছনের অর্ধেক পুরুষদের জন্য ব্যবস্থা করা হলে ভাল।


----সহমত ।

১৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৩৩
এক্স ফাইলস্‌ বলেছেন: আতিকুল হকের সাথে সহমত।
একজন নারীকে আলাদা সুবিধা দেয়ার কোন কারন দেখিনা।
শুধু শিশু, প্রতিবন্ধী, গর্ভবতী ও বৃদ্ধ নারী পুরুষের জন্য আসন থাকা উচিত। আর কারও জন্য আলাদা নয়।
বাসের সংখ্যা সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে, আর পুরুষদের ভব্যতা শেখানোর জন্য মিলিটারি ডলা দেয়া যেতে পারে। বেয়াড়া নারীদের জন্যও সেটা প্রযোজ্য।
১৭. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:২৮
সবাক বলেছেন:
বাসের আসনাধিকার বিন্যাস অসম্ভব সুন্দর।

নারী-শিশু-প্রতিবন্ধী

একই কাতারে

তবুওতো শক্তিহীন আর বিকলাঙ্গদের নেতৃত্বে রেখেছে নারীকে।

পুরুষতন্ত্র জিন্দাবাদ ।। মানুষতন্ত্র মুর্দাবাদ
০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: :| /:)

১৮. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৪৬
অভয়ারণ্য বলেছেন: @সবাক বলেছেন:
বাসের আসনাধিকার বিন্যাস অসম্ভব সুন্দর।

নারী-শিশু-প্রতিবন্ধী

একই কাতারে

তবুওতো শক্তিহীন আর বিকলাঙ্গদের নেতৃত্বে রেখেছে নারীকে।

পুরুষতন্ত্র জিন্দাবাদ ।। মানুষতন্ত্র মুর্দাবাদ


----
একটা ঘটনা বলি,

এক প্রবীন ভদ্রলোক বাসে দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করছিলেন। এমন সময় সেই ৯ সীটের একটি খালি হলো। পাশ থেকে একজন বললেন "চাচা, বয়া পড়েন"। চাচা ক্ষিপ্ত হয়ে জবাব দিলেন, "ওই মিয়া, আমি কি প্রতিবন্দী নাকি?"।
চাচা বসলেন না। এবং বাকীটা পথ দাঁড়িয়েই গেলেন।
আমরাও বসলাম না। সীটটি খালিই রইলো।
১৪ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: বিদেশে শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বাসে-ট্রেনে এমন সংরক্ষিত আসন থাকে। ওখানেও বাসে-ট্রেনে প্রচন্ড ভিড় হয়, তবে গাদাগাদি করেও অনেক সময় মহিলা-পুরুষ যাত্রীরা দাঁড়িয়ে যান, কিন্তু পরিস্থিতি আমাদের মত বিব্রতকর হয়না। আর যে প্র্যাকটিসটা ওদের বেশ ভাল তা হলো, যে আসনগুলো সংরক্ষিত রাখা হয়, ওগুলো খালি থাকলেও সাধারণ যাত্রীরা সেগুলোতে বসে না, এটাই আচরণগত সৌজন্যতা এবং সুশিক্ষার পরিচয়, যার অভাব আমাদের দেশে বেশ পরিলক্ষিত হচ্ছে।

আপনার মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ অনেক।

২০. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৫
ইউনুস খান বলেছেন: পুরুষদের মনমানসিকতা দিনকে দিন লোপ পাচ্ছে নিঃসন্দেহে। আমার সবচেয়ে মজা লাগে যখন দেখি ড্রাইভারের বাম পাশের সিটে কোন পুরুষ বসে আছে। অথচ একটি মহিলা দাঁড়িয়ে আছে আর ঐ পুরুষটি উদাস ভঙ্গিতে ড্রাইভারের মাথার উপর দিয়ে আকাশ দেখার চেষ্টা করতেছে।
আশংকার কথা হচ্ছে দিনকে দিন আমরা অমানুষ হয়ে উঠছি। হৃদয়ের আবেগ গুলো হয়তো গাড়ীর কালো ধোঁয়াতেয় কালো থেকে কালোতর হয়ে যাচ্ছে।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: বাম দিকে, ইঞ্জিনের পাশের সিটগুলোর কথা বলছো ??? ওই সিটগুলো এখনো পুরনো বাসগুলোতে আছে...এগুলো কোনই সিটই হওয়া উচিৎ না, কি নারী , কি পুরুষ !

নতুন নতুন অনেক বড়সর বাস আসছে, কিন্তু এখনো আগের ঝরঝরা বাসগুলো চলে, ওগুলোর মিটার পর্যন্ত নেই !!!!!

নতুন মডেলের বিভিন্ন বাসগুলোতে ওইরকম আসন দেখা যায় না । তবে বাসে ওঠা-নামা নিয়ে কিন্তু আগের ধকলগুলোই রয়ে গেছে। পরিবহন মন্ত্রনালয়ের কাজ কি এগুলো দেখা নয়?

২১. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৩
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে ৯টি সংরক্ষিত আসন থাকা দরকার বলে মনে করি। তবে যাত্রী অনুপাতে বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি না পেলে এই হাঙ্গামা থেকেই যাবে। ঢাকা শহরে বসবাসের সুবিধার বিপরীতে বিপুল জনসংখ্যা নারী পুরুষ উভয়কেই ভোগায়।
ঢাকা শহরের বাইরে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা ছড়িয়ে দিলে ঢাকা শহরের জনসংখ্যা সমস্যা কমে যেত। উপজেলাভিত্তিক উন্নয়ন চাই।
দশম যাত্রী নয়, প্রথম মহিলা যাত্রীটিও অনেক সময় মহিলা আসনে না বসে যে কোন আসনে বসে। কেউ তাকে উঠিয়ে দেয় না। কেউ বলে না, এটা পুরুষ আসন, আপনি উঠে দাঁড়ান। সুতরাং সমস্যাটা কেবল নারী পুরুষের নয়, সমস্যাটা চাহিদা ও যোগানের। পরিবহণ ব্যবস্থা ভালো হলে আপনি নারী অধিকারের সঙ্গে বাসের আসন মেলাতে পারতেন না।
১৪ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: আমি যতদূর দেখেছি, মহিলা আসনগুলো একটু সামনের দিকে হওয়াতে , এবং মহিলারা ভালই জানেন যে, তাদের জন্য বিশেষ আসন রয়েছে, তাই অন্য আসনে বসার ঘটনাটি খুব রেগুলার হওয়ার কথা নয়। সেই প্রেক্ষিতে নয়টি আসনে পুরুষদের হুটহাট বসে যাওয়ার ঘটনাটা একদমই ডেইলি রুটিনের মত হয়ে উঠছে। একারণেই বলা চলে লেখাটির সূত্রপাত।

হ্যা, নয়টি আসন দেয়াতে অন্তত নয়টি মহিলা যাত্রীর উপকার হয়েছে হয়তবা, কিন্তু ক'টা বাসেই বা এই নিয়ম খুব নিয়ম করে পালন হচ্ছে? আর এই বিশেষ নিয়ম দিয়ে তো মূল সমস্যার সমাধানও হচ্ছে না! ফলে, যেমনটা বলেছেন, আপনার মন্তব্যে, আসলে পরিবহন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন চাই। বাসের রুট, চলাফেরায় সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণ চাই....

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

২২. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
ডিজিটালভূত বলেছেন: সংরক্ষণ করার দরকার কি? সব বাসে লেখা থাকবে - মহিলা আসিবা মাত্র সীট ছাড়িয়া দিতে বাধ্য থাকিবেন।
০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: মহিলা আসিবা মাত্র সীট ছাড়িয়া দিতে বাধ্য থাকিবেন।

------

কেন ?? এমন কথা লেখা থাকবে কেন !!! সিট খালি থাকলে মহিলা বসবেন, না থাকলে বসবেন না। কেউ যদি স্বেচ্ছায় এই ভদ্রতা করেন, সে কথা ভিন্ন। কিন্তু এমন জোর পূর্বক সিট ছাড়ার নির্দেশনা থাকার কোন যৌক্তিকতা দেখি না।

২৩. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২০
সকাল রয় বলেছেন:

মনে করি কমপক্ষে দশটি আসন মহিলাদের হলে ভালো হয়
আর নারী আসনে পুরুষ না বসলেই ভালো

ধন্যবাদ
০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: নয়টি বা দশটি - এই সংখ্যাটি নির্ধারণ কতটুকু যুক্তিযুক্ত আসলে? তবে বাসে চলাচলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতিটা যেহেতু খুব স্বস্তিকর নয় নারীর জন্য তাই কিছু আসন নির্দিষ্ট করে বরাদ্দ রাখার বিষয়টিকে নারীর জন্য আপাত সুবিধা বলা যায়, তবে এটা মূল সমস্যার সমাধান নয় কোন মতেই।

এবং আপনার সাথে একমত, যদি বাসে উল্লেখ করেই দেয়া থাকে যে, এই আসনগুলো সংরক্ষিত নারীদের জন্য , তবে সেখানে আগ বাড়িয়ে অন্য পুরুষদের বসতে যাওয়াটা একেবারেই অনুচিৎ।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৫
দীপান্বিতা বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম...আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা :)
০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: বাহ! আকাশটা যেমন বিশাল লাগছে, ফুলটা তেমনই উজ্জ্বল আর কোমল লাগছে। নারীও এমনি স্বতঃস্ফূর্ত থাকুক ।

১০০তম আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা দীপান্বিতা :)

২৫. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৯
জাতি জানতে চায় বলেছেন: বিশেষ কিছু বলার নাই! বিশেষ করে ২০১০ এর থিমটা (সমঅধিকার, সমান সুযোগ- সবার জন্য উন্নতি) আমার কাছে ঠিক পরিস্কার না! এটার বাস্তবিক ব্যাখ্যা থাকলে ভাল হতো! কারন কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারীর সুবিধাবাদী হওয়ার সুযোগ আছে!
০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন:
মানুষ মাত্রই যেহেতু, ভালমন্দের মিশেল তাই দুজনেরই সুবিধাবাদী হওয়ার সুযোগ তো আছেই।

সমঅধিকার, সমান সুযোগ- সবার জন্য উন্নতি -- এটা পড়ার পর ঠিক কী মনে হয় আপনার ? আমার কাছে মনে হয়, এই লাইনের মধ্যে মূলত যে কথাটা লুকিয়ে আছে তা হলো পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং সহযোগীতা এবং ফলাফল দুজনেরই এগিয়ে যাওয়া।

২৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২০
নাজিম উদদীন বলেছেন: অবস্হা উন্নত হলে নির্ধারিত আসনব্যবস্হার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। যতদিন তা না হবে ততদিন এ ব্যবস্হায় কোন দোষ দেখি না। নারী অধিকার আদায়ে নারীদেরই এগিয়ে আসতে হবে, কেউ কখনও অধিকার ছেড়ে দেয় না, অধিকার আদায় করে নিতে হয়। সভ্যতা-ভব্যতার প্রশ্ন অনেক পরের ব্যাপার।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: সহমত ।

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, অনেক সময়ই নারী এবং পুরুষ সংরক্ষিত নারী আসন কে নারী অধিকারের সাথে গুলিয়ে বাসে তর্কে লিপ্ত হন। এখানে নারীর ভূমিকায় মাঝে মাঝে মনে হয়, ৯টি আসনকে তিনি নারী অধিকার আন্দোলনের অর্জন বলে মনে করেন আর পুরুষেরা ৯টি আসনের অর্জকে তীর্যকরূপে দেখে বাক্যযুদ্ধ চালান। ওই জায়গাটায় নারী-পুরুষ দুজনেরই উপলব্ধিগত উন্নতির ব্যাপক প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

২৭. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:২৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: একটি তথ্যবহুল ভাল পোষ্ট। আপনাকে ধন্যবাদ।
০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে তায়েফ। কোন পর্যবেক্ষণ থাকলে শেয়ার করতে পারেন অবশ্যই।

২৮. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৬
সায়েম মুন বলেছেন: অনেক কিছু জানতে জানতে সবজান্তা হয়ে যাচ্ছি:)
০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: এটা বেশ ইতিবাচক শোনালো, দারুণ আশান্বিত বোধ করছি ...নচেৎ আমরা তো জানতে জানতে জানোয়ার হয়ে যাচ্ছি আজকাল ...! /:) :|

২৯. ০৯ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩০
কাব্য বলেছেন: যদি সমানাধিকার-ই বলা হয়, তাহলে আবার সংরক্ষিত আসন থাকবে কেনো?
০৯ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: সংরক্ষিত আসন চাইলো কে?

এখনকার ৬-৯টা সংরক্ষিত আসন কিন্তু নারী অধিকারের বিষয়টা কোন ভাবেই। তুমিও এই ভুলটা করলে কাব্য ! পোস্টেও বলেছি, কিছু বিব্রতকর পরিস্থিতি অনুযায়ী এটাকে এক ধরনের আপাত বন্দোবস্ত বলা যায় কেবল।

সংরক্ষিত আসনের চেয়ে আচরণগত পরিবর্তনটা জরুরী।

০৯ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: ** বিষয়টা == বিষয় নয়

৩০. ১১ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৪
তারার হাসি বলেছেন:
সংরক্ষিত আসনের কোন প্রয়োজন আসলেই কি আছে......
যদি আমরা আমাদের আচরণ বদলাই?
যদি আমরা একটু সভ্য হই ?
সবাইকে মানুষ ভাবতে শিখি ?
যদি ...।
আহ! কবে হবে বোধোদয় ??
কবে পুরুষশাসিতে সমাজকে ঘৃণাবোধ থেকে মুক্তি দিব ?


১২ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: নাহ ! সুস্থ-সবল মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের এই ব্যবস্থা আমার চোখে নিতান্তই দায়সারা গোছের একটি সিদ্ধান্ত, মূল সমস্যার সমাধানকে এড়িয়ে। দায় কেবল পুরুষের একার নই, নারীর পিছিয়ে থাকায় নারীর নিজের মন-মানসিকতাও অনেক অনেক দায়ী। একজন নারী নিজেও কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অন্য নারীর অগ্রযাত্রায় সহায়তা না করে পশ্চাৎপদ ধ্যানধারনা নিয়ে নিজেও পুরুষতান্ত্রিক হয়ে উঠে!!!

৩১. ১১ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫৭
জাতি জানতে চায় বলেছেন: সমঅধিকার, সমান সুযোগ- সবার জন্য উন্নতি -- এটা বলতে আমি পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বুঝি না! যেটা বুঝি সেটা হলো আদায় করে নেয়া! অবশ্যই কিছু আইনগত অধিকার থাকা উচিত, যাতে সুবিধাবাদীর পাল্লায় পড়ে অসুবিধায় পড়তে না হয়! অবশ্য আমার জবাবটাকে কিছু বাস্তব ঘটনার দ্বারা প্রভাবিত বলতে পারেন! বাস্তবতার জন্যই কিন্তু নারী অধিকারের কথা উঠছে! আসলে ইনসাফ ও শ্রদ্ধাবোধের অভাবটাই বড় সমস্যা! এটার ভিন্ন টার্ম ব্যবহার করলে অনেকে কাছেই ভিন্ন অর্থ দাড়াবে!

শহুরে মধ্যবিত্ত থেকে উপরের দিকে কিন্তু মেয়েরা যথেষ্ট অধিকার পেয়ে থাকে, এমনকি আর্থিক বিবেচনায় অনেক সময় ছেলেদের থেকেও বেশি! ছেলেরাও অনেক সময় ইনসাফ বন্ঞ্চিত হয় তবে সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক কারনে হয়ত অনেক সময় প্রকাশ করে না! কিন্তু যখনই সুযোগ পায় সুদে-আসলে আদায়ের চেষ্টাও চলে!!!!
১২ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের দৃষ্টিভঙ্গিকে সাধুবাদ জানাই। বাস্তবতার আরো একটা দিক তুলে ধরেছেন।
ধন্যবাদ আপনাকে।

৩২. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪২
হাবীব ইমন বলেছেন: বিষয়টি চিন্তনযোগ্য।
এ বিষয়টিও আমাকে ভাবাচ্ছে নারী অধিকার সংরক্ষণে জোরালো থাকলেও
বাসে কিন্তু শিশু ও প্রতিবন্ধী বিষয়টি অমিমাংসিত থাকে সবসময়।
দিবসকেন্দ্রিক ভাবনায় না থেকে সত্যিকার ভাবনায় অগ্রসর হওয়া জরুরি তারচেয়ে।
৩৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০০
শফিকুল বলেছেন:
আপনি একটু বেশিই আবেগ প্রবন , তবে খুব চমৎতার একজন মানুষ।

আপনাকে আমি একটু বেশি শ্রদ্ধা করি । ভাল থাকবেন , আপনার অবস্থানে

অবিচল থাকবেন । বেস্ট অফ লাক।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: প্রোফাইল পিক পাল্টে ফেলায় প্রথমে কনফিউজড হয়ে গিয়েছিলাম।

আপনাকে তো ব্লগে অনেক কম দেখি । নিশ্চয়ই অফিস-পরিবার নিয়ে বেশী ব্যস্ত থাকেন। আপনার দুষ্টু-মিষ্টি মেয়েরা ভালো আছে আশা করি।

ও হ্যা, আজতো আপনার জন্মদিন, কোথায় আমি আপনাকে শুভকামনা জানাবো, তা না আপনিই শুভেচ্ছা জানালেন আগে আগে।

তারপরও আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা। আপনার পরিবারের জন্যও। আজকের দিনটি স্পেশাল ভাবেই কাটুক। এমনকি আগামীর দিনগুলোও।

৩৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১৫
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
মেয়েদের দেন-মোহরের বিষয়ে একটা লেখার কথা অনেকদিন ধরে ভাবতেছি; কিন্তু হয়ে উঠতেছে না। আপ্নে এই বিষয়ে একখান লিখে ফালাইলে আলোচনা করতাম। আপ্নেরে রিকোয়েস্ট কর্তাছি কারণ আপনার লেখা ভালো। অন্য কোন কারণ খুজলে ভুল হইবে।

ভালো থাকেন।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: হা-হা-হা ! আপনার কী দেনমোহর গোনার সময় আগায় আসছে নাকি?

পড়াশোনা করেন এই বিষয়ে, ধর্মে কী বলসে, কেন বলসে, আইনে কী বলা আছে, আগের দিনের নারীরা কী ভাবেন, বর্তমানের নারীরা কী ভাবেন, আগের এবং বর্তমানের পুরুষরা কী ভাবেন... এইটা কী নারীর জন্য লাভ এবং পুরুষের জন্য ক্ষতি? হইলে ক্যামনে? না হইলে ক্যামনে? আগে না হয় নারীরা উপার্জন করতো না, কিন্তু এখন তো করে, তাইলে দেনমোহর ক্যান লাগে? দেশে কী অবস্থা ? বিদেশে কী অবস্থা? নারী/পুরুষরা দেনমোহর দিয়ে কি এখন নিজের স্ট্যাটাস মাপে? নাকি নারীরা অর্থনৈতিক নিরাপত্তার আস্থা পায়? কেউ কেউ বলে, দেনমোহর পরিশোধের ভয়ে নাকি অনেক পুরুষ তালাক দেয় না।এটা কতটা সত্যি? অন্য দিকে, নারী যেখানে পুরুষটির সাথে কোনভাবেই বনিবনা করতে পারছেনা, সেখানে তারকাছে থেকে অর্থ আদায় কি নিজেকে ছোট করা হয় না?....

টপিক ভালো, আপনাকে কিছু প্রশ্ন দিলাম, এগুলাকে এ্যসাইনমেন্ট হিসেবে ধরে পড়াশোনা করতে থাকেন...পোস্ট দেন...পড়বো...আপনার পোস্ট পছন্দ না হইলে তখন পাল্টা পোস্ট দিবো :)


৩৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৭
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
কি দুঃখে কি কইতে আইছিলাম
গজব নিয়া ফিরা গেলাম ;)
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: আরো আছে, এক টাকা দেনমোহরকে আপনি কী হিসেবে দেখেন? বিপরীতে লাখ++ টাকা দেনমোহর কে? বর্তমানে এক টাকা দেনমোহর কি সম্ভব? বিবাহ যদি শ্রদ্ধা, বিশ্বাসের নাম হয় তাহলে এক টাকা দেনমোহরে মেয়েরা রাজি হবে? কিংবা এক টাকা দেনমোহর হলে পুরুষেরা কী বিবাহে আগ্রহী হয়ে উঠবে ? কিন্তু নারী যাকে বিবাহ করলো সে যদি মানুষ হিসেবে ভালই না হয়, তাইলে লাখ++ দেনমোহরেরই বা কী মূল্য!

আপাতত এইটুক গজবই সামাল দেন ;)

৩৬. ১৩ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:৪৭
আহাদিল বলেছেন: নারী যদি যাত্রী হয় তো, আসন খালি থাকলে সে যে কোন আসনেই বসুক, এটা হলো প্রথম কথা। আসন খালি না থাকলে, দাঁড়িয়ে যাক। নারীর মনে হয়না এতে আপত্তি আছে।

মহিলা সীট নেই বলে যখন বাসে উঠতে দেয় না, এমন একটা ব্যাপার যেন আমাদের অফিস বা বাসা কোন জায়গায় যাওয়ারই দরকার নেই!!

নারী অধিকারে আমার আপত্তি, আমি শুধু একজন মানুষ হিসেবে আমার অধিকার আর মর্যাদা চাই। Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৯৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন***...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ