তালিকাবাজদের মতলব ভিন্ন
০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:০৭
ড: রেজওয়ান সিদ্দিকীর সুন্দর একটা লেখা পাইলাম। তালিকাবাজদের মুখোশ উম্মোচন করছেন এই লেখায়
link
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
২. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩৯
নেমেসিস বলেছেন:
সজ্ঞানে মাইনাস দাগানো হইলো।
নেমেসিস বলেছেন:
সজ্ঞানে মাইনাস দাগানো হইলো।
৩. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪৭
রাহা বলেছেন:
জামাতী রাজাকারের পত্রিকার সূত্র দেওনের সময় নাম লিখে দিতে পারো না কিসের লিংক । আর কতদিন পাবলিকরে বিভ্রান্ত কইরা রাজনীতি করবা ??
রাহা বলেছেন:
জামাতী রাজাকারের পত্রিকার সূত্র দেওনের সময় নাম লিখে দিতে পারো না কিসের লিংক । আর কতদিন পাবলিকরে বিভ্রান্ত কইরা রাজনীতি করবা ??
৪. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪৮
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
সংগ্রামের ৭১ সালের কাটপিচ দেন!
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
সংগ্রামের ৭১ সালের কাটপিচ দেন!
৫. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৪৯
আরিফুর রহমান বলেছেন:
রাজাকারবাজ লেকবাসি'র নাম ঐ তালিকায় নাই বোধহয়। তাই এই মরাকান্না।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
রাজাকারবাজ লেকবাসি'র নাম ঐ তালিকায় নাই বোধহয়। তাই এই মরাকান্না।
৬. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫৭
মাইনুল বলেছেন:
রেজোয়ন সিদ্দিকির লেখাটি খুব ভাল লেগেছে। আসলে ৭১ এ যুদ্ধাপরাধী কারা এই বিষয়ে আমাদের নলেজের অভাবের জন্যই এই মিমাংসিত ইস্যুটি বার বার আসছে। ৭১ এর পরে ১৯৫ জন পাকিস্থানী আর্মি সদস্যকে যুদ্ধাপরাধি হিসাবে সন্দেহ করা হয়। কিন্তু ততকালীন সরকার ইন্টারন্যাশনাল প্রেসারের কারনে তাদের বিচার করতে পারেনি। আর বাংলাদেশী যারা পাকিস্থানের পক্ষ ছিল, তাদেরকে যুদ্ধাপরাধর মধ্যে ধরা হয়নি। তাদের কে বলা হয়েছে সহযোগি বা দালাল। এজন্য ই তাদের বিচার করা হয়েছিল দালাল আইনে। তারা ৩/৪ বছর জেল খাটে এবং তারপর বংগ বন্ধু ও শহীদ জিয়া তাদের ক্ষমা করে দেন। তখনি বিষয় টি শেষ হয়ে গেছে। আইনগত ভাবে ৭১ এর ব্যাপারে আর কোন পদক্ষেপ নেয়া কখনোই সম্ভব নয়। কেননা দুনিয়ার কোন আইনেই এক অপরাধের দুইবার বিচার করা যায়না। তাই এইসব ইস্যু নিয়ে যারা মাতামাতি করছে তারা একটা গন্ডগোল বাধিয়ে দেশকে ধংস করতে চাইছে আর এই ইস্যু নিয়ে কথা বলাও সময় নষ্ট করা।
মাইনুল বলেছেন:
রেজোয়ন সিদ্দিকির লেখাটি খুব ভাল লেগেছে। আসলে ৭১ এ যুদ্ধাপরাধী কারা এই বিষয়ে আমাদের নলেজের অভাবের জন্যই এই মিমাংসিত ইস্যুটি বার বার আসছে। ৭১ এর পরে ১৯৫ জন পাকিস্থানী আর্মি সদস্যকে যুদ্ধাপরাধি হিসাবে সন্দেহ করা হয়। কিন্তু ততকালীন সরকার ইন্টারন্যাশনাল প্রেসারের কারনে তাদের বিচার করতে পারেনি। আর বাংলাদেশী যারা পাকিস্থানের পক্ষ ছিল, তাদেরকে যুদ্ধাপরাধর মধ্যে ধরা হয়নি। তাদের কে বলা হয়েছে সহযোগি বা দালাল। এজন্য ই তাদের বিচার করা হয়েছিল দালাল আইনে। তারা ৩/৪ বছর জেল খাটে এবং তারপর বংগ বন্ধু ও শহীদ জিয়া তাদের ক্ষমা করে দেন। তখনি বিষয় টি শেষ হয়ে গেছে। আইনগত ভাবে ৭১ এর ব্যাপারে আর কোন পদক্ষেপ নেয়া কখনোই সম্ভব নয়। কেননা দুনিয়ার কোন আইনেই এক অপরাধের দুইবার বিচার করা যায়না। তাই এইসব ইস্যু নিয়ে যারা মাতামাতি করছে তারা একটা গন্ডগোল বাধিয়ে দেশকে ধংস করতে চাইছে আর এই ইস্যু নিয়ে কথা বলাও সময় নষ্ট করা।
৭. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৫৮
এস্কিমো বলেছেন:
মইনুল - ভাংগা রেকর্ডটা বদলান।
এস্কিমো বলেছেন:
মইনুল - ভাংগা রেকর্ডটা বদলান।
৮. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:০১
৯. ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আরে ডরাইয়েন না ডরাইয়েন না; ইসলামী ঝান্ডা আর ঢাল নিয়া চলেন, কেউ আপনাগো দাড়ির বালও ছুইতে পারবো না।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
আরে ডরাইয়েন না ডরাইয়েন না; ইসলামী ঝান্ডা আর ঢাল নিয়া চলেন, কেউ আপনাগো দাড়ির বালও ছুইতে পারবো না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















সজ্ঞানে মাইনাস দাগানো হইলো।