ঐ দেশের বর্তমান ভীতিকর পরিস্থিতি থেকে আমাদের যেনো পুনর্বার শিক্ষা হয়, পাকিস্তানের ভুত জামাত ও এর অনুসারীদের বাংলার মাটি থেকে নিঃশ্চিহ্ন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শুয়রের গায়ে কস্তুরি আতর মাখলে শুয়র শুয়রই থাকে হরিন হয়ে যায় না।
ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা যে একটি ভয়ানক ভ্রান্ত চিন্তা পাকিস্তান তার জলজ্যান্ত উদাহরন। এর পরও কি বাংলাদেশের নির্বোধ গুলির হুশ জ্ঞ্যান হবে না!
এইতো সেদিন নিজামী সাহেবে হুশিয়ারী উচ্চারন করছিলেন ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ হলে নাকি দেশে সন্ত্রাস বাড়বে। এর মানে কি দাড়ায়! কেউ যদি জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে জামাত তখন বোমা মারা শুরু করবে!?
মুষ্কিল হলো বাংলাদেশে ১৫ কোটি মানুষ, এবং বাই ডিফল্ট এদের ভেতর একটা ধর্ম ভীরুতা কাজ করে। এরা ধর্ম চর্চা করেন না, এরা ধর্ম ভয় চর্চা করেন। এনাদের কাছে ধার্মিকতা অর্থ ভীরুতা। সমস্যা হলো এতো মানুষকেত ধরে ধরে বোঝানো সম্ভব না। জামাত সহ ধর্ম বেচে যারা ধন্দা করে তাদের মূল শক্তি হলো বাংলাদেশের মানুষের ঐ দূর্বলতা! নইলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকারকারী একটি গোষ্ঠি আজো কি করে বাংলার মাটিতে আলো বাতাস পেয়ে বড় হতে পারে! কেউ কি একটিবারের জন্যও ভেবে দেখেছেন!
কারন একটাই, আমাদের ভয়ানক ঐ ভীরুতা। আমরা সব বুঝি, বুঝে বুঝে হঠাত করেই কেমন যেনো নির্বোধ হয়ে যাই! অবাক লাগে, অথচ এটাই নির্মম বাস্তবতা। বাংলাদেশের এক শ্রেনীর মানুষরা যখন 'কমপ্লিট কোড অব লাইফ' 'কমপ্লিট কোড অব লাইফ' বলে চিল্লাচিল্লি করে তখন অনেক অনেককেই দেখেছি আমি চুপমেরে থাকতে। কারন আর কিছুই নয়, ঐ ভীরুতা!
আমি ভেবে অবাক হই আল্লাহ কি এমনই কমজোর যে হাতে তলোয়ার বুকে বোমা বেধে মানুষকে তঁর ধর্ম কায়েম করতে হবে! সন্ত্রাস করা কি আল্লাহর ধর্ম, না শয়তানের কর্ম!
সব শেষে বলি, বাংলাদেশ থেকে যদি ধর্মীয় রাজনীতি নামের এ বিষ বৃক্ষ, শয়তানের অশ্রয় স্থল জড়সহ নির্মূল করা না যায় আমাদের আগামী দিন গুলো হবে ভয়ানক অশান্তির!
আল্লাহ সকলকে হেদায়েত করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

