আমার প্রিয় পোস্ট

দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

একটি এক মিনিটের পাঁচালী ও বিভূতি বাবুর কর্পোরেট অপারেশন

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:০২

শেয়ারঃ
0 3 0

হেতেরা কি আমাদের শিল্প সংস্কৃতিরে এক্সপ্লোর কর্তে নামছে না এক্সপ্লয়েট কর্তে নামছে?

বাংলা লিংন্ক এই ঈদে একটা নতুন বিজ্ঞাপন রিলিজ করছে। দেখছেন নিশ্চয় আপনারা অনেকেই। বাবুদের পাশের গ্রমে ফোন কম্পানীর টাওয়ার বসিয়েছে। বাবুর বিশ্ময়ের সীমা নেই! সে তার আদরের বুবুকে বাড়ীতে এসে সে খবর দেয়। যাবি বুবু দেখতে! দু'ভাই বোন মিলে দে ছুট গ্রামের প্রান্তর ধরে। এদিকে বাড়ীতে বিয়ের আয়োজন দু'ভাই/বোনের সে দিকে ভ্রুক্ষেপও নেই। তার পর গল্প যারা দেখার দেখেছেনইত আর না বলি। খারাপ লাগে নাই, ভাল হইছে। আ ট্রিবিউট টু পথের পাাঁচালির অপু ও দূর্গা।

ছেলেটার চেহারায় ও বেশ মিলেছে, চুলের ছাটটাও মিলিয়েছে। কাশ ফুল নেই কিন্তু অপুর জন্য সেই বিস্তৃত দিগন্তটি আছে। বিদ্যুতের থামের যায়গায় সঙ্গত কারনেই দেখা গেছে মোবাইলের টাওয়ার। আলতা শিশি জলে ফেলে দেয়া দেখে দূর্গার চলে যাওয়ার(মৃর্তু্্যর) পর দূর্গার সেই পুতির মালাটি জলে ছুড়ে ফেলা দৃশ্যটি মনে করা গেছে ঠিকই।

বিজ্ঞাপনের লোক সত্যজিৎ রায় সিনেমা বানিয়ে বিশ্ব চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করে গেছেন যেমন তেমনি দেশ ও জাতিকে এনে দিয়েগেছেন অসামান্য সম্মান। কি সে যুগে কি এ যুগে পঞ্চাশ দশকই হউক আর নব্বই দশকই হউক রায়ের অনেক কারিশমার মাঝে একটি ছিল তিনি খুব কম খরচে ভীষন পরিমিত ভাবে বিশাল বিশাল ছবি বানাতেন।

বাংলা লিন্কের বিজ্ঞাপন নির্মাতারাও ছবি বানানোর স্বপ্ন নিয়ে বিশাল বিশাল বাজেটে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিজ্ঞাপন ছবি বানাচ্ছেন। আশা করি এক দিন তারাও নিশ্চয় বড় ছবি বানাবেন। তবে ভয় হয় ১ মিনিটের ছবি বানাতে তারা যে ১৫/২০ লাখ টাকা মজুরী নেন একটা ১২০ মিনিটের ছবি বানাতে না জানি তারা কতটাকার মজুরী নেবেন! এই দুরমূল্যের বাজারে শিল্প সংস্কৃতি কি কেবল তারাই করাবেন/করবেন, যার আছে ভূড়ি ভূড়ি!

এ্যাড ফিলিমটা সেইরকম জটিল হইছে মাম্মা! আমাদের নীল দরিয়া থেকে শহীদ মিনার, বিভূতি বাবুর অপু দূর্গা থেকে প্রেমাংশুর রক্ত চাওয়া নির্মলেন্দু গুন কর্পোরেট নজরে পড়েছে সবাই। নির্মাতা থেকে অভিনেতা সকলেই খোশ। মাল পানি জিন্দাবাদ গুরু! আমাদের সকল আবেগ অনুভূতির তারাই ধারক তারাই প্রচারক। আমরা কেবল আবেগ দিয়া চাইয়া চাইয়া দেখব, আর কথা বলে যাবো, "ইশ। কত্ত কথা বলেরে..."

হ্যা অসহায়ের মতো আমরা ত কেবল কথাই বলতে পারি, আর ত কিছু পারি না!



* ছবি গুলো অপু দূর্গা লিখে নেট থেকে সংগ্রহ করে নিয়েছি

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদবিষয় চলচ্চিত্র  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:০৬
লাল দরজা বলেছেন: কমেন্টাইতে গিয়া পোষ্টইয়া ফেল্লাম। আশাকরি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে পড়বেন। :)
২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:১৪
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এত্ত গভীরে যান কেন মামু ?
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:২০

লেখক বলেছেন: কই তেমন গভীর নাতো, মাত্র হাটু জল ;)

৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:১৪
বিডি আইডল বলেছেন: পথের প‌্যাচালী ফুল মুভির লিংক দিয়েছিলাম এর আগে একটি পোষ্টে...অনলাইনে আছে ছবটি এখনও সম্ভবত..

আ্যডটার লিংক দেয়া যায়?
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: এত কষ্ট কর্তে পারুম না। কেউ মনে হয় এখনও আপলোড করে নাই, লিংন্ক পাইলে দিয়া দিমুনে।:)

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:২৪

লেখক বলেছেন: এ্যাড ফিলিমটা সেইরকম জটিল হইছে মাম্মা! ;)

৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হুমম...১৫/২০ দিয়ে ইদানীং কেউ এড বানায় নাকি? ৩০ এর নিচে হয় বলে মনে হয়না।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: ওরে ভাইরে, আমিত দেখি আসলেই হাটু জলে আছি। বলেন কি, টেকা পয়সাত দেখি সত্য সত্যই তেজ পাতা হইয়া গেছে!

৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৯
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: তাইলে হাটুজলে নামতে লাইফ জ্যাকেটের বর্ননা আইলো কেমতে ? :)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: এখন কি সিজনটাই এডাপটেশনের নাকি? এই ঈদে বেশ কয়েকটা নাটক দেখলাম হিন্দি/ইরেজী ছবির গল্পের মতন। নকল কইতে গেলে কয় নো নো এইটারে কয় এডাপটেশন। বিদেশী গল্পের দূরবর্তী ছায়া অবলম্বনে করা হইয়াছে। তার মানে এখন টাইমটা মনে হয় এই রকমই চলতাছে। তাইত বিজ্ঞাপনেও ছায়া অবলম্বন চলিতেছে। মৌলিক চিন্তা নয় এখন চলছে সব যৌগিক চিন্তার কারবার। আবার না কেউ চেইতা যায়, কইব ইশ মৌলিক চিন্তা! এমনেই যায়না, আইছে আবার আইছে পেচাইতে...

৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:২৮
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: হ বস আমিও ভাবতেছিলাম এইটা!
কোথায় জানি মিল পাইতাচি!!!
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: :|

৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৪
ফাহমিদুল হক বলেছেন: দেখি নাই।
শিরোনামের মজা বিশ্লেষণে নাই। মাইনাচ দিবো কিনা ভাবতেছি।
তবে মন্তব্যে মজা -- এডাপটেশনের যুগ, 'ছায়া'বাজি চলছে। একই কুম্ভীরসন্তান বারবার না দেখিয়ে ছায়াবাজি খারাপ না।
একদিন ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে গাত্রে ব্যথা হলে না হয় অন্য কিছু করা যাবে ...
করতে কিছু একটা হবেই ... এতগুলা চ্যানেলের পেট ... ভরাতে হবে তো।
যদ্দূর জানি ৩০ লাখের কারবারে প্রচুর অপচয় থাকে। আর অপচয়কারী শয়তানের ভাই। আর শয়তানের ভাই সিনেমা কেমনে বানাবেন? কোথায় এক মিনিট আর কোথায় ১০০ মিনিট! ৩০ কোটি টাকা কে দেবে?
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: দেখলেন সকলে মিল্লা বিশ্লেষণ করাতে ব্যাপারটা কিরাম ফাইন হইল :)

৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৫
ফাহমিদুল হক বলেছেন: সত্যজিৎ থেকে ঋতুপর্ণ অনেকেরই প্রথম পেশা ছিল বিজ্ঞাপন, আমরা একটাও ঋতুপর্ণ পাইতেছি না।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: পাইবেন পাইবেন, সবুর করেন। জানেনত সবুরে মাকাল ফল ফলে! ;)

১০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩২
নুশেরা বলেছেন: মানুষের আবেগ-অনুভূতি নিয়ে বাণিজ্য করলে তা শৈল্পিক আখ্যা পায়। আজকাল বিজ্ঞাপন নির্মাণেরও পুরস্কার দেয়া হয়। তাই এসব দেখি আমরা। পোস্ট খুব ভাল লাগল।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: :|

১১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: প্রথমত পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। অন্তত বিষয়টিকে আমাদের সামনে তুলে ধরবার জন্য। তবে শিরোনাম দেখে আমি আরও সিরিয়াস লেখা আশা করেছিলাম............ফাহমিদুল ভাইয়ের সাথে আমিও একমত যে শিরোনাম যেমন মজার হয়েছে তা কনটেন্ট এ প্রতিফলিত হয়নি যেমন আশা করেছিলাম সে অনুপাতে। সম্ভবত তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ পোস্ট। সে ক্ষেত্রে একটি পূর্নাঙ্গ বিশ্লেষণ সহ পোস্টের জন্য আপনাকে অনুরোধ করতে পারিই। আশা করি একটি কষ্ট করে আপনার ভাবনাটা আরও বিকশিত করে আরেটি পোস্ট দেবেন। তাতে আমরা আরও গভীর বিশ্লেষণ পাবো................
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। মনে হচ্ছে কানাডায় থাকেন :)

১৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:১১
বৃত্তবন্দী বলেছেন: হ...
তাইতো বলি ল্যাংড়া আমে ক্যানো এতো আঁশ...
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: :|

১৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
হমপগ্র বলেছেন: আমি ধরেন গিয়া সেইদিনও আম্মুকে বলতেছিলাম, অপু আর দুর্গা ট্রেন দেখতে যাইত না? সেরকম করেই এডটা করেছে।

ঠিক কইছলাম। আপনার বিশ্লেষণ ভালো লেগেছে। একজন চিত্রকারের চোখে এসব ধরা পরা উচিৎ। ওখানে ট্রেন দেখতে যাইত আর এখানে টাওয়ার দেখতে যায়। হাস্যকর। তবে এডের কাহিনীতে মোচড় আছে। দুর্গার তো বিয়ে হয় না। এখানে বুবুর কিন্তু বিয়ে হয়ে যায়!
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: কথা হচ্ছে, কথা কিন্তু তা না ;)

১৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
যীশূ বলেছেন: অমিতাভ রেজা তো তার এ্যাডগুলারে ফ্লিমই বলে!
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ফিল্মইত।

১৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
লাল দরজা বলেছেন: কাল রাতে কেউ একজন একটা পোষ্ট লিখছিল, এ্যাডটা ভালহইছে তার ভাললাগছে। ঐ খানে একটু কমেন্ট করতে যেয়ে দু'কলম বেশী লিখে ফেলছিলাম। তাই ভাবলাম আলাদা একটা ব্লগ লিখি। শিরোনামর গভীরতা আলোচনায় অনয়ন করি আসেন। একাধারসে লিখতে আমার আইলসামী লাগে আসেন সকলে মিল্লা ইটু ইট্টু কইরা আলোকপাত করি। তাইলে আর কষ্ট হইবে না। @ ফাহমিদুল ভাই ও শামীম ভাই। :)
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: দেখলেন সকলে মিল্লা বিশ্লেষণ করাতে ব্যাপারটা কিরাম হইল :)

১৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩
ইউনুস খান বলেছেন: এইডা কিন্তু ধারুন হইছে।
১৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
লুকার বলেছেন:

সুন্দর হইছে আলুচনা।

কর্পোরেট হর্তাকর্তা যারা, বিদেশী বেনিয়া বা মোটা বেতনের চাকুরে আর তাদের এদেশীয় দালালেরা আসলে শিল্প-সংস্কৃতির কিছুই জানে না, এসবের সময়ও তাদের নেই। তাদেরকে ব্যবসার জন্য মানুষের আবেগ অনুভূতি ব্যবহারের বুদ্ধি আর সুযোগ করে দিচ্ছে শিল্প-সাহিত্য বোদ্ধা কিছু এদেশী লোক। তাহলে কি হলো? এরা তো আরো খারাপ! দেশের শিকড়কে এরা সাজিয়ে গুজিয়ে বিক্রি করছে নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীদের কাছে। পতিতারা নিজেদের শরীর বিক্রি করে, আর এরা কি বিক্রি করছে? দেশের শিকড়কে এরা সাজিয়ে গুজিয়ে বিক্রি করছে নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীদের কাছে।

মাল্টিন্যাশনাল আর ইন্ডিয়ান কোম্পানীগুলো, যারা এদেশে ধুন্ধুমার ব্যবসা করছে, তাদের চকচকে টাই-স্যু পরিহিত মার্কেটিং 'অফিসার' রা দেখেছি মাঝে মাঝে হোটেলে উৎসব করে। সাংস্কৃতিক দল ভাড়া করে আনে। আর আমাদের নৃত্যশিল্পীরা নেচে গেয়ে তাদের উপর ফুলের পাপড়ি বর্ষণ করে। এই কর্পোরেট কালচারের বিদেশীরা অনেকেই প্লে-বয়। তারা চাকুরীরত মেয়েদের, মার্কেট প্রমোশনের জন্য বা এক্সিবিশনের জন্য মেয়ে নেয়ার সময় এক্সপ্লয়েট করে। তাদের প্রলোভনে, চাক-চিক্যে বা মিথ্যে আশ্বাসে ফাঁদে পড়ে অনেকেই। ভাল পরিবারের মেয়েরা যখন এসবে জড়িয়ে যায়, তখন তাদের বুদ্ধি-সুদ্ধি বা ভাবনার গভীরতার ওপর আস্থা থাকে না। নাফিসের একটা পোস্টে দেখা গেল মিলিয়নায়ার হওয়ার জন্য যে ১১৪ টা এদেশী মেয়ে গেঞ্জি পড়ে পোজ দিয়েছে, তাতে এদেরকে অভিহিত করা যায় কর্পোরেট স্লেভ হিসেবে (সেক্স স্লেভ এর মত)। বুশেরার মন্তব্যটা সেখানে যথার্থ ছিল- মাংসের দোকানে কসাই অমিতাভ রেজা! আমরা যারা নারী স্বাধীনতার জন্য সোচ্চার, তারা এই মাংসের বেচা-কেনা দেখতে চাই না।
১৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৭
লাল দরজা বলেছেন: নুশেরার ঐ মন্তব্যটা আমারেও ঘা দিছিল। খুবই যথার্ত লেগেছিল। ঐ ছবিটা দেখতে আমারো খুব অস্বস্থি হচ্ছিল। আবার দ্বিধা হচ্ছিল, ভাবছিলাম নাকি আমার দেখবার দৃষ্টিতে কোন সমস্যা হচ্ছে! আমার ভেতরের কসাইটা লকলকিয়ে উঠছে কিনা ভেবে বিব্রত হচ্ছিলাম। নুশেরার মনন্তব্যটা পড়ে আস্বস্থ হয়েছি, না আমি মনে হয় সাফ আছি। কোন অন্যায় চিন্তা করিনি। @ লুকার।
আলোচনা চলতে থাকুক।
২০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২০
ভোরের তারা বলেছেন: ফোন কম্পানী গুলাতো আমাগোর গলা কাইটা পয়সা খায়ই। এ্যাড মেকাররা আমাগোর সেই পয়সায় আমাগোরেই কান্দাইয়া আরো পয়সা খাওনের ধান্দা করে। এরা ফিল্ম কি বানায়বো ফেমফিরিতী কইরাইতো কুল পায় না। এক মাইয়ারে লইয়াই খালি এ্যাড নাটক ছিঃনেমা বানায়।এজন্যইতো অপু দূর্গার কাহিনী মাইরা দিছে। এগো খালি পয়সার নিশা, ছবি বানানির মত সৃষ্টিশীলতার দিকে হেগো যুক কম। হেরা আছে মানুষ সৃষ্টির নিশায়।হের লাইগাইতো কুটি টেকার পাহাড় বানাইয়া নিজেগো আখের গুছায়তেছে।
২১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
মৈথুনানন্দ বলেছেন: কশাই-অনেশ্বনকারী অতুলনীয় দৃষ্টিশক্তির পরিচয় পাইয়া মুগ্ধ হইলাম, কিয়দংশ ধার হিসাবে পাইলে অনেক উপকার হইতো, কার্ল জাইসের খরচটা বেঁচে যেত আমার! :(
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: তোমার মাথামুন্ডু আজকাল বুঝতে আমার কষ্ট হয়। জানি না আমার কি লোপ পাচ্ছে ইদানিং! :(

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশী বাংলায় ইশারা করনাগো বাবু ;)

২২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১
মদন বলেছেন: কত কথা বলে রে...
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: চলুক আলোচনা, উঠুক কথার ঝড়...

২৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
মৈথুনানন্দ বলেছেন: তোমার দেখি সেলেরন...কোর২ডুয়ো লাগাও...তাড়াতাড়ি প্রসেস হবে! ;) BTW আমি মায়োপিক ২০০০ সাল থেকে স্পেইক্স।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: আমার ত ম্যাক প্রসেসর কোরডু ২৬৬ গিগাহার্টস্ । মেমোরী ৪ গিগাবাইটস্ । তাতেওত কুলাচ্ছে না!

২৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
ফাহমিদুল হক বলেছেন: লুকারের বিশ্লেষণ ভালো লাগলো।
মৈথুর ভাষা, আজব জিনিস।
কবিতার মতো রহস্যময়, আর অর্ধভোজনমাত্র।
২৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
মৈথুনানন্দ বলেছেন: এর বেশি খোলসা করে বলা যাবে না লালুদা, এবার তো বাদ পড়ে গেচি, পরের বার কোক সহযোগে ৩তলা কেক খাইতে চাই! ;)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: কোথাকার কেক, কিসের কোক! আমি পাগল হয়ে যাবো, কি শুরু করেছ বল দিকি? :|

২৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
মেহবুবা বলেছেন: পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ,অপু দূর্গাকে খুজে পাবার উপায় বলায় আরো ধন্যবাদ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
আরিফ জেবতিক বলেছেন: ইশ , আমি বিক্রী হতে চাই , কিন্তু কর্পোরেটরা এতো ছোট পুটিমাছ কিনে না । :(
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: সরপুটি হইলেও চলত, তয় কেচকি মাছের কোন বাজার মূল্য নাইগ দাদা। উহা খাইলে চখের জ্যোতি বড়িবে। এক কথা দিদিমা বলিয়া ছিলেন সেই গেন্দা কালে। কেবল উহাই শান্তনা :(

২৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪১
আরিফ জেবতিক বলেছেন: আমার কথা হচ্ছে , এই বিজ্ঞাপনের খারাপ দিকটা আমার চোখে পড়ছে না । সবকিছুই কর্পোরেট হয়ে যাচ্ছে , এটা ঠিক । আবার কর্পোরেটদের সাহায্য ছাড়া চলে না এটাও ঠিক । শাহনামা লিখতে হলে রাজানুগ্রহ লাগে ।
পথের পাঁচালি পশ্চিমবঙ্গের সরকারের পয়সায় করা বলে মনে পড়ছে , যদিও সরকার আর কর্পোরেট এক না , এটা স্বীকার করে নিচ্ছি শুরুতেই ।


আমার কাছে মনে হয় , " দেশ দেশ দেশ / বাংলা লিংক দেশ " বলে একগাদা ছেলেমেয়েরা যেভাবে কমলাপুর স্টেশনে নেচে গেয়ে স্টেশনের কমদামী টাইলসের চল্টা উঠিয়ে ফেলে , তার চাইতে বরং আমাদের সংস্কৃতিকে আশ্রয় করে তৈরী করা এসব বিজ্ঞাপনকে একটু ধন্যবাদই দিতে হয় ।

কর্পোরেটরা যে নিজেদের সংষ্কৃতি এখানে চালু না করে , আমাদের সংষ্কৃতিকে বেইজ করেই আগাচ্ছে , এটা মন্দের ভালো । ডিজ্যুস জেনারেশনের চাইতে এমন বিজ্ঞাপনকে আমি বরং অনেক পজেটিভলি দেখছি ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ভীন্ন মত সাদরে গৃহিত হইল। এক মত, দ্বি-মত, তৃতীয় মত এই লইয়া আলোচনা আগাইয়া চলুক। :)

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন:
আর একটুঃ পথের পাঁচালী সত্যজিৎ রায়ের গাটের পয়সায় করা প্রজেক্ট। মাঝ পথে অর্থ সঙ্কট মোকাবেলা করতে যেয়ে কাঠখড় পুড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুদান প্রাপ্তি। আর পশ্চিম বঙ্গ সরকার আর কর্পোরেশনের পার্থক্য "যদিও" কিম্বা আসমান আর জমিন নয়। সে পার্থক্য গ্যালাক্সি থেকে গ্যালাক্সিই হবার কথা। :)

২৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
সৌম্য বলেছেন: আপনার লিখাটা কনফিউজ করে...প্রথমটা পড়ে মনে হলো আপনি এডটার বিরুদ্ধে... আবার মনে হচ্ছে, বানিজ্যিকিকরনের বিরুদ্ধে। আমি দুইটারি পক্ষে। আমার বোন বিদেশে থাকে। গত দুইবছরে তাকে ওয়েবক্যামে দেখছি খালি। এই এডটা আমি দেখতে পারি না। টিভিতে শুরু হলেই চেঞ্জ করে দেই, কষ্ট লাগে। আর ভালো জিনিস অনুকরণে দোষ কই? রবীন্দ্রনাথ আর গগণ হরকরার গানের তুলনা না করে উনার একটা কথা বলি, "শুধু মাত্র মাকড়শা আর স্যাকড়া ছাড়া কারো সৃষ্টি ১০০ ভাগ মৌলিক না"।

আর যুগ দিনে দিনে পাল্টাবে। ১টা সময় ছিল যখন কয়েকটা জাতি ধর্ম দিয়ে বিশ্ব জয় করে, ইসলাম ইউরোপ দখল করে, ইউরোপ আফ্রিকা। এর পরে শক্তি প্রয়োগ করে, তার পরে প্রযুক্তি। আর এখন বিশ্ব জয়ের মাধ্যম হচ্ছে বানিজ্য। যে কারনে মার্কীনীরা কথায় কথায় বানিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখায়।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: আমি কোন পক্ষাপক্ষি করি নাই এখানে। আমি আমার ভাল লাগার কথা, খারাপ লাগার কথা, আশঙ্কালাগার কথা যেভাবে মনে হইছে সেভাবে বলছি। বানিজ্য করতে চাই কিন্তু বানিজ্য দিয়ে আমি কিছু জয় করতে চাইনা। কারন আমি জিতলে কাউকে হারাতে হবে। মানুষের পরাজয় আমি চাই না।

আজকের বানিজ্য অলারা স্লোগান দেয়, সকল কিছুই পন্য। সকল কিছুই বিক্রয় যোগ্য। যদি তার উপযুক্ত দাম মিলে! আমি আমার মনুষত্বকে কোন উপযুক্ত মূল্যের বিনিময়েও পন্য হতে দেখতে চাই না। বিক্রি করতে চাই না। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু সরি।

৩০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০১
শয়তান বলেছেন: হাহাহা@ মৈথু মামা । সেইম কন্ডিশন হিয়ার ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: মৈইথুর জালায় আমি নাহয় অতিষ্ট, শয়তান বাবাজীর আবার কি হইল!

৩১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১০
শয়তান বলেছেন: একই টাইপ টেরা আমরা । কি করমু বলেন :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: কে কে একই টাইপ? আর টাইপটাইবা কিরাম! ;)

৩২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৮
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম আলোচনা আর প্রসঙ্গ উস্থাপনের জন্য।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।

৩৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৮
শয়তান বলেছেন: বেশী কইলে বিলাই বেজার হইবেক ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: কে বিলাই অন্তত এইটুকু কয়াযান, ফিলিজ :)

৩৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩১
মৈথুনানন্দ বলেছেন: জানি শয়তান মামা...বৃদ্ধ বয়সে তোমায় আমায় আবার রিফ্রেশার্স কোর্স গ্রঘণ করিতে হইবেক...নইলে হুঁহুঁহুঁ! ;)
৩৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪৮
আরিফ জেবতিক বলেছেন: গ্যালাক্সি থেকে গ্যালাক্সি তফাৎটা মেনে নিয়েই জানতে চাইছি , যে সরকারী অর্থানুকূল্য নিয়ে ক্রিয়েটিভ কাজ করাটাকে আপনি কিভাবে দেখেন ?
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫১

লেখক বলেছেন: ১,২,৩,৪ নানা ভাবে দেখি। এর মাঝে নিজের পিঠ বাঁচিয়ে ভাল ভাবেও দেখি।

৩৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৬
বিরক্তিকর বলেছেন: ক্যামেরা রেডি।
লাইট
ক্যামেরা
একশন

পুরা ইশকিরিন জুইড়া লাল দর্জা।


তয় বন্ধ। খোলার কেউ নাই :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: বুঝিনাই, দেড় হাত পাশ দিয়া গেছে ;)

৩৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২০
বিরক্তিকর বলেছেন: আরে এক্টা জীবন্মুকি বিজ্ঞাপন বানাইলাম আর্কি ;)





তয় চামে কৈয়া যাই, দর্জা কিন্তু নিজেগোই খুল্তে হৈপে
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: ধর্তার্ছি মনে লয়। আগেত দর্জার কপাটই ত আছিল না, কর্পোরেট হৈপার আশায় কপাট লাগাইছিলাম। এখনত দেখি আপ্নে অন্য ডর দেখান! হালার যামু কই, গরীব হইয়া মর্লাম দেহি! ;)

৩৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৬
আরিফ জেবতিক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ১,২,৩,৪ নানা ভাবে দেখি। এর মাঝে নিজের পিঠ বাঁচিয়ে ভাল ভাবেও দেখি

মন্তব্যে ঝাজা । :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: ঝাজা সংগ্রীহিত হইল। :)

৩৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
নাসিমূল আহসান বলেছেন: ভিন্ন আলোচনা : আশা করি বিরক্তির উৎপাদন হবে না।

মিডিয়া দখল নিয়ে বসে আছে আমাদের সমগ্র মানসিক মানচিত্রের। নির্মান ও বদলে দিচ্ছে আমাদের আচরনের কাঠামো। ভাবনার জগত। সাংস্কৃতিক প্রতিবেশ। মূলধারার মিডিয়াগুলো উপকারের বানী প্রচার করছে যত্রতত্র। তথ্য দিয়ে,সেবা দিয়ে ধন্য করেছ আমাদের! সেবাপরায়নতার মুখোশে গড়ে তুলছে মানসিক সাম্রাজ্যবাদ। মুনাফা আর লাভালাভির হিসাব কষতে গিয়ে ক্ষতি করছে গণমানুষের। আমরা সেই ক্ষতি সম্পর্কে অবহিত করতে চাই সবাইকে। চাই মিডিয়ার ধান্দাবাজি সম্পর্কে মিডিয়া ভোক্তাশ্রেণীর মধ্যে সচেতনতা নির্মান করতে। চাই ভোক্তাদের মধ্যে উত্থান হোক একটি সংগঠিত শক্তির; যারা মিডিয়াকে বাধ্য করবে গনমানুষের কাছে যেতে। নির্মান করতে চাই মিডিয়া সম্পর্কিত বাহাস ও যুক্তির নতুন বয়ান।
আমাদের এই স্বপ্ন বোনার কাজে আপনাকে পাশে চাই আমরা। প্রত্যাশা করি আপনার সরব উপস্থিতি । তাই মিডিয়া সম্পর্কিত নতুন গ্রুপ
' মিডিয়া : পাঠ ও আলোচনা '-এ আপনার অন্তুর্ভুক্তি কামনা করছি।
ভালো থাকবেন । শারদীয় শুভেচ্ছা।

লিংক : "মিডিয়া : পাঠ ও আলোচনা"

http://www.somewhereinblog.net/group/mediapoa
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: পাশে থাকব। গ্রুপে থাকব না। ধন্যবাদ। শারদীয় শুভেচ্ছা।

৪০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: মেয়েরা গেঞ্জি পরে পোজ দিয়েছে। আমি কিন্তু কী পরলো সেটা নিয়ে আগ্রহ বোধ করি না। কারণ অন্য পোষাক পরলে বিষয়টি জায়েজ হয়ে যেত তা কিন্তু নয়। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পোষাক কে পরালে এবং কীভাবে পরালো সেটি। তার মানে এ ধরনের প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্যটা। এবং অংশগ্রহণকারীদের সাথে বাজারের সম্পর্কটা। ব্যক্তিগতভাবে নারী-পুরুষের মান পোষাকে আমার আপত্তি আছে এটি আরোপিত বলে...................অমিতাভ রেজা অনেকগুলো তরুনীর মাঝখানে বসে আছেন। নুশেরা বলেছেন-মাংসের দোকানে কসাই। তার মন্তেব্যে রসবোধ এবং বাস্তবতা দু'টোই আছে। এটিতো সত্য যে পুরুষতন্ত্র পুরুষের বহুগামিতাকে জায়েজ করেছে এবং চিন্তাকাঠামোটাকেও মাংসাসী করেছে। আর সে সামাজিক চেতনাটাকে নির্ভর করে বাজার অর্থনীতি ওরকম মাংসের দোকান খুলে বসে প্রধানত তার পণ্যের চাহিদা তৈরির বাসনায়। এখানে চিন্তা, রুচি এবং সংস্কৃতির মনোপোলাইজেশন ঘটাবার চেষ্টা করে। এটি মনোপলাইজেশনটাও জরুরি কর্পোরেট অর্থনীতির স্বার্থে। সেখানে অমিতাভ রেজার মতো শ্রমদাসও প্রয়োজন পড়ে এটিকে ফ্যাসিলেটেট করবার জন্য। ......................সুতরাং কসাইনামার সৃজন ও পুনসৃজন চলতে থাকবে.......যতদিন না ব্যবস্থাটাকে বদলানো যায়।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: তাইতো।

৪১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
মাহবুব সুমন বলেছেন: লাল ভাই, আমার "হ" কমেন্ট কই ? মুইছা ফেলাইছেন ? :(

আপনার পোস্টখানা ভাবার মতো। তবে আমার মনে হয় এটাই সময়ের নোংরা কঠিন বাস্তবতা। বৈশ্য সমাজে এটাই অনেক। তাওতো ভালো ............ দেখায় না।

আমার জন্য দোয়া কইরেন। দারুন কঠিন সময় পার করছি, খবর হলে মুঠোফোনে আলাপ হইবেক।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: এইটায় হ দেন নাই, যেইটায় দিছিলেন ঐ পোষ্ট ড্রাফ্ট হইছে। ঐটা আধা বিটলামী লিখন ছিল।;)

আপ্নের কঠিন সময় নরম হউক, শুভকামনা থাকল। আপ্নের উপর আমার অনেক আশা, সহসা বিপদ মুক্ত হোন দোয়া করছি। :)

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: http://www.youtube.com/watch?v=_6BI_auv-9Q

৪৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৮
মিঞা ভাই বলেছেন: রেজারের এ্যাডে নারীপ্রজাতির কি দরকার?
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: :|

৪৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৭
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: এ্যাড তো হইচেই...। পোষ্টও জটিল হইছে মাম্মা!
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: সে যা বলেছেন! ;)

৪৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০০
মৈথুনানন্দ বলেছেন: কি গো লালু মামা - ম্যাকাভেটের দেখা পেলে শেষ পর্যন্ত? ;)
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: তোমার ভাষা বোঝার আশা দিয়েছি জলাঞ্জলি...

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: আমি কখনো কারো কমেন্ট মুছিনি তাই তোমার নীচের জ্ঞ্যানী কমেন্টটি মুছলাম না, কিন্তু এই পোষ্টে ওটা রাখতেও ইচ্ছে করছে না। কি যে ঝামেলা করোনা মাঝে মাঝে!

৪৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৮
মৈথুনানন্দ বলেছেন: Macavity - The Mystery Cat
a poem by T S Eliot







Macavity's a Mystery Cat: he's called the Hidden Paw--
For he's the master criminal who can defy the Law.
He's the bafflement of Scotland Yard, the Flying Squad's despair:
For when they reach the scene of crime--Macavity's not there!

Macavity, Macavity, there's no on like Macavity,
He's broken every human law, he breaks the law of gravity.
His powers of levitation would make a fakir stare,
And when you reach the scene of crime--Macavity's not there!
You may seek him in the basement, you may look up in the air--
But I tell you once and once again, Macavity's not there!

Macavity's a ginger cat, he's very tall and thin;
You would know him if you saw him, for his eyes are sunken in.
His brow is deeply lined with thought, his head is highly doomed;
His coat is dusty from neglect, his whiskers are uncombed.
He sways his head from side to side, with movements like a snake;
And when you think he's half asleep, he's always wide awake.

Macavity, Macavity, there's no one like Macavity,
For he's a fiend in feline shape, a monster of depravity.
You may meet him in a by-street, you may see him in the square--
But when a crime's discovered, then Macavity's not there!

He's outwardly respectable. (They say he cheats at cards.)
And his footprints are not found in any file of Scotland Yard's.
And when the larder's looted, or the jewel-case is rifled,
Or when the milk is missing, or another Peke's been stifled,
Or the greenhouse glass is broken, and the trellis past repair--
Ay, there's the wonder of the thing! Macavity's not there!

And when the Foreign Office finds a Treaty's gone astray,
Or the Admiralty lose some plans and drawings by the way,
There may be a scap of paper in the hall or on the stair--
But it's useless of investigate--Macavity's not there!
And when the loss has been disclosed, the Secret Service say:
"It must have been Macavity!"--but he's a mile away.
You'll be sure to find him resting, or a-licking of his thumbs,
Or engaged in doing complicated long division sums.

Macavity, Macavity, there's no one like Macacity,
There never was a Cat of such deceitfulness and suavity.
He always has an alibit, or one or two to spare:
And whatever time the deed took place--MACAVITY WASN'T THERE!
And they say that all the Cats whose wicked deeds are widely known
(I might mention Mungojerrie, I might mention Griddlebone)
Are nothing more than agents for the Cat who all the time
Just controls their operations: the Napoleon of Crime!



৪৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১০
মৈথুনানন্দ বলেছেন: এই ছবিটা আমার খুউব প্রিয়, প্রিন্ট করে ওয়ালেটে রেখে দিয়েছি, এক দিন আমার ঘরেও কোনো ছোট্টো দূর্গা আসবে - এক্সট্রা স্ট্রঙ দোয়া রেখো লালুদা।

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: রাগ হয়ে ছিল, মন ভালো করে দিলে। যাও খুব করে দোয়া করে দিলুম মা দূর্গার জন্য। :)

৪৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
শিরোনামহীন বলেছেন: ভালো লাগলো। অ্যাডটাও সুন্দর করেছে। অন্তত কথা হয় দিনে কথা হয় রাতে নর্তন কুর্দনের চেরে বেটার! তাও ভালো যে পথের প্যাঁচালির ছায়া অবলম্বনে কিছু করার চেষ্টা করেছে (অ্যাড দেখে আমারও প্রথমে সেটাই মনে হৈসিল) । হিন্দী আ্যাড থেকে কপি পেস্ট না ;)
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: এ্যাড ভাল হইছে, আমি ত খারাপ বলতেছি না। এ্যাডের পাশ ফেল ত আমার বলার উদ্দেশ্য ও নয়।
আচ্ছা জামাতীরা যখন ধর্মের কথা বলে তখন ওরা আসলে কি বলে?
আমরা তখন কি বলি!
ওরা আসলে কি করে?
ধর্মটাকে পন্য করে, ধর্মকে বেচে কারা!
ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে উন্মাদনার তলোয়ারবাজী করে কারা?

হিন্দি থেকে নকল করুক, বাংলা থেকে নকল করুক, কোরানের আয়াত আশ্রয় করে করুক আসলে ওরা করছেটা কি?
ভুতের মুখে রাম নাম কেন! এই পোষ্টের জিজ্ঞাসা সেটাই।

দুইশত বছর আগে কম্পানীর লোকেরাও বাংলা শিখেছিল, বাংলা বলত। কেন আমাদের পূর্ব পুরুষদের চুম্মা দিতে না চামড়া তুলতে?
ভেবে দেখা যায় কি ;)

আর ভাল কথা ওটা প্যাঁচালি নয় পাঁচালী হবে। শুভ কামনা। :)

৪৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: মাল পানি জিন্দাবাদ গুরু!
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: :) কি ব্রাদার, দৌড়ের উপর কতদূর? এখন আছেন কেমন?

৫০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই প্যাঁচালি পাঁচালি কনফিউশনও মনে হয় আমাগো মিডিয়ার অবদান,দেবাশীষ একুশে টিভিতে পথের প্যাচালি নামের ফাতরামি অনুষ্ঠানটা দেখানির পর থাইকাই ক্যান জানি সবাই বিভূতিবাবুর পাঁচালির লগে দেবাশীষের প্যাঁচালি গুলায়া দেয়।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩

লেখক বলেছেন: দেবাশীষরে আর কি দোষ দিমু, দোষ আমাগ হাটুর। আফসোস আর কারে কয়! ;)

৫১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
রাজামশাই বলেছেন: আলোচনার নামে ......

ইস কত কথা বলে রে ;)
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: :) শুভ জন্মদিন :)

৫২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
মৈথুনানন্দ বলেছেন: মুছে দাও - কোনো সমস্যা নেই! :)

তোমার ভিমরতি হয়েছে - না হলে আমাকে এতো অবুঝ ভাবলে কেমন করে? :P
৫৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: মন ছুয়ে যাওয়ার মত এড হইছে একখান।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: আসলেই।

৫৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:১৫
িক েশা৩০েম বলেছেন: মামু তোমার ছবি আপলোড কইরোতো....শুনলাম এই অ্যাডের সিক্যুয়েল হইবো, ভাবতাছি তোমারে 'বালেগ অপুর' রোলটা দিলে কেমুন করবা!
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: না মাম্মা আমি আট্টু বেশী বালেগ, অপু না অপুর বাপের রোলের লাইগা ফিট হইতাম ফারে :)
আর কাইলাকা ভোরে ইট্টু বেশী পেরেশানী গেল মনে হয়! শইলডা এখন কিরাম, বালানি?

৫৫. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
জুবেরী বলেছেন: "আজকের বানিজ্য অলারা স্লোগান দেয়, সকল কিছুই পন্য। সকল কিছুই বিক্রয় যোগ্য। যদি তার উপযুক্ত দাম মিলে! আমি আমার মনুষত্বকে কোন উপযুক্ত মূল্যের বিনিময়েও পন্য হতে দেখতে চাই না। বিক্রি করতে চাই না।"

এটাই আসল কথা ।।।।।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩২

লেখক বলেছেন: :)

২৫ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯১৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"ও আমার উড়াল পঙ্খিরে,
যা যা রে উড়াল দিয়া যা..."

পাগলা কিছিমের মানুষ
কোন ইষ্টিশন নাই,
গাইল জানি কিন্তু গাইল পাড়ি না।
দিলের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ