এই ব্লগে অনেকেই বয়সে অনেক তরুন তাই তাদের না জানারই কথা। লেইট সেভেন্টির দিকে বাংলাদেশে একখান সিনেমা খুবই আলোড়ন তুলেছিল "গোলাপী এখন ট্রেনে" পরিচালক আমজাদ হোসেন। সেই ছবিতে গোলাপী চরিত্রে অভিনয় করে ছিলেন নায়িকা ববিতা। ববিতার ঠোঁটে ছবির টাইটেল সঙটি গীত হয়ে ছিল, "হায়রে কপাল মন্দ চোখ থাকিতে অন্ধ, এজীবন জইলা পুইড়া শেষ ত হইল না..." বিক্ষ্যাত গান! ববিতা, আনোয়ারা ও রওশন জামিল ট্রেনে করে গান গাইতে গাইতে ভিক্ষা করেছেন।
আমাদের দেশের ভিক্ষুক সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ গান গেয়ে গেয়ে ভিক্ষা করে থাকেন। গান গাওয়াটা তারা পুরোপুরি প্রফেশনালী করে থাকেন। গান শুনে মানুষের হৃদয় গলিত হলে তবেই ভিক্ষা, ভিক্ষুক ভাই/বোনদের উপার্জন। যার গানের পারফরমেন্স/গলা যত ভাল তিনি তত ভাল উপার্জন করবেন। দেখা যাচ্ছে আমাদের দেশের অনেক তারকা জাতীয় গায়ক গায়িকারাও সখের বশে গান করে থাকলেও এই গরীব মানুষেরা কিন্তু গান করে থাকেন পুরোপুরি প্রফেশনালী। মানে গানই তাদের একমাত্র রুটি রুজী। সেই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছিটিয়ে থাকা প্রফেশনাল এই শিল্পী সম্প্রদায়কে নিয়ে আমার একটা আইডিয়ার কথা বলি। এই জাত শিল্পীদের নিয়ে একটা গানের প্রতিযোগীতা করলে কেমন হয়! বর্তমান অখাদ্য আরোপিত সব রিয়েলিটি বস্তা পচা রদ্দি শো গুলির সব ছুট্টি হয়ে যাবে। গ্যারান্টি! আইডিয়াটা কেমন ঝাড়লাম দাদা? টিভি অলারা এমন একটা আইডিয়া চিন্তাও কর্তে পারে নাই, দিয়া দিলাম মুফতমে। একটা হাই রেটেড প্রাইম টাইম আইটেম, কর্পোরেট কম্পানী গুলোর হাঙ্গামা করার জন্য মোক্ষম একটা অস্ত্র আর দর্শকরাও পাবেন অসাধারন কিছু প্রতিভার। কি, ঠিক কইলাম কিনা? আশা করি ব্লগ পাঠক মাত্রই এক মত হবেন আমার সাথে।
ব্যাপারী, আরেকটা কোটি টাকার আইডিয়া মাগনা দিয়া দিলাম। যান মিঞারা কামাইয়া খান, তাও একটা জেনুইন কিছু করেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


