আমার প্রিয় পোস্ট

দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট)

১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১৫

শেয়ারঃ
0 3 0


গোলাম আজম: একাওরে বাঙালি বুদ্ধিজীবী হত্যার অন্যতম রূপকার, তথাকথিত শান্তি কমিটির হোতা ও জামায়েতে ইসলামী'র তত্কালীন প্রধান ছিলেন এই গোলাম আজম। জামায়েতে ইসলামী ও গোলাম আজমের নির্দেশেই গঠিত হয়ে ছিল কুক্ষ্যাত আল-বদর বাহিনী। যারা হত্যা করে ছিল বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে অবস্থা বেগতিক দেখে গোলাম আজম প্রান ভয়ে এবং জনতার আক্রমন থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য পাকিস্তান পালিয়ে যান। স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ সরকার গোলাম আজমের নাগরিকত্ব বাতিল করে।


বাংলাদেশের আপামর মানুষের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুররা যখন নিজের জীবন বাজী রাখছিলেন তখন জামায়াতে ইসলামী নামের দলটি কি করে বেরাচ্ছিল তার কিছু ফিরিস্তি এখানে দেয়া হলো। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ যাদের কাছে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দ্বারা সৃষ্ট গৃহযুদ্ধের গন্ডগোল তাদের মহান নেতা গোলাম আজম সাহেরে ১৯৭১ সালের কিছু কর্মের এক ফিরিস্তি এখানে হাজির করা হলো। ৬৮ পৃষ্ঠার এ পিডিএফ ফাইলটির প্রথম ১৪ পৃষ্ঠা ইংরেজীতে বাকী ৫৪ পৃষ্ঠায় বাংলায় লেখা। এখানে মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়েতে ইসলামী'র তত্কালীন প্রধান গোলাম আজম এর প্রাত্যহিক কিছু কর্মকান্ডের ফিরিস্তি দেয়া হয়েছে।

* পড়ুন গোলাম আজমের একাওর নামা, মোট ৬৮ পৃষ্ঠা*

সকলের কাছে আবেদন দয়াকরে এ ফাইলটির প্রিন্টআউট নিয়ে পড়ুন ও অন্যদের ও পড়তে দিন আর একটিবার শুধু ভাবুন যারা বাংলাদেশের জন্মই চায় নাই সেই বাংলাদেশে তারা আজ কেন মুক্ত ভাবে থাকবে! যাদের রাজনৈতিক আদর্শ বিশ্বাস বাংলাদেশ বিরোধী তারা কি করে বাংলাদেশে রাজনীতি করবার অধিকার লাভ করে! কেন আজ ও বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাস নিয়ে তারা স্পর্ধা দেখাতে সাহস পায় বাংলাদেশের মাটিতে? অথচ রাষ্ট্রযন্ত্র বরাবরই কেমন করে এমন অদ্ভুত আচরনে প্রকাশ পায়!
আমরা কি কোন দিন এ রাষ্ট্রদ্রোহীদের বিচার করতে পারবো না, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি করেছে ষড়যন্ত্র আর বিরোধীতা। হত্যা করেছে আমাদের!

* ২৫শে মার্চের গন হত্যার সাফাইগেয়ে গোলাম আজমের বক্তব্য!
* বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামকে জামায়াত সবসময়ই মনে করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কর্ম! এবং গো.আজমে ও আল-বদর।

কেন এই পোষ্টঃ ২০০৫ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কয়েকশ গজ দূরে এক দৃশ্য দেখে আমি অবাক মেনেছিলাম! সে দৃশ্য তক্ষুনি আমি নিজ ক্যামেরায় ধারন করে ফেলি। সেই ফুটেজের কিছু অংশ ব্যবহার করে ব্লগে আমার যাত্রার প্রথম দিকে একটি পোষ্ট দিই "মুক্তি যোদ্ধা শিবির!" শিরোনামে।

সে সময় কে এক জন যেন গোলাম আজমের ছবি সম্বলিত একটা পোষ্ট দিয়ে ছিলেন। ছবিটি দেয়ার পর পরই ব্লগ জুড়ে শুরু হয়ে যায় সে কি তোলপাড়! রাজাকারের ছবি এখানে কেন, চরম ঘৃনা গালাগালিতে উওপ্ত হয়ে যায় পরিস্থিতি। যাই হউক সেই পোষ্টের ছবিটা আমি ডেস্কটপে সেদিন নামিয়ে রাখি। আমি ভীষন অবাক হয়ে দেখলাম ছবিটিতে গোলাম আজম সাহেব বসে আছেন হয়তো তার পড়বার ঘরে, পেছনে একটা বইয়ের সেল্ফ তার পাশেই বিশাল এক বাংলাদেশের পতাকা ঝোলানো! গায়ে পাঞ্জাবী ও টুপী।

আজকে বাংলাদেশের যে নাগরিকের বয়স ধরুন ৩৭/৩৮ তিনি ত আর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ দেখেন নি কেবল শুনেছেন। যে শিশুটি জন্মে ছিল ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ তার কি নাম! জয় কিংবা মুক্তি। সেই শিশুটি আজ ৩৮ বছরের ব্যবধানে একজন পরিনত মানুষ। তাকে জিজ্ঞেস করলে অন্তত জানা যাবে, ১৬ ডিসেম্বর ফজরের আজানের সময় আমার জন্ম হইছিল। নানী জানের কাছে হুনছি সে দিনের সকালটা নাকি ছিল কি ভীষন ফকফকা! নানা বাড়ীর টিনের চাল থেইকা ছোট মামার গিরিবাস কৈতর গুলান যখন আসমানে উড়াল দিয়া ডিগবাজি দিবার লাগছিল তখন ঠিক তখন আমার জন্ম।

আমি লাল দরজার লালু হইলাম এই মুক্তি/জয় দের সমসাময়িক প্রজন্মের মানুষ। বিজয় আমি তেমন অর্থে না দেখলেও কোন না কোন ভাবে স্বাধীনতার সূর্যের আলোর প্রত্যক্ষ্য ছোঁয়া আমি পেয়েছিলাম বলেই আজও বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাস আমার কাছে অবিকৃত থাকে। আমি জানি কে আমি, কে আমাদের আপন কে পর। কিন্ত যে তারুন্যের বয়স আজ ১৬ কিম্বা ২১ তার জন্য গোলাম অজমের লাল সবুজ পতাকার সামনে ছবি তোলা আর শিবিরের মুক্তিযুদ্ধ যে কত বড় নীল নক্সার সঙ্গোপন আয়োজন তা চিন্তা করে আমি অস্থির হয়ে উঠি!

স্বাধীনতার যে সূর্য রশ্মির কাছে আমি ঝৃনী সে সূর্যের আলো আমাকে আমার আলোহীনতার অশঙ্কার কথা জানান দিয়ে যায়। আমি শঙ্কিত হয়ে পরি, যখন আজকের সময়ের অনেককেই বলতে শুনি সব কিছু ভুলে যেতে হবে দেশ গড়তে হবে। শঙ্কিত হই যখন শুনি ৩৮ বছর আগে কি হইছে না হইছে ঐ সব নিয়ে পড়ে থাকলে আর সামনে যাওয়া যাবে না(!) শঙ্কিত হই যখন দেখি বর্তমান বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ ও তার ইতিহাস নিয়ে জামাতীদের নিঃসংকোচ দুঃসাহসিক আস্ফালন! অথচ কোথাও কেউ বাংলাদেশের জন্ম বিরোধী এ মানুষ গুলোকে কিছুই করতে পারছে না। করতে দেয়া হচ্ছে না! যারা বাংলাদেশ কে তখন স্বীকার করেনি আজ তাদের এ ছল চাতুরির আসল উদ্দেশ্য কি আমার সবাই কেন আজ বুঝেও কিছু করতে পারছি না!

কোন কারনে গত জোট সরকারের পাঁচ বছর তিরিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ের পাওয়া বাংলাদেশের পতাকাকে এই বাংলাদেশ বিরোধীরা অপমানিত করতে পেরেছে। কেন আজো তারা ঠিক তাই বলতে পারে যা তারা বলে হত্যা করেছিল আমাদের, টুটিচেপে রাখতে চেয়েছিল বিজয়, মুক্তি আর স্বাধীনতার! কেন তারা আমার আপনার প্রাণের বাংলাদেশে এখনো রাজনীতি করবার অধিকার পাবে, কেন তারা আজো আমাদের মাঝে থাকবে! যারা সুযোগ পেলেই স্বীকার করেনি, করে না, করবে না আমাদের দেশ, সংস্কৃতি, মানুষ কোন কিছুকেই।
আমরা আর কতকাল এ বিষ হজম করে যাবো...

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:১৬
লাল দরজা বলেছেন:
যত বার যত ভাবে খোলশ পাল্টাক না কেন বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশ বিরোধী হায়নাদের দৃষ্টান্ত মুলক বিচার হবেই হবে। উপরের লেখাটি এর আগে আরো তিন দফায় এই ব্লগে আমি পোষ্ট করেছি। আজ রাতে আবারো করলাম, নীচে আগের লেখা গুলোর লিংন্ক দিয়ে রাখলাম।

"গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩১

মহাপুরুষ তোর গুষ্টি মারি, শালার শালা রাজাকার (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬

জীবনে যা আকাম করলামঃ গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

২. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ২:৩২
কেল্টূ দা বলেছেন: লাল দরজা ভাই, এইটা আপ্নের কবের পোস্ট । । কঠিন জিনিষ সব দলিল ।। কমেন্ট কইরা পুরাটা পড়ুম ।।

আপাতত ওয়াচে আছি, প্লাসাইতে পারলাম্না
পোস্টটা প্রিয়ায় রাখলাম ........... মুইছেন্না
১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: :) ২০০৭ এ লিখা লিংন্ক গুলা উপরে দিসিলামত।

"গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩১

মহাপুরুষ তোর গুষ্টি মারি, শালার শালা রাজাকার (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬

জীবনে যা আকাম করলামঃ গো. আ সাহেবের একাত্তর নামা (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) ২৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

৩. ১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:০৮
রাইডার বলেছেন: আমরা আর কতকাল এ বিষ হজম করে যাবো...
:(
১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:২৭

লেখক বলেছেন: হুম!

১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

৫. ১৮ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৬:১৬
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: এই পোষ্টে মাইনাস দিল কে????????????? তারে কইস্যা দু'কানে দুইটা মাইনাসান্বিত চটকানা মারলাম....ঠাস.... ঠাস... X((

পুষ্টে প্লাস+
১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

৬. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৩০
জুল ভার্ন বলেছেন: মন সুন্দর একটা পোস্ট পড়তে পেরে খুব সুখানুভুতি লাগছে।
১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়ে খুশী হলাম। :) ধন্যবাদ।

১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

৮. ১৮ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
নির্বাসন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে...পোস্ট গেল প্রিয়তে
১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

১৮ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: :) ধন্যবাদ।

১০. ১৮ ই জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। এক কথায় চমৎকার।
১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: এক কথায় সোজাসুজি ধন্যবাদ। :)

১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: :)

১৮ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: সোজা ধন্যবাদ। :)

১৩. ২৬ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:০২
েজবীন বলেছেন: কই আপনে?.....

অনেকদিন খবর নাই যে ........
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন: রাঙ্গামাটিতে ছিলাম ৫ দিন শুটিং এ, কি অবস্থা জেবীন খবর কি? খোঁজ নিলেন জেনে আপ্লুত হলাম! কেমন চলছে দিনকাল? শুভেচ্ছা থাকল, ভালো থাকবেন। :)

১৪. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:২৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: সোজা প্রিয়তে। অনেক কাজের একটা সংকলন। একটু একটু করে দেখব! :)
২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: সোজা ধন্যবাদ। :)

১৫. ২৮ শে জুন, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: প্রাসঙ্গিক আরেকটা আলাপঃ
আমার কেন জানি মনে হচ্ছে, ছাত্রশিবিরের মধ্যে ইদানিংকালের কাজকর্মে সামাজিক ভাল ভাল কাজ করে মানুষজনের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা চলছে। আমি কিশোর বয়সে যখনই শিবিরের নাম শুনেছি, তার সাথে 'রগ-কাটা' কথাটা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছিল। সুতরাং পরবর্তী জীবনে কোন হালার্পুতে এসে আমাকে মটিভেট করতে পারে নাই।
এখন উল্টা ভালোমানুষি দেখে মনে হচ্ছে, এরা কিছুদিন পরে নিজেদের ইমেজ বদলে ফেলবে। অলরেডি এমন কথা শুনি যে ছাত্রদল/লীগ খারাপ কাজ করে, শিবির করে না(!!!)।
তখনই আমার মনে হলো যে একটা ডকুমেন্ট দরকার: স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে, গত ৩৮ বছরে শিবিরের অপকর্মের। সেটা না হলে পরে এরাই বিষবৃক্ষ হয়ে উঠবে। (এই ডকুমেন্ট হতে হবে অকাট্য, ছবি বা পুরনো দলিল।)
আপনর খোঁজে কিছু থাকলে, সেগুলো অনলাইনে তুলে দিতে অনুরোধ করছি। (বা এই খবরটা ছড়িয়ে দিতে পারেন)
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম, আজ এই ব্লগটা পড়লাম আপনিও পড়েছেন নিশ্চই Click This Link

১৪ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: :|

১৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০৯
েমাসেেলহ বলেছেন: এদের নিয়ে এত আ্লোচনার কিছে?আ্পনারা মিয়া আলোচনা করেই এদে্র ফর্মে তুলে রখেন।এদের আলোচনা বাদ দিন,
১৪ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: সেটাই। :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৩৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"ও আমার উড়াল পঙ্খিরে,
যা যা রে উড়াল দিয়া যা..."

পাগলা কিছিমের মানুষ
কোন ইষ্টিশন নাই,
গাইল জানি কিন্তু গাইল পাড়ি না।
দিলের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ