আমার প্রিয় পোস্ট

দিলের দরজা ২৪/৭ খুইলা রাখি মাছি বসে মানুষ বসে না। মানুষ খালি উড়াল পারে! এক দিন আমি ও দিমু উড়াল, নিজের পায়ে নিজে মাইরা কুড়াল...

চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩

শেয়ারঃ
0 1 0

জানুয়ারীর ১ তারিখ। প্রতি বছর এ দিনটা এলেই ভ্যালারিকে মনে পড়ে। আমি ওর ঠিকানায় ছোট্ট একটা চিঠি ছাড়ি। এক দিন বাদে মেয়েটিও ছোট্ট করে আমাকে একটা উত্তর করে। ব্যাস ঐ টুকুই, তার পর এক বছর। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর। যে মেয়েটির সাথে এক চাঁদ জোৎস্নায় দিগন্ত বিস্তৃত তুষার পেরিয়ে ছুটে ছিলাম চলন্ত রেল গাড়ীর পেছন বেসামাল! চাঁদের আলোয় প্লাবিত রাত, চারিদিকে পিচ্ছিল বরফ আবৃত পৃথিবী জোৎস্না আলোয় উদ্ভাসিত জীবন! সেই আলোক নগরে সিটি মেরে ধেয়ে আসা রেলগাড়ীর শব্দ। জীনের অপার এক ভালোলাগায় সে দিন আর একটু হলেই পিছলে রেলের চাকার তলে পরে ছিন্নভিন্ন হয়ে যেতে পারতাম। আজ ভাবলেই গা শিউরে ওঠে, অথচ সে রাতে কি অবলিলায় ছুটে ছিলাম! জীবন ছেড়ে জীবনের আনন্দে!

আমার জীবনের অদ্ভুত এক পরিচ্ছদের নাম ভ্যালরী। ফরাসী তরুনী। পেশায় ফ্যিল্যান্স ফটোগ্রাফার। ভ্যালারি থাকত সেইন্ট ভিয়াতুর স্ট্রীটের এক কোনায়। পারি থেকে এসে ওর এক বান্ধবীর ওখানে উঠেছিল। মন্ট রয়্যাল এলাকাটি এক সময় নাকি খুব জমজমাট ছিল। বলা যায় এক সময় এ এলাকাটি ছিল শহরের প্রাণ কেন্দ্র। সেইন্ট ক্যাথরীন, সেইন্ট ডেনিসের মত এক সময় মন্ট র্যাল ও তার আশপাশের ঝলমল ঝলমল করত রাতে দিনে। সেটা বেশ আগেরই কথা। সেই মন্টরয়ালের কাছেই একটা রাস্তা সেন্ট ভিয়াতুর। রাস্তাটা ধরে হাটলেই সারি সারি কফি শপ, বুটিক, বার রেস্তোরা। দেখলেই কেমন যেনো ভালো লাগে! ভেলরী কাজ করতো সেন্ট ভিয়াতুরে ইহুদী মালিকের এক বেগল শপে। দীর্ঘ্য সময় এ শহরে থাকলেও কখনো ঐ দিকটায় যাওয়া হয়নি। ভেলরীই আমাকে ও পথের ঠিকানা দিল প্রথম।


যে বাড়ীটিতে ওরা থাকত আসলে ওটা ছিল একটি পরিত্যাক্ত ফ্যাক্টরীর। এক রকম খোলা একটা ফ্লোর সম্ভবত কোন গার্মেন্টস্ টারমেন্টস্ ছিল এক কালে। ওটা পুরোটাই কম দামে ভাড়া নিয়েছে ওরা দুই তিনজন মিলে। কেউ হয়ত নাট্য শিল্পী কেউ কোন পাবের ডিজে কেউবা ভেলরীর মত ভিন দেশী ফটোগ্রাফার/ মুসাফির। বিশাল ফ্লোরের তিন কোনায় আধাপার্টিশন করে তিনটা বিছানা পাতা এক কোনায় ওপেন কিচেন সারা ঘর ময় ছোট বড় নানা পদের গাছগাছালি। ঊচু ছাদ ঘেকে ঝুলছে নানান পদের হালকা আলোর বাতি। বিশাল লৌহদ্বার পেরিয়ে ঢুকতেই এক প্রস্থ সিড়ি। উপরে উঠতেই একট টেবিল ঘিরে চার পাঁচটা কাউচ। পাশে সেই পুরোনো মডেলের কাঠের বাক্সে ভরা এক টিভি সেট। ঘরের ঠিক মাঝখানটায় গোলকরে পর্দায় ঘেরা একটা স্নান ঘর! কি যে পাগল করা এক বসত, কোউ না দেখলে বুঝবেনা! এতোই বড় সেই যায়গা এক বার ভেলারির তোলা ছবি আর আমার তোলা ভিডিওর একটা প্রদর্শনী করে ছিলাম আমরা ওখানে। ব্যাপারটাই এমন, হয়ত দেখা গেল কোন মিউজিসিয়ান ওখানে ওর গানের এ্যলবামের ওপেনিংটা করছে ত কোন পেইন্টার তার চিত্র প্রদর্শনী। এ ধরনের আবাসকে স্থানীয় ভাষায় ওরা লোফ্ট বলে শুনেছি।

ভ্যালের সাথে আমার পরিচয় ঘোরতর এক শীতে, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী এক মিছিলে। সে গল্প হয়ত কোন দিনই আমি ঠিকঠাক লিখতে পারবো না, তবে প্রতি বছর জানুয়ারীর এক তারিখ এলে কিছু স্মৃতি আমাকে নির্ঘূম করে দেয় আরো। ভেলরীকে আমি পাহাড়ে উঠবার গল্প বলেছিলাম একবার। মন্ট রয়াল পাহাড়টা দেখিয়ে বলেছিলাম শীতটা যখন আরো ঘন হয়ে আসবে বরফ ঢেকে দেবে সমস্ত মন্টরয়াল পাহাড়। পত্রপল্লবহীন বৃক্ষগুলো দাড়িয়ে থাকবে শুনসান। তখন এক দিন আমি তোমাকে ঐ পাহাড়ের চুড়ায় নিয়ে যাবো মেয়ে। ভ্যালের হাসিটা আজো মনে পড়ে!

একবার জানুয়ারীর পহেলা তারিখে ভ্যালরীকে নিয়ে বরফ কেটে কেটে ঐ পাহাড় চুড়ায় উঠে ছিলাম। ঠান্ডায় জমে যাওয়া হাতে দুকাপ হট চকোলেট ধরে বরফের ওপর বসে ছিলাম কতক্ষন জানি না। সে রাতে আমি আর বাড়ী ফিরে যাইনি। অমন রাতের মত রাত পৃথিবীতে বুঝি খুব কমই আসে। ইশ ঐ পাহাড়ে ওঠার গল্প নিয়ে যদি কোন দিন একটা ছবি বানাতে পারতাম!


ভ্যাল ফ্রান্সে ফিরে যাবার আগে যে প্রদর্শনীটা করে ছিল ওখানে স্লাইডে একটা স্টলেশন ছিল এই রকম: দেয়ালে একটা বালিশ তার ওপর ঘুরে ঘুরে কিছু স্লাইড চলছে। মন্ট্রিয়লে তোলা কিছু স্মৃতি জড়ানো মুখ। ভ্যালের রুমমেট, আরও কজন বন্ধু। একটা ছবিতে এক ইন্ডিয়ান রেস্তোরায় ডিনারে হাসি মুখে তাকিয়ে আছি আমি। ভ্যাল আমার পাশে এসে ফিসফিস করে বলে, আমি যখন ঘুমোবো তখন এ স্মৃতি গুলো আমার সাথে থাকবে!

কত সহস্র স্মৃতির সমহ্নয় আমাদের এ অসহায় জীবন, কে জানে কে জানে কে জানে!!!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বিভিদ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
লাল দরজা বলেছেন:

আজ নেট ঘাটতে যেয়ে দেখি সাম হয়্যারে আমার ড্রাফ্ট করে রাখা অথবা মুছেটুছে ফেলা কিছু ব্লগ এখনো দিব্যি দেখা যাচ্ছে। অবাক কান্ড! এ্যাড্রেস বারের দিকে তাকিয়ে দেখি ঐটা এই ব্লগেরই একটা বিটা সাইট। কেন কি কারণ কে জানে?

গত ১ জানুয়ারীতে লেখা চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন লেখাটা পড়ে স্মৃতি কাতর হলাম। লিখবার ক'দিন পরেই কি মনে করে যেন সরিয়ে ফেলি! লেখাটা আজ আর ছেড়ে আসতে ইচ্ছে হলো না, কপি করে এখানে তুলে রাখলাম।

:(
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: :)

০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
সোনালীডানা বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন লাল দরজা +
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: তাই! আমার ত আরো লিখতে ইচ্ছে করছিল, পারি নাই পারি নাই! :(

৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: জীবনকে অস্বীকার করা কী এক জীবন!
অনেকদিন পরে ব্লগে আজকাল ভাল লেখা আসছে বেশ কিছু, তারমাঝে এটাও যোগ হলো।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: এই লেখাটা যখন আগেরবার পোস্টাই ছিলাম তখনো আপ্নে কমেন্টাইছিলেন। লেখাটা আবারো কষ্ট করে পড়বার জন্য কৃতজ্ঞতা থাকলো। জীবনে বহুত পাগলামী করছিরে ভাই, এ জন্য আমার কোন গ্লানী নাই বরং মাঝে মাঝে ভাবি ভাগ্গিস মন যা চাইছিল তাই এক দিন করছিলাম। এখন ত আর তা হাজার চেষ্ট করলেও পারবো না! :(

৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
অপ্‌সরা বলেছেন: খুব সুন্দর একটা স্মৃতি বুঝা যাচ্ছে ভাইয়া।

তোমার লেখাটাও অনেক সুন্দর হয়েছে!!!
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: হুম, তোমার মন্তব্যটাও খুব সুন্দর হইছে :)

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: তুমি যেমন আমাকে দেখেই চিনছ, আমিও তেমনি তোমাকে দেখলেই চিনেফেলবো দেইখ। :)

৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থমকে গেলাম লেখাটা পড়ে ...........
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: আমার জীবনের এই অধ্যায়টি থমকে যাবার মতই... আজো আমি থমকে যাই যখন ভাবি জীবনের সেই অদ্ভুত দিন গুলোর কথা! :(

৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৪
ফেরারী পাখি বলেছেন: ছবির দেশ কবিতার দেশের মানুষ গুলো কি শুধুই স্বপ্ন দেখায় না দেখেও?

যদি দুজনেই স্বপ্ন দেখে ছিলেন, সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হল কেন? সেটা নিয়ে একটা দারুণ লিখে ফেলেন বস।

অনেক দিন পর আপনার লেখা পড়লাম।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স। অনেক দিন পর পড়বার জন্য অশেষ ধন্যবাদ। :) জীবনে সব কিছুই যদি প্রকাশ করা যেতো, তাই কি কখনো যায়! :(

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৪

লেখক বলেছেন: একটা মজার কথা মনে হলো, মন্ট্রিয়লে একটা মজার সিনেমা হল আছে নাম সিনেমা দ্যু পার্ক। ওখানে সবসময় ওয়ার্ল্ড সিনেমা চলে। অলটারনেটিভ সিনেমার ফেষ্টিভাল হয় প্রতি বছর।

অই হলে প্রতি উইক এন্ড মানে শুক্র ও শনিবারে রাত বারোটা থেকে তিনটা পর্যন্ত একটা লেট শো চলত। যেমন মন্ট্রিয়লে নাইট ক্লাব গুলো চলে ভোর তিনটা পর্য্যন্ত। এক রাতে আমি আর ভ্যালরী টানা নয়টা বারোটা এবং বারোটা তিনটা দুই শো সিনেমা দেখেছিলাম সিনেমা দ্যু পার্কে! এর মাঝে একটা ছিল ফরাসী ছবি। ছবি দেখতে দেখতে ভ্যাল চিৎকার করে করে বলছিল জানো জানো ঠিক ঐ রাস্তার পারেই আমার বাড়ী! পর্দা থেকে রিফ্লেক্ট করা আলোয় ভ্যালের মুখের হাসি সেইরকম লাগছিল সে রাতে !

রাত দুইটায় হলের ভেতর তখন সিনেমা পাগল আমরা কয়জন দর্শক! হায়রে সে সব দিন...

৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেক রোমান্টিক একটা লেখা। একইসাথে স্মৃতিকাতর।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: :``>> :``>> :`>

১০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: মন্তব্য না করার বদ অভ্যাসটা মাঝে মাঝে এমন অসম্ভব ভালো লেখার জন্য চলে যায়!:)
অনেক এলোমেলো লাগা লেখা!+++
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাহাত।

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: ভাইরে সে এক কঠিন ইতিহাস :(

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: ফরাসী ফী'র জন্য এ গান হলে জমবে না তার জন্য দর্কার জ্যাক ব্রেইল এর " লা ফ্যানেত"। সেইটাই শুনতে ইচ্ছা কর্তেছে আজ, সিডিটা অটোয়ায় থুইয়া আইসি। নেটে সার্চ দিলাম কিন্তু পাইলাম না। :(

১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: কেম্নে কি! B-) ঐ দিন ভাবছিলাম সারা জীবনের প্রেম কাহিনী লেখা শুরু করব। পরে লেখায় তেমন যুইত পাই নাই তাই আপাতত ঐ চিন্তা বাদ দিসিলাম ;)

১৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩১
বিষুন বলেছেন: ফরাসি ওয়াইন কখনো পান করার সুযোগ পাইনি আমি। আপনার স্মৃতি রোমন্থনে যেন সেই রকমই স্বাদ পেলাম। ভাল থাকুন
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: খুবই পার্সোনাল কিছু কথা লিখে ফেলছিলাম এক দিন, আমি আবেগী মানুষ সব সময় সামলে চলতে পারি না! এ লেখাটি পড়লে আমার নিজেরই মন খারাপ হয়ে যায়। একবার ব্লগটি পোষ্ট করে আবার ড্রাফ্টও করে ফেলে ছিলাম। ঐ দিন ঘটনা চক্রে লেখাটি আবার পড়বার পর কেনো যেনো লেখাটি আবার ফিরিয়ে আনলাম! আপনারা যখন লেখাটি পড়েন মন্তব্য করেন কেমন যেনো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাই। :|

ধন্যবাদ আপনাকে, শুভেচ্ছা জানবেন।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আর ভালো কথা, ফ্রেঞ্চ রেড ওয়াইন আমার খুব প্রিয়। ডিনারের সাথে দারুণ লাগে খেতে! ;)

১৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
ফয়সল নোই বলেছেন: আপনারে সেদিন দেখলাম :)
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: মোটেও না, হইতেই পারে না। আমি গত কয়দিন যাবত বুড়িগঙ্গার উপ্রে থাকি, আপনে আমারে দেখবেন কৈ থেইকা? মিয়া আপ্নেরে আমি হ্যারিকেন দিয়া খুজতাছি আপনের খবর নাই! ফোন নাম্বার পালাটাইছেন নাকি? মনে হয় একটু য়োগাযোগ হওয়া দরকার। :)

১৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২৬
বিষুন বলেছেন: রেড ওয়াইন আমারও পছন্দের পানীয়। অপার এই পৃথিবীর কোথাও কখনো যদি আমরা মুখোমুখি হই, কথা বলা যাবে , পান করা যাবে। রেড(ওয়াইন) স্যালুট । ভাল থাকুন
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: আপ্নে পৃথিবীর কোন প্রান্তে থাকেন, আসেন রেড ওয়াইন পার্টির একটা দিন ক্ষন ঠিক করি। :)

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন, শুভেচ্ছা। :)

১৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
ফয়সল নোই বলেছেন: আমিওতো আপনাকে খুঁজি।ডাঙ্গায় ছিলেন না বলে পাইনি মনে হচ্ছে।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: যা শুনাইলেন না দাদা হাহানৌপযা :) :০) :-B

১৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
ফয়সল নোই বলেছেন: হাসতে হাসতে নৌকায় পড়ে যাচ্ছিলাম।হয়েছে?
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: হ হাহানৌপযা :P

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: েফান করেছন েসই জন্য খুিশ হইিছ :)

১৮. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩০
রুবেল শাহ বলেছেন:
সাবর ভাল লাগলেও আমার কিন্তু মন খারপ হয়ে গেল ..............

অনন্য একটা লেখা...................
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: এই লেখাটায় আমি চোখ রাখতে পারি না, কেমন যেনো লাগে! ব্লগেই বা কেন লিখতে গেলাম তা ও বলতে পারি না। এক বার লিখে সরিয়েও ফেলে ছিলাম :(

১৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪১
লাল দরজা বলেছেন: কইছিলা তাই লিখছিলাম এখন আবার গাল ফোলাও!
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: গাল ফোলানোর কারনটা ত আমি জানিই :P

২০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
অপ্‌সরা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তুমি যেমন আমাকে দেখেই চিনছ, আমিও তেমনি তোমাকে দেখলেই চিনেফেলবো দেইখ।

এহ বললেই হলো????????
বহূরুপীদেরকে চেনা এত স হ জ নহে ভাইয়া।:P
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: তুমি বুঝি বহুরূপী? দুষ্টু গুলো যে বলল তুমিই লোকাল টক, আমিত তা বিশ্বাস করিনি। তাই বুঝি হয় কখনো! ;) এ্যা মা লোকাল টক বুঝি শাড়ি পড়ে? :P

২১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
কালপুরুষ বলেছেন: অসাধারণ! চমৎকার বর্ণনা আর সাবলীল উপস্থাপনার মধ্যে দিয়ে আমিও যেন হেঁটে গেলাম স্মৃতি নামের এক অচেনা ও অজানা পথ ধরে। আপনার যতগুলো লেখা পড়েছি তার মধ্যে এটা অন্যতম সেরা লেখনী।

শুভ কামনা রইলো। দুজনের জন্যই।
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: অন্যতম সেরা লেখা! িক যে কন না দাদা মশাই হাহানৌথেপযা। হালায় কত কি লিখা পোষ্টাইলাম জীবনে পড়লেনই না কখনো! বুচ্ছি বুচ্ছি পেয়ার মোহাব্বাতের কথা পড়তে ত মজা লাগনেরই কথা। :P

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: শুভ কামনা কর্ছেন তাই ধন্যবাদ।

একবার ঢাকা থেকে ফেরার পথে প্যারিসের শার দ্যাগল এয়ার্পোটের বাইরে রাস্তায় বইসাছিলাম সারা রাত ভেলরীর লগে দেখা হয় নাই। সেই সব কথা লেক্লে হার্ট ফেল করবেন দাদু ;)

২২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ফরাসী স্ব্প্ন দেইখা মনে করছিলাম উদাসী স্বপ্ন....যাই হোউক, চশমা চেন্জ্ঞ করনের টাইম হইছে মনে হয়!
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

লেখক বলেছেন: আবার জিগায়! এই লন এমন :-B একখান চরেশমা পিন্দালন, সব কিছু পরিস্কার দেখবেন। উদাসীরে উদাসী আর ফরাসীরে ফরাসী ;)

২৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: ব্যাস্ততা কমছে? খিচুরির দাওয়াত কপে বস? :)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: ভাইরে অবস্থা বেগতিক, ব্যাস্ততা কমে নাই চ্যাগাইয়া গেছি। দাওয়াতের কথা মাথায় আনন মানা। আগে জান বাচাইয়া লই। সরি। :(

২৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
ফয়সল নোই বলেছেন: এটা উপচে পড়া জীবন শাখায় ফেললাম।

এই শাখায় এজাতীয় বাকি ঘটনাগুলো কিছু না লুকিয়ে `স্বীকারোক্তিমূলক' প্রকাশের দাবী জানাই!
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: এত কঠিন কইরা জিগাইলে ত পাইড়া যামু ভাই জান। :P

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন:

আরেক্টা কথা, চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন'র কইলাম দ্বিতীয় পার্ট আছে। ঐ টা কইলাম ২৪+ ঐ টা লেক্লে এই ব্লগ ব্লুগ কইলাম ফাইট্টা ফুইট্টা চৌচির হইয়া যাইব!
বুইঝেন কইলাম,
আগেই কিন্তু স্বীকার পাইছি

পাগলা কিছিমের মানুষ কোন ইষ্টিশন নাই...

;)

২৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
ফয়সল নোই বলেছেন: এই কাহিনী বছর দশেক আগের হলে এখন ২৪+ না ৩৪ + হবে?:) ও আচ্ছা, আপনি পাঠকের বয়সের কথা বলছেন?



যাই হোক, এই ব্লগ ব্লুগ ফাইট্টাগেলে যাক, আপনি সেকেন্ড পার্ট লেখেন।:)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আমার বয়স কইতে যাইবো ক্যান, আমিত পাঠকের বয়সই কইছি ভাই চাঁন! আচ্ছা আপ্নেই বলেন ১৮+ ফিল্মে কি সব ১৮ রাই এ্যাক্টিং করে না কি ভাইডু! কি যে সব বলেন না আজকাল হাহানৌথেপযা ম্যান!


যাই হোক, সেকেন্ড পার্ট সত্য সত্যই লেখতে পারুম না ভাই। ন্যাশনাল প্রব্লেম হইয়া ইন্টার ন্যাশনাল প্রব্লেম হইয়া যাইব। পাপ করছি করছি অন্যায় কর্তে পারুম না। আমারে ক্ষেমা দিয়েন। ;)

২৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৯
কালপুরুষ বলেছেন: সবগুলান লেখা না পড়লেও অনেকগুলান পড়ছি। কবিতার তুলনায় গদ্য লেখায় মন্তব্য একটু কম করি তাই হয়তো দেখতে পান নাই। তবে আপনার ভাল পোস্টগুলা সবই আমার পড়া।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: এইটা ত আমার একটা খারাপ লেখা(২৪+ এর বেশীও হইতে ফাড়ে) এইটা যে পড়লেন!?;)

২৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
তাজা কলম বলেছেন: ভাল লাগলো ফরাসীর পটভূমিতে, ফরাসী মেয়ে ভ্যালরীকে নিয়ে গল্প। আপনার গল্প বলার ঢং অপূর্ব লেগেছে। +
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: dhonnobad :)

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮
ফয়সল নোই বলেছেন: ওস্তাদ , যাবার আগে এট্টু কইয়া গেলে কি হইতো !
২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: কামটা ঠিক হয় নাই। ক্ষমা সুন্দর মনে দেইখেন ব্যাপরটা। দৌড়ের উপ্রে ছিলাম। মনে দুক্কু নিয়েন না, আমি ফিরতেছি মাস দু'য়েকের মধ্যেই। মজার ব্যাপার আজকে মন্ট্রিয়ল গেছিলাম কয় ঘন্টার লাইগা আড্ডা মারতে। সেইখানে দেখা হইল সামুর এক ব্লগার এর সাথে। আপনার লেখা নতুন ব্লগটার প্রসঙ্গ ও উঠাইছিলাম আড্ডার মাঝে। আপনে আমারে মনে রাখেন আর না ই রাখেন, আমি কিন্তু আপনেরে ঠিকই ইয়াদ করি। ;) ভাল থাইকেন, সহসা দেখা হবে। সকল সময় শুভ কামনা।

২৯. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০০
ফয়সল নোই বলেছেন: হাম ভি ইয়াদ করোঙ্গি :) তাড়াতাড়ি চলে আসুন !

২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: ইন্ডিয়ার লগের দেশের নাগরিক হইয়া এমন খাতার নাক হিন্দি! জাতির ফিউচার লইয়া চিন্তার মইধ্যে পইড়া গেলাম! দেশে আইসা এই ব্যাপারটা নিয়া গভীর একখান ভাবনা দিতে হবে তাইলে দেখতাছি। ;)

 

মোট সময় লেগেছে ২.৪৯০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"ও আমার উড়াল পঙ্খিরে,
যা যা রে উড়াল দিয়া যা..."

পাগলা কিছিমের মানুষ
কোন ইষ্টিশন নাই,
গাইল জানি কিন্তু গাইল পাড়ি না।
দিলের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ