বাংলাদেশ সৃষ্টির আগে বাঙালি ছিল বাংলাদেশী ছিল না।
বাংলাদেশ স্বাধীন আরবদেশের কোন আরবী কিংবা ইংল্যান্ডের কোন ইংরেজ এসে করে নাই করছে আপামর বাংলা ভাষা ভাষী বাঙালি/ পাহাড়ী, অ-পাহাড়ী, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান সকলে। এদেশ আমাদের সকলের। বাঙালির, সাওতালির, হিন্দুর, মুসলমানের সকলের।
কে বাংলাদেশের মুসলমান, কে বালাদেশের হিন্দু, কে বৌদ্ধ কে খৃষ্ঠান এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সকল কিছুর উপরে, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।
তার ভেতর,
আমি এক জন বাংলাদেশী বাঙালি।
তিনি এক জন বাংলাদেশী চাকমা।
উনি একজন বাংলাদেশী বিহারী।
এভাবে লেখা হোক বাংলাদেশের নাগরিক পরিচয়।
পাসপোর্ট এ লেখা থাকবে, ন্যাশনালিটি: বাংলাদেশী।
তাই বলে আমি অবাঙালি হয়ে যাবো না। আমি তখন বলব আমি বাংলাদেশী বাঙালি, কেউ যেমন বলতে পারবেন তিনি বাংলাদেশী মগ কিংবা বাংলাদেশী চাকমা।
বাঙালির জন্য যদি বাংলাদেশ হয়, চাকমার জন্য তাহলে কোন দেশ হবে!
যুক্তির কথা। তর্ক হতে পারে, তা হবেই। কিন্তু আমরা কি ভুলে গেছি এটা ২০১০ সাল। পরাধীনতা মানেনি বলে এক দিন সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি চেয়ে ছিল ভাষার অধিকার। তার পর কত শোষন, কত বঞ্চনা! সকল কিছু পেরিয়ে সেই কাং্খিত স্বাধীনতা।
স্বাধীনতা জানি দেখেই ত আমরা জানি পরাধীনতা গ্লানী কি? বঞ্চনার যন্ত্রনা কত! সেই আমরাই কি পারি কখনো কেড়ে নিতে অন্য কারো মায়ের মুখের কোমল ভাষা, পরিচয়, জাতীয়তা। সেই জন্যই কি উৎসর্গ করেছিল তিরশ লক্ষ মানুষ তাঁদের জীবন! যার বিনিময়ে আমরা হয়েছি আজ বাংলাদেশের মালিক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

