স্মৃতিহীন বাক্স থেকে পুরনো/বিগত গ্রীষ্মের ছবি আমি ভেঙে ফেলি পুরনো বন্দরে
'গাছের সীমানা শেষে এতদূর এসো' আহবান সুমধুর কানের বাইরে
সিঁদুরের রঙে লালিমা তখন আস্তে জাগে সূর্যাস্ত অথবা নামহীন কুয়াশায়
উপলব্ধির আগেই দূরে যেখানে দিগন্ত অন্ধকার নিয়ে আমাকে পৌছায়
বর্ণনার অযোগ্যতা দিয়ে সেইখানে পাখি আপ্যায়ন করে মুগ্ধতার ছলে
এই কালপুরূষের ঘাটে দূরের রিকশা থামলে বাড়ির দরজা হয় সরাইখানা
নিচুস্বরে প্রচলিত লোককথা 'ছদ্মবেশী ল্যাম্পপোস্ট' আজ আমার নিশানা
যেখানে অনেক কথা বলে ফ্যালে বিছানো শহর বালটিক সাগরের জলে
সূর্যের সন্তান দেখে এতটা বিরল দৃশ্য পৃথিবীতে যা ঘটছে প্রতিদিন
শুরুতেই ভেঙে দিলে বালির প্রাসাদ শোধ হবে আমাদের পরম্পরা ঋণ
এই সাগর সৈকতের বয়স কত জানি না, আমার অনুমান নির্ভরমাত্র; তবে জানি এখনো যে শহর দ্বাদশ শতাব্দী থেকে এখানে দাড়িয়ে আছে তার নাম
বালটিক সাগরের পাড়ের সেদিনের 'মিএনযেযদ্রয়ে' (ভৌগলিক পরিচিতির জন্য লিংক চাইলে দিতে পারতাম, ইচ্ছা করেই দিলাম না; জানি প্রেমিকরা ঠিকই পৌছে যায় গন্তব্যে) নামের গ্রামটির দিগন্ত গিয়ে মেশে পমেরেনিয়ান উপসাগরে আর আজো এর দক্ষিণ-পূর্বে আছে ওলিন দ্বীপ
'সেচিন' থেকে যে রেললাইন এ শহরে আসে তা ধরে এগিয়ে গেলে দেখা যাবে তার সমান্তরাল সড়ক আর দুইপাশের প্রিয়দেশ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

