somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আস্তিক ও নাস্তিক তত্ব - একটি বিশ্লেষণ

১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বলশেভিক ছদ্মনামধারী জনৈক বন্ধু সম্প্রতি আবার উস্কে দিয়েছেন আস্তিক ও নাস্তিক বিতর্কের। Click This Link
Click This Link

যদিও তিনি বলেছেন নিজেকে নাস্তিক পরিচয় দিতে কুন্ঠিত কারণ তাতে স্রস্টার অস্তিত্ব স্বীকার করে নেয়া হয়- তবু বিতর্ক উস্কাতে গিয়ে তিনি তা এড়াতে পারেননি। কারণ কি? কারণ ঈশ্বরের অস্তিত্বের ধারণা মানুষের রক্তের গভীরে সঞ্চালিত। তার মত অল্প কিছু মানুষ এ ধারণার উর্দ্ধে উঠতে চেষ্টা করলেও আসলে ব্যাপক মানুষের ধারণার কাছে নতি স্বীকার করে তাদেরকে এই ধারণা ভুল প্রমাণ করতে এগিয়ে আসতে হয়। তবে তিনিই প্রথম নন। যুগ যুগ ধরে কিছু মানুষ এ ধারণা প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। কিছু প্রশ্ন তুলেছেন- তিনি মূলত এ পুরোনো প্রশ্নগুলোকেই নতুন করে তুলতে চেষ্টা করেছেন। অনেকটা পচা আপেল ফল বা পচা মাকাল ফলে কামড় দেয়ার মতই। এ ধারণার বিস্তারের জন্য তাকে আশ্রয় নিতে হয়েছে মূলত সোশ্যাল সাইন্সের। এ পর্যন্ত তিনি খুব বড় কোন জ্ঞানতাত্বিক চমক দেখাতে পারেননি। তার পোষ্টটি চলমান- আশা করি ভবিষ্যতে কিছু চমক তিনি দেখাবেন। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে নিজেদেরকে আলাদা করে প্রমাণ করার চেষ্টায় যে উপলব্ধির গভীরতা প্রয়োজন সে জায়গায় বিশাল একটা ঘাটতি লক্ষণীয়।

ঈশ্বর একটি বিমূর্ত ধারণা। এ যাবৎ কেউ ঈশ্বরকে দেখে থাকলেও তার কোন বর্ণনা দিয়ে যেতে পারেননি। আর অধিকাংশ ধর্মভিত্তিক ধারণা হল ঈশ্বর নিরাকার। সমস্যাটা মূলত এখানেই। আমরা মানুষরা সব কিছুকেই একটা আকৃতিতে বিচার করার চেষ্টা করি। যেটার আকৃতি নেই সেটাকেও বাতাসের মত কোন বায়বীয় একটি আকৃতি দেই। বিমূর্ত অস্তিত্বের ধারণা আমাদের মনজগতে তেমন কোন ছাপ ফেলতে পারে না। অধিকাংশ ইশ্বরবিশ্বাসী সাধারণ মানুষও তেমন করেই ঈশ্বরকে আকৃতি দিয়ে থাকেন। অসাধারণরা বিমূর্ত বিষয়ের ব্যাখ্যা ভিন্নভাবে দেন- গভীর উপলব্ধির জায়গা থেকে। কিন্তু কেউ যদি সেই উপলব্ধির জায়গায় পৌঁছুতে না পারেন তার মনে স্বভাবতই ঈশ্বর নিয়ে সন্দেহের উদ্রেক হয়- যেমন হয়েছে @বলশেভিকের। তারা যেটা বুঝতে পারেন না- বিবর্তনের ধারায় মানব মস্তিষ্ক এখন যে পর্যায়ে অবস্থান করছে তা নিঃসন্দেহে আগেকার ধারণাগুলোকে নতুন আলোয় আপডেট করার দক্ষতা অর্জন করেছে। সে চেষ্টা না করে মাথাব্যাথার জন্য মাথাটা কেটে ফেলা কোন সমাধান নয়। তিনি নিজেও অবশ্য স্বীকার করেছেন- "দর্শন দিয়ে আস্তিকতাবাদ খন্ডন করা কঠিন। কেননা দর্শন প্রাকৃতিক ঘটনাবলির সর্ব্বোচ্চ বিমূর্তায়ন।" বিমূর্ত ধারণার উদাহরণ একটু পরে দিচ্ছি।

আপাতত সহজ কিছু যুক্তি নিয়ে ভাবি। আস্তিক-নাস্তিক তত্বটি অভিধানে ঈশ্বর বিশ্বাসের প্রতিশব্দ হয়েছে অনেক পরে। মূল বিষয়টা ছিল অস্তিত্ব আছে কি নেই। আমি আপনি যখন আছি, চিন্তা করছি, চারপাশে আরো অনেককে দেখছি- তখন অস্তিত্বও আছে। ধরুন একজন মানুষ একটা গাছের ডালে বসে আছে আর ভাবছে- এখানে কোন গাছই নেই। অস্তিত্বের মধ্যে থেকে নাস্তিক হওয়াটা আমার কাছে এমনই মনে হয়। পরবর্তী প্রশ্ন হল অস্তিত্ব এলো কোত্থেকে। এ প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য উত্তর পেতে যদি বিজ্ঞানের দিকে হাত বাড়াই তাহলে কি দেখি- এ পর্যন্ত প্রাপ্ত উত্তর হচ্ছে বিগ ব্যাং ই সৃষ্টির সূচনা লগ্ন। তার আগে কি ছিল? এ প্রশ্নে মুখ থুবরে পড়ে বিজ্ঞান উত্তর দিল- That is the question that has no answer.
কোন কোন বিজ্ঞানী বলেন- সৃষ্টির শুরুতে ছিল বিশৃংখলা (Chaos)। তারপরও প্রশ্ন থেকে যায় সে বিশৃংখলাটি আসলো কোত্থেকে? কেউ কেউ বলেন সৃষ্টির শুরুতে ছিল একটি বৃহদাকার ডিম্ব (Cosmic Egg)। (এই বিষয়টি নিয়ে হকিন্স এবং তার এক বন্ধুর সংগে বাজী হয়েছিল)। একই প্রশ্ন- সেই ডিমটি এলো কোত্থেকে? কেউ কেউ বলেন সেখানে ছিল একটি পারফেক্ট শূন্য। অর্থাত্ শূন্য স্পেস বলেও কিছু ছিলনা। স্পেস বা টাইম সব কিছুই ছিল শূন্য। সোজা ভাষায় অস্তিত্বহীনতা। খুব স্বাভাবিক প্রশ্ন- অস্তিত্বহীনতা অস্তিত্বমান হল কিভাবে? এখানে এসে মার খেয়ে যায় প্রাকৃতিক সৃষ্টি মতবাদের সমস্ত তত্ব। যেখানে প্রকৃতি বলেই কিছু ছিলনা- সেখানে প্রাকৃতিক সৃষ্টি মতবাদ আসে কিভাবে? আমার বিজ্ঞ বন্ধু দয়া করে উত্তর দেবেন কি?

এবার বিমূর্ত ধারণার উদাহরণ বিষয়ে আসি। প্রচলিত কিছু বিমূর্ত ধারণা, (ভাল-মন্দ), (শুভ-অশুভ), সৌন্দর্য (সুন্দর নয়), ধৈর্য্য... ইত্যাদি। এগুলোকে কি কেউ ধরে দেখাতে পারবেন। পারবেন না- কারণ এগুলো সবই এক ধরণের ধারণা। কিন্তু এই ধারণাগুলোই বাস্তবে প্রয়োগকৃত হয়ে অবস্থা বা অবস্থানের পরিবর্তন ঘটায়। তাহলে আপনি বা আপনারা বিমূর্ত ধারণাকে অস্বীকার করেন কিভাবে?

এবার আপনার প্রশ্নগুলির উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি।
"সেমিটিক ধর্মগুলো রুপ পাওয়ার বহু পূর্বেই আমেরিকা ও অস্ট্রেলেশিয়ার আদিবাসিরা মূল জনগোষ্ঠী হতে বিচ্ছিন্ন।কলেমা না পড়া কিংবা ব্যাপটাইযড না হবার কারনে তারা কি হাজারো বছর ধরে প্রাকৃতিক ভাবে দোজখের বাসিন্দা হয়ে যাবে?"
আপনার সন্দেহকে বিবেচনায় এনেই বলি- ঈশ্বর বলতে সত্যিই যদি কেউ থেকে থাকেন যিনি আমাকে বা আপনাকে সৃষ্টি করেছেন বা অন্য কথায় মানুষের মত এমন সফিস্টিকেটেড একটা মেশিন (বিজ্ঞানের ভাষায়) বানিয়েছেন- তাকে এত অবিবেচক আপনার কাছে কেন মনে হল যে তিনি কাউকে সিলেবাস, বইপত্র এবং প্রশিক্ষণের সুযোগ না দিয়েই তার পরীক্ষা নেবেন? আপনি যদি অগভীর চিন্তা-চেতনার কিছু মুন্সি-মাওলানা কিংবা পুরাহিতদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন, তাহলে তাদের সাথে আপনার পার্থক্যটা কোথায়?

"হেরমাফ্রোডিটদের ব্যাপারে ধর্মগুলোর মতামত কি? পরম শক্তিধর ঈশ্বর এদের কি ভূল করে বানিয়েছেন? এদের জন্য শরিয়ত কি? আল্লাহ কি এদের ভাগ্য জন্মের আগেই সিল করেছেন?"

আচ্ছা ধরুন আপনি পরীক্ষক হয়ে একটা ছাত্রদের গ্রুপের পরীক্ষা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন অন্ধ। আপনি কি অন্ধ ছাত্রদের চক্ষুষমানদের মতই বিবেচনা করবেন? আপনি যদি তা না করেন- তাহলে ঈশ্বরকে কি আপনার এতই বেকুব মনে হয় যে তিনি তাই করবেন?

প্রশ্ন যদি ওঠে মানবিকতা নিয়ে, তাহলে একটু বলতেই হয়। মহাবিশ্বের সূচনা হয়েছে কমবেশী ১৫০০ কোটি বছর আগে। পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে ৬০০ কোটি বছর আগে। সে অনুপাতে একজন মানুষের জীবনকাল খুব বেশী হলে একশ বছর। ধরে নেই মাত্র একশ বছর একজন মানুষকে শারীরিক এবং মানষিক কষ্টে রেখে যদি অনন্তকাল না হোক- একটা বিশাল সময় তার সব ধরণের পরিতৃপ্তির ব্যবস্থা করেন তাহলে ভাগ্য সিল করার প্রশ্ন উত্থাপিত হয় কিভাবে?

"একেশ্বরবাদ কোনো ন্যাচারাল ফেনোমেনোন নয়। আদিবাসিরা হাজার বছরের বিবর্তনেও তা বের করতে পারেনি। একেশ্বরবাদ মূলত প্যাগানিযম এর একটি দার্শনিক জেনারালাইযেশন। যখন সমাজব্যাবস্থা সাম্যবাদি হতে শোষনবাদিতে রুপান্তরিত হয় তখনি প্রয়োজন হয়ে পরে মনোলিথিক এ তত্বের।"
প্রকৃত সত্যটা তাই কি? নাকি আপনার মনগড়া কোন মতবাদ? আমরা তো দেখেছি সমস্ত ধর্মপ্রচারকরাই মানুষের অপকর্মে ব্যাথিত হয়ে মানবতার মুক্তি দিতেই একশ্বরবাদ চালু করেছেন। যেখানে আসল বক্তব্য হল- এই পৃথিবীর একজনই ঈশ্বর। তুমি মন্দ কাজ করে এক ঈশ্বরের কাছ থেকে অন্য ঈশ্বরের কাছে আশ্রয় নিতে পারবেনা। তিনি অন্তর্যামি- তোমার মনের কথা জানেন। কাজেই কোন কাজ করার আগে তিনি তোমাকে দেখছেন এটা মনে রেখ। তুমি যদি কাউকে ঠকাও, চুরি কর, দূর্ণীতি কর তবে সেটা তার অগোচরে করতে পারবে না। এবং সেজন্য তোমাকে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

আমার এই বক্তব্যে যে ভুলটুকু আপনার চোখে লেগেছে- দয়া করে দেখিয়ে দেবেন।

সবশেষে আপনার প্রথম দুটি প্রশ্ন-
"যারা ধর্মের পক্ষে কথা বলেন তারা কি প্রকৃতপক্ষেই এই গাজাখুরি গুলো বিশ্বাস করেন। শিশুর জন্ম কি পিতা ব্যতিত হতে পারে? আধামানুষ আধাগাধায় চেপে কেও কি মহাশূন্য ভ্রমন করতে পারে? এসব রুপকথা
১৪০০ বছর আগে ভাবাবেগের উদ্রেক করত।"
আপনি যদি বিজ্ঞানের অগ্রগতি সম্বন্ধে অবগত না থাকেন তাহলে জানাচ্ছি বর্তমান বিজ্ঞানেই এটা সম্ভব কোনরূপ প্রজনন প্রক্রিয়া ছাড়াই ডিম্বাণুর সংগে শল্য যোগাযোগ ঘটিয়ে ঠিক আপনার একজন ডুপ্লিকেট তৈরী করা- সম্পূর্ণ অচেনা একটি মাতৃগর্ভে। সেজন্য কোন শুক্রকীট প্রয়োজন নেই- আপনার শরীর থেকে ঝরে যাওয়া যে কোন একটি অংশ হলেই চলবে।

রূপকথায় একসময় রথের গল্প তৈরী হয়ে ছিল- যা আকাশে উড়ত। তখন রাইট ব্রাদার্স জন্মায়নি। সেসময় সেসব গল্প ভাবাবেগ তৈরী করেছে বটে- কিন্তু এখন এইসব রথের নামটা একটু পরিবর্তন করে নিলেই তা আর ভাবাবেগ নয়- অতি বাস্তব এক অনুভূতির জন্ম দেয়। মানব মস্তিষ্ক এক অসীম ক্ষমতার আধার। একসময় পীর ফকিররা যেসব কেরামতির জন্ম দিয়েছে- অধূনা রাশিয়াসহ বেশ কিছু দেশ টেলিপ্যাথির উপর গবেষণা করে তার চাইতেও বেশীগুণ কেরামতি দেখিয়েছে।

বলতে পারেন প্রাচীন যুগে এসব আবিস্কার হয়নি। কিন্তু আপনি কি জানেন প্রাচীন এমন অনেক রহস্য আছে যা আজো মানুষের কাছে এক অমীমাংসিত বৈজ্ঞানিক রহস্য। উদাহরণ স্বরূপ- বারমুডা ট্রায়াঙ্গল, লষ্ট আটলান্টিস, বহুল আলোচিত ফিলাডেলফিয়া টেষ্ট। কাজেই প্রাচীনকালে ঘটেছে বলেই কোন ঘটনা বিজ্ঞানসম্মত নয়- এমন যুক্তি হাস্যকর। আর সে ক্ষেত্রে সেই উদাহরণকে ভ্রান্ত প্রমাণ করা হচ্ছে ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করার জন্য এটা আরো বেশী হাস্যকর। বরং এসব ঘটনাই ঈশ্বরের অস্তিত্বের জলজ্যান্ত কিছু প্রমাণ।

আইনষ্টাইন যদি তার থিওরী অব রিলেটিভিটি আবিস্কার না করতেন- তাহলে সময়ের প্রসারণ সংকোচনও আপনার কাছে হাস্যকর বলে মনে হত। আবিস্কার করেছেন বলেই আপনি সেই বিষয়টিকে সযতনে এড়িয়ে গেছেন। পরবর্তী পর্বে এমন আরো অমীমাংসীত বৈজ্ঞানিক রহস্যের উদাহরণ নিয়ে আসছি।

আপনি বলেছেন আগুনকে যারা ঈশ্বর রূপে পূজা করেছে তারা আগুন থেকে কোন সুবিধা পায়নি। সেসব সেমিটিক ধর্মগুলোর আবির্ভাবের আগের ঘটনা। সেমিটিক ধর্মগুলো কিন্তু শুরু থেকেই নিরাকার অদৃশ্য একক ঈশ্বরের ধারণা দিয়ে এসেছে।


বিচ্ছিন্ন মানবগোষ্ঠি অতীতে অনেককেই ঈশ্বর মনে করেছে- আগুন, সূর্য, আকাশ, তারা। তার অর্থ হচ্ছে তারা ঈশ্বরের সন্ধান করেছে- যা আপনি এমনকি স্বীকার করতেই রাজী নন। সেমিটিক ধর্মগুলো সেসব আইডিয়াকেই একটি একক সংহত রূপ দেয়ার চেষ্টা করেছে। তারাও ক্রমান্বয়ে বিভক্ত হয়ে নানান ধর্মের সৃষ্টি করেছে।

ঠিক যে রকম আর্কিডিমিস, গ্যালিলিও, নিউটনদের আসার আগে অ্যারিষ্টেটটল নানান রকম ভুল বৈজ্ঞানিক তত্ব দাঁড় করিয়েছেন। এসব বৈজ্ঞানিক সেসব তত্বকে ভুল প্রমাণ করে নতুন বৈজ্ঞানিক তত্ব দিয়েছেন।

বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজের যূগে নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে মানুষ একটি একক ধর্মের দিকেই এগোচ্ছে। আপনি যতই ধর্মকে আস্তাকূড়ে নিক্ষেপ করতে চান- ধর্ম মানুষের একান্তই আভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট। ধর্মবিহীন কিছুই নেই। মানুষ থেকে শুরু করে প্রতিটি জড় বস্তুরই একটি ধর্ম আছে। তার নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী আচরণ করে। পরবর্তী পর্বে এই বিষয়গুলো নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা এবং উদাহরণ নিয়ে ফিরে আসছি।

তারপরও ধরে নিচ্ছি আপনার কথাই সত্যি। তাহলে একজন ঈশ্বরের উপস্থিতি ছাড়া কিভাবে এমন একটি ব্রহ্মান্ড তৈরী হওয়া সম্ভব- সে সম্পর্কিত হাইপোথিসিসটা আপনার কাছ থেকে একটু জানতে চাচ্ছি। প্লিজ জানান।
(চলবে)
১৮টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×