ব্লগীয় মোহগ্রস্থতা, আরিফ জেবতিকের পোস্ট এবং টুকরো কথা
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৭ দুপুর ২:২১
এক.
যে জায়গায় বন্ধু অন্যমনস্ক শরত শুরু করছে আমি সেইখান থেইকাই চিন্তাটা টানি। ব্লগীয় মোহগ্রস্থতা।
অনেকেই ব্লগরে নিজের দ্বিতীয় জীবন বানানোর মোহে আবদ্ধ। এইটা আধুনিক সময়ের অন্যতম বিপজ্জনক এবং তুলনামূলকভাবে খুব নতুন সামাজিক সমস্যা। পশ্চিমে অলরেডী শুরু হইছে। আমাদের দেশেও এক্সপেরিমেন্টটা সামহোয়্যার দিয়েই হইতাছে মনে হয়। মাঝে মধ্যে মনে হয়, বেচারারা, দে ডোন্ট হ্যাভ এনি থিং বেটার দ্যান দিস। প্যাথেটিক!
এন্টারটেইনমেন্টের এতই অভাব যে অনেক পরিপক্ক মানুষদের (অন্তত বয়সে ও সামাজিক অবস্থানে তো বটেই) দেখি সবে মাত্র কৌশর পার হওয়া কোন বালকের সাথে পচানী টিটকারী মাইরা সময় পার করতাছে। রামছাগল, তিরিভুজ বিষয়ক কাদাছুড়াছুড়ি দেখলে আসলেই মনে হয়, অনেক মানুষের আসলেই মনে হয় এরচেয়ে ভালো কিছু করার নাই। আফসোস।
একটা হাইপোথিসিসে বিশ্বাস করতাম যে সম্ভবত শিক্ষা (প্রাতিষ্ঠানিক) মানুষের নোংরামী দূর করতে পারে। মাঝে মধ্যে মনে হয় ভূল। সম্ভবত শিক্ষার নতুন সংজ্ঞা প্রয়োজন অথবা সুআচরন সেখাইতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যর্থ।
শিশুতোষ ছেলেমানুষী কাটাইয়া ম্যাচুরিটি প্রয়োজন। রাজকার, মুক্তিযুদ্ধ, ধর্ম, মৌলবাদ, যৌণতা - বিষয় যেইটাই হউক না কেন, ইন্টারনেট হওয়া উচিত সেনসর বিহীন বিশ্ব। সেইটাই ইন্টারেনেটের স্পিরিট। এন্ড উই অল লাভ ইট। উই অল বেনিফিট ফ্রম ইট।
জামাত আইডিওলজী অথবা শিবির প্রপাগান্ডা যেইটার যতখানি বিরোধীতাই আমি করি না কেন, ডায়ালগ ইজ অল ওয়েজ এ বেটার অপশন দ্যান টার্নিং দি মাইক্রোফোন অফ।
ব্লগে সবার বাকস্বাধীনতার পক্ষে আমার অবস্থান, এমনকি যেইটা আমার কাছে অশ্লীল সেইটারও। সময় ও পাঠকেই নির্ধারন করবে গ্রহনযোগ্যতা।
দুই.
আরিফ জেবতিক একটা পোস্ট করছিলেন আরিলরে উদ্দেশ্য কইরা। বিষয় হইলো বিশেষ বিশেষ রাজনৈতিক নেতাদের ছবি যেন ব্লগে দেখানো না হয়।
তুমুল আবেগী পোস্ট। বরাবরের মতো আমরা বাঙ্গালীরা আবেগে গইলা পড়ি। এইখানেও যে পড়ছি সেইটা মন্তব্য দেখলেই বুঝা যায়।
কথা সেইটা না, কথা প্রথমে হইলো এই দাবীর ম্যাচিউরিটি নিয়া। প্রশ্ন আসে ইন্টারেনেটের ফ্রিস্পিচ কম্প্রোমাইজ প্রসঙ্গটা। যেইখানে আমি মাসুদা ভাট্রি বা মহুয়া মঞ্জুরী বা রাসেলরের বাক স্বাধীনতা সমর্থন করুম, সেইখানে আমি সো কলড শিবির, জামাতের বক্তব্য রাখার জায়গাটারেও সমর্থন করতে হয়। নীতিমালা থাকুক, সেইটার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হউক এবং একই সাথে সেই নীতিমালার ভিতরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংরক্ষিত হউক সবার জন্য। মিত্র বা শত্রু তা তুমি যেই হও না কেন। এইটারেই কয় সহনশীলতা, গ্রহনযোগ্যতা।
তিন.
স্বাধীনতার এত বছর পরেও দেশের মতো একটা বিশাল ইনসটিটিউট, এতগুলা সরকার যুদ্ধাপরাধী, ধর্ম ব্যবসায়ীদের কিছু করতে পারলো না, পারবে বইলাও মনে হয় না; সেইখানে আরিলরে সম্বোধন করে, "এই সিদ্ধান্ত এখুনই নিতে হবে, নাইলে খেলবো না, আমার বড় অশলীল লাগে" - এই ধরনের বক্তব্যে বেজায় ফাঁক। ইমোশন ভরা, কিন্তু গ্রহনযোগ্য যুক্তির অভাব। আমরা বোধহয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ফাঁকা ইমোশন অনেক দেখছি আমাদের এই দু:খিনী বাংলাদেশে!
চার.
দ্বিতীয় আরেকটা জায়গা আপাতত খুব হালকা মনে হইলেও আমার কাছে অন্তত হালকা লাগে নাই।
আরিফ জেবতিক আরিলরে তার ব্যক্তিগত অনুভূতি জানাইছে। সেইটারে আমি শ্রদ্ধা করি। সে জানাইতেই পারে কোনটা তার কাছে শ্লীল আর কোনটা অশ্লীল। কিন্তু পোস্টের শুরু ছবিটায় আমার চোখ আটকে যায়।
ইমোশন ড্র করা ভালো। তবে ইমোশন ড্র করার জন্য যা কিছু সীমারেখাকে সন্মান করা মনে হয় কাম্য।
মুক্তিযুদ্ধের এই চরম বেদনাদায়ক একেকটা ছবিকে এভাবে হালকা করে অপমান করবেন না। আরিলকে, কতৃপক্ষকে কিছু জানাতে চান, জানান। খুব ভালো কথা। কিন্তু তার সাথে মুক্তিযুদ্ধের আবেগকে এভাবে ব্যবহার করার ভিতরে আমি সমস্যা দেখি।
যে ইস্যু তোলা হইছে সেইটা সামহোয়্যারের নীতিমালার সম্পর্কিত। এইখানে সামহোয়্যারের অবস্থান থেকে অবশ্যই তারা প্রত্যেকের মত প্রকাশকে প্রায়োরিটি দেবে, বি ইট জামাত অর হার্ডকোর আওয়ামীলীগ অর হোয়্যাট এভার।
সুতরাং এই ধরনের দাবীর সাথে ইচ্ছেমতো মুক্তিযুদ্ধের ছবি জুড়ে দেওয়া আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধের অনুভব, চেতনা আর স্পিরিটকে হালকা করা, ঠুনকো করা। এমনিতেই তাদের আমরা যোগ্য সন্মান দিতে ব্যর্থ হয়ে আসছি ধারাবাহিক। আর টেনে নীচে নামাবেন না, উপরে তোলার মোহগ্রস্থতায়। অনুগ্রহ করে ঐ চরম মমতার দেহগুলোকে এভাবে সস্তা চিঠির মনোগ্রাম বানাবেন না।
পাঁচ.
নাম জানা ও অজানা সকল মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত মা, বোন, ভাইদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। তাদের ত্যাগ হোক মহিমাময়, রাজনৈতিক স্লোগানের সস্তা ব্যানারের লেখনী নয়। কখনোই নয়।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চিন্তা, চিন্তা, চিন্তা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৭ দুপুর ২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৌশিক বলেছেন:
আরিফ জেবতিকের পোস্টটা আমার দৃষ্টিতে ঠিকাছে। ছবির ব্যবহারও ঠিকাছে। যখন আপনি এটাকে তার ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা বলছেন তখন সেটাকে সার্বজনীনভাবে দেখা যায় না। আপনার বক্তব্য সেক্ষেত্রে স্ববিরোধী টু সাম এক্সটেন্ট। এছাড়া মূল বক্তব্যের সাথে একমত।
মদন বলেছেন:
রাত ৮টার সংবাদের পুর্বে বিটিভিতে শেখ মুজিবের ভাষন যেমন প্রচার করে তাকে ছোট ছাড়া বড় করা হয়নি তেমনি কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধ টেনে মুক্তিযুদ্ধকে খুচরা পন্যে পরিনত করার প্রচেষ্টা অবশ্যই নিন্দনীয়।
যে জায়গায় আলো ফেলাইতে চাই সেইটা হইলো যারা মুক্তিযুদ্ধকে টেনে কোথা থেকে কোথায় নিচ্ছি আমরা সেইটা।
ব্লগের বা ইন্টারনেট প্লাটফর্মে বাকস্বাধীনতা অন্যতম কম্পোনেন্ট এইখানে এইটাও বোধহয় ভোলা ঠিক না। @ কৌশিক।
চাম্পু বলেছেন:
ভাইয়া, ব্লগিং ইস নোট দি এন্ড ওফ ডা ওয়ার্লড... এত সময় কই?
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
ভাল পোস্ট@সাদিক। ...ব্লগে দ্বিতীয় জীবন...কথাটা ভাবাচ্ছে।...আমি আপনাকে পাঁচ দিচ্ছি।
কৌশিক বলেছেন:
বুঝলাম, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে টানাটানি করলে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা খাটো হয়ে যায়, অবমূ্ল্যায়িত হয় এটা কেবল কিছু এলার্জিবিশিষ্টতা। কেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা হলে, সেটা যে ফর্মেই হোক, গায়ে লাগবে এটা আমি বুঝিনা! আমাদের জাতিয় চরিত্র নির্মাণে মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে প্রধান উৎস, সেটা যখন মূখ্য হয়ে যায় কারো পোস্টে, বক্তব্যে - তখন তাকে উৎসাহ ছাড়া অন্যকোন প্রতিক্রিয়াশীল মন্তব্য/বক্তব্য আশা করা যায় না। আরিফ জেবতিক যে অনুভূতির বিচ্ছুরণ ঘটিয়েছেন - তাকে প্রশংসা করতেই হবে।
আপনার জন্য কনফুর পোস্টটা পড়া হইলো। সহমত।
চাম্পু,
সেইটা বুঝলেই হয়।
বিপ্লব,
অসংখ্য ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা।
হাসিনা রগ ফুলাইয়া মুক্তিযুদ্ধ মাখাইয়া পাবলিকরে খাওয়ায়। খালেদাও খুব মুক্তিযুদ্ধের বউ সাজতে চায়। সাজুগুজুতেই দিন গ্যালো। আসল কাম আর হইলো না। আমরা এখনও স্বপ্ন দেইখা যাই যে যুদ্ধাপরাধীগো বিচার হইবো। কাপের পর কাপ শেষ হয়, পিপড়েরা উচ্ছৃষ্ট খেতে ভিড় জমায় আর দেশের মুক্তিযুদ্ধের বেদীতে যুদ্ধাপরাধীরা প্রচ্ছাব করে। এদিকে অভিমানীরা অভিমান করে। সেই অভিমান দিয়া কচুটাও হয় না।
মুক্তিযুদ্ধের আলোচনার বিরোধীতা তো করতাছি না ব্রাদার।
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় চরিত্রের মুলধারা ভালো কথা, কিন্তু এর মানে এই না যে শহীদদের গলিত দেহেতর ছবি অবলীলায় ব্যবহৃত হবে পোস্টের ব্যানার হিসাবে। আপনি অপমানিত না হইলেও আমি হই। তবে আমি তার জন্য আরিফ জেবতিকেক ব্যন করার জন্য আরিলকে চিঠি লিখবো না, নিশ্চত থাকুন।
কৌশিক বলেছেন:
তেলাপোকা, আপনার মন্তব্য পড়ে সত্যিই খারাপ লাগলো। তবে আরিফ তার বক্তব্যে পুরোপুরি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে পরিস্ফুটিত করার চেষ্টা করেছে। যেহেতু এখানে সে স্বাধীনতা আছে, যেমন আছে জামাতীদেরও। সুতরাং তার বক্তব্যে জামাতীদের অধিকার কেড়ে নেয়ার বক্তব্য থাকবে। এই দাবীর সাথে ব্লগের স্বাধীনতা বন্ধ করার দাবী ঠিক একইভাবে দেখলে হবে না। একটা হচ্ছে স্বাধীন মত প্রকাশের অংশ সেখানে দেশবিরোধীদের স্বাধীনতা রহিত করার দাবীর প্রকাশও একটা স্বাধীনতা। বিষয়টা সেভাবে বুঝতে হবে।
কৌশিক বলেছেন:
তেলাপোকার বদলে সাদিক হবে।
নয়া সুশীল সমাজ বলেছেন:
যারা বাংলাদেশের পার্লামেন্টে বসে বাঘা বাঘা মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বৈঠক করে ,যারা বিভিন্ন সভা সেমিনারে একসাথে বক্তৃতা দেয়, যারা বাংলাদেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠির প্রতিনিধিত্ব করে তাদের কোন ছবি ব্লগে সহ্য না করার আবেদন জানানো মুজিব আদর্শের সৈনিকদের পক্ষেই মানায়। ক্ষমতা থাকলে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করে তাদেরকে দেশ থেকে বের করে দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারে জেবতিক আরিফরা। কিন্তু সেই মুরোদ নাই। শুধু বেহুদা পেচাল।........ গণতন্ত্রের কথাই হলো বিরুদ্ধ মতকে সম্মান করা। পাশ্চাত্যে বিরোধী মতকে নিজের স্ত্রীর চেয়ের গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হয়। অথচ আমাদের গণতন্ত্রে বিরোধিদের রাজনৈতিক অধিকার হরণ , সংবাদপত্র নিষিদ্ধ এসব কোন ব্যাপারই না। অথচ এরাই কিনা গণতন্ত্র শেখায় মানুষকে।
ভাল লিখেছেন। ৫ দিলাম।
কৌশিক বলেছেন:
ভার্চুয়াল না, সত্যি সত্যিই মন খারাপ হয়েছিল।
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
১। মোহগ্রস্ততার ব্যাপারে একমত হতে পারলাম না। এইভাবে দেখলে পুরা বিশ্বটারেই একটা বিরাট প্লে গ্রাউন্ড কল্পনা করা যায়। বুশরে কল্পনা করা যায় বিরাট এক ঝগড়াইট্যা বদমাশ শিশু। কোন কাজেরই কোন মানে থাকে না। আমাদের জীবনটাকে একটা বিরাট ছেলেখেলা হিসেবে কল্পনা করা যায়। কিন্তু পৃথিবীটা তা নয় যা তুই তুলে ধরতে চাইছিস। যদি সামহোয়্যারইন একটা স্কুল হয়, যারা ধর্মঘট করছে তারা যদি শিশুদের মত আচরন করে, তাহলে যাদের বিরুদ্ধে ধর্মঘট করছে তারা সেই স্কুলের বদ পোলাপাইন; আর যারা সেনসিবল মানুষের মত আচরন করছে তারা হচ্ছে ডর্কস (তথাকথিত সেন্সিবল বিজ্ঞ শিশু)।
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
২। যাইহোক, আমি মনে করি এভাবে অবরোধে যাওয়াটা নাটকীয় হয়েছে। আমি পুরো ব্যপারটা মানতে পারি নাই। তবে তারা নিজেদের মতো করে ব্যাপারটা করতে চাইছিল। মৌন প্রতিবাদের মতো। কিন্তু কি করে ব্যাপারটা আমি জানলাম সেটা বুঝতে পারি নাই। এজন্য আমি কনফিউজড। আমার ধারনা অনেকেই কনফিউজড।
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
নো বডি ইজ গনা গেট এনিথিং ইন দিস ওয়ে
এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন:
৪ দিলাম। কারন গুলাতো আগে বললামই।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
এই তো ব্লগ.... সৃষ্টিশীলভাবে জমছে। কাম অন ......
কিন্তু সাদিকের মূল ব্ক্তব্যের সাথে একমত।
ইন্টারনেটের স্পিরিট হচ্ছে বাধাহীন মুক্ত পরিবেশ। অবাধ যোগাযোগ, সংলাপ, আলোচনার উন্মুক্ত জানালা।
আপনার এই পোষ্ট এবং আপনার ভাবনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি । কেনো বলি ঃ
এটা যদি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশী কমিউনিটির পোষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতক-দালালদের সপক্ষে কোন পোষ্ট এখানে আসতে পারেনা । আপনি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলেছেন । পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে এমন দেশ ও তার স্বাধীনতা ও জাতীয় অস্তিত্বের প্রতি বিরুপ মত প্রকাশে বাধা দেয় । জংগী হামজা তার দলবল নিয়ে লন্ডনের রাস্তা অবরোধ করে জংগীবাদ প্রচার করে ।টলারেন্ট সোসাইটি অতোটুকু মনে নেয় কিন্তু প্রিন্স উইলিয়ামস বন্ধুদের পার্টিতে মজা করে নাজি পোষাক পড়লে সমগ্র বৃটেন ক্ষোভে ফেটে পড়ে । উইলিয়ামস কে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হয় ।
আমরা এতোটা সভ্য হতে পারিনি । পারিনি বলেই নিজেদের মা-বোনের ধর্ষ্ক আর বাপ চাচার খুনীদের ক্ষমতায় ডেকে আনি, তাদের পক্ষে গলাবাজি করি, তাদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলি ।
তবে এই সব মেরুদন্ডহীনতার মাঝে ও কেউ কেঊ প্রতিবাদ করবে, কেউ কেউ বলবে এটা অন্যায় । প্রমানিত খুনীর বিচারের দাবী উচচারন না করে তার মতবাদ প্রকাশের দাবী উচচারন করা সকলের হয়তো পোষায়না ।
আর মুক্তিযুদ্ধের ছবি ব্যবহার করে আবেগ উস্কে দেয়া কিসের অন্যায় বলুন তো? নিজেদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়েই যদি আবেগ না থাকে, তাহলে প্যালেষ্টাইন -লেবানন কাশ্মীর নিয়ে আবেগ দেখানো বড় খেলো হয়ে যায় সাদিক ।
ভালো থাকুন ।
মন্তব্যের প্রথম অংশের প্রতিমন্তব্য করার প্রয়োজন নাই।
দ্বিতীয় অংশে মন্তব্য করা যায়। এই যে আবেগ উস্কে দেওয়ার পন্থা হিসাবে 'তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ আবেগী'-দের আর্কাইভ থেকে সাদাকালো ছবি বের করে অমুক সামহোয়্যার ইনের তমুক আরিলকে চিঠি লেখার সুদৃশ্য ব্যানার করা ভাই আমার বড় অশ্লীল মনে হয়।
আপনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয় ঢের ভালো বোঝেন। আমি যদি ০.১ বুঝি আপনার অভিজ্ঞতা ১০ লক্ষ। সেই অভিজ্ঞতার জায়গায় আপনার যেইখানে অবস্থান, সেইখান থেকে আপনারা বহুত দেখছেন।
সময় পালটায়। আপনাদের এবং আপনাদের পূর্ববর্তী জেনারেশনের করার ক্ষমতা দেইখা দেইখা এই আমরা কিঞ্চিত ফেডআপ। অথবা ভুল বললাম, কিঞ্চিত না, বহুত ফেডআপ। ইমোশন নিয়া বহুত হইছে। খ্যামা দেওয়া দরকার। যদি ও যাদের ক্ষমতা আছে তাদের উচিত যুদ্ধাপরাধীদের অবিলম্বে বিচার করা। এইটা হইলো এ্যাকশনের ব্যাপার, এক্সিকিউশনের ব্যাপার; আর সাহিত্যের ইমোশন আর এক্সিকিউশন এক জিনিস না। আপনারা কলম চালান, কিন্তু তার মাধ্যমে উপরে উঠানোর মোহে বহুত কিছুরে বহুত সস্তাও বানায়ে দেন।
কোন পরিবর্তনের শুরুতে এ্যাটিচুডের পরিবর্তন আসে প্রথমে। আপনাদের এই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কেবলই ফাঁকা, হ্যা আবারও বলবো কেবলই ফাঁকা আবেগ দিয়া বহুত দেশ উদ্ধার করা হইছে। মুক্তিযুদ্ধের ছবি, কবিতা লেইখা অনেক পত্রিকা ভরা হইছে। কাজের কাজ কিছু হয় নাই, করতেও পারেন নাই।
এ্যাটিচুডে সমস্যা আছে। আপনাদের এই ইমোশন নিয়া পইড়া থাকাই তার মধ্যে অন্যতম যেইটার বিপুল কুব্যবহার হইছে এবং হইতেই থাকবে।
একজন না, শত শত জাহানারা ইমামরা চলে যায়, তবু আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারি না। কারন তার চাইতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়া রাজনীতি বেশি মুখরোচক। তারচেয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়া দুইটা আবেগী পোস্ট বেশি উপাদেয়।
এই এ্যাটিচুড পালটান। যত দ্রুত পালটাইবেন, তত দ্রুত আমরা রাজাকারগো বিচার দেখতে পারুম। তার আগে না।
কাজী ইফতেখার আলম বলেছেন:
৭১এ জামায়াতে ইসলামের অবস্থান কি ছিলো, তা কেউ প্রমান করে দেখাতে পারবেন? আর অবস্থান যা-ই হোক, তা একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ ছিলো মাত্র। আজ ৩৬ বছর পরে তার জন্য চিৎকার-চেঁচামেচি করে পাড়া মাথার তোলার মানে হয় না। আমাদের এখন এগিয়ে যাওয়ার সময়। আজ জামাতের তত্ত্বাবধানে যেসব ভাল কাজ হচ্ছে, সেগুলোওতো হতে পারবে না, যদি জামাতকে কথা বলতে না দেয়া হয়। একটা স্বাধীন দেশে কারো ব্যক্তি-স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করার প্রস্তাব চরম অবমাননাকর।সাদিক চমৎকারে বিশ্লেষন করেছেন। সমস্যার উপস্থাপনও যথার্থ।
জামাত সম্ভবত এইখানে আলোচনার বিষয় না। মূলত মুক্তিযুদ্ধের সাথে ইমোশন এবং সেইটারে প্যাসিভ ব্যবহার, এ্যাক্টিভ এক্সিকিউশনের অভাব।
তারপরেও যখন উল্লেখ করলেন তাইলে জানতে কৌতুহল হয়,
জামাতের তত্বাবধানে কি ভালো কাজ হচ্ছে?
আমি ভাই ধর্ম নির্ভর রাজনীতি সমর্থন করি না। কারন বর্তমান প্রেক্ষাপটে ধর্ম নির্ভর রাজনীতিবিদেরা ধর্মের ঝাল চানাচুরের মতোই ব্যবহার করে।
আপনে কি সমর্থন করেন, করলে ক্যান করেন জানাইয়েন?
জামাত আর ইসলামরে এক মনে করেন না আশা রাখি।
এস্কিমো বলেছেন:
জনাব কাজী সাহেব, আপনি তো দেখি রিপ ভ্যানকেও হার মানাবে? কোথায় ছিলেন ভাই এতোকাল? ৭১ এ জামাতের ভুমিকা আপনি জানেন না?
ভালই, এটাও একধরনের রাজাকারী মতবাদ।
দয়া করে একটু আধটু পড়াশুনা করুন।
জামাত কি করেছিল ৭১ এ জানবেন।
তখন লজ্জায় (যদি থাকে) কবিতা লেখা বাদ দিয়ে শুধু রাজাকারদে বিচারের কথাই লিখবেন ( যদি নিজে বাচ্চা রাজাকার না হয়ে থাকে!)
আশার আলো বলেছেন:
সহমত।সাইদী-নিজামী যখন সংসদে ১৫ কোটি লোক থেকে একজনও একটা কেস করতে পারলো না তার স্বাধীনতার চেতনা ভুলুন্ঠিত হয়েছে বলে। উল্টো আরিলকে দায়ী করে বা তাকে "ধবল চামড়া" ডেকে নিজেদের দৈন্যতাই আরও প্রকট ভাবে প্রকাশ করছি আমরা।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
তোমারে একটা কথা জিগাই সাদিক-তোমারে এতো মাস্টরী করার রাইট দিছে কেডা?
কোনটা ছেলেমানুষী, ছেলে কৈশোরী, কোনটা বালপাকনামি- এটা যারযারটা তারেই ঠিক করতে দিলে ভালো হয় না?
তুমি বাপু নিজের চড়কা নিয়া বইসা বইসা তেল দিতে থাকোনা কেন, তোমার তেলের তো অন্য কারো মেশিনে দরকার হয় নাই আপাতত, হইলে- কেই চাইলে তখন নাহয় তোমার "থটফুল" কথা প্রসব কইরো।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
ঢালাওভাবে জামায়াতের সমালোচনা করেই তো মুক্তিযুদ্ধের তথাকথিত চেতনাধারীরা তাদের চেতনাকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাদের যখন এতোই দোষ তাহলে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা হয় নি কেন? কেন তাদের কথিত যুদ্ধাপরাধের বিচার করা হয় নি? মুক্তিযদ্ধের চেতনা নিয়ে যারা বড় বড় কথা বলেন তারাই কেন তাদের সাথে একসাথে আন্দোলন করেছেন? আওয়ামীলীগের নেতাদের চেয়েও এই ব্লগে যারা জামাত বিরোধী তাদের উচিত জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার পাশাপাশি আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করা। কারণ জামাতকে তারাই প্রশ্রয় দিয়েছে। একাত্তরের রাজাকারের পুত্রের সাথে শেখ হাসিনাই তার মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন।.......
স্বাধীনতার ৩৬ বছর পরও কয়েকটি দলের ৭১এর ভূমিকা নিয়ে ব্লগ গরম করে তেমন কোন লাভ হবে না। বুদ্ধিমানের কাজ হবে রাজাকারদের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়া। তাদের বিচার হলেই দেশ বিভক্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে। তা না করে যারা বেহুদা ইস্যু তৈরীর চেষ্টা করবেন তারা চেতনাহীন হিসেবেই বিবেচিত হবে।
কাজী ইফতেখার আলম বলেছেন:
সাদিক, ভুল বুঝবেন না। আমি আপনার কথাকেই সমর্থন করেছি। জামাত যদি কোন অপরাদঃ করে থাকে, তাহলে তার বিচার করুন। কিন্তু একটি স্বাধীন দেশে একটি সংগঠনের বাক-স্বাধীনতাকে নিষিদ্ধ করা কাম্য নয়। আর আপনি ভুল বুঝছেন ভাই। আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত না। জামাতের ভাল কাজের উদাহরণ আপনি বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে পাবেন। দরিদ্র মানুষদেরকে সাহায্য করা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, এইডসসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমাজ সচেতনতা সৃষ্টি - এরকম অসংখ্য উদাহরণ দেয়া যায়। জামাতকে কথা বলতে না দিলে আপনি এসব সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। ইসলাম সম্পর্কে আপনার পড়াশোনা কতোটা সে ব্যাপারে সন্দিহান হলাম। জামাত আর ইসলামকে এক করে আপনি না দেখেন, আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু বাংলাদেশে এত সমস্যার মূল কিন্তু মানুষের তৈরি আইন। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে যে পথ দিয়েছেন, সে পথে চললে কোন আমরা গোমরাহী থেকে মুক্ত হতে পারবো। এখন আপনি বলেন, জামাত ছাড়া আর কারা আপনাকে সেই আলোকিত জীবন দিতে পারবে?
নো প্রবস ব্রাদার। দাড়ায়ে মন্তব্য করলে বসো। মাথা ঠান্ডা করো।
তাইলে তুমি বলতে চাও যে ভাবনার মিথস্ক্রিয়া প্রথম শ্রেনীর অপরাধ? নাকি কিছুর সমালোচনা করাটা মাস্টারী নামক ব্যাপার?
কাজী ইফতেখার আলম বলেছেন:
এস্কিমো, অন্যকে জ্ঞান দেয়ার আগে নিজের তলানীটা একটু পরখ করে নেন।
উলটো সুযোগ তৈরী করে দেবে ... আজ নিষিদ্ধ ঘোষনা করলে কালই কান্না জুড়ে দেবে, 'দেখো সামহোয়্যারে আমরা অত্যাচারিত' ...ব্লা ব্লা ...
এগুলারে কোনরকম সুযোগ দেয়া যাবেনা
এই ব্লগেই তো এতদিন তা হয়েছে ... যখন গো.আ'দের ৭১এর ভুমিকা নিয়ে অনেকে 'জানিনা' ভাব দেখাইছে তখন সাথেসাথেই গো.আ'র ভুমিকা নিয়া ছবিসহ পোস্ট চলে আসছে ... সেখানেইতো বড় বিজয় ... চামচারা তখন লেজ গুটাইয়া পালাইছে ... ওরা যতবার রাজাকারদের ছবি দিবে আমরা তার দশগুন হেগোর পাপের হিসাব টুলে ধরব ... সেখানে নিশ্চয়ই কেউ বাঁধা দিবেনা আশা করি।
আর হ্যাঁ, বিচারের ব্যাপারটা এখনই শুরু করা উচিৎ ... ভৌগলিক আর ব্যাক্তিগত কারণে বেশী কিছু করতে পারছিনা, পড়াশোনা করছি বিষয়টা নিয়ে।
খুব রাফ যে কার্যপদ্ধতিটা মাথায় আসছে, তা হলো,
১. বিগ ফিশগুলার বিরুদ্ধে জড়ো করা যায় এমন সব সাক্ষ্য-প্রমাণ একত্র করা ... একটু প্রচেষ্টা দিলেই যথেষ্ট জোগাড় হবে
২. গনসচেতনতা তৈরী করা
৩. ১ ও ২ একটা সন্তোষজনক লেভেলে গেলে মামলা করা ... শুধু রাজাকার গং না ... আন্তর্জাতিকভাবে যারা প্রতিষ্ঠিত আছেন তারা পৃথিবীর সম্ভব সবআদালতে মামলা করবেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ...
এজেন্ডা হবে,
১. ৭১ এর পাকিস্তানি অত্যাচারকে বিশ্বের ইতিহাসে 'ভয়াবহতম গনহত্যাগুলোর একটি' হিসেবে ঘোষনা করা
২. জাতিসংঘে পাকিস্টান সরকারকে এজন্য ক;ষমা চাইতে বাধ্য করা
৩. টোটাল কয়াজুয়ালটির ক্ষতিপূরণ দেয়া
আশার আলো বলেছেন:
"ধবল চামড়া" বিষয়টা আরিফ জেবতিক এর আলোচিত পোস্টের একটা মন্তব্যে আছে। যাই হোক ভুলে যান।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
জানতাম তুমি এইটাই কইবা, যাইহোক।যাউকগা দাঁড়ায়া করি নাই, বইসাই করছি- আর ধইরা নাও এই মন্তব্যটা তোমার ব্লগে আরো মাস কয়েক আগেই করার কথা আছিলো। তুমি হেডমাস্টর মানুষ, তোমার লগে মাস্টরী করার এডোম আমার সাজে না।
সমালোচনা করাটা অপরাধ না, কিন্তু সমালোচনার নামে ধূর্তামী করাটা খালি প্রথম শ্রেনী না, বরং যেকোন কিছুর সাপেক্ষেই বর্জনীয় অপরাধ।
তোমার কথাবার্তার ভেতরে যে তোমার মুখোশের খানিকটা লুকাইয়া রাখোনের প্রয়াস থাকে, সেইটা যদি এখন বলি তাইলে নিশ্চই ত্রিভুজের মতো প্রমাণ দেখতে চাইবা না। কিংবা চাইতেও পারো- পৃথিবীতে সবই সম্ভব। হুজুর দেইখা মাইয়া বিয়া দিলেও ঐ শালার পুতে মাইয়াডার পেট এক বছরের ভিতরে বড় কইরা ফালায়, কারে বিশ্বাস করা যায় দুনিয়াতে?
তয় দেইখেন ইদানীং চিন্তা ভাবনা প্রকাশ করলে ধুসর আবার মাইন্ড খায়, পাছে মাস্টারী করে বসেন। (ফাইজলামী করলাম আর কি!)
আশার আলো,
ভুললাম। তয় যে বান্দাই ঐ শব্দ যুগল ব্যবহার কইরাই থাকুক না কেন, কামডা ভালা করে নাই।
এস্কিমো বলেছেন:
করলাম কাজী সাহেব, তেমন কিছু পেলাম না। তবে দেখলাম একজন রাজাকার তলানী খুজছে। কোথা থেকে পেয়েছেন বাক স্বাধীনতার এই সংজ্ঞা? আমেরিকা বা ইউরোপে এসে কথা বলুন না নাজিদের পক্ষে বা হলোকাস্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলুন দেখুন কি হয়। জামাতের দালালী ছেড়ে প্রেমের কবিতায় মন দিন- ভবিষ্যত আছে। জামাতের দালালী করলে খবর আছে!
আমি ভাই আন-অর্থোডক্স খেলি। অর্থোডক্স মাপামাপিতে আমারে মাপতে গেলে ভুল করবা।
beauty in the eye of beholder ধুর্তামী দেখলে সেই ভাবনাডাও তোমার ভিতরেই ব্রাদার। নেগেটিভ চিন্তা না করাই ভালো, গ্রাস কইরা লইবো। পজেটিভ কোয়াড্রেন্টেই থাকো। বেটার।
এস্কিমো বলেছেন:
@কাজী সাহেব - যাবার আগে আরেকটু জ্ঞান নিয়ে যান - আমেরিকাকে ধরা হয় বাক স্বাধীনতার স্বর্গ রাজ্য। আসুন না এখানে আর একটা কথা বলুন ৯/১১ পক্ষে - দেখবেন সকালে আপনি কিউবার এক দ্বীপে। ক্যানাডা একটা জেলখানা তৈরী করেছে যাকে বলে "ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি প্রিজন" - সেখানে বিনাবিচারে মানুষকে আটকে রাখা হয় এবং এমনকি আটকে রাখা মানুষকে কোন অভিযোগে আটকানো হয়েছে তা জানতে দিতে সরকার বাধ্য থাকে না। সুতরাং বাক স্বাধীনতার ছ্যালামীটা আসলে আপনার নিতান্ত কুয়ার ব্যাঙ সুলভ মন্তব্য বা জামাতে দালালী।
বুঝতে পেরেছেন কাজী সাহেব?
মুল কথা হলো বাংলা ভাইকে যে কারনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলা হয়নি সেই একই কারনে জামাতকে বাক স্বাধীনতার সুবিধা পেতে পারে না। কারন এরা দুই দলই হত্যাকারী এবং জনশত্রু।
ক্লিয়ার এনাফ!
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
আমি বেসিক্যালী নেগেটিভ সাইডের মানুষ, কিন্ত দেখার চোখটা এখনো পজিটিভেই রইয়া গেছে যাইহোক। মাপামাপির কাজটা একটা সময় পর্যন্ত তোলা থাকে, যতোক্ষণ না সময় আসে।তোমার শুভাকাঙ্খার জন্য থ্যাংক্স।
এস্কিমো বলেছেন:
আশরাফ রহমান, ইতিহাস বিকৃত করবেন না। স্বাধীনতার পর জামাত নিষিদ্ধ ছিল, এবং শেখ মুজিবকে মেরে জিয়া জামাতকে রাজনীতিতে আসতে সুযোগ দিয়েছে আর তার স্ত্রী দিয়েছে মন্ত্রীত্ব।
আর ভাই আপনার খুবই পছন্দ হলো আদালত বলে মনে হয়। তবে জনতার আদালত হলো সর্বোচ্চ আদালত! বিচারটা সেখানেই আগে হবে, রাজী আছেন।
আমরাতো আমাদের লেখার মাধ্যমে প্রতিদিন সেই আদালতে মামলা করছি।
জামাতের বিরুদ্ধে লিখলে কি হবে না হবে সেটা নিয়ে ভাবিনা। তবে ভাল লাগে যখন দেখি রাজাকার এবং তাদের বংশধররা কাউমাউ করে উঠে। ভাল লাগে যখন রাজাকারের বাচ্চারা উচ্চরক্তচাপের কারনে আবোলতালবোল বকা শুরু করে।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
বাক স্বাধীনতাতো সুদূর ! আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ব্যাবসায়ীরা দ্বিতীয় মতকেই সহ্য করতে পারেন না !
আমরা বহুত লেয়ার অফ পারসেপশনে কন্ডিশনডতো, তাই নিজের পারসেপশনটা লইয়াও তালগোল প্যাচাইয়া ফেলি। যেমন এইযে নেগেটিভ থাইকা পজেটিভ দেখার দাবী খান।
আসলে এইডা মনে হয় ওইদিকেরই হইবো।
হোসেইন বলেছেন:
এই পোস্টটারে আমার প্রিয় পোস্টে রাখলাম।ধবল চামড়ারে ধবল চামড়া কইলে রেসিস্ট একশন হয়,এইটা নিয়া একটা পোস্ট দেন।
চোর বলেছেন:
এক.১। সাদিক সাহেব প্রথমেই ফোকাস করেছেন সবে মাত্র কৈশোর (তিনি অবশ্য কৌশর লিখেছেন) পার হওয়া বালকদের সাথে টিটকারীকারক বেচারা ব্লগারদের প্রতি। আহা! উনার আফসোস দেখে আমারো চোখে পানি এসে যায়। অবশ্য সবে 'কৌশর' পার হওয়া বালকেরা উনার কানের কাছে 'জ্ঞানার্জন'-এর উপদেশ নিয়া ম্যাৎকার করলে উনি কাঁঠাল পাতা দিবেন, নাকি শুকনা খড়, সেটা ক্লিয়ার করেননি। জানতে পারলে ভালো হতো।
২। সাদিক সাহেবের পরবর্তী হাইপোথিসিস মনে হয় ঠিকই আছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা মানুষকে প্রকৃতপক্ষে 'ভালোমানুষ' বানাতে পারে না। অনেকের জন্যই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হয়ে ওঠে শুধু সুবিধাবাদী, স্বার্থপর, ভালোমানুষের মুখোশ পরে কিভাবে নিজের আখের গোছানো যায়, সে শিক্ষা। একাডেমিক সার্টিফিকেট আর 'গুডবয়' ইমেজ থাকলে চুরিদারী কম্ম অতি সহজ হয়ে যায় - একথা আশাকরি উনিও স্বীকার করবেন।
৩। যাউকগা, আগের পয়েন্টে উনার লগে একমত হওয়া গেলেও পরেরটায় অনেক চেষ্টা করেও একমত হতে পারলাম না। পরাজিতদের মুখ খুলতে না দেওয়াটাই যেকোনো যুদ্ধের নিয়ম। রাজাকার-আলবদর-আলশামস এসবের মুখপাত্র, বাঙালির সেরা অর্জন স্বাধীনতা নিয়ে বিভ্রান্তিসৃষ্টিকারীদেরকে আপনি কোন বিবেচনায় চামেচিকনে বাক-স্বাধীনতার ফর্মূলায় ঢুকিয়ে দিলেন, সেটা বুঝলাম না। আপনার অবস্থান ক্লিয়ার করুন। স্বাধীনতা নিয়ে কোনো মধ্যপন্থা নেই। আপনি হয় স্বাধীনতার সমর্থক (সেক্ষেত্রে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারীদেরকে আপনি স্বাধীন বাংলাদেশে বাক-স্বাধীনতার ফর্মূলায় আনবেন না) অথবা আপনি স্বাধীনতার বিরোধী (সেক্ষেত্রে পরাজিত জাতীয় শত্রুকে সাফাই গাওয়ার ছদ্মাবরণে স্বাধীনতার অর্জনকে কলুষিত করার প্রচেষ্টায় সাহায্য করবেন)। অতএব, এ ক্ষেত্রে স্বামীর সাথেও শোবো, বয়ফ্রেন্ডের সাথেও ঘুমাবো নীতি গ্রহণযোগ্য নয়।
দুই.
১। বাঙালির আবেগে 'গইলা পড়া' নিয়া আপনার উপহাসটা আমার স্কুলের হেডমাস্টারের কথা মনে করিয়ে দিলো। উনি রাজাকার ছিলেন। এলাকার এক মুক্তিযোদ্ধার এক ছেলে-এক মেয়ে পড়তো আমার সাথে। ওরা পড়া না পারলে 'ওওওওও আমার সোনার বাংলা' বলে টিটকারী মারতেন।
আচ্ছা, আপনার কি মনে হয়, বাঙালি আবেগবিহীন হলে খুব সুবিধে হতো? দেশপ্রেমটাও আবেগ থেকেই উৎসারিত। সেই আবেগ থেকেই আপনাদের মত আবেগহীন আর জেবতিক আরিফের মত আবেগে 'গইলা পড়া'দের স্বাধীনতার জন্য তারা মেশিনগানের সামনে ঝাপিয়ে পড়েছে। তাঁদের আবেগ অনেকের মাথাব্যথার কারণ হয়েছে বৈ কি! আজ পাকিদের পা চাটতে হলে জিওভাও নিশ্চিত পাকপবিত্র হয়ে যেত। তাঁদের আবেগ সেই পূণ্য অর্জন থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করেছে বৈ কি!
২। আগের ৩ নম্বরেই বলেছি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দেশদ্রোহীর ক্ষেত্রে কিভাবে দেওয়া হয়। আপনার অবস্থান পরিষ্কার করুন।
তিন.
১। ৩৬ বছর ধরে সরকার কিছু করতে পারলো না - হ্যা এটা অনেক সুপরিচিত ডায়লগ। সাথে আপনি আবিষ্কার করেছেন আরেকটি বিধেয় 'পারবে বইলাও মনে হয় না'। এবং এ দুই মিলিয়েই আপনি স্বাধীনতাযুদ্ধাপরাধীদের প্রচারণা বন্ধের দাবীকে যুক্তিহীন বলেছেন, ফাঁকা ইমোশন বলেছেন। আপনার কি ধারণা, সরকারই সব এবং সরকারের বাইরে জনগণ একেবারে বেহুদা? আপনার কি মনে হয়, ৭১এ যে কোটি কোটি মানুষ রাজাকার-আলবদর আর তাদের পাকি পিতাদের দ্বারা অত্যাচারিত হয়েছে, হাসিনা-খালেদা; কিংবা জিয়া-শেখ মুজিবেরা সেই শত্রুদের শাস্তি না দিলেই তাদেরকে ক্ষমা করে দেবে কোটি কোটি মানুষ? হু দ্য ফাক আর দোজ পলিটিশিয়ানস? সাদিক আপনি জেনে নিন, যতদিন বাঙালি জাতির অন্তত একটা আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন মানুষও বেঁচে থাকবে, ততোদিনই তারা ঘৃণা করবে শত্রুদের। সে ঘৃণাকে ফাঁকা ইমোশন বলার মত সুবিধাবাদী, ভন্ড এবং আত্মসম্মান বেঁচে দেওয়া দালালরা যতই দালালি করুক না কেন।
চার.
১। জেবতিক আরিফের পোস্টকে আপনি ইমোশন ড্র করা বলছেন। ব্যবহৃত ছবিতে আপনার তীব্র আপত্তি। ছবিটি নাকি হালকা করে ফেলেছে মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে! বাহবা, সাদিক! আপনার কি মনে হয়, ওটা আরিলের ইমোশন ড্র করা পোস্ট? ওটা কি আরিলের দয়া প্রার্থনাকারী পোস্ট? না। ওটা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্জন সম্পর্কে একজন বিদেশীকে জানানোর পোস্ট। আরিল একজন বিদেশি হিসেবে না-ই জানতে পারেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জন্য কত বড় একটা ব্যাপার। এবং তার বিপক্ষে বলাটা আমাদের একটা জাতীয় অপমান। আরিলকে শুধু সেটা বলে দেওয়ার জন্যই। এখানে যারা লিখে তারা কারো দয়ার মুখাপেক্ষী নয়। জেবতিক আরিফকে এখানে লিখার জন্য কারো সিমপ্যাথী ড্র করতে হয় না, কারো চামচামি করতে হয় না, ব্লগ না থাকলে জেবতিক আরিফের লিখা থেমে থাকবে না; কিন্তু জেবতিক আরিফরা না থাকলে ব্লগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এবং জেবতিক আরিফরা আত্মসম্মানহীন নয়!
মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ছবিটি দেওয়া দরকার ছিলো। কারণ, আপনার মত কেউ কেউ নিজের অস্তিত্বের জন্মবিস্মৃত হয়ে ৩৬ বছরের প্রশ্ন তোলেন। তাদেরকে মনে করিয়ে দিতে হয়, যে সুদূর (আপনাদের ভাষায়) ৩৬ বছর আগে এমনি করে বাংলার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিলো, তাদেরকে মনে করিয়ে দিতে হয়, তাদের জন্মের জন্য, তাদেরকে একটি স্বাধীন দেশ উপহার দেওয়ার জন্য এই মানুষগুলো অকাতরে নিজের প্রাণ দিয়ে গেছে। অকৃতজ্ঞদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য এই ছবিগুলো দরকার, খুবই দরকার।
এই ছবিগুলো দেখলে অবশ্য কারো কারো জ্বলুনি শুরু হয়। পরাজয়ের বেদনার স্মৃতি আবার নোতুন করে মাথাখারাপ করে দেয়। তখন ছবিগুলো মুছে ফেলো, মুছে ফেলো টাইপ প্রলাপ বকতে শুরু করে। সাদিক, ছবিগুলো কি আমরা মুছে ফেলবো? নাকি যাদুঘরে রেখে দেবো? বাংলার মানুষকে ওগুলো দেখানো মনে হয় ঠিক না, কি বলেন?
পাঁচ.
আপনার মুনাজাতে মুক্তিযোদ্ধারা আপনাকে নিশ্চয়ই যারপরনাই দোয়া করেছে। তবে ভন্ডামি উনারা পছন্দ করেন বলে মনে হয় না। জেবতিক আরিফের পোস্টে ছিলো বাংলাদেশ, ছিলো মুক্তিযুদ্ধ। ওখানে ছিলো সমগ্র বাঙালি জাতির গৌরবের ইতিহাস। আপনি সে কথাকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার চেষ্টা কেন করছেন? মুক্তিযোদ্ধাদের আবেগ কিন্তু সাদাকালো চিনে সাদিক। মুক্তিযোদ্ধার চোখ ঠিকই চিনে, কে ভন্ড, কে আসল চোর!
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
আমার মনে হয় সাদিক সাহেব যুক্তির কথাই কৈছে। ইন্টারনেটের ফ্রি ফোরামে কিছু ব্লক না করাই ভালা - তা সে চতুর্ভুজই হোক, জংগি শাসনই হোক, আর সুফি সাদিকই হোক।
তার আনঅর্থডকক্স পোস্টটারে ম্যানিপুলেট কৈরা কিছু জামাতি নিজেগো ফরে লৈছে। আর তালে তালে সো কলড "ভারতী্য় দাদা" গো গাইল-মন্দ কৈরা যাইটাছে। উল্টা রিয়াকশন হিসাবে মুক্তি্যুদ্ধের সাইডের কেউ কেউ "ভাবধারাকে সমর্থন করতে" পারতেছেন না।
ঘোর কলিকাল। গুড পোস্ট সুফী সাদিক!
তয় এক খান হাল্কা সমালোচনা আছিল। পরে কোরুম নি। এখোন কোরলে আবার প্যাচ খায়া যাইব।
অবকাশ বলেছেন:
চিন্তাশীল পোষ্ট। একমত পোষন করলাম @ সাদিক
ত্রিভুজ বলেছেন:
পোষ্টটা আগে লক্ষ করিনি...--------
পাঁচ.
নাম জানা ও অজানা সকল মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত মা, বোন, ভাইদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। তাদের ত্যাগ হোক মহিমাময়, রাজনৈতিক স্লোগানের সস্তা ব্যানারের লেখনী নয়। কখনোই নয়।
---------------------
পুরোপুরি সহমত.. এবং এধরনের বক্তব্যের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারকারীরা আপনাকে অচিরেই রাজাকার উপাধিতে ভূষিত করবে। হয়তো এর ভেতরে করেও ফেলেছে... (মন্তব্যগুলো পড়ি নাই এখনো)..
৫/৫
ফজলে এলাহি বলেছেন:
আগ্রহ নিয়ে পড়লাম প্রয়োজন ছিল পোষ্টটির।
(এতগুলা যুক্তাক্ষর দিয়া মানষে নিক বানায়?!)
ঘোর কলিকাল তো বটেই!
হাল্কা সমালোচনা বা গাঢ়, কইয়া ফ্যালান। প
যুঞ্চিক্ত বলেছেন:
সাদিক বলেছেন :যুঞ্চিক্ত,
(এতগুলা যুক্তাক্ষর দিয়া মানষে নিক বানায়?!)
আমি হয়ত মানুষ নৈ, মানুষগুলো অন্যরকম !
চোর বলেছেন:
ঠিক। মুখোশ খোলার পরে মনে হয় কিছু বলার মানে থাকে না।জেবতিক আরিফের পোস্ট কয়েকবার তন্ন-তন্ন করে খুঁজেও রাজনৈতিক সুবিধা-অর্জনের কিছু উদ্ধার করতে পারি নাই।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
শোন মরমী, তুমি যদি পজিটিভ সাইডের মানুষ হও তাইলে আমি সোৎসাহে, স্বতস্ফুর্তভাবে নেগেটিভ সাইড খুঁইজা লমু। তোমার মতো পজিটিভ আমি হইতে চাইনা, তোমার মতো ভালোমানুষীও আমার করার দরকার নাই। অবস্থান ডাইরেক্ট পরিষ্কার- আগে থাইকা কিছু কমু না, মাগার পোঙ্গায় আইসা ভালোমানুষী টাইপের মুখোশ লইয়া গুঁতাইলে কারো হোগায় বাঁশ দিতেও দ্বিধা করুম না। পারলে কেউ ঠেকাক।
আশার আলো বলেছেন:
সাদিকঃবুমেরাং বলে একটা সহজ সরল অস্ত্র আছে। যতদুর মনে পড়ে অষ্ট্রেলিয়ান আদিবাসীরা ব্যবহার করতো।
আপনার পিছনেও অনেকে সোৎসাহে তাদের অফুরন্ত অমূল্য সময় ব্যয় করছে অকাতরে। কে নতুন কি শিখালো আর আপনি নতুন কি শিখলেন এ নিয়ে একটা সামারাইজ পোস্ট দিতে পারেন আমাদের মতো মূর্খদের জন্যে।
মুখোশ রিলেটেড অবসেসনটা আপনার নিউরনে। কি মুখোশ খুইলা কি দ্যাখলেন যদি বলতেন তাইলে সৌন্দর্য হইতো। আমারে রাজাকার সাব্যস্ত করাডাও আপনাগো আরেকটা নিউরাল ফ্যান্টাসী। গেট সাম লাইফ!
ধুসর,
হইলো না ব্রাদার।
আশার আলো,
কে কারে মুর্খ কয়! আমি মিয়া এক্কারে মুর্খ।
চোর বলেছেন:
সাদিক সাহেব, অবশেষে আমার মন্তব্যে আপনার রিঅ্যাকশনে প্রীত হলাম। আগে বিশাল একটা মন্তব্য দেওয়ার পরে দেখি আপনের নাকি সেইডার বিষয়ে কিছু কওনের নাই। 'গেট সাম লাইফ!' এ ত্রিভুজীয় ডায়লগের জন্যও অনেক ধন্যবাদ। পুবাকাশে সূর্য উঠতেছে, কুয়াশার বেইল শ্যাষ!
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
সাদিক পরিস্কার কইরা কথা কইতে কি তোমার হুজুরের নিশেধ আছে?
অরূপ বলেছেন:
হক মওলা!
আরশাদ রহমান বলেছেন:
আমি লেখাটা অনেক দিন পরে পড়ছি এবং এতো দিনে অনেক কিছু হয়ে গেছে। আমি আশা করছি আপনি যা বোঝাতে চেয়েছেন তা হয়তো ঠিক মত প্রকাশ করতে পারেননি। প্রচার মাধ্যম এবং ইন্টারনেট এ স্বাধীনতার ব্যাপরে আমার কোন দ্বিমত নাই। কিন্তু আপনাকে একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে রাজাকারদের বিচার কেন হয়নি কবে হবে কিংবা আমাদের রাজনীতিকরা কিছু করলো না কেন তার তার উপর নির্ভর করে আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে যা ইচ্ছা তা কেউ বললেই তা সচেতন হিসাবে আমদের মেনে নেয়া ঠিক না।মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমিও আবেগী এবং তা মোটেও আমি অযৌক্তিক মনে করিনা।
অন্য যেকোন দেশের নাগরিকরাও একই আচরন করবে। হিটলারের গণহত্যা কে সমর্থন করে কেউ যদি যুক্তরাজ্য যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল কিংবা কানাডায় কোনো ব্লগ কিংবা ফোরামে কেউ লিখার স্বাধীনতা কাউকে দিবে বলে মনে করিনা। বরং আইংত ভাবে শাস্তির ব্যবস্থা করবে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমরা বিভিন্ন ভাবে বিকৃত করেছি এবং আমাদের সহনশীলতার সুযোগে স্বাধীনতা বিরোধী এবং মৌলবাদীরারা দিনে দিনে তাঁদের স্পর্ধা বিভিন্নভাবে প্রদর্শন করছে।
আপানি হয়তো চাননি কিন্তু তারপরেও এই টুকু বলবো হয়তোবা স্বাধীনতা বিরোধীরা উৎসাহ পেতেও পারে। আশা করবো আপনি আরেকটি পোস্টে আপনার মনের ভাব আরো ভালো ভাবে প্রকাশ করবেন।
আবদুল্লাহ আল জাফর মালেক বলেছেন:
হায়রে ছুপি
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















